পঞ্চগড়ে রেশম চাষ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বৃদ্ধি পাচ্ছে রেশম চাষির সংখ্যাও। রেশমী সুতা উৎপাদনে রেশম চাষিদের ভূমিকাও বাড়ছে দিন দিন।
আজ শনিবার দুপুরে রেশম চাষি ও কৃষকদের সমাবেশে এসব তথ্য জানা যায়। বোদা উপজেলার সাকোয়া এলাকায় অবস্থিত রেশম সম্প্রসারণ কেন্দ্রে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে বোদা, পঞ্চগড় সদর এবং দেবীগঞ্জ উপজেলার শতাধিক রেশম চাষি অংশ নেন।
এ উপলক্ষ্যে একটি র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি সাকোয়া বাজারের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে সম্প্রসারণ কেন্দ্রে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় অনলাইনে যুক্ত হয়ে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক ড. এম এ মান্নান। আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের পরিচালক এমদাদুল রাবী, প্রকল্প পরিচালক মাহবুবুর রহমান, মনিটরিং কর্মকর্তা নাসির উদ্দিন, সাকোয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রংপুর রেশম সম্প্রসারণ কার্যালয়ের উপপরিচালক মাহবুব উল হক।
এ সময় রেশম চাষিরা তাদের বিভিন্ন দাবি দাওয়া তুলে ধরেন। পঞ্চগড়ে ৪৩টি ফার্মিং তুত বাগান রয়েছে। তুত গাছ রয়েছে ৭৯ হাজার ৬শ। পলু ঘর রয়েছে ২৫টি। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৭৭ জনকে পলু পালন সরঞ্জামাদি প্রদান করা হয়েছে।
জানা যায়, শতাধিক চাষি ১৭ হাজার ২শ ডিম পালন করছেন। এসব ডিম থেকে ১ হাজার ৩ শ ২৩ কেজী রেশমী সুতা উৎপাদিত হবে। যার বাজার মূল্য প্রায় ৬৫ লাখ টাকা।
বিডি প্রতিদিন/জামশেদ