শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ০৯ মার্চ, ২০২৫ আপডেট: ০০:১১, রবিবার, ০৯ মার্চ, ২০২৫

মব জাস্টিস ধ্বংস করছে বিপ্লবের সব অর্জন

অদিতি করিম
প্রিন্ট ভার্সন
মব জাস্টিস ধ্বংস করছে বিপ্লবের সব অর্জন

এক গ্লাস দুধ নষ্ট করতে যেমন এক ফোঁটা চুনই যথেষ্ট। একটি দুষ্ট বানরই যেমন সাজানো বাগান তছনছ করার জন্য যথেষ্ট, তেমন একটি বিরাট অর্জন ধ্বংস করতে পারে মাত্র একটি বিচ্যুতি। জুলাই বিপ্লবের সব অর্জন ইদানীং যেন চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে মব নামের উচ্ছৃঙ্খলতা। মঙ্গলবার (৪ মার্চ) সন্ধ্যায় বন ও পরিবেশবিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকের পর নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, সরকার মব জাস্টিস বন্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে। এ ধরনের মব জাস্টিস বন্ধের জন্য সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। উপদেষ্টা যেদিন এ সংবাদ সম্মেলন করলেন সেদিন মধ্যরাতের পর সবচেয়ে অভিজাত এলাকা হিসেবে পরিচিত গুলশানের একটি ফ্ল্যাটে অতর্কিত আক্রমণ চালাল কিছু দুর্বৃত্ত। তারা নিজেদের ছাত্র-জনতা হিসেবে পরিচয় দিয়ে নির্বিচারে ফ্ল্যাটের তালা ভাঙল, তছনছ করল, লুটপাট করল। এক ঘণ্টার বেশি চলল এ লুণ্ঠন। তাদের সমস্ত তা ব যখন শেষ হলো সেই মুহূর্তে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে প্রবেশ করলেন। তারা এ দুর্বৃত্তদের সঙ্গে বৈঠক করলেন এবং তাদের নির্ভয়ে নিরাপদে প্রস্থানের সুযোগ করে দিলেন। দুর্বৃত্তরা প্রস্থানের পথে চিৎকার করে বলেছিল, তারা শুনেছে যে এখানে এইচ টি ইমামের ছেলে তানভীর ইমামের অবৈধ সম্পদ রয়েছে। এ কারণে তারা এসেছিল। যদি কেউ শুনেই থাকেন কোনো অপরাধী অবৈধ সম্পদ কোনো ফ্ল্যাট বা বাড়িতে লুকিয়ে রেখেছে, তাহলে তিনি কী করবেন? তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বলবেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় এসে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। কিন্তু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবহিত না করে, আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার যে ভয়ংকর প্রবণতা, যাকে আমরা এখন বলছি মব জাস্টিস, সেটির আরেকটি ভয়ংকর রূপ মানুষ দেখল গুলশানে। জনগণের তীব্র নেতিবাচক প্রতিক্রিয়ার পর ছাত্র-জনতা নামধারী ডাকাত দলের মাত্র তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। অথচ পুলিশের নাকের ডগায় এটা ঘটেছে। তারা লুটপাট করেছে কি না সেটি বাদ দিলাম। তারা যে একটি বাড়িতে অবৈধভাবে প্রবেশ করেছে, তালা ভেঙেছে, এটি বাংলাদেশের ফৌজদারি আইনে দ নীয় অপরাধ। শুধু একটি নয়, এ রকম ঘটনা এখন প্রতিনিয়তই ঘটেই যাচ্ছে বিভিন্ন স্থানে। এর মধ্যে ঢাকার খবর আমরা জানছি, কিন্তু অধিকাংশ জেলার খবর আমাদের অগোচরে থেকে যাচ্ছে।

আইন ও সালিশ কেন্দ্রের হিসাবে গত আগস্ট থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত চার মাসে গণপিটুনিতে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে ৯৬টি। গত সাত মাসে বিভিন্ন স্থানে মব জাস্টিস করে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে ২৩৩টি। কোনো জায়গা মব জাস্টিস থেকে মুক্ত নয়। আদালত প্রাঙ্গণ থেকে শুরু করে বাসাবাড়ি, এমনকি নারীরা মব জাস্টিসের শিকার হচ্ছেন অনাকাঙ্ক্ষিত কারণে। আর এসব যদি সরকার প্রতিরোধ করতে না পারে, তাহলে গণ অভ্যুত্থানের অর্জন যেমন প্রশ্নবিদ্ধ হবে, আমাদের বিপ্লবের ফসল আমরা ঘরে তুলতে পারব না।

৫ আগস্ট আওয়ামী লীগের পতনের পর যে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেছিলেন এ দেশের ছাত্র-তরুণরা, তারা এ রকম নির্বিচার আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া, পাড়ায় মহল্লায় নতুন দানব তৈরি হওয়া চাননি। তারা চেয়েছিলেন এমন একটি বাংলাদেশ, যে বাংলাদেশে কেউ ক্ষমতার দাপট দেখাতে পারবে না। কেউ কাউকে দমন করবে না, কেউ কাউকে নিষ্পেষণ করবে না। অর্থাৎ একটা নিষ্পেষণ এবং পরাধীনতামুক্ত স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেই জুলাই বিপ্লব সংঘটিত হয়েছিল। কিন্তু জুলাই বিপ্লবের পর আমরা দেখছি প্রতিনিয়ত নানা রকম মব জাস্টিসের ঘটনা ঘটছে। ধর্ষণ, খুন, লুটতরাজ যেন এখন নিত্যকার বিষয়ে পরিণত হয়েছে। গত সাত মাসে কিছু সংঘবদ্ধ দুর্বৃত্ত তৈরি হয়েছে পাড়ায় মহল্লায়। অপরাধী চক্র এখন ছাত্র-জনতার বেশে অপরাধ করছে। এ অপরাধীরা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাচ্ছে। কিন্তু সবচেয়ে বড় কথা, জুলাই বিপ্লবের নায়কদের ইমেজ নষ্ট করছে। সমাজে তাদের সম্পর্কে ভুল ধারণা ছড়িয়ে দিচ্ছে। এটা খুব ভয়ংকর প্রবণতা। গুলশানে যেভাবে একটি বাড়িতে নির্বিচার কয়েকজন দুর্বৃত্ত ঢুকে পড়েছিল, ঠিক তেমনভাবে বিভিন্ন স্থানে কিছু মানুষ জড়ো হয়ে ইচ্ছামতো বিচার হাতে তুলে নিচ্ছে। যে কোনো নিরীহ মানুষের ওপর চড়াও হচ্ছে। এমনকি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও বাদ যাচ্ছেন না মব জাস্টিস-এর আক্রমণ থেকে। নৈরাজ্যকর এক মস্তানতন্ত্র তৈরি হয়েছে। আপনি যদি ২০-২৫ জন লোক জড়ো করতে পারেন, তা হলেই আপনি আপনার চিহ্নিত শত্রুকে পথে ঘাটে ইচ্ছামতো পেটাতে পারবেন। আপনার এ অন্যায় বাধা দেওয়ার কেউ নেই এবং এ ২০-২৫ জনের সঙ্গে আরও হয়তো উৎসুক জনতা যুক্ত হবে; সব মিলিয়ে যেন পৈশাচিকতার উৎসব করবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এসেও দাঁড়িয়ে থাকবে। তারা বোঝার চেষ্টা করবে আসলে কী হচ্ছে, কেন হচ্ছে? ততক্ষণে যা ঘটার ঘটবে।

৪ মার্চ রাজধানীর ভাটারার জগন্নাথপুরে মব তৈরি করে ইরানের দুজন নাগরিকসহ তিনজনকে মারধরের ঘটনা ঘটে। মঙ্গলবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ এ বিদেশি দুজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। পুলিশ জানায়, ইরানের দুই আহত নাগরিক মোহাম্মদ আহমদ (৭৪) ও তাঁর নাতি মো. মেহেদি (১৮)। তাঁরা বাংলাদেশে বেড়াতে এসেছিলেন। আহত অন্যজনের খোঁজ পাওয়া যায়নি। তিনি দুজন বিদেশি নাগরিককে তাঁর গাড়িতে এনেছিলেন। ঘটনার পরে তিনি পালিয়ে যান। এখন প্রশ্ন হলো, একজন বিদেশি যদি এ ধরনের ঘটনার শিকার হন, তাহলে আমাদের নিরাপত্তা কোথায়? ৫ আগস্টের পর কিছু সুযোগসন্ধানী প্রথম এ ধরনের সুযোগ নেয়। তারা বুঝতে পারে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কারও নিয়ন্ত্রণে নেই, দেশের পুলিশ বাহিনী অকার্যকর। কোথাও পুলিশ কাজ করছে না। এ রকম অবস্থায় তারা প্রথমে কিছু চিহ্নিত বাড়িঘর নির্বিচার লুটপাট করে। ৫ আগস্ট বিভিন্ন বাড়িঘরে যারা লুটপাট করেছে তারা কেউই আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়। এটা আন্দোলনের কোনো চেতনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তারা প্রকৃতই দুর্বৃত্ত এবং অপরাধী। যখন আস্তে আস্তে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সামাল দেওয়া শুরু করে, পুলিশ কাজে নামা শুরু করে, সেনাবাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দেওয়া হয়, তখন এ সমস্ত অপরাধী ভিন্ন কৌশল অবলম্বন করতে শুরু করে। যেহেতু ছাত্ররা বিপ্লবের পর আলাদা একটি শক্তি হিসেবে এবং জনপ্রিয়তার দিক থেকে অন্য রকম একটি অবস্থানে আসীন হয়েছেন, সেজন্য এ ছাত্র-জনতার পরিচয়টি ব্যবহার করা শুরু করে দুর্বৃত্তরা। তারা বিভিন্ন বাড়িঘরে আক্রমণ করে এবং সন্ত্রাস, চাঁদাবাজির মাধ্যমে সমাজে অস্থিতিশীলতার চেষ্টা করছে। ধরা যাক, আপনার সঙ্গে একজন ব্যক্তির গন্ডগোল রয়েছে। আপনি একজন মস্তান ভাড়া করলেন এবং সেই মস্তান আরও কয়েকজনকে জড়ো করল, তারা নিজেদের ছাত্র-জনতা পরিচয় দিল, কেউ বা পরিচয় দিল বৈষম্যবিরোধী ছাত্রনেতা হিসেবে। কে যাচাই করবে আসলে তিনি কে? এইভাবে তারা একটি বাড়িতে, অফিসে, দোকানে কিংবা অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানে গিয়ে আক্রমণ চালাল এবং ক্ষয়ক্ষতি করল। এ সমস্ত ঘটনায় বদনাম হচ্ছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের এবং অভ্যুত্থানের নেতৃত্ব দানকারী শিক্ষার্থীদের। আর এটি দ্রুত বন্ধ না করতে পারলে এ বিষয়টি জনগণের মধ্যে শিক্ষার্থীদের সম্পর্কেই নেতিবাচক ধারণা সৃষ্টি করবে। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, জুলাই বিপ্লবে যারা অগ্রণী সৈনিক ছিলেন বা জুলাই বিপ্লবে যারা সম্পৃক্ত ছিলেন তারা কখনোই এ ধরনের দুর্বৃত্তায়ন, চাঁদাবাজি সন্ত্রাসের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকতে পারেন না। তারা নতুন বাংলাদেশের বীর মুক্তিযোদ্ধা। ৭১-এ মহান মুক্তিযুদ্ধের পরও একইভাবে মুক্তিযোদ্ধাদের চরিত্রহননের নানা ষড়যন্ত্র হয়। অপরাধীরা লুটপাট, ছিনতাই, রাহাজানি করে মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় ব্যবহার করে। এর কঠিন মূল্য দিতে হয়েছে জাতিকে। এ ষড়যন্ত্রকারী মহল সে সময় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বিতর্কিত করার চেষ্টা করে সফল হয়েছিল। এখন জুলাই বিপ্লবের নায়কদেরও বিতর্কিত করার চক্রান্ত চলছে। মনে রাখতে হবে, জুলাই বিপ্লবে নেতৃত্ব দেওয়া শিক্ষার্থীরা নতুন বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা। কাজেই তাদের ব্যবহার করে যারা এটা করছে, তারা আসলে ফ্যাসিবাদের দোসর, তারা আসলে স্বৈরাচারের সহযাত্রী। তারাই বাংলাদেশে স্বৈরাচার পুনর্বাসন করতে চায় এবং এ কারণেই তারা এ ধরনের কুৎসিত এবং অগ্রহণযোগ্য খেলায় মেতে উঠেছে। এ ক্ষেত্রে সরকারকে দায়িত্বশীল এবং কঠোর হতে হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে এ ব্যাপারে নির্মোহ হতে হবে। একটা কথা মনে রাখতে হবে, অপরাধীর কোনো দলীয় পরিচয় নেই। যারা আক্রমণ করেছে তারা আক্রমণকারী, তারা ছাত্র কি অছাত্র, জনতা কি দুর্বৃত্ত এটি দেখা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাজ নয়। অপরাধীকে নির্মোহভাবে আইনের আওতায় আনতে হবে। মানুষের ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে যাচ্ছে। মব জাস্টিস যদি বন্ধ না হয় তাহলে এ বিপ্লবের অর্জন ব্যর্থ হয়ে যাবে। মব জাস্টিস এখন বিপ্লবের প্রতিপক্ষ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশে প্রতিবিপ্লবের আবহ সৃষ্টি করছে এ মব জাস্টিস। মব জাস্টিস বন্ধ করার জন্য শুধু কথা নয়, কাজও দরকার।

অদিতি করিম : নাট্যকার ও কলাম লেখক

ইমেইল : [email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেই স্থানীয় পর্যায়ে
বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেই স্থানীয় পর্যায়ে
ঈদযাত্রায় প্রাণহানি অর্ধশত
ঈদযাত্রায় প্রাণহানি অর্ধশত
ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ
ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ
মোদির চিঠি শাহবাজের টেলিফোন
মোদির চিঠি শাহবাজের টেলিফোন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো উঠছে টেবিলে
গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো উঠছে টেবিলে
শহীদদের কবর জিয়ারতে নাহিদ
শহীদদের কবর জিয়ারতে নাহিদ
ভারতের ঘটনার প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশে দেখা যায়
ভারতের ঘটনার প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশে দেখা যায়
নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সংস্কার প্রয়োজন
নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সংস্কার প্রয়োজন
৩২ শহীদ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন জামায়াত আমিরের
৩২ শহীদ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন জামায়াত আমিরের
স্বস্তির ঈদ উদ্‌যাপন
স্বস্তির ঈদ উদ্‌যাপন
ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য সহায়তার হাত বাংলাদেশের
ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য সহায়তার হাত বাংলাদেশের
সর্বশেষ খবর
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা

এই মাত্র | রাজনীতি

বাড়তে পারে ঢাকার তাপমাত্রা
বাড়তে পারে ঢাকার তাপমাত্রা

২ মিনিট আগে | নগর জীবন

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

৪ মিনিট আগে | জাতীয়

বগুড়ায় স্বাধীনতা কনসার্ট 'সবার আগে বাংলাদেশ'র ভেন্যু পরিদর্শন
বগুড়ায় স্বাধীনতা কনসার্ট 'সবার আগে বাংলাদেশ'র ভেন্যু পরিদর্শন

৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের
পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের

১৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা
ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা

৩৩ মিনিট আগে | জাতীয়

বায়ুদূষণে আজ ১৫তম ঢাকা
বায়ুদূষণে আজ ১৫তম ঢাকা

৩৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলি হামলায় আরও ৭৭ ফিলিস্তিনি নিহত
ইসরায়েলি হামলায় আরও ৭৭ ফিলিস্তিনি নিহত

৫২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন
প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন

৫৬ মিনিট আগে | জাতীয়

শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প
শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ছেলের মৃত্যুর শোক সইতে না পেরে মায়ের মৃত্যু
ছেলের মৃত্যুর শোক সইতে না পেরে মায়ের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

বাড়তি ভাড়া আদায়, পরিবহনকে অর্ধলাখ টাকা জরিমানা
বাড়তি ভাড়া আদায়, পরিবহনকে অর্ধলাখ টাকা জরিমানা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতে আতশবাজির কারখানায় বিস্ফোরণ, নিহত ২১
ভারতে আতশবাজির কারখানায় বিস্ফোরণ, নিহত ২১

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে আজ ব্যাংকক যাবেন প্রধান উপদেষ্টা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে আজ ব্যাংকক যাবেন প্রধান উপদেষ্টা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৮ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি কমলো ৪.৪১ শতাংশ
৮ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি কমলো ৪.৪১ শতাংশ

৬ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা
হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা

৭ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩ এপ্রিল)

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নিখোঁজ প্রতিবন্ধীর লাশ মিললো ডোবায়
নিখোঁজ প্রতিবন্ধীর লাশ মিললো ডোবায়

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টুঙ্গিপাড়ায় মাহেন্দ্র-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২
টুঙ্গিপাড়ায় মাহেন্দ্র-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জমি নিয়ে বিরোধে বোনের হাতে প্রাণ হারালো ভাই
জমি নিয়ে বিরোধে বোনের হাতে প্রাণ হারালো ভাই

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চাঁদপুরে দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার
চাঁদপুরে দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের তৃতীয় দিনে দেড় লাখ দর্শনার্থীতে মুখর চিড়িয়াখানা
ঈদের তৃতীয় দিনে দেড় লাখ দর্শনার্থীতে মুখর চিড়িয়াখানা

১১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মেঘনা নদীতে গোসল করতে নেমে তরুণ নিখোঁজ
মেঘনা নদীতে গোসল করতে নেমে তরুণ নিখোঁজ

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের দিন ঘুরতে বেরিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেফতার
ঈদের দিন ঘুরতে বেরিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেফতার

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের
উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!
১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কোস্টারিকার নোবেলজয়ী সাবেক প্রেসিডেন্টের মার্কিন ভিসা বাতিল
কোস্টারিকার নোবেলজয়ী সাবেক প্রেসিডেন্টের মার্কিন ভিসা বাতিল

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ দিল ইতালি, যা রয়েছে নতুন আইনে
নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ দিল ইতালি, যা রয়েছে নতুন আইনে

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের
উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গুলশান-বনানীর সড়ক ব্যবহারে ট্রাফিকের নতুন নির্দেশনা
গুলশান-বনানীর সড়ক ব্যবহারে ট্রাফিকের নতুন নির্দেশনা

১৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলবিরোধী পোস্ট করলেই বাতিল হতে পারে মার্কিন ভিসার আবেদন
ইসরায়েলবিরোধী পোস্ট করলেই বাতিল হতে পারে মার্কিন ভিসার আবেদন

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সেভেন সিস্টার্স প্রসঙ্গে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ
সেভেন সিস্টার্স প্রসঙ্গে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

লোহিত সাগরে মার্কিন রণতরী লক্ষ্য করে হুথিদের একের পর এক হামলা
লোহিত সাগরে মার্কিন রণতরী লক্ষ্য করে হুথিদের একের পর এক হামলা

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা
হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা

৭ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

আন্তর্জাতিক আইন ভেঙে ফেসবুকে ইসরায়েলি বসতির প্রচার
আন্তর্জাতিক আইন ভেঙে ফেসবুকে ইসরায়েলি বসতির প্রচার

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজায় বিশাল এলাকা দখল করে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত করার ঘোষণা
গাজায় বিশাল এলাকা দখল করে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত করার ঘোষণা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে ন্যূনতম যে সংস্কার প্রয়োজন তা করতে হবে’
‘নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে ন্যূনতম যে সংস্কার প্রয়োজন তা করতে হবে’

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মিয়ানমারের ভূমিকম্প: নামাজরত অবস্থায় ৫ শতাধিক মুসল্লির মৃত্যু
মিয়ানমারের ভূমিকম্প: নামাজরত অবস্থায় ৫ শতাধিক মুসল্লির মৃত্যু

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যপ্রাচ্যে আরও রণতরী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, বাড়ছে উত্তেজনা
মধ্যপ্রাচ্যে আরও রণতরী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, বাড়ছে উত্তেজনা

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে নির্বাচন : প্রেস সচিব
২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে নির্বাচন : প্রেস সচিব

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সীমানা পেরিয়ে হামলা চালাল পাকিস্তানি সেনারা, ভারত বলছে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন
সীমানা পেরিয়ে হামলা চালাল পাকিস্তানি সেনারা, ভারত বলছে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!
১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস
শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মার্কিন প্রস্তাব মানতে নারাজ রাশিয়া
ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মার্কিন প্রস্তাব মানতে নারাজ রাশিয়া

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ধোঁয়াশার কিছু নেই, ডিসেম্বর-জুনের মধ্যেই নির্বাচন হবে : তথ্য উপদেষ্টা
ধোঁয়াশার কিছু নেই, ডিসেম্বর-জুনের মধ্যেই নির্বাচন হবে : তথ্য উপদেষ্টা

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাঙ্গেরিতে গেলেই নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারের আহ্বান এইচআরডব্লিউ’র
হাঙ্গেরিতে গেলেই নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারের আহ্বান এইচআরডব্লিউ’র

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কাশ্মীর সীমান্তে উত্তেজনা, ৫ পাকিস্তানি সেনা হত্যার দাবি ভারতের
কাশ্মীর সীমান্তে উত্তেজনা, ৫ পাকিস্তানি সেনা হত্যার দাবি ভারতের

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক নিয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রসচিব
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক নিয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রসচিব

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বৃহস্পতিবার থাইল্যান্ড যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা
বৃহস্পতিবার থাইল্যান্ড যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চট্টগ্রামে ৬ মাসে বন্ধ ৫২ কারখানা, কাজের আদেশ কমেছে ২৫ শতাংশ
চট্টগ্রামে ৬ মাসে বন্ধ ৫২ কারখানা, কাজের আদেশ কমেছে ২৫ শতাংশ

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সিলেটে মধ্যরাতে বিএনপি-যুবদল সংঘর্ষ, আহত ১৫
সিলেটে মধ্যরাতে বিএনপি-যুবদল সংঘর্ষ, আহত ১৫

২৩ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট হাসপাতালে, আছেন নিবিড় পর্যবেক্ষণে
পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট হাসপাতালে, আছেন নিবিড় পর্যবেক্ষণে

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রেনের ছাদে টিকটক করতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই যুবকের
ট্রেনের ছাদে টিকটক করতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই যুবকের

১৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলতি সপ্তাহে রোহিঙ্গাদের জন্য ১৭ হাজার টন খাদ্য পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
চলতি সপ্তাহে রোহিঙ্গাদের জন্য ১৭ হাজার টন খাদ্য পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে

সম্পাদকীয়

চোখের পলকে চুরি-ছিনতাই
চোখের পলকে চুরি-ছিনতাই

পেছনের পৃষ্ঠা

সর্বত্র ভোটের আলোচনা
সর্বত্র ভোটের আলোচনা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে : খালেদা জিয়া
সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে : খালেদা জিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

উপচে পড়া ভিড় বিনোদন কেন্দ্র ও চিড়িয়াখানায়
উপচে পড়া ভিড় বিনোদন কেন্দ্র ও চিড়িয়াখানায়

পেছনের পৃষ্ঠা

ঈদযাত্রায় প্রাণহানি অর্ধশত
ঈদযাত্রায় প্রাণহানি অর্ধশত

প্রথম পৃষ্ঠা

ওয়ানডে সিরিজও জিতল নিউজিল্যান্ড
ওয়ানডে সিরিজও জিতল নিউজিল্যান্ড

মাঠে ময়দানে

শাকিবের প্রশংসায় বুবলী
শাকিবের প্রশংসায় বুবলী

শোবিজ

৩২ শহীদ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন জামায়াত আমিরের
৩২ শহীদ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন জামায়াত আমিরের

প্রথম পৃষ্ঠা

ইউনূস-মোদি বৈঠক কাল
ইউনূস-মোদি বৈঠক কাল

প্রথম পৃষ্ঠা

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই

সম্পাদকীয়

রংপুরে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা
রংপুরে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা

নগর জীবন

ভারতের ঘটনার প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশে দেখা যায়
ভারতের ঘটনার প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশে দেখা যায়

প্রথম পৃষ্ঠা

কেউ ঢাকায় ফিরছেন আবার কেউ ছাড়ছেন
কেউ ঢাকায় ফিরছেন আবার কেউ ছাড়ছেন

পেছনের পৃষ্ঠা

গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো উঠছে টেবিলে
গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো উঠছে টেবিলে

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেই স্থানীয় পর্যায়ে
বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেই স্থানীয় পর্যায়ে

প্রথম পৃষ্ঠা

চাঁদা না দেওয়ায় দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা
চাঁদা না দেওয়ায় দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

মোংলায় হচ্ছে বাণিজ্য হাব
মোংলায় হচ্ছে বাণিজ্য হাব

দেশগ্রাম

মোদির চিঠি শাহবাজের টেলিফোন
মোদির চিঠি শাহবাজের টেলিফোন

প্রথম পৃষ্ঠা

বেড়াতে নিয়ে রাতভর শিশু ধর্ষণ
বেড়াতে নিয়ে রাতভর শিশু ধর্ষণ

দেশগ্রাম

ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ
ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

দেশে নদনদীর সংখ্যা এখন ১২৯৪
দেশে নদনদীর সংখ্যা এখন ১২৯৪

পেছনের পৃষ্ঠা

আবারও ডেঙ্গু বিস্তারের শঙ্কা
আবারও ডেঙ্গু বিস্তারের শঙ্কা

রকমারি নগর পরিক্রমা

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদের ছুটিতে হত্যা ভাঙচুর লুটপাট
ঈদের ছুটিতে হত্যা ভাঙচুর লুটপাট

পেছনের পৃষ্ঠা

নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সংস্কার প্রয়োজন
নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সংস্কার প্রয়োজন

প্রথম পৃষ্ঠা

নেতানিয়াহু প্রবেশ করা মাত্র গ্রেপ্তার করুন
নেতানিয়াহু প্রবেশ করা মাত্র গ্রেপ্তার করুন

পূর্ব-পশ্চিম

দুর্ঘটনাপ্রবণ ১৫৯ কিলোমিটার
দুর্ঘটনাপ্রবণ ১৫৯ কিলোমিটার

দেশগ্রাম

ঈদে প্রাণ ফিরেছে পর্যটনে
ঈদে প্রাণ ফিরেছে পর্যটনে

নগর জীবন