রাজধানীর খিলগাঁও মেরাদিয়ায় বিষপানে শারমিন আক্তার (২৪) নামে গৃহবধূর মৃত্যুর হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে খিলগাঁও থানার পুলিশ মৃতার স্বামী সাগরকে আটক করেছেন।
বুধবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে স্বজনরা গৃহবধূ শারমিনকে অচেতন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জরুরি বিভাগে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
সত্যতা নিশ্চিত করে খিলগাঁও থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শারমিন জাহান শাম্মী বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য মৃতদেহটি ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে।
মৃতার বাবা রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, তার মেয়ে সম্পর্ক করে গত ৬ বছর আগে বিয়ে করেন। তাদের সংসারে দুই সন্তানও রয়েছে।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, বিয়ের পর কয়েক মাস ভালোই কাটছিল তাদের সংসার। জামাই গাড়ি চালক, রিকশা চালাতো। পরে জানতে পারি, সাগর প্রায় নেশা করতো। ঠিকমতো কাজকর্ম করে না। এসব নিয়ে আমার মেয়েকে মারধর করতো। এসব নিয়ে বেশকয়েক বার বিচার সালিসি করা হয়েছে।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, জামাই সাগর আমার মেয়েকে মারধর করেছে।
গত পরশু মঙ্গলবার বাসার বাজার করা নিয়ে মারধর করে, পর দিন বুধবার বিকালে মেয়ে কীটনাশক জাতীয় ট্যাবলেট পান করে অসুস্থ হয়ে পড়ে বলে জানায় তারা। পরে তাকে উদ্ধার করে বুধবার সন্ধ্যায় মুগদা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে তাকে বুধবার দিবাগত রাত বারোটার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এসআই শারমিন জাহান শাম্মী বলেন, এ ঘটনায় মৃত শারমিনের বাবা রফিকুল ইসলাম আত্মহত্যার প্ররোচনা মামলা করেছেন। মৃতার স্বামী সাগর মিয়া থানায় আটক রয়েছে।
গাইবান্ধা সদর উপজেলার চকবরুল গ্রামের রিকশাচালক রফিকুল ইসলামের মেয়ে শারমিন।
বর্তমানে খিলগাঁও মেরাদিয়া পোড়াবাড়ি এলাকায় পরিবারের সাথে ভাড়া বাসায় থাকতো। এক ছেলে এক মেয়ের জননী ছিলেন তিনি।
বিডি প্রতিদিন/আরাফাত