খাদ্যপণ্য পাঠানো বন্ধ করার পর যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় এবার বিদ্যুৎ সরবরাহও বন্ধ করে দিল দখলদার ইসরায়েল। গত সপ্তাহেই ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির প্রথম দফার মেয়াদ শেষ হয়েছে। ওই মেয়াদ আরও বৃদ্ধি করার জন্য হামাসকে চাপে রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইহুদিবাদী দখলদার পক্ষ।
এর আগে প্রথম দফায় যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হতে না হতেই গাজায় প্রয়োজনীয় পণ্য বা ত্রাণ পাঠানো বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয় বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ইসরায়েল প্রশাসন।
ইসরায়েলের বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয় থেকে সে দেশের বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থা ইসরায়েল ইলেকট্রিক করপোরেশনকে চিঠি দিয়ে গাজায় বিদ্যুৎ পাঠানো বন্ধ করার জন্য বলা হয়েছে।
গত ১৫ জানুয়ারি কাতার, আমেরিকা এবং মিসরের উদ্যোগে ইসরায়েল এবং হামাস সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়। গত ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে তা কার্যকর হয়। ইসরায়েল চায় প্রথম দফার এই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ ২০ এপ্রিল পর্যন্ত বর্ধিত হোক। অন্যদিকে, হামাস চায় যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপে প্রবেশ করতে।
যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপ নিয়ে এখনও কোনও পক্ষের মধ্যে আলোচনা হয়নি। যদিও যুদ্ধবিরতি চুক্তি অনুসারে হামাস এবং ইসরায়েল একে অপরের বন্দিদের মুক্তি দিতে শুরু করেছে। তবে নেতানিয়াহুর প্রশাসন চাইছে, হামাসের হাতে বন্দি থাকা ইসরায়েলিদের অন্তত অর্ধেককে দ্রুত মুক্তি দেওয়া হোক। তা নিয়ে ক্রমশ হামাসের ওপর চাপ বৃদ্ধি করছে তারা। প্রথমে ত্রাণ পাঠানো বন্ধ করা এবং এবার বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করার নেপথ্যেও হামাসের ওপর চাপ তৈরির কৌশল নিয়েছে দখলদার ইসরায়েল। সূত্র: আল-জাজিরা
বিডি প্রতিদিন/একেএ