পারিবারিক কলহের জেরে স্বামীকে হত্যার পর এক নারী গলায় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। বৃহস্পতিবার রাতে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়নের বোয়ালিয়া গ্রামে এক ভাড়া বাড়িতে চাঞ্চল্যকর এ ঘটনা ঘটে। এ দম্পতি হলেন আবুল কালাম আজাদ (৪৫) ও তার দ্বিতীয় স্ত্রী নাজমিন (৩০)। কাপড় ব্যবসায়ী আবুল কালাম আজাদ কলারোয়া উপজেলার কাশিয়াডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা।
স্থানীয়রা জানান, পারিবারিক কলহের জেরে নাজমিন প্রথমে স্বামীকে হত্যা করেন। এরপর একটি চিরকুট লিখে নিজেও গলায় ফাঁস নেন।
চিরকুটে লেখা ছিল- ‘আমি সবকিছু শেষ করে দিলাম। আমি ২টা ৩১ মিনিটে মারছি, এবার আমিও মরছি। একা হলেও বাঁচব না, কারণ শারমিন ও তার পরিবার আমাকে শেষ করে দেবে। তাই আমরা দুজন মরে গেলাম। এবার তোমরা সংসার করো ভালো করে। আর কেউ বিরক্ত করবে না। আমার ছেলে কষ্ট পাবে, তার পরও কালামের জন্য আমি সবাইকে কষ্ট দিলাম। তবু সে আমাকে কষ্ট দিল, শয়তান একটা।’
নাজমিন স্বামীকে হত্যার পর তার বুকের ওপর কলম দিয়ে লেখেন, ‘সরি জান, আই লাভ ইউ’। পরে নিজেও ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেন।
স্থানীয়রা জানান, আবুল কালাম আজাদের দুই স্ত্রী। বড় স্ত্রী শারমিনের সঙ্গে তার সুসম্পর্ক ছিল না। নাজমিন একসঙ্গে বসবাসের দাবি জানিয়ে শারমিনকে ফোন করেন। কিন্তু শারমিন রাজি না হওয়ায় ক্ষোভ থেকেই এ ঘটনা ঘটিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামিনুল হক বলেন, তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।