আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন দুই সাবেক মার্কিন কূটনীতিক। এর মধ্যে উইলিয়াম বি মাইলাম বাংলাদেশে মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে এবং জন ড্যানি লোভিস মার্কিন দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
গতকাল যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি থিঙ্কট্যাংক, রাইট টু ফ্রিডমের প্রতিনিধি হিসেবে তারা চিফ প্রসিকিউটরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় চিফ প্রসিকিউটরের বিশেষ পরামর্শক টবি ক্যাডম্যান উপস্থিত ছিলেন। চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, বাংলাদেশে নিযুক্ত সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত উইলিয়াম বি মাইলাম এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত সাবেক মার্কিন কূটনীতিক জন ড্যানি লোভিস ট্রাইব্যুনালে বিচারের বিষয় জানার জন্য এসেছিলেন। জুলাই-আগস্টে যে গণহত্যা হয়েছে এবং গত ১৫ বছরে গুম-খুনের বিষয়ে জানতে চেয়েছেন। তিনি আরও বলেন, তারা আমাদের সঙ্গে খোলামেলা কথা বলেছেন। তাদের পক্ষে যতটা সম্ভব এই মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের ক্ষেত্রে সহযোগিতা করবেন। তাদের দিক থেকে যা পরামর্শ প্রয়োজন তা তারা প্রদান করবেন। চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, রাইট টু ফ্রিডমের দুই প্রতিনিধি বলেছেন, তারা কারও পক্ষ নিয়ে আসেননি, তারা চান মানুষের ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত হোক। তারা সহযোগিতার আশ্বাসও দিয়েছেন।
উইলিয়াম বি মাইলাম ১৯৯০ সালের আগস্ট থেকে ১৯৯৩ সালের অক্টোবর পর্যন্ত ঢাকায় রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ওই সময় ক্ষমতায় ছিল বিএনপি। বাংলাদেশে কাজ শেষে ১৯৯৮ থেকে ২০০১ পর্যন্ত তিনি পাকিস্তানেও দায়িত্ব পালন করেন। আর জন ড্যানি লোভিস ২০০৭ এবং ২০০৮ সালে সামরিক-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক শাসনামলে ঢাকায় বাংলাদেশে মার্কিন দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।