কুয়েটে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ১২-দলীয় জোটের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ। তারা বলেছেন, যে কোনো মূল্যে ফ্যাসিবাদবিরোধী ঐক্য সমুন্নত রাখতে হবে। গতকাল এক বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, গণ অভ্যুত্থানের সব শক্তির ঐক্যই আমাদের গন্তব্য। ফ্যাসিবাদবিরোধী ও বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদীদের নিজেদের মধ্যেই রাজনৈতিকভাবে ইতিবাচক প্রতিযোগিতা করতে হবে।
সবাইকে সংযত ও পরমত সহিষ্ণুতার পরিচয় দিতে হবে। এ ঘটনায় পতিত স্বৈরাচারের দোসররা অনুপ্রাণিত হবে ও ষড়যন্ত্রের ফাঁদ বিস্তৃত করবে। নেতৃবৃন্দ বলেন, কেউ যদি এটা ভেবে থাকেন, জুলাইয়ের মিত্র সাবেক ছাত্রলীগ আর ছাত্রশিবির এবং ছাত্রদল জুলাইয়ের শত্রু, তাহলে তো জুলাইয়ের অর্জিত স্বাধীনতা রক্ষা কঠিন হয়ে যাবে। নেতারা আরও বলেন, আমরা অপরাধীদের শাস্তি চাই, পাশাপাশি সহাবস্থান ও প্রগতির রাজনীতির পক্ষে। ছাত্রদলকে বাদ দিয়ে জুলাই স্বাধীনতা রক্ষা করা যাবে না। জোট নেতৃবৃন্দ জাতির এই ক্রান্তিলগ্নে সবাইকে উদারতা, সহনশীল, ভিন্নমত এবং সমালোচনাকে গ্রহণ করার মানসিকতা নিয়ে ফ্যাসিবাদবিরোধী ঐক্যকে সুদৃঢ় করার উদাত্ত আহ্বান জানান।
বিবৃতিদাতারা হলেন- ১২ দলীয় জোটপ্রধান ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, জোটের মুখপাত্র ও বাংলাদেশ এলডিপির চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সেলিম, জোটের সমন্বয়ক ও বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদা, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব ডক্টর গোলাম মহিউদ্দিন ইকরাম, বিকল্পধারা বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান অধ্যাপক নুরুল আমিন বেপারী, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপার) সহসভাপতি রাশেদ প্রধান, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ফারুক রহমান, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান শামসুদ্দিন পারভেজ, ইসলামী ঐক্য জোটের মহাসচিব আবদুল করিম, ইসলামিক পার্টির মহাসচিব আবুল কাশেম, প্রগতিশীল জাতীয়তাবাদী দল (পিএনপির) চেয়ারম্যান ফিরোজ মুহাম্মদ লিটন ও নয়া গণতান্ত্রিক পার্টির চেয়ারম্যান এম এ মান্নান।