চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলায় ‘ডাকাত সন্দেহে’ দুজনকে পিটিয়ে হত্যা করেছে বিক্ষুব্ধ জনতা। নিহতরা হলেন- আবু ছালেক ও নেজাম উদ্দীন। তাদের নিজেদের কর্মী দাবি করেছেন জামায়াতে ইসলামী সাতকানিয়া উপজেলার কাঞ্চনা ইউনিয়নের সেক্রেটারি জায়েদ হোসেন। তিনি বলেন, ‘তাদের পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছে।’
সোমবার দিবাগত রাতে সাতকানিয়া উপজেলার এওচিয়া ইউনিয়নের ছনখোলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এর আগে ওই দুজনের গুলিতে স্থানীয় পাঁচজন আহত হয়েছেন। তারা হলেন- ইকবাল, ওবায়দুল হক, আব্বাস উদ্দিন, মামুনুর রশিদ ও নাসির উদ্দিন। তাদের মধ্যে ইকবাল ও ওবায়দুল হকের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। আহতদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
স্থানীয়রা জানান, গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর এলাকায় প্রভাব বিস্তার বাড়াতে থাকে কতিপয় সন্ত্রাসী। বিশেষ করে মধ্যম সাতকানিয়া এলাকা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে নেয় নেজাম উদ্দীন, আবু ছালেক, আবু আবু তাহের আদাইয়া, জাহেদ ও রিফাত। সোমবার দিবাগত রাতে নেজামদের ছনখোলা এলাকায় ডেকে নিয়ে যায় একটি পক্ষ। পরে মসজিদের মাইকে ডাকাত ঘোষণা দিয়ে তাদের ওপর হামলা করা হয়। এ সময় নেজামরাও গুলি ছোড়ে। এতে কয়েকজন আহত হলে একপর্যায়ে তাদের গণপিটুনি দেন এলাকাবাসী।
সাতকানিয়া থানার ওসি জাহেদুল ইসলাম বলেন, ডাকাত সন্দেহে তাদের গণপিটুনি দেন এলাকাবাসী। এতে তাদের মৃত্যু হয়। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে।