জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী দিলশাদ নাহার কনা। এই জিংগেল কুইন নিয়মিত সিনেমার গানে করছেন বাজিমাত। ‘দুষ্টু কোকিল’, ‘প্রেমের দোকানদার’-এর পর সম্প্রতি জ্বীন-৩ সিনেমায় ইমরানের সঙ্গে ‘কন্যা’ নামে গান নিয়ে ফিরেছেন তিনি। তাঁর সঙ্গে নতুন গান ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন- পান্থ আফজাল
ফের সিনেমার গান নিয়ে হাজির...
হ্যাঁ, এটি জ্বীন-৩ এর ‘কন্যা’। আমার সঙ্গে ডুয়েট করেছেন ইমরান। একটু ফেসটিভ মুডের আবহে করা গানটি। গানটি লিখেছেন রবিউল ইসলাম জীবন। আর সুর সংগীত ইমরানের করা।
গানটি প্রকাশের পরই সবাই প্রশংসা করছেন।
শুনে ভালো লাগছে।
এই গান শুনে আপনাকে শ্রেয়া ঘোষালের সঙ্গে তুলনাও করেছেন রোমানা। কী বলবেন?
শ্রেষা ঘোষালের সঙ্গে আমাকে তুলনা করেছে-এটি আমার জন্য বড় প্রাপ্তি। আসলে রোমানা তো আমার ছোট্টবেলার বন্ধু। তার ভালো লেগেছে শুনে খুশি হয়েছি। তবে সে শুধু আমাকে নিয়ে প্রশংসা করেনি, সে সজল-ফারিয়া ও ইমরানকে নিয়েও বলেছে। এটা খুবই আনন্দের।
সিনেমার আইটেম গান মানেই কনা, অভিমত কী?
তা নয়। আমি এরই মধ্যে অনেক গান করেছি যেগুলো অন্য ধাঁচের। ‘দিল দিল’, ‘ওহে শ্যাম’, ‘তুই কি আমার হবি রে’সহ আরও কিছু গান আমাকে কিন্তু শ্রোতাদের কাছে পৌঁছে দিয়েছে। তবে হ্যাঁ, পরপর ভাইরাল বেবি, দুষ্টু কোকিল, প্রেমের দোকানদার আইটেম গান করেছি। গানগুলো সময়ের সঙ্গে ছিল বলে সবার কাছে সমাদৃত হয়েছে।
গানের কারণেই কনা ভাইরাল...
যেটা বেশি বেশি মানুষের মুখে মুখে থাকছে ওটাকে ভাইরাল বলছি। আমি কিন্তু ভাইরাল যুগের শিল্পী না। সোশ্যাল মিডিয়ায় গান ভাইরাল হওয়ার আগেও আমার অনেক গান শ্রোতাদের মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়ে। আমি ক্যাসেটের যুগের শিল্পী। নিজের মৌলিক গান দিয়েই শ্রোতাদের কাছে পরিচিতি পেয়েছি। এখন যেহেতু সিডি-ক্যাসেট নেই, তাই সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমেই সহজে শ্রোতাদের কাছে পৌঁছায়। কিন্তু যদি ভালো কথা ও সুর না হয় সে গান আবার শ্রোতাদের কাছ থেকে অল্প সময়ে হারিয়েও যায়। তবে ভাইরালকে খারাপভাবে দেখার কিছু নেই। এটা সময়ের দাবি।
নাটক-সিনেমা ও অডিও তিন মাধ্যমেই নিয়মিত গান করছেন। সমন্বয় কীভাবে করেন?
সমন্বয় হয়ে যায় আর কি! আমি পেশার প্রতি শতভাগ মনোযোগী। কখনো ফাঁকি দিই না। গান দিয়েই শ্রোতাদের কাছে আজকের এ অবস্থানে এসেছি। তাই সব সময় চেষ্টা করি ভালো গান করার জন্য। ভালো কিছু পেলে শ্রোতারাও সেটি গ্রহণ করবে এটি সত্য।
এর মধ্যে কোন মাধ্যমে গাইতে বেশি ভালো লাগে?
মাধ্যম আমার কাছে কখনো মুখ্য ছিল না। যে গানটি গাইছি, সেটা নিজের শিল্পীসত্তাকে কতটা খুশি করছে আর শ্রোতার কাছে তা ভালো লাগবে কিনা, এটা নিয়েই সব সময় ভাবি।
নাটকের গান নিয়ে কী বলবেন?
একটা সময় সিনেমার গানগুলোই বেশি সাড়া ফেলত। এখন সময় পাল্টে গেছে। সিনেমার বাইরে নাটকেও অনেক ভালো কথা ও সুরের গান হচ্ছে।