চট্টগ্রাম নগর, পটিয়া ও ফটিকছড়ি উপজেলায় পৃথক তিনটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় অর্ধশতাধিক দোকান, বসতঘর ও গুদাম পুড়ে গেছে। শনিবার দিবাগত রাত থেকে রবিবার বিকেলের মধ্যে এসব অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। তবে এই তিনটি ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের উপসহকারী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুল রাজ্জাক জানান, রবিবার দুপুর ২টা ৫০ মিনিটের দিকে নগরীর আতুরার ডিপো এলাকার আমিন জুট মিলসের উত্তর গেট সংলগ্ন কয়েকটি দোকানে আগুন লাগে। বায়েজিদ, কালুরঘাট ও আগ্রাবাদ ফায়ার স্টেশনের ৬টি ইউনিট আগুন নির্বাপনে কাজ শুরু করে। প্রায় সোয়া এক ঘন্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রনে আসে। এর আগেই কয়েকটি দোকান ও গুদাম পুড়ে গেছে। আগুন লাগার কারণ ও ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরীর কাজ চলছে।
এর আগে শনিবার দিবাগত রাতে ফটিকছড়ি উপজেলার শান্তিরহাট বাজারে আগুনে ৩০টি দোকান ও বসতঘর পড়ে যায়। ফটিকছড়ি ফায়ার সার্ভিস স্টেশন কর্মকর্তা কামাল উদ্দিন চৌধুরী জানান, শান্তিরহাট বাজারের জলিল সওদাগরের ভাড়া বাসার গ্যাস সিলিন্ডার থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। এরপর আগুন পার্শ্ববর্তী দোকান ও বসতঘরে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুইটি ইউনিট গিয়ে ২ ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুন নেভার আগে জালাল সওদাগরের ৪টি, শেখ আহমদের ২০টি, দেলোয়ার হোসেনের ২টি এবং আক্কাসের ৪টিসহ ৩০টি দোকান ও ঘর পুড়ে যায়।
এদিকে ফায়ার সার্ভিসের আরেকটি সূত্র জানিয়েছে, রবিবার দুপুর ১টার দিকে পটিয়া উপজেলার জঙ্গলখাইন ইউনিয়নের নাইখাইন গ্রামে স্বপন সরদারের বাড়ির বৈদ্যুতিক লাইনের শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মূহুর্তের মধ্যে আগুন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়দের চেষ্টায় এবং ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও ততক্ষণে ২২টি বসতঘর সম্পূর্ণ ছাই হয়ে যায়।
বিডি প্রতিদিন/এএম