বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, জনগণের পক্ষের কোনো রাজনীতিবিদ কখনো পালায় না। তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। আপনারা দেখেছেন এত উৎপীড়ন, এত অত্যাচার, এত বন্দিত্ব তার পরও তিনি তাঁর জনগণ আর দেশ ছেড়ে যাননি। এটাই হলো পার্থক্য বিএনপির সঙ্গে তাদের।
গতকাল সকালে ভাষাশহীদদের স্মরণে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। রুহুল কবির রিজভী বলেন, আমাদের অনেক নেতা-কর্মীকে গুম করা হয়েছে, ক্রসফায়ারের শিকার করা হয়েছে, তাদের রক্তাক্ত পথ পেরিয়ে চূড়ান্ত যে আন্দোলন, মহাবিপ্লব জুলাই-আগস্টে সংঘটিত হয়েছে- তার মধ্যে দিয়ে সেই ভয়ংকর উৎপীড়ক এবং রক্তপিপাপু স্বৈরাচার পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। আমরা একটা ধাপ অতিক্রম করেছি, স্বৈরাচারের পতন হয়েছে। এখন গণতন্ত্রের পথে যাওয়ার জন্য আমরা সেই পথ দিয়ে হাঁটছি। আমরা আমাদের দাবিগুলো বলছি। একটা অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন হতে হবে এবং সর্বাগ্রে জাতীয় সংসদ নির্বাচন হতে হবে। কারণ বিগত ১৭ বছর রাজনৈতিক শক্তি এবং রাজনৈতিক দলকে ধ্বংস করার চেষ্টা চলেছে। আমরা আশা করি, অন্তর্বর্তী সরকার সেই রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার জন্যই আগে জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেবে। তিনি আরও বলেন, আমরা বারবার বলেছি আপনারা সংস্কার করবেন কিন্তু একটি সুনির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে, সেটা আপনারা শেষ করবেন, সংসদ নির্বাচনের দিকে আপনারা এগোবেন। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আবদুস সালাম, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, হাবিব-উন নবী খান সোহেল, আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক নাসিরুদ্দিন অসীম প্রমুখ।
প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ইশরাক হোসেন, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন প্রমুখ।