শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ১৬ মার্চ, ২০২৫ আপডেট: ০০:৪৮, রবিবার, ১৬ মার্চ, ২০২৫

সংবাদমাধ্যম টিকিয়ে রাখতে হবে গণতন্ত্রের স্বার্থে

শিমুল মাহমুদ
প্রিন্ট ভার্সন
সংবাদমাধ্যম টিকিয়ে রাখতে হবে গণতন্ত্রের স্বার্থে

সংবাদপত্রের দায়বদ্ধতা মানুষের প্রতি, সমাজের প্রতি, দেশ ও রাষ্ট্রের প্রতি। সেই দায়বদ্ধতা থেকেই প্রায় ৪০০ বছরের বেশি সময় টিকে থাকা সংবাদপত্র হারিয়ে যাবে না। তার রূপান্তর ঘটছে নানা বাস্তবতায়...

 

গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে পরিচিত সংবাদপত্র এখন সবচেয়ে বেশি বৈষম্য ও বিভাজনের শিকার। সংবাদপত্রকে সবাই নিজেদের পক্ষে রাখতে চায়। নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে চায়। ফলে, বাংলাদেশে সংবাদপত্র স্বাধীনভাবে বিকশিত হতে পারছে না। সরকার সব সময় চায় সংবাদপত্র তার অকুণ্ঠ প্রশংসা করুক। তারা সরকারের বা সরকারি দলের কোনো সমালোচনা বা ভুলত্রুটি সংবাদমাধ্যমে দেখতে চায় না। এই অনীহার কারণে যে সমালোচনা কিংবা সত্য সংবাদ থেকে সরকার উপকৃত হতে পারত, সেটা তারা পারে না। সংবাদপত্র সরকারের তৃতীয় নয়ন হিসেবে বড় ভূমিকা রাখতে পারে। সরকারের প্রতিকারের চোখ যেখানে যায় না সেখানে সংবাদপত্র সরকারের হয়ে তা দেখিয়ে দিতে পারে, যদি সরকার দেখতে চায়। কিন্তু আমাদের সরকারগুলো সংবাদপত্রকে উপেক্ষা করতেই পছন্দ করে। তারা মনে করে, সরকারের অনিয়ম, দুর্নীতি খবরের পাতায় যত কম আসে ততই ভালো। আসলে তা সত্য নয়। অনিয়মের খবর পত্রিকায় এলে সরকার ব্যবস্থা নিতে পারে। প্রতিকার করতে পারে- যদি তারা চায়। অনিয়মের বিরুদ্ধে অ্যাকশন হলে সরকারের ভাবমূর্তি, গ্রহণযোগ্যতা বাড়ে। মানুষ সরকারের প্রতি আস্থাশীল হয়।

গত বছর জুলাই বিপ্লবে ছাত্র-জনতার আন্দোলনকালে বড় প্রতিপক্ষ হিসেবে চিহ্নিত করা হয় মিডিয়াকে। ঢালাওভাবে প্রায় সব মিডিয়াকে স্বৈরাচারের দোসর ট্যাগ লাগিয়ে পথে পথে আটক ও সংবাদকর্মী বহনকারী গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। সংবাদমাধ্যমকে চাপে ফেলা, নিয়ন্ত্রণে রাখার কৌশল কখনো ভালো ফল বয়ে আনে না। সংবাদমাধ্যম হলো সমাজের প্রতিবিম্ব। তাকে ভয়-তরাসের মধ্যে রেখে সমাজের চিত্রটা বদলানো যাবে না। তাকে আমলে নিয়েই সমাজ বদলের দায়িত্ব নিতে হবে। মিডিয়াকে পর্যুদস্ত করে সমাজ একা একা এগিয়ে যেতে পারবে না। মিডিয়ার বড় শক্তি হচ্ছে তার বস্তুনিষ্ঠতা। তার গ্রহণযোগ্যতা নির্ভর করে বস্তুনিষ্ঠতার ওপর। সেই বস্তুনিষ্ঠতা অর্জনের জন্য মিডিয়াকে ভয়হীন আস্থার পরিবেশ দিতে হবে। সংবাদমাধ্যম টিকিয়ে রাখতে হবে গণতন্ত্রের স্বার্থে। সংবাদমাধ্যম টিকে থাকলে গণতন্ত্র বিকশিত হবে। দেশ ও সমাজ এগিয়ে যাবে।

প্রিন্ট মিডিয়া হচ্ছে কালের সাক্ষী। অনলাইনে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করার পরই প্রয়োজনে সেটি তুলে ফেলা যায়। চাপে পড়ে বা প্রয়োজনে সেটির অস্তিত্ব বিলোপ করা যায়। প্রিন্ট মিডিয়ার ক্ষেত্রে সেরকম কোনো সুযোগ নেই। একবার কোনো কিছু ছাপা হয়ে গেলে সেটা মহাকালের সাক্ষী হিসেবে গণ্য হয়ে যায়। কোনো কিছু ভুল হলে সেটা কেবল পরের দিনের পত্রিকায় আলাদাভাবে সংশোধনী দিয়েই ছাপতে হয়। তাই ছাপা পত্রিকার ঐতিহাসিক গুরুত্ব অপরিসীম।

মূলধারার সেই ছাপা পত্রিকার নির্ভরতা এখন কিছুটা কমে গেলেও সৎ সাংবাদিকতা দিয়েই সেই গৌরবময় দিনগুলো ফিরিয়ে আনতে হবে। এখনো বিপুলসংখ্যক মানুষ পত্রিকার পাতায় চোখ বুলিয়ে প্রকৃত সত্যটা জানতে চায়। ক্ষমতার দম্ভে যারা পত্রিকার বিকাশ স্তব্ধ করে দিতে চান, তারাও শেষ পর্যন্ত পত্রিকার ওপর নির্ভর করেন। দিনভর গুজব- প্রোপাগান্ডার পর ছাপা পত্রিকার খবরের ওপরই আস্থা রাখতে চান।

সামাজিক মাধ্যমের বিস্তৃতির এই সময়ে গুজব হয়ে উঠছে সংবাদমাধ্যমের বড় প্রতিপক্ষ। রাজনৈতিক স্বার্থে গুজব ছড়িয়ে ফায়দা লোটার প্রবণতা বাড়ছে। গুজব হয়ে উঠেছে অপ্রতিরোধ্য। দীর্ঘকাল থেকে আমরা শুনে এসেছি, গুজবে কান দেবেন না। দেয়ালেরও কান আছে-শব্দগুচ্ছ। যে তথ্য বানানো, যে তথ্য মিথ্যা ও ভিত্তিহীন- সেটাই গুজব। দেয়ালেরও কান আছে- বলতে বোঝানো হয়, সর্বভেদী-সর্ববাধা ভেদ করে অপতথ্য অতি দ্রুত অনেক মানুষের কাছে পৌঁছে যায়। সেই গুজব ঠেকাতে পারছে না রাষ্ট্র ও সমাজ। সেই গুজবে ভর করে সামাজিক বিশৃঙ্খলা ছড়িয়ে পড়ছে। গুজবের ফলে ধর্মীয় সহিংসতা, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা লাগছে। নষ্ট হচ্ছে সামাজিক স্থিতিশীলতা।

সংবাদপত্রের দায়বদ্ধতা মানুষের প্রতি, সমাজের প্রতি, দেশ ও রাষ্ট্রের প্রতিবাংলাদেশে এবং বিশ্বব্যাপী ২০২০ সালে করোনা সংক্রমণ শুরুর পর অনেকেই ছাপা পত্রিকা ছেড়ে অনলাইন এবং বিভিন্ন ইলেকট্রনিক মাধ্যম থেকে সংবাদ পড়তে অভ্যস্ত হয়ে পড়েন। তবে যিনি যে মাধ্যম থেকেই সংবাদ পড়ুন না কেন, শেষ পর্যন্ত সংবাদের সত্যতা সম্পর্কে পাঠক এখনো ছাপা কাগজকেই আস্থায় রাখছেন। ছাপা কাগজের প্রতি পাঠকের আগ্রহ, আস্থা শেষ হবে না। এ জন্য নিরপেক্ষ, বস্তুনিষ্ঠ এবং সুসাংবাদিকতার গুরুত্ব অপরিসীম। মানুষ এখন ডিজিটাল মাধ্যমে খবর পড়তে অভ্যস্ত হয়ে উঠছে। এ পরিস্থিতিতে ছাপা কাগজকে আবার আগের জায়গায় ফিরিয়ে নেওয়া কঠিন। আশার কথা, মানুষ এখনো সারা দিন ডিজিটাল মাধ্যমে যে সংবাদগুলো পান, তার সত্যতা নিশ্চিত হতে পরদিন সকালে ছাপা কাগজেই চোখ রাখেন। পাঠকের এই আস্থাই ছাপা কাগজের প্রধান শক্তি। সেই শক্তির জোরেই ছাপা কাগজ সংকট অতিক্রম করে টিকে থাকবে। তবে এজন্য সংবাদের বস্তুনিষ্ঠতা বজায় রেখে ও গুণগত মান বাড়িয়ে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা করতে হবে। সত্য প্রকাশে থাকতে হবে আপসহীন ভূমিকা।

মানুষ সংবাদপত্রের কাছে বস্তুনিষ্ঠ খবর প্রত্যাশা করে। তারা অবিকৃত মূল ঘটনা জানতে চায়। ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ সে নিজেই করতে পারে। যেসব মিডিয়া মানুষের সেই প্রত্যাশা পূরণ করতে পারে সেগুলোই এখনো পাঠকের আস্থার জায়গায় রয়ে গেছে। প্রচার সংখ্যা ধরে রাখতে পত্রিকাগুলো এখন নানারকম কৌশল নিচ্ছে। পাঠকের লেখা বেশি করে ছাপা হচ্ছে। নানা অসিলায় তাদের পুরস্কৃত করছে। নানা কর্মসূচির মাধ্যমে পাঠককে সম্পৃক্ত করা হচ্ছে।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সাধারণ মানুষ সবচেয়ে বেশি ভোগে সরকারি সেবা পেতে, থানা-পুলিশের কাছে। জায়গা-জমির কাজে। এসব নিয়ে, সরকারি অনিয়ম-দুর্নীতি নিয়ে খবর প্রকাশ হলে তা পাঠকের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়ে ওঠে। সংবাদপত্রের কাছে মানুষ নিজেদের স্বার্থের খবর দেখতে চায়। নিজেদের আগ্রহের বিষয়ে প্রতিবেদন চায় সংবাদপত্রের পাতায়। নতুন প্রজন্মের মধ্যে পত্রিকা পড়ার আগ্রহ কম। বয়স্ক পাঠকরাই মূলত পত্রিকা পড়েন। পত্রিকার প্রচার সংখ্যা বাড়াতে হলে তরুণ প্রজন্মের পাঠকদের আগ্রহী করতে হবে। রাজনীতি, দুর্নীতি, অনিয়মের সংবাদের পাশাপাশি মানুষের নতুন উদ্যোগ, উদ্যম, ইতিবাচক ঘটনা, সম্ভাবনার দিকগুলোকেও গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরতে হবে। তরুণ প্রজন্মই আমাদের ভবিষ্যৎ। নানা উদ্যোগের মাধ্যমে আরও ব্যাপকভাবে তাদের কাছে যেতে হবে। তারুণ্যের আগ্রহের বিষয়গুলো তুলে আনতে হবে পত্রিকার পাতায়।

বিশ্বব্যাপী ছাপা পত্রিকার দুঃসময় চলছে এখন। বিশ্বের অনেক বড় বড় পত্রিকা মুদ্রিত সংস্করণ বন্ধ করে দিয়ে শুধু অনলাইন সংস্করণ চালু রেখেছে। আমাদের মতো তৃতীয় বিশ্বের দেশেও এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। ২০১৯-২০২০ সালের করোনা মহামারির পর ছাপা পত্রিকার পাঠক দ্রুত কমতে থাকে। সেই বিপর্যয়ের ধাক্কা এখনো সামলে ওঠা যায়নি। 

তথ্যপ্রযুক্তির ওপর মানুষ যত বেশি নির্ভরশীল হচ্ছে, তত বেশি কমছে কাগজে ছাপা ডকুমেন্টের প্রতি তার নির্ভরশীলতা। এরই ধারাবাহিকতায় অনেক করপোরেট প্রতিষ্ঠান পেপারলেস বা কাগজমুক্ত অফিস বাস্তবায়ন করেছে। এসব প্রতিষ্ঠানের সব কাজই হচ্ছে কম্পিউটারে, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায়। এর ফলে ছোট ছোট ডিভাইসেই সংরক্ষণ করা যাচ্ছে শত বছরের বিপুল পরিমাণ ডাটা ও ডকুমেন্ট। এতে একদিকে কাগজের খরচ বাঁচে, তেমনি অফিস স্পেস ও কাগজের জঞ্জালের হাত থেকেও মুক্তি পাওয়া যাচ্ছে।

বর্তমান বাস্তবতায় কাগজে ছাপা সংবাদপত্রের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ মনে করা হয় মোবাইল ফোন। প্রায় ১৬ কোটি মানুষের দেশে এখন ১০ কোটির বেশি মানুষ মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন। তাদের মধ্যে অন্তত অর্ধেকে মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। এসব ব্যবহারকারী মোবাইল ফোনে প্রতি মুহূর্তেই খবর জানতে পারছেন। তারা খবরের জন্য বাসায় উচ্চমূল্যের কাগজে ছাপা পত্রিকা রাখবেন, সেটা যৌক্তিক নয়। তারপর ছাপা প্রচারমাধ্যম বাংলাদেশে এখনো গুরুত্বপূর্ণ। সংবাদ, কোনো ঘটনা বা বিশ্লেষণের সত্যতা যাচাই করতে মানুষ আজও ছাপা পত্রিকার ওপরই নির্ভর করে। ইন্টারনেটে প্রতিনিয়ত সংবাদ হালনাগাদ হতে থাকে, ব্রেকিং নিউজ আসতে থাকে। সংবাদ যখন পত্রিকায় ছাপা হয়, তখন তা আরও বেশি গ্রহণযোগ্য হয়ে ওঠে। পক্ষান্তরে, হাতেগোনা কিছু অনলাইন সংবাদপত্র নিজেদের বস্তুনিষ্ঠতা প্রমাণ করতে পারলেও অখ্যাত সব অনলাইন বানোয়াট আর উত্তেজনা সৃষ্টিকারী ভুয়া খবর দিয়ে পাঠকদের বিভ্রান্ত করছে।

বাস্তবতা হচ্ছে, ডিজিটাল বই/পত্রিকা পাঠের আনন্দ কম। একটানা কয়েক ঘণ্টা কাগজের বই বা পত্রিকা পড়া সম্ভব। কিন্তু একটানা এক ঘণ্টা মোবাইল ফোন বা ল্যাপটপের স্ক্রিনে তাকিয়ে থাকা বেশ কষ্টকর। পাঠকের কথা বিবেচনা করেই হয়তো মুদ্রিত পত্রিকা ও বই টিকে থাকবে। মনে রাখতে হবে, সংবাদপত্রের কয়েকটি স্বীকৃত ভূমিকা আছে। সংবাদপত্রকে বলা হয়, একটি দেশের সভ্যতার স্মারক। একটি সভ্য জাতি প্রতিদিন নিজেদের মধ্যে যেসব কথোপকথন করে, প্রশ্ন তোলে এবং তার উত্তর অন্বেষণ করে, যেগুলোর প্রতিফলন সংবাদপত্রে পড়ে, একটি দেশের সংস্কৃতি ও গণতন্ত্র কতটা শক্তিশালী, তারও একটা প্রতিচ্ছবি সংবাদপত্র।

সংবাদপত্র এখন আর সস্তা কোনো পণ্য নয়। কাগজ, কালি, ছাপা খরচ, পরিচালনা ব্যয় মিলিয়ে বিপুল ব্যয়ের প্রতিষ্ঠান হচ্ছে সংবাদপত্র। প্রতি কপি সংবাদপত্র এখন ১০ থেকে ১৫ টাকায় কিনতে হচ্ছে। যদিও তার উৎপাদন ব্যয় আরও অনেক বেশি। যারা নিয়মিত বাসায় পত্রিকা রাখেন তাদের মাসে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা বিল গুনতে হয়। তারপরও ছাপা পত্রিকা কিনে পড়ছে মানুষ। এটা এখনো আশাবাদের কথা।

বাংলাদেশ এখন একটি শক্তিশালী অর্থনীতির দেশ। জাতীয় উন্নয়ন-অগ্রগতির পথ ধরেই সংবাদপত্র টিকিয়ে রাখতে হবে। টিকে থাকার লড়াইয়ে সংবাদপত্র তার বিকাশের ক্ষেত্র পুনর্মূল্যায়ন করছে। তথ্যপ্রযুক্তি বিকাশের এই সময়ে সংবাদপত্রের ডিজিটাল রূপান্তর ঘটছে। ছাপা সংবাদপত্রের বিজ্ঞাপনের আয় কমে গেলেও এখন সংবাদপত্রের অনলাইন সংস্করণ আয়ের একটি অন্যতম মাধ্যম। এ ছাড়া ইউটিউবকেন্দ্রিক ডিজিটাল সংস্করণ হালে সংবাদপত্রের আয়ের পৃথক পথ খুলে দিয়েছে। সব মিলিয়ে সংবাদপত্র টিকে থাকার সংগ্রাম অব্যাহত আছে। 

এই সময়ে সংবাদপত্র টিকে আছে নানা প্রতিকূলতার সঙ্গে সংগ্রাম করে। নানা বিধিনিষেধ, আইনি প্রতিবন্ধকতা, স্ব-আরোপিত সেন্সরশিপ, সরকারের উপেক্ষা, বিজ্ঞাপনের বৈষম্য, রাজনৈতিক দলের ট্যাগ লাগানো, বিভিন্ন মতাদর্শের কোপানলে পড়া প্রভৃতি। এর সঙ্গে আছে কাগজ, কালি ও অন্যান্য অনুষঙ্গের মূল্যবৃদ্ধি অথবা দু®প্রাপ্যতা। সব প্রতিকূলতা নিয়েই সংবাদপত্রকে এগোতে হচ্ছে। এসব প্রতিকূলতার মধ্যেও সংবাদপত্রের সংখ্যা বেড়েছে। যদিও এর কাক্সিক্ষত মান অর্জিত হয়নি। তারপরও সংবাদপত্রের গ্রহণযোগ্যতা কোনো কোনো ক্ষেত্রে বেড়েছে বলা যায়। তবে একে আরও ব্যাপক ও টেকসই করার সুযোগ রয়েছে। তা ছাড়া দৃশ্যমাধ্যমের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে এখনো যেসব সংবাদপত্র টিকে আছে সেটি আশাব্যঞ্জক।

সাংবাদিকদের চাকরির অনিশ্চয়তা আছে, বেতন-ভাতার অপ্রতুলতা তো আছেই। এজন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী গ্র্যাজুয়েটদের প্রথম পছন্দ হিসেবে সাংবাদিকতা এখন ওপরের সারিতে নেই। নানা বিধিবিধানের খড়্গের কারণে সাংবাদিকতার চাকরিটি এখন আরও বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। তাছাড়া সাংবাদিকদের মধ্যে রাজনৈতিক বিভাজনও এখন বেশ স্পষ্ট। এসব সত্ত্বেও দেশের নানা সংকটকালে সংবাদপত্র দিকনির্দেশকের ভূমিকা পালন করছে। জনস্বার্থ, ন্যায়বিচার, মানবাধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বার্থরক্ষা, নারী ও শিশুর সুরক্ষা, শ্রমিক ও কৃষকদের ন্যায্য পাওনা আদায়, পরিবেশ সুরক্ষা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসহ অনেক বিষয়ে সংবাদপত্র ক্রমাগত তার ভূমিকা রেখে চলেছে। জনসচেতনতা তৈরি করছে। এসব কারণেই মুদ্রিত সংবাদপত্র এখনো টিকে আছে এবং আরও দীর্ঘকাল টিকে থাকাটা নিশ্চিত করছে।

অর্থাৎ একটি উন্নত দেশ ও সমাজের জন্য মুক্ত সংবাদপত্র অত্যন্ত জরুরি। অনাবশ্যক নজরদারি, নানা আইন বা বিধিবিধানের নিয়ন্ত্রণ এক্ষেত্রে বড় প্রতিবন্ধক। সংবাদপত্র কোনো আইন ভাঙলে, মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করলে, কাউকে ইচ্ছাকৃত হেনস্তা বা তার সম্মানহানি করলে প্রচলিত আইনের ভিতরেই যেন ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়। প্রেস কাউন্সিল সক্রিয় ও স্বাধীন থাকলে একটা সুষ্ঠু সমাধানও হয়। সংবাদপত্রের দায়বদ্ধতা আছে মানুষের প্রতি, সমাজের প্রতি, দেশ ও রাষ্ট্রের প্রতি। সেই দায়বদ্ধতা থেকেই প্রায় ৪০০ বছরের বেশি সময় টিকে থাকা সংবাদপত্র কখনো হারিয়ে যাবে না। তার রূপান্তর ঘটছে নানা বাস্তবতায়। কিন্তু ইতিহাসের অকাট্য প্রমাণ হিসেবে, সভ্যতার গুরুত্বপূর্ণ বাহন হিসেবে সংবাদপত্র টিকে থাকবে আরও বহুকাল। সেই পথে সরকার যেন স্পিড ব্রেকার হয়ে দাঁড়িয়ে না পড়ে- সংবাদজীবী হিসেবে সেই প্রত্যাশা আমরা করতেই পারি।   

লেখক : সাংবাদিক

এই বিভাগের আরও খবর
জুলাই অভ্যুত্থানের অনুদ্‌ঘাটিত চিত্র
জুলাই অভ্যুত্থানের অনুদ্‌ঘাটিত চিত্র
সাহিত্য ও সাংবাদিকতার আন্তসম্পর্ক
সাহিত্য ও সাংবাদিকতার আন্তসম্পর্ক
মানব জাতির টিকে থাকার ইশতেহার
মানব জাতির টিকে থাকার ইশতেহার
আইনের ফাঁকফোকর
আইনের ফাঁকফোকর
আওয়ামী ফ্যাসিজমের কবলে আমি
আওয়ামী ফ্যাসিজমের কবলে আমি
সবাই নির্বাচিত সরকারের অপেক্ষায়
সবাই নির্বাচিত সরকারের অপেক্ষায়
শিক্ষার সংস্কৃতি কেন গুরুত্বপূর্ণ
শিক্ষার সংস্কৃতি কেন গুরুত্বপূর্ণ
সর্বশেষ খবর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর

৫৮ মিনিট আগে | পাঁচফোড়ন

টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে

১ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

জলবসন্তে সতর্কতা
জলবসন্তে সতর্কতা

২ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার
যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫
ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী
স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা
বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি
কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই
১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩
যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন
ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইপিএল ছেড়ে হঠাৎ দেশে ফিরলেন রাবাদা
আইপিএল ছেড়ে হঠাৎ দেশে ফিরলেন রাবাদা

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিঠামইনে পানিতে ডুবে গৃহবধূর মৃত্যু
মিঠামইনে পানিতে ডুবে গৃহবধূর মৃত্যু

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় দেড় বছরে প্রায় ৪০ হাজার শিশু এতিম হয়েছে
গাজায় দেড় বছরে প্রায় ৪০ হাজার শিশু এতিম হয়েছে

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী
আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাতক্ষীরায় প্লাবিত এলাকায় নৌবাহিনীর জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা
সাতক্ষীরায় প্লাবিত এলাকায় নৌবাহিনীর জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নাটোরে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায়
নাটোরে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায়

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী
শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী

৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম, সম্পাদক বেলাল
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম, সম্পাদক বেলাল

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান
লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান

৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

খোকসায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত ১
খোকসায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত ১

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লিবিয়ার জিম্মি দশা থেকে দেশে ফিরলেন লোকমান
লিবিয়ার জিম্মি দশা থেকে দেশে ফিরলেন লোকমান

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত

১২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

১১ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

৮ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের
পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা
ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা
ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা
ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির
নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী
‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প
শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?
কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন
প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের
মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস
মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি

১৩ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ

১৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা
২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক
শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর
জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন

প্রথম পৃষ্ঠা

মহাবিপদে রপ্তানি খাত
মহাবিপদে রপ্তানি খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি
সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল
যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল

মাঠে ময়দানে

পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা
পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে
শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক

শোবিজ

সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার

শোবিজ

ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও

প্রথম পৃষ্ঠা

যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা

শোবিজ

বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যাংকক বৈঠকে নজর
ব্যাংকক বৈঠকে নজর

প্রথম পৃষ্ঠা

পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা

প্রথম পৃষ্ঠা

আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়

প্রথম পৃষ্ঠা

আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন
আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন

পেছনের পৃষ্ঠা

হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার
বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

পেছনের পৃষ্ঠা

ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!
ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!

পেছনের পৃষ্ঠা

পেছানোর সুযোগ নেই ১০ এপ্রিল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা
পেছানোর সুযোগ নেই ১০ এপ্রিল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা

পেছনের পৃষ্ঠা

ফুল ও ফল ধরেছে নাগলিঙ্গম গাছে
ফুল ও ফল ধরেছে নাগলিঙ্গম গাছে

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা
রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

বাড়তি তাপমাত্রায় বৃষ্টির আভাস
বাড়তি তাপমাত্রায় বৃষ্টির আভাস

পেছনের পৃষ্ঠা