সংবাদপত্র হকার্স কল্যাণ বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেডের সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেন বলেছেন, আগে সংবাদপত্রের এত শ্রেণিবিন্যাস ছিল না। আজকের দুনিয়ায় সংবাদ- মাধ্যম বা গণমাধ্যমকে নানা শ্রেণিতে ভাগ করা হয়। প্রিন্ট মিডিয়া, টেলিভিশন বা ভিজুয়াল মিডিয়া ও অনলাইন মিডিয়া। তবে বাজার বাস্তবতার এ সময়ে প্রতিটি গণমাধ্যমেরই আবার অনলাইন ভার্সন রয়েছে। সেখানে ছাপা অক্ষর, ভিজুয়াল কন্টেন্টগুলো থাকে। বর্তমানে এ তিনটির সঙ্গে যোগ হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়া বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। আজকের এ সময়ে গণমাধ্যমসহ ব্যক্তি মানুষের প্রায় সবারই একটি করে ফেসবুক পাতাও আছে। তবে সবকিছু ছাপিয়ে মানুষের আস্থার জায়গায় রয়েছে সংবাদপত্র। গতকাল বাংলাদেশ প্রতিদিনের সঙ্গে একান্ত আলাপে তিনি এসব কথা বলেন। কামাল হোসেন বলেন, সামাজিক মাধ্যমে দিনে অনেক খবরই ঘুরে বেড়ায়। কেউ বিশ্বাস করে, আবার অনেকে এড়িয়ে যায়। কারণ মানুষের ইচ্ছামতো অভিমত ব্যক্ত করে, আবার তা ডিলিট করে ফেলে। সুতরাং অনলাইন ও সামাজিক মাধ্যম আস্থার জায়গায় নেই। ছাপা পত্রিকা ঐতিহাসিকভাবে যুগ যুগ ধরে আস্থা বহন করে আসছে। তিনি বলেন, দেশে সংকটকালীনও মানুষ পত্রিকা পড়ছে। বিশেষ করে করোনাকালীন এবং বর্তমান উচ্চ মূল্যের বাজারেও ঘরে ঘরে পত্রিকা পড়ছে মানুষ। দোকানে, পরিবহনে, রাস্তাঘাটে সব স্থানে পত্রিকা পড়ছে। এই অনলাইনের যুগেও কাগুজে পত্রিকার ছাপা কমছে না। বরং দিনদিন বাড়ছে। প্রায়ই নতুন নতুন পত্রিকা বের হচ্ছে। বিক্রিও হচ্ছে। সুতরাং সংবাদপত্রের গুরুত্ব রয়েছেই। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ প্রতিদিন এখনো প্রচার সংখ্যায় শীর্ষে অবস্থান করছে। এ পত্রিকাটি সবারই জনপ্রিয়। বাসাবাড়ি, দোকান, অফিস-আদালত, পরিবহন, রাস্তাঘাটসহ সব খানে পত্রিকাটির গ্রাহক রয়েছে। পত্রিকাটিতে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, ব্যাংক-বিমা, অপরাধ, নারী নির্যাতন, স্বাস্থ্য, দুর্ভোগসহ সব বিভাগের সংবাদ থাকে। একই সঙ্গে বিভাগ, জেলা-উপজেলা, ইউনিয়ন, চরাঞ্চলসহ সব জায়গার সংবাদ থাকে। বাংলাদেশ প্রতিদিনের এই অগ্রযাত্রা সব সময় অব্যাহত থাকুক সেই সাফল্য কামনা করি।
লেখক : সাধারণ সম্পাদক, সংবাদপত্র হকার্স কল্যাণ বহুমুখী সমবায় সমিতি লি.