পাবনার ঈশ্বরদীতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ছয়টি পরিবারের ১৩টি বসতঘর ও ১৪টি ছাগল পুড়ে ছাই হয়েছে। এ সময় অগ্নিদগ্ধ হয়ে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে।
নিহত গৃহবধূ হলেন, জিয়ারুল কাজীর স্ত্রী আগেলা বেগম (৪০)। সাঁড়া ইউনিয়নের আসনা গ্রামে আজ বুধবার (৫ মার্চ) সাড়ে বারটার দিকে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ঈশ্বরদী ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা প্রায় ১ ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রান্নাঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। আগুন দ্রুত আশেপাশের বাড়িঘরে ছড়িয়ে পড়ে। এতে জিয়ারুল কাজী, রহমান কাজী, মকবুল কাজী, মাহাবুল কাজী ও জাহেদা বেগমের ১৩টি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
জিয়ারুল কাজী জানান, ঘরে শিশু সন্তান রয়েছে ভেবে তার স্ত্রী তাকে বাঁচাতে ঘরে ঢুকলে অগ্নিদগ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।
এলাকাবাসীরা জানান, রহমান কাজীর রান্না ঘর থেকে বৈদ্যুতিক সটসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। আগুনে বসতঘর ও ছাগল ছাড়াও নগদ টাকা-পয়সা, টিভি, ফ্রিজসহ সকল আসবাবপত্র পুড়ে ছাই হয়েছে।
ঈশ্বরদী ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশনের পরিদর্শক মীর আমিরুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। আগুনে ১৩টি বসতঘর ছাড়াও ১৪টি ছাগল পুড়ে ছাই হয়েছে। অগ্নিদগ্ধ হয়ে এক গৃহবধূর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। বৈদ্যুতিক সর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুবির কুমার দাস জানান, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাকে সাথে নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। নিহত গৃহবধূর দাফনের জন্য উপজেলা প্রশাসন থেকে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদ থেকে চাল-গম ও কম্বলের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করে পরবর্তীতে সহযোগিতার ব্যবস্থা করা হবে।
বিডি প্রতিদিন/জামশেদ