গাজীপুরে টঙ্গীতে তুরাগ নদের উপর বেইলি ব্রিজ স্থাপনের দাবিতে আজ শনিবার (০১ মার্চ) দুপুরে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে টঙ্গী বাজার এলাকায় মানববন্ধন ও পরে বিআরটি প্রকল্পের উড়ালসেতুতে অবস্থান নিয়ে অবরোধ ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে টঙ্গী বাজার ব্যবসায়ীরা।
প্রায় পৌনে এক ঘণ্টার এই অবরোধে যান চলাচল বন্ধ থাকে। এতে দুর্ভোগে পড়েন পরিবহন যাত্রীরা। পরে সওজ কর্তৃপক্ষ বেইলি ব্রিজ নির্মাণের আশ্বাস দিলে অবরোধ তুলে নেন ব্যবসায়ীরা। এরপর যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
বিক্ষোভকালে বক্তব্য দেন টঙ্গী পূর্ব থানা বিএনপির সভাপতি সরকার জাবেদ আহমেদ সুমন, সাবেক সভাপতি রাশেদুল ইসলাম কিরণ, গাজীপুর মহানগর বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক আব্দুর রহিম খান কালা, টঙ্গী পূর্ব থানা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক মিজানুর রহমান, ব্যবসায়ী আব্দুস সাত্তার, আবুল কালাম আজাদ, যুবদল নেতা জিএম হাসান, নেতা বিএম শামীম, যুবদল নেতা জিএম হাসান, তৈয়ব আলী, হানিফ প্রমুখ।
ব্যবসায়ীরা জানায়, রাজধানীর সাথে টঙ্গীর একমাত্র যোগাযোগ ব্যবস্থা এই বেইলি সেতু। নদের উপর তিনটি বেইলি সেতুর মধ্যে গত কয়েক মাস আগে একটি সেতু ভেঙ্গে যায়। বিআরটির পক্ষ থেকে একটি সেতু অপসারণ করা হচ্ছে। আর অপর একটি সেতু দিয়ে লাখো মানুষের যাতায়াত। এছাড়া টঙ্গী বাজার এই এলাকার প্রাচীন বাজার। এ বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় মালামাল কিনতে প্রতিনিয়ত লাখ লাখ মানুষের সমাগম হয়। বিআরটি প্রকল্পের উড়াল সড়কে যান চলাচল চালু হওয়ার পর গত ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে মহাসড়কের পশ্চিম পাশে থাকা নদের উপর বেইলি সেতুটি অপসারণ করছে বিআরটি কর্তৃপক্ষ। এতে ভোগান্তিতে পড়েন ব্যবসায়ী, ক্রেতা-বিক্রেতারা।
এ বিষয়ে গাজীপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী কেএম শরিফুল আলম বলেন, বিআরটি প্রকল্পের সেতুতে ব্যবসায়ীদের অবস্থান চলছে এমন খবর পেয়ে এখানে এসেছি। বিআরটি প্রকল্পের অধীনে একটি ও আমাদের (সওজ) অধিনে আরও দুটি বেইলি ব্রিজ ছিল। গত ফেব্রুয়ারি মাসে একটি দুর্ঘটনায় একটি বেইলি ব্রিজ ভেঙ্গে যায়। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটি) অনুমতি দিলে তুরাগ নদের উপর আমরা (সওজ) স্থায়ীভাবে দুটি বেইলি ব্রিজ স্থাপনের ব্যবস্থা করবো।
বিডি প্রতিদিন/জামশেদ