এক দশক ধরেই পূর্বাচলে ‘শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম’ নির্মাণের পরিকল্পনার কথা শোনা যাচ্ছিল। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে স্বৈরাচার সরকার পতনের পর শেখ হাসিনা স্টেডিয়াম নির্মাণের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তবে নতুন করে জানা গেছে, নির্মাণ হচ্ছে সেই স্টেডিয়াম। তবে এর নাম হবে ন্যাশনাল ক্রিকেট গ্রাউন্ড (এনসিজে)। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিসিবি পরিচালক ইফতেখার আহমেদ।
সোমবার মিরপুরে বিসিবির কার্যালয়ে বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার পর গণমাধ্যমের মুখোমুখি হন ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের চেয়ারম্যান নাজমুল আবেদীন ফাহিম ও মিডিয়া বিভাগের চেয়ারম্যান ইফতেখার আহমেদ।
তিনি জানান, এখন থেকে ন্যাশনাল ক্রিকেট গ্রাউন্ড (এনসিজে) নামে পরিচিত হবে শেখ হাসিনা স্টেডিয়াম।
২০৩১ সালে ওয়ানডে বিশ্বকাপ বাংলাদেশে হওয়ার কথা রয়েছে। এই টুর্নামেন্টের জন্য আইসিসিকে ভেন্যু বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দেওয়া আছে। বিশ্বকাপকে সামনে রেখেই নৌকার আদলে তৈরি করার কথা ছিল শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম। এই স্টেডিয়ামকে দ্য বোট নামেও ডাকা হচ্ছিল। কিন্তু স্বৈরাচার হাসিনা সরকার পতনের পরই স্টেডিয়ামটির ভবিষ্যৎ শঙ্কায় পড়ে যায়।
বোর্ড সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের এক সপ্তাহের মাথায় স্টেডিয়ামটির টেন্ডার বাতিল করেন ফারুক আহমেদ। ওই সময় শেখ হাসিনা স্টেডিয়ামের প্রজেক্ট বাতিল হলেও পূর্বাচলে স্টেডিয়াম হবে বলে জানান বোর্ড সভাপতি। দীর্ঘদিনের ভেন্যু সংকট কাটাতে ছোট বাজেটের মধ্যে দুটি স্টেডিয়াম নির্মাণ করার পরিকল্পনার কথা জানান তিনি।
আগের পরিকল্পনায় শেখ হাসিনা স্টেডিয়ামে পাশাপাশি অত্যাধুনিক ক্রিকেট অ্যাকাডেমি, পর্যাপ্ত অনুশীলন মাঠ, ইনডোর মাঠ, খেলোয়াড়দের আধুনিক আবাসন ব্যবস্থা, বিসিবির সদর দফতর এবং একটি পাঁচ তারকা হোটেল রাখার কথা ছিল। স্টেডিয়ামের পাশে পাঁচ তারকা হোটেলও নির্মাণের কথা ছিল। কিন্তু এখন সেসব কিছুই থাকবে না। আপাতত নির্মাণ করা হবে খেলার জন্য দুই ভেন্যু। পরবর্তী সময়ে গ্যালারিসহ আনুষঙ্গিক সব কিছুই করা হবে।
বিডি প্রতিদিন/কেএ