রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরা (আইসিসিবি)-তে তিন দিনব্যাপী খাদ্যপণ্যের প্রদর্শনী দশম বাপা ফুডপ্রো ইন্টারন্যাশনাল এক্সপো শুরু হয়েছে। প্রদর্শনীতে যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, চীন, জার্মানি, ইতালি, সুইজারল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়াসহ ২২ দেশের ২ শতাধিক প্রতিষ্ঠান নিজেদের পণ্য ও সেবা প্রদর্শন করছে। দেশের প্রক্রিয়াজাত খাদ্যশিল্পের সবচেয়ে বড় এ প্রদর্শনী প্রতিদিন সকাল ১০টায় শুরু হয়ে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত সবার জন্য উন্মুক্ত রয়েছে। প্রদর্শনী ছাড়াও রয়েছে কারিগরি সেশন। যেখানে দেশবিদেশের এ খাতের বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত থাকছেন। বাংলাদেশ অ্যাগ্রো প্রসেসরস অ্যাসোসিয়েশন (বাপা) ও রেইনবো এক্সিবিশন অ্যান্ড ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সার্ভিসেস লিমিটেড (রিমস)-এর যৌথ উদ্যোগে এ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে।
গতকাল প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)-এর ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন, ঢাকায় নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত অ্যান্তোনিও আলেসান্দ্রো, নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের উপরাষ্ট্রদূত থিজ উডস্ট্রা, চীনা দূতাবাসের বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কাউন্সেলর সং ইয়াং, মেলা কমিটির চেয়ারপারসন ও প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী আহসান খান চৌধুরী, বাপার সভাপতি মো. আবুল হাশেম, সাধারণ সম্পাদক মো. ইকতাদুল হক, অ্যাগ্রো বাংলাদেশ এক্সপোর আহ্বায়ক আনোয়ার ফারুক, রিমস বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক চাঁনমোহন সাহাসহ বাপার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন বলেন, ২০২৭ সালের মধ্যে ২ বিলিয়ন ডলারের প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য রপ্তানি করতে কাজ করছেন দেশের এ খাতের উদ্যোক্তারা। এরই ধারাবাহিকতায় ২০৩০ সালের মধ্যে এ রপ্তানি ৫ বিলিয়নে নেওয়াও সম্ভব।
ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, কৃষি ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য খাতের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। চলতি বছর এ খাতে ১১ শতাংশ রপ্তানি প্রবৃদ্ধি হয়েছে।
মেলা কমিটির চেয়ারপারসন, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী আহসান খান চৌধুরী বলেন, প্রক্রিয়াজাত পণ্য রপ্তানি দুই বছরে ২ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে। এটা কঠিন নয়, আমাদের প্রতিটি কোম্পানির যে বিশেষত্ব, পণ্যবৈচিত্র্য, প্রযুক্তি ও দক্ষ জনবল রয়েছে, তারা সেটা করতে পারবেন।
বাপার সভাপতি এম এ হাশেম বলেন, ফুডপ্রোতে এবার ২২ দেশের ২০০-এর বেশি প্রতিষ্ঠান নিজেদের পণ্য এবং সেবা প্রদর্শন করবে। এ ছাড়া প্রচুর বিদেশি ক্রেতা এবার মেলায় অংশ নেবে বলে আমরা আশা করছি।