রাজধানীতে পৃথক ঘটনায় নারীসহ দুজনের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। তারা হচ্ছেন- শ্যামপুরে মাহাবুব হাসান রুবেল (৪০) ও ভাটারায় ইভা আক্তার (১৮)। বৃহস্পতিবার সকালে পৃথক সময়ে ঘটনা দুটি ঘটে।
ময়নাতদন্তের জন্য তাদের মরদেহ দুটি ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক।
শ্যামপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) হেবজুর রহমান জানান, খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় মৃতের প্রতিবেশী চাচাতো বোন মাহাবুবা আক্তারের শ্যামপুর করিমুল্লাবাগ বাসা থেকে মাহাবুব হাসান রুবেল (৪০) এর ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে।
পরিবারের সদস্যরা জানান, মাহবুব হাসান দীর্ঘদিন প্রবাসে ছিলেন। বেশকয়েক বছর যাবৎ মানসিক সমস্যা দেখা দেয় তার। এরপর থেকে সে কিছুই করতো না, একা একা ঘুরাফেরা করতো। প্রতিবেশী চাচাতো বোনের বাসায় মাঝেমধ্যে যাইতো। গতকাল ওই বাসায় ছিলেন।
সে বাসায় সবার অগোচরে ফ্যানের সাথে ফাঁস লাগিয়ে মারা যান। মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার মৃত বিল্লাল হোসেনের ছেলে মাহবুব হাসান।
অপরদিকে, একই দিন বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানী ভাটারায় ভাড়া বাসায় স্বামীর সঙ্গে অভিমান করে ইভা আক্তার (১৮) নামে এক গৃহবধূ গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্য করে। সে একটি কসমেটিকসের দোকানে কাজ করতো।
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার শ্রীরামপুর গ্রামের নাসির হাওলাদারের মেয়ে ইভা।
মৃতের স্বামী শিহাব চৌধুরী বলেন, গত সাত মাস আগে ইভার সঙ্গে প্রেম করে বিয়ে করেন। থাকতেন রাজধানীর শাহজাদপুরে।
তিনি আরও বলেন, সকালে ঘর পরিস্কার করা নিয়ে তর্কাতর্কি হয় ইভার সঙ্গে। পরে আমি কাজের জন্য বের হয়ে যাই। সে সময়ে ইভারও বের হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সে বের হয়নি। তার দেরি দেখে, খবর নিতে গিয়ে দেখতে পাই, সে দরজা বন্ধ করে রুমের ভিতরে গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঝুলে আছে। পরে ছিটকানি ভেঙে সেখান থেকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালে জরুরি বিভাগে নিয়ে আসলে বিকাল ৩টায় মৃত ঘোষণা করেন।
বিডি প্রতিদিন/আরাফাত