অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের নতুন সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অধ্যাপক চৌধুরী রফিকুল আবরার (সি আর আবরার)। গতকাল বেলা ১১টায় বঙ্গভবনে তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
এ ছাড়া প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিশেষ সহকারী হয়েছেন শেখ মইনউদ্দিন ও ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। গতকাল এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে উপদেষ্টাদের দায়িত্ব পুনর্বণ্টন করার প্রজ্ঞাপনও জারি করেছে। সি আর আবরার নতুন উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নেওয়ার পর তাঁকে শিক্ষা উপদেষ্টার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। শিক্ষা ও পরিকল্পনা উপদেষ্টার দায়িত্বে ছিলেন অধ্যাপক ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ। এখন তাঁর হাতে শুধু পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় থাকছে। পৃথক প্রজ্ঞাপনে প্রতিমন্ত্রী মর্যাদায় দুজন বিশেষ সহকারী নিয়োগের কথা জানানো হয়। তাদের মধ্যে শেখ মইনউদ্দিন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং ফয়েজ আহমেদ তৈয়্যব ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালন করবেন। ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় রয়েছে খোদ প্রধান উপদেষ্টার হাতে। আর সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছেন উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনে বলেছে, নতুন দুজন বিশেষ সহকারী প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা, বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা পাবেন। এর আগে একই পদমর্যাদায় তিনজন বিশেষ সহকারীকে তিনটি দপ্তরের দায়িত্ব দিয়েছিলেন প্রধান উপদেষ্টা। নতুন দুজনকে নিয়ে বিশেষ সহকারী হলেন পাঁচজন। গণ অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গত ৮ আগস্ট অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকারের যাত্রা শুরু হয়। প্রথম দফায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ১৬ জন এবং দ্বিতীয় দফায় আরও চারজন উপদেষ্টা সরকারে যুক্ত হন। সবশেষ গত ১০ নভেম্বর তিনজন শপথ নিলে অন্তর্বর্তী সরকারে উপদেষ্টার সংখ্যা হয় ২৪ জন। তাদের মধ্যে এএফ হাসান আরিফ গত ২০ ডিসেম্বর মারা যান। আর রাজনীতিতে যোগ দিতে ২৬ ফেব্রুয়ারি সরকার থেকে পদত্যাগ করেন নাহিদ ইসলাম।