শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল, ২০২৫ আপডেট: ০১:২৮, বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল, ২০২৫

গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো উঠছে টেবিলে

কাজী সোহাগ
প্রিন্ট ভার্সন
গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো উঠছে টেবিলে

সংস্কার প্রস্তাব নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো নানা মত দিচ্ছে। কিছু প্রস্তাবে একমতের পাল্লা ভারী হলেও মৌলিক অনেক বিষয়ে দলগুলোর মধ্যে রয়েছে নানা বিভেদ। কিছু বিষয়ে দলগুলোর রয়েছে আংশিক মত। জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে- যেসব ইস্যুতে সব রাজনৈতিক দলের মতামত এক হবে সেগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে। আর যেসব বিষয়ে একমত নয় বা আংশিক একমত সেসব আমরা আলোচনার টেবিলে নিয়ে যাব। এদিকে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে দলগুলো যেসব মতামত দিচ্ছে আসলে সেগুলো তাদের দলীয় ভাবনা। নির্বাচনের আগে এটা এক ধরনের দলীয় নির্বাচনি ইশতেহার বলে মনে হচ্ছে। তবে সব দল যে সব বিষয়ে একমত হবে তা বাস্তবসম্মত নয়।

১৩ মার্চ ছিল মতামত প্রকাশের শেষ দিন। তবে রাজনৈতিক দলগুলো সময় নেওয়ায় নির্ধারিত সময়ের পরে দলগুলো তাদের মতামত জানাতে শুরু করে। এ পর্যন্ত ৩৭টি দলের কাছে মতামত চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন (এনসিসি)। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ২৩টি রাজনৈতিক দল মতামত দিয়েছে। এর মধ্যে বিএনপি ও এনসিপি রয়েছে। তবে জামায়াতে ইসলামী এখন পর্যন্ত তাদের মতামত জমা দেয়নি। মতামত নেওয়ার পাশাপাশি কয়েকটি দলের সঙ্গে আলোচনাও শুরু করেছে এনসিসি। ঈদের পর এই প্রক্রিয়া আরও গতি পাবে বলে জানানো হয়েছে কমিশনের পক্ষ থেকে।

দলগুলোর দেওয়া সংস্কার প্রস্তাবনা প্রসঙ্গে এনসিসির সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, যেসব বিষয়ে দলগুলোর মধ্যে দ্বিমত দেখা যাবে সেসব নিয়ে আমরা আলোচনার টেবিলে বসব। সেখানে সংস্কারে ঐক্য গড়ার চেষ্টা করা হবে। রাজনৈতিক দলগুলো সংস্কার প্রশ্নে যেভাবে সহযোগিতা করছে তা অনেক ইতিবাচক বলে মনে করি। সংস্কার প্রক্রিয়াকে কিছুটা ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. শাহদীন মালিক। তিনি বলেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের দৃষ্টিভঙ্গি ভিন্ন। এসব পার্থক্যের কারণেই তো নানা দল। তারা যে ঐকমত্যে আসবে সেটা তো খুব বাস্তবসম্মত ধারণা না। সবাই যদি একমত হয়ে যেত তাহলে তো এত দল থাকার দরকার ছিল না। এনসিসিতে যেসব আলাপ-আলোচনা হচ্ছে তাতে বিভিন্ন ইস্যুতে দলগুলোর অবস্থান বোঝা যাচ্ছে। আমি মনে করি, এটা এক ধরনের নির্বাচন পূর্ববর্তী ইশতেহারের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। অর্থাৎ নির্বাচনি প্রচারনার অনানুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করা বলা যেতে পারে।

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের কাছে দেওয়া সংস্কার প্রস্তাবে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মৌলিক ইস্যুতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও অন্যান্য দলগুলোর মধ্যে মতপার্থক্য রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি ইস্যুর মধ্যে রয়েছে- রাষ্ট্রের নাম ও সংবিধানের মূল নীতিমালা, সরকারের মেয়াদ, জাতীয় সংসদের কাঠামো, সংবিধান সংশোধনের প্রক্রিয়া, প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা, প্রধানমন্ত্রী সংসদ নেতা ও একইসঙ্গে দলীয় প্রধান হতে পারবেন কি না, সংসদে দলের বিরুদ্ধে ভোট দেওয়া না দেওয়ার ক্ষমতা, জাতীয় সাংবিধানিক কাউন্সিল (এনসিসি) উল্লেখযোগ্য। এসব মৌলিক ইস্যু আলোচনার টেবিলে নিয়ে ঐকমত্য করতে চায় এনসিসি।

দুই মেয়াদের বেশি কেউ প্রধানমন্ত্রী হতে পারবে না- এ সংক্রান্ত প্রস্তাবনায় বিএনপি তাদের মতামতে জানিয়েছে, কারও প্রধানমন্ত্রিত্ব পরপর তিন মেয়াদ না হওয়ার পক্ষে তারা। অর্থাৎ টানা দুই মেয়াদে প্রধানমন্ত্রিত্বের পক্ষে তারা। জবাবদিহির জন্য গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা ও কমিশন নিয়োগে একটি স্বাধীন সাংবিধানিক পরিষদ গঠনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে তারা। এ ছাড়া প্রত্যাখ্যান করা অন্যান্য প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে- নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসনে সরাসরি ভোট, দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা এবং গণভোটের মাধ্যমে সংবিধান সংশোধনের প্রস্তাব, সংবিধান সংশোধনের বিষয়ে জাতীয় গণভোটের ধারণা, নির্বাচন এলাকার সীমানা নির্ধারণে স্বাধীন কমিশন গঠনের প্রস্তাব, সংসদীয় স্থায়ী কমিটির কাছে নির্বাচন কমিশনের জবাবদিহি নিশ্চিত করার প্রস্তাব। সেই সঙ্গে জাতীয় সাংবিধানিক কাউন্সিল এনসিসির বিরোধিতা করেছে বিএনপি। অন্যদিকে এনসিপি তাদের প্রস্তাবে বলেছে, ইসি ও এনসিসি থাকলে আলাদা তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থার দরকার নেই। যেসব সুপারিশ সংবিধানের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, নির্বাচনের আগে অধ্যাদেশের মাধ্যমে এ সরকারই সেসব সংস্কার করতে পারবে। যেগুলো সংবিধান সম্পর্কিত সেগুলো গণপরিষদ নির্বাচনের মাধ্যমে হবে। আসন্ন নির্বাচনটি গণপরিষদের মধ্য দিয়ে হওয়া দরকার, এটা এনসিপির আগেরই অবস্থান। এ সংবিধানকে বাতিল করা দরকার-মতামত এনসিপির। ১৬৬টি সুপারিশের মধ্যে ১১৩টি প্রস্তাবের বিষয়ে পুরোপুরি একমত হতে পেরেছে এনসিপি। ২৯টি প্রস্তাবে আংশিক একমত হয়েছে, আর ২২টি প্রস্তাবের বিষয়ে একমত হতে পারেনি দলটি।

অন্যদিকে কমিশনের ১৬৬টি প্রস্তাবের মধ্যে ১১০টির সঙ্গে একমত ও ৪৮টির সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেছে ১২ দলীয় জোট। আর ৮টি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনার অবকাশ রয়েছে বলে জানানো হয়। জোটের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, শুধু নির্বাচন কেন্দ্রিক সংস্কার ছাড়া বাকি সংস্কার নির্বাচিত সংসদ দ্বারা বাস্তবায়নের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রের নাম পরিবর্তন, গণভোট, গণপরিষদ স্থানীয় সরকার নির্বাচনের মতো বিষয়গুলোর সঙ্গে সম্পূর্ণ দ্বিমত পোষণ করা হয়েছে। বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সব রাজনৈতিক দল যেসব বিষয়ে একমত হবে, সেসব সংস্কার ও বাস্তবায়ন এবং বাকিগুলো নির্বাচিত সরকারের ওপর ছেড়ে দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য স্বাধীন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে নির্বাচন কমিশন যাতে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারে, তা নিশ্চিত করতে হবে। রাষ্ট্রের নাম ও সংবিধানের মূল নীতিমালা অক্ষুণ্ন রাখার পক্ষে মতামত দিয়েছে দলটি। দলটি স্বাধীনতার ঘোষণায় উল্লিখিত সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচারকে যুক্ত করার প্রস্তাব রেখেছে। লিখিত মতামতে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি কমিশনের ১৬৬টি প্রস্তাবনার মধ্যে ১২২টিতে একমত, ২১টিতে ভিন্নমত এবং ২৩টিতে আংশিক দ্বিমত পোষণ করেছে। তারা প্রার্থীদের বয়স কমানোর বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছে। এ ছাড়া বৈষম্য বিলোপে আলাদা কমিশন গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে দলটি।

এই বিভাগের আরও খবর
বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেই স্থানীয় পর্যায়ে
বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেই স্থানীয় পর্যায়ে
ঈদযাত্রায় প্রাণহানি অর্ধশত
ঈদযাত্রায় প্রাণহানি অর্ধশত
ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ
ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ
মোদির চিঠি শাহবাজের টেলিফোন
মোদির চিঠি শাহবাজের টেলিফোন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
শহীদদের কবর জিয়ারতে নাহিদ
শহীদদের কবর জিয়ারতে নাহিদ
ভারতের ঘটনার প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশে দেখা যায়
ভারতের ঘটনার প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশে দেখা যায়
নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সংস্কার প্রয়োজন
নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সংস্কার প্রয়োজন
৩২ শহীদ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন জামায়াত আমিরের
৩২ শহীদ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন জামায়াত আমিরের
স্বস্তির ঈদ উদ্‌যাপন
স্বস্তির ঈদ উদ্‌যাপন
ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য সহায়তার হাত বাংলাদেশের
ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য সহায়তার হাত বাংলাদেশের
সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে : খালেদা জিয়া
সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে : খালেদা জিয়া
সর্বশেষ খবর
গাজায় দেড় বছরে প্রায় ৪০ হাজার শিশু এতিম হয়েছে
গাজায় দেড় বছরে প্রায় ৪০ হাজার শিশু এতিম হয়েছে

এই মাত্র | পূর্ব-পশ্চিম

আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী
আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী

৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ব্যাংককে অধ্যাপক ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে অধ্যাপক ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

৭ মিনিট আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

১০ মিনিট আগে | জাতীয়

সাতক্ষীরায় প্লাবিত এলাকায় নৌবাহিনীর জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা
সাতক্ষীরায় প্লাবিত এলাকায় নৌবাহিনীর জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা

১২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নাটোরে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায়
নাটোরে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায়

১৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী
শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী

১৭ মিনিট আগে | শোবিজ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম, সম্পাদক বেলাল
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম, সম্পাদক বেলাল

২৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান
লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান

৩১ মিনিট আগে | নগর জীবন

খোকসায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত ১
খোকসায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত ১

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

৪৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

লিবিয়ার জিম্মি দশা থেকে দেশে ফিরলেন লোকমান
লিবিয়ার জিম্মি দশা থেকে দেশে ফিরলেন লোকমান

৪৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

জয়পুরহাটে ময়েন উদ্দিন প্রিমিয়ার লীগের পুরস্কার বিতরণ
জয়পুরহাটে ময়েন উদ্দিন প্রিমিয়ার লীগের পুরস্কার বিতরণ

৪৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সাতক্ষীরায় বাঁধ ভাঙনে দুর্যোগ, ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে নৌবাহিনী
সাতক্ষীরায় বাঁধ ভাঙনে দুর্যোগ, ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে নৌবাহিনী

৪৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের
মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মির্জাপুরে বাছুরসহ দুই গাভী চুরি
মির্জাপুরে বাছুরসহ দুই গাভী চুরি

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিতে চট্টগ্রামে মাঠে বিআরটিএ
নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিতে চট্টগ্রামে মাঠে বিআরটিএ

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

কলেজছাত্র ইমন হত্যা মামলায় রিমান্ডে সাবেক এমপি ছানোয়ার
কলেজছাত্র ইমন হত্যা মামলায় রিমান্ডে সাবেক এমপি ছানোয়ার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজায় ফিলিস্তিনিদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েলি বাহিনী
গাজায় ফিলিস্তিনিদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েলি বাহিনী

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পারিবারিক শত্রুতার বলি কলাগাছ
পারিবারিক শত্রুতার বলি কলাগাছ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন থাইল্যান্ডের দুই মন্ত্রী
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন থাইল্যান্ডের দুই মন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নোয়াখালীতে গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের মাঝে জিয়া ফাউন্ডেশনের ঈদ উপহার
নোয়াখালীতে গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের মাঝে জিয়া ফাউন্ডেশনের ঈদ উপহার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাঙ্গুনিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় একজন নিহত
রাঙ্গুনিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় একজন নিহত

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

দুর্নীতির অভিযোগ : পশ্চিমবঙ্গের প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষকের নিয়োগ বাতিল
দুর্নীতির অভিযোগ : পশ্চিমবঙ্গের প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষকের নিয়োগ বাতিল

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

২ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

লামায় পর্যটকবাহী মিনিবাস দুর্ঘটনায় ২৫ জন আহত
লামায় পর্যটকবাহী মিনিবাস দুর্ঘটনায় ২৫ জন আহত

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এই সরকার ব্যর্থ হলে শহীদের রক্ত বৃথা যাবে: সালাউদ্দিন টুকু
এই সরকার ব্যর্থ হলে শহীদের রক্ত বৃথা যাবে: সালাউদ্দিন টুকু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রশাসনের হস্তক্ষেপে মানিকগঞ্জে বাল্যবিয়ে বন্ধ
প্রশাসনের হস্তক্ষেপে মানিকগঞ্জে বাল্যবিয়ে বন্ধ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?
কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের
উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা
হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা

১৮ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

৪ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের
পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!
১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

২ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা
ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস
শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা
ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প
শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন
প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী
‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা
ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ

৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস
মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩ এপ্রিল)

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যে কারণে পরমব্রত’র সঙ্গে কৌশানীর অভিনয়ে আপত্তি ছিল বনির
যে কারণে পরমব্রত’র সঙ্গে কৌশানীর অভিনয়ে আপত্তি ছিল বনির

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঈদের দিন ঘুরতে বেরিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেফতার
ঈদের দিন ঘুরতে বেরিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেফতার

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির
নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তরুণ প্রজন্মকে উদ্যোক্তা হওয়ার পরামর্শ ড. ইউনূসের
তরুণ প্রজন্মকে উদ্যোক্তা হওয়ার পরামর্শ ড. ইউনূসের

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৮ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি কমলো ৪.৪১ শতাংশ
৮ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি কমলো ৪.৪১ শতাংশ

১৭ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি কার্যকর ও ফলাফলমুখী ‘বিমসটেক’-এর ওপর গুরুত্বারোপ পররাষ্ট্র উপদেষ্টার
মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি কার্যকর ও ফলাফলমুখী ‘বিমসটেক’-এর ওপর গুরুত্বারোপ পররাষ্ট্র উপদেষ্টার

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে

সম্পাদকীয়

চোখের পলকে চুরি-ছিনতাই
চোখের পলকে চুরি-ছিনতাই

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে : খালেদা জিয়া
সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে : খালেদা জিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

সর্বত্র ভোটের আলোচনা
সর্বত্র ভোটের আলোচনা

প্রথম পৃষ্ঠা

উপচে পড়া ভিড় বিনোদন কেন্দ্র ও চিড়িয়াখানায়
উপচে পড়া ভিড় বিনোদন কেন্দ্র ও চিড়িয়াখানায়

পেছনের পৃষ্ঠা

ঈদযাত্রায় প্রাণহানি অর্ধশত
ঈদযাত্রায় প্রাণহানি অর্ধশত

প্রথম পৃষ্ঠা

ওয়ানডে সিরিজও জিতল নিউজিল্যান্ড
ওয়ানডে সিরিজও জিতল নিউজিল্যান্ড

মাঠে ময়দানে

ঈদের ৬ ছবির হালচাল
ঈদের ৬ ছবির হালচাল

শোবিজ

ইউনূস-মোদি বৈঠক কাল
ইউনূস-মোদি বৈঠক কাল

প্রথম পৃষ্ঠা

শাকিবের প্রশংসায় বুবলী
শাকিবের প্রশংসায় বুবলী

শোবিজ

কেউ ঢাকায় ফিরছেন আবার কেউ ছাড়ছেন
কেউ ঢাকায় ফিরছেন আবার কেউ ছাড়ছেন

পেছনের পৃষ্ঠা

৩২ শহীদ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন জামায়াত আমিরের
৩২ শহীদ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন জামায়াত আমিরের

প্রথম পৃষ্ঠা

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই

সম্পাদকীয়

ভারতের ঘটনার প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশে দেখা যায়
ভারতের ঘটনার প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশে দেখা যায়

প্রথম পৃষ্ঠা

রংপুরে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা
রংপুরে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা

নগর জীবন

বেড়াতে নিয়ে রাতভর শিশু ধর্ষণ
বেড়াতে নিয়ে রাতভর শিশু ধর্ষণ

দেশগ্রাম

গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো উঠছে টেবিলে
গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো উঠছে টেবিলে

প্রথম পৃষ্ঠা

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

প্রথম পৃষ্ঠা

চাঁদা না দেওয়ায় দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা
চাঁদা না দেওয়ায় দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেই স্থানীয় পর্যায়ে
বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেই স্থানীয় পর্যায়ে

প্রথম পৃষ্ঠা

মোংলায় হচ্ছে বাণিজ্য হাব
মোংলায় হচ্ছে বাণিজ্য হাব

দেশগ্রাম

দুর্ঘটনাপ্রবণ ১৫৯ কিলোমিটার
দুর্ঘটনাপ্রবণ ১৫৯ কিলোমিটার

দেশগ্রাম

মোদির চিঠি শাহবাজের টেলিফোন
মোদির চিঠি শাহবাজের টেলিফোন

প্রথম পৃষ্ঠা

কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ

সম্পাদকীয়

দেশে নদনদীর সংখ্যা এখন ১২৯৪
দেশে নদনদীর সংখ্যা এখন ১২৯৪

পেছনের পৃষ্ঠা

আবারও ডেঙ্গু বিস্তারের শঙ্কা
আবারও ডেঙ্গু বিস্তারের শঙ্কা

রকমারি নগর পরিক্রমা

ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ
ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদের ছুটিতে হত্যা ভাঙচুর লুটপাট
ঈদের ছুটিতে হত্যা ভাঙচুর লুটপাট

পেছনের পৃষ্ঠা

নেতানিয়াহু প্রবেশ করা মাত্র গ্রেপ্তার করুন
নেতানিয়াহু প্রবেশ করা মাত্র গ্রেপ্তার করুন

পূর্ব-পশ্চিম