শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ২১ মার্চ, ২০২৫

গল্প

আজমীর সাহেবের অবকাশযাপন

নিলয় মাহমুদুল
প্রিন্ট ভার্সন
আজমীর সাহেবের অবকাশযাপন

আজমীর সাহেব অফিস থেকে এক সপ্তাহের ছুটি নিয়েছেন। এ কয়দিন অফিসে বেশ ঝামেলা গেছে তার ওপর দিয়ে। কদিন রেস্ট নেওয়া দরকার। কিন্তু কোথায় যাবেন? বাড়িতে থেকে ছুটি কাটানো যাবে না। কারণ তার স্ত্রী খুব আমুদে মানুষ। এ মুহূর্তে আমুদের চাইতে একটু নিরিবিলি থাকতে বেশি ইচ্ছে করছে আজমীর সাহেবের। আজমীর সাহেবের স্ত্রী যদি কোনোভাবে জানতে পারে সে এক সপ্তাহের ছুটি নিয়েছে, অমনি গো ধরবে তাকে নিয়ে ঘুরতে যেতে হবে। তাও আবার দেশে না, বিদেশে।

স্ত্রীকে নিয়ে ঘুরতে যাওয়াই যায়। এতে দোষের কিছু নেই। তবে স্ত্রী যদি ঘুরতে এসে কোন মহিলা কী পরল, কাকে কেমন দেখাচ্ছে, কার জামা-কাপড়ের কত দাম হতে পারে- এসব নিয়ে পড়ে থাকে সেই স্ত্রীকে নিয়ে ঘুরতে যাওয়ার কোনো মানে হয়? গত বছর তারা দার্জিলিং বেড়াতে গিয়েছিল। সঙ্গে তার স্ত্রীর বড় বোনও ছিল। দুই বোন একসঙ্গে হলে, পারলে একেকজনকে ডেকে ডেকে বলে, ‘আপা দেখ বুড়িটাকে কেমন লাগছে। ইচ্ছে করছে ডেকে বলি, আপনাকে এই পোশাকে খুবই বাজে লাগছে।’ শুধু ভদ্রতার খাতিরে বলতে পারে না। দুই বোন তখন নিজেরা নিজেরা হাসতে হাসতে শেষ। অথচ দুই বোনেরই বয়স এখন ঢালের দিকে। শরীরে মেদ জমেছে। শাড়ি ছাড়া তাদের অন্য কিছুতে মানায় না। ভারী মেকআপে খুবই অস্বস্তিকর দেখায়। তাও তাদের রূপচর্চায় কোনো কমতি থাকে না। তাদের ঘোরাফেরা শুধু কাপড় আর কসমেটিকসের দোকান পর্যন্ত সীমাবদ্ধ থাকে। শেষে দেখা যায়, দুজনের কেনাকাটার ব্যাগ বইতে বইতে আজমীর সাহেবের জীবন যায়। তখন একটা ভিন্ন দেশ দেখার যে আগ্রহ নিয়ে আস্বাদ, তা একেবারেই শেষ হয়ে যায়। এমনিতেই এক মহিলার যন্ত্রণায় অস্থির, তার ওপর আরেকজন। কোনো এক অদ্ভুত কারণে স্ত্রীর ছোট বোনের প্রতি পুরুষদের যে মায়া কাজ করে, বড় বোনদের প্রতি করে, তার উল্টোটা।

আজমীর সাহেব ঠিক করলেন এবারের ছুটিটা তিনি গ্রামে গিয়ে কাটাবেন। তার এক বন্ধু থাকেন গ্রামে। তার নাম ওয়াহিদুর রহমান। বর্তমান সময়ের অন্যতম ব্যস্ত লেখক। শহরে অভিজাত এলাকাতে নিজের কেনা ফ্ল্যাট থাকা সত্ত্বেও বছরের বেশির ভাগ সময় গ্রামেই থাকেন। তিনি বিয়ে করেননি। তবে প্রেম করেছেন প্রচুর। এ নিয়ে বাজারে অনেক চটকদার খবর চালু আছে। বছরখানেক হয় নতুন জায়গা কিনে বাড়ি করেছেন। সেখানে যাওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়ে একটা চিঠিও দিয়েছিলেন।

বন্ধু,

ভালো আছ নিশ্চয়ই। তোমার ৮টা-৫টার জীবন কেমন চলছে? সম্প্রতি একটা নতুন বাড়ি করলাম। একদম নিটল, শান্ত পরিবেশ। দোতলা টিনের ঘর। লাগোয়া বিশাল বারান্দা। বর্ষাকালে বারান্দায় বসে চা খেতে খেতে বৃষ্টি দেখি। কী যে এক অনাবিল শান্তি। না দেখলে বুঝবে না। বাড়ির দক্ষিণ পাশে বিশাল একটা পুকুর কাটিয়েছি। স্বচ্ছ টলটলা পানি। চৈত্রের তপ্ত দুপুরে গাছের ছায়ায় পুকুর পাড়ে যখন বসি, মনটা এত শীতল হয় যে, মনে হয় মায়ের কোলে আছি। একটা বজরার মতো নৌকা বানিয়েছি। জ্যোৎস্না রাতে সেই নৌকায় একা একা ভেসে বেড়াই। এখানে একটা ছেলে আছে। ওর নাম সুমন। চমৎকার গান করে। মাঝে মাঝে ওকে ডেকে নিয়ে গান শুনি। তখন তারাশঙ্কর সাহেবের একটা কথা খুব মনে পড়ে- জীবন এত ছোট কেন?

ঘড়ির কাঁটা হিসাব করে চলা মানুষ তোমরা। একদিন বেহিসাবি হওয়ার আমন্ত্রণ রইল।

আজমীর সাহেব বাড়িতে বললেন, অফিসের কাজে কিছুদিনের জন্য ঢাকার বাইরে যেতে হবে।

শুনে স্ত্রী বললেন, কবে ফিরবে?

সপ্তাহখানেক।

এক সপ্তাহ?

হ্যাঁ। কেন?

বড় আপা বলছিল তিন-চার দিনের জন্য নেপাল যাবে। দুলাভাইও যাচ্ছে সঙ্গে। আপার নামে নতুন কী এক ব্যবসা নাকি দেবে। তাই দেখতে যাচ্ছে। আমাকে জিজ্ঞেস করেছিল যাব কি না। তখন না করেছিলাম। এখন যেহেতু তুমি বাসায় থাকছ না, তাহলে আমিও যাই সঙ্গে? তুমি কী বল?

আদিল, রিপা ওরা বাসায় একা থাকবে?

একা কোথায়? মফিজ ভাই, ছনিয়ার মা, আলাউদ্দিন ওরা তো আছেই। তাছাড়া ওরা এখন যথেষ্ট ম্যাচিউরড।

যাও যেখানে খুশি।

এমনভাবে বলছ যেন আমি তোমার গলার কাঁটা হয়ে আছি।

আমি সেটা বলিনি। বলতে চেয়েছি আরও কোথাও যেতে চাইলে যেতে পার।

আরও কোথাও কীভাবে যাব? এত টাকা আছে আমার কাছে?

টাকা নেই মানে? গত সপ্তায় না এক লাখ টাকা নিলে?

তোমাকে বলিনি, কেনাকাটা করেছি?

আজমীর সাহেব বুঝতে পারেন না একটা মহিলা এত খরুচে স্বভাবের হয় কীভাবে? ছেলেমেয়েগুলোও দিনদিন মায়ের মতো হচ্ছে। এক অজানা কারণে মা আর ছেলেমেয়েদের কাউকে তিনি কিছু বলতে পারেন না। নিজের স্ত্রীর ওপর যতই বিরক্ত হন না কেন, মাঝে মাঝে প্রবল মায়া আর ভালোবাসায় কেমন যেন আটকে যান।

আজমীর সাহেব গাড়ি নিয়ে বের হলেন বিকাল বেলা। প্রথমে ভেবেছিলেন গাড়ি ছাড়াই বের হবেন। পরে ভাবলেন, নতুন অপরিচিত জায়গা, শেষে রাস্তা হারিয়ে ফেললে বিপদ হবে। তাই গাড়ি নিয়েই বের হলেন। আজমীর সাহেবের ড্রাইভারের নাম রমজান। প্রায় সাত বছর হয় আজমীর সাহেবের গাড়ি চালাচ্ছে সে।  অনেকটা পরিবারের সদস্যের মতোই হয়ে গেছে।

পোস্তগোলা ব্রিজ পার হওয়ার পর হাসনাবাদ স্ট্যান্ড। বসুন্ধরা রিভারভিউ রোড ধরে পানগাঁওয়ের কাছাকাছি আসতেই আজমীর সাহেব গাড়ির গ্লাস নামিয়ে ফেললেন। সবকিছু ছবির মতো সুন্দর লাগছে। রাস্তার দুপাশে সারি সারি গাছ। মাঝে মাঝে কিছু বাড়ি, পরপর ছোট ছোট জলাশয়। তীব্র বেগে হাওয়া গা ছুয়ে যাচ্ছে। নিজেকে অনেক হালকা মনে হচ্ছে। ইচ্ছে হচ্ছে পাখির মতো উড়ে যেতে। চলতি পথে সাধারণত তিনি গ্লাস নামান না। ঢাকা শহরে যেই জ্যাম। তার ওপর কোথাও থামলেই ভিক্ষুকদের উৎপাত।

স্যার একটা কথা বলমু? বাড়ি থেকে বের হয়ে আসার পর এই প্রথম রমজান কিছু বলল।

বল।

অনেক দিন ধইরাই ভাবতাছিলাম বলমু, সুযোগ হইতাছিল না।

এত ভনিতা করার কী আছে? তুমি তো আমার সঙ্গেই থাক। চাইলে যে কোনো সময়ই তো বলতে পার।

তারপরেও স্যার, সব কথা সব সময় বলা যায় না।

আচ্ছা বলো দেখি তোমার কী এমন কথা।

কথাটা আসলে ছোট সাহেবরে নিয়া।

আদিলকে নিয়ে আবার কী কথা?

আমার মনে হয় ছোট সাহেব খারাপ ছেলেপেলের পাল্লায় পড়ছে।

মানে? বুঝলাম না ঠিক।

লজ্জার কথা কী বলব স্যার, সেদিন তারে আমি গাঁজা খাইতে দেখছি। এর আগেই আমার একবার সন্দেহ হইছিল, তাই খোঁজখবর নেওয়ার জন্য নজর রাখছিলাম। একদিন দেখি এক মাইয়া মাইনষের কাছ থেইকা নেশাপানি কিনতাছে।

আজমীর সাহেব কী প্রতিক্রিয়া দেখাবেন বুঝতে পারছেন না। চুপ করে রইলেন।

আমারে ক্ষমা করবেন স্যার। অন্য কোনো বিষয় হইলে বলতাম না। আদিল বাবাজিকে আমি সন্তানের মতো দেখি। চোখের সামনে ছেলেটা নষ্ট হইয়া যাইব, এইটা মানা স্যার আমার পক্ষে সম্ভব না।

না না তুমি কেন ক্ষমা চাইছ? বরং ভালোই করেছ। ঠিক আছে আমি           দেখছি।

এতক্ষণ যেই ফুরফুরে আমেজে তিনি ছিলেন তার সবটাই এখন নষ্ট হয়ে গেছে। ছোটবেলা থেকেই ছেলেমেয়ের কোনো ইচ্ছা অপূর্ণ রাখেননি আজমীর সাহেব। যখন যা চেয়েছে একবাক্যে দিয়েছেন। আজকের এই দিনটির জন্য? আজমীর সাহেব মনে মনে ভাবলেন- আজ আমার ড্রাইভার বলছে আমার ছেলে নেশা করে! মেয়েটার চলাফেরাও দিনদিন উচ্ছৃঙ্খল হয়ে যাচ্ছে। রাতে দেরি করে বাড়ি ফেরে। রোকসানাকে কয়েকবার বলেওছিলেন। সে বলে, মেয়ে বড় হয়েছে, কলেজে পড়ে, এখন একটু ঘোরাফেরা করবে না তো কবে করবে? কিন্তু ছেলেটা? শান্তশিষ্ট এ ছেলেটা তলে তলে এসব করে বেড়ায়? কলেজ শেষ করে সবে ইউনিভার্সিটিতে উঠেছে। সামনে উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ। আর সে কি না এভাবে সব নষ্ট করছে? কোনো দিন ছেলেমেয়েকে একটা ধমকও দেননি আজমীর সাহেব। আজ তারাই কি না কলিজায় দাগ কেটে যাচ্ছে?

ব্রাহ্মণগাঁওয়ের কাছাকাছি আসতেই হঠাৎ গাড়িটা বন্ধ হয়ে গেল। সন্ধ্যা হবে হবে। ফাঁকা রাস্তা, আশপাশে কয়েকটা ইটের ভাটা, অফ সিজন হওয়ায় সেখানেও কাউকে দেখা যাচ্ছে না।

কী হলো রমজান?

সেইটাই তো বুঝতাছি না স্যার।

রমজান পরপর কয়েকবার গাড়ি স্টার্ট দেওয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হলো।

বের হওয়ার আগে গাড়ি চেক করনি?

সবই তো ঠিক ছিল, হঠাৎ কি হইল বুঝতাছি না।

এখান থেকে আর কতদূর বলতে পার?

এক কিলোর মতো হইব।

আজমীর সাহেব গাড়ি থেকে নেমে একটা সিগারেট ধরালেন। পরিবেশটা মন্দ না। মৃদু বাতাস বইছে, চারদিক থেকে ঝিঁঝি পোকার আওয়াজ শোনা যাচ্ছে। দূরে আকাশের তারার মতো মিটমিট করে কিছু আলো জ্বলতে দেখা যাচ্ছে।

আজমীর সাহেব জিজ্ঞেস করলেন, ওটা কি কোনো বাজার নাকি?

রমজান বলল, বাজারের মতোই। কয়েকটা দোকানপাট আছে। জাজিরা বোটঘাট এটা।

তুমি এখানে এত কিছু চেন কীভাবে?

আগে যখন ভাড়া গাড়ি চালাইতাম বিদেশি যাত্রী নিয়া মাঝে মাঝে আসা হইত।

চলো তাহলে সামনে যাই। দেখি কোনো মেকানিক পাওয়া যায় কি না!

এইখানে কোনো মেকানিক পাওয়া যাইব বইলা মনে হয় না। হয় ফতুল্লা ঘাটে যাইতে হইব, না হয় হাসনাবাদ।

গিয়ে দেখি কোনো ব্যবস্থা হয় কি না। না হলে কাল সকালে দেখা যাবে।

এমন সুনসান জায়গায় গাড়িটা রাইখা যাওয়া কি ঠিক হইব স্যার?

এ ছাড়া উপায় কী?

আমি না হয় স্যার সামনে থেইকা আপনারে একটা রিকশা কইরা দেই, আপনে চইলা যান। আমি গাড়ি ঠিক করায়া নিয়া আসতাছি।

অল্প কিছু দূর পরেই একটা ছোট ব্রিজ। ব্রিজের এক কোনায়, নিচে কে একজন জবুথবু হয়ে বসে আছে। কৌতূহলবশত আজমীর সাহেব উঁকি দিলেন। লোকটার মাথা নিম্নমুখী। কারও উপস্থিতি টের পেয়ে ঘাড় ঘুরিয়ে তাকাল। লোকটির চোখেমুখে ভয় ধরানো একটা ব্যাপার আছে। রহস্যময় একটা হাসি দিয়ে কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইল। রমজান ভয় পেয়ে বলল, চলেন স্যার।

আজমীর সাহেব লোকটিকে পা থেকে মাথা অবধি এক নজর দেখলেন। এই গরমেও লোকটা চাদর গায়ে দিয়ে আছে। চাদরের ভিতরে কিছু পরে আছে কিনা বোঝা যাচ্ছে না। নিম্নাংশে ধুতি পরিহিত। হাতে লাঠি।

রমজান আবারও বলল, পাগল মনে হইতাছে। এদের কাছে বেশিক্ষণ থাকা ঠিক হইব না। চলেন স্যার।

আজমীর সাহেব চোখে মুখে আগের মতোই কৌতূহল নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন।

সেই রহস্যময় লোকটি হাসি হাসি মুখ করে বলল, এ দুনিয়ায় ভালা মানুষ কেডা? কেউ ট্যাকার পাগল, কেউ মাইয়া মাইনষের পাগল, কেউ আবার সরাবের পাগল। কিছু কিছু পাগল আছে সত্যরে মিথ্যা আর মিথ্যারে সত্য জ্ঞান করে।

আজমীর সাহেব অথবা রমজান, তদের কেউ লোকটির কথার আগা মাথা কিছুই বুঝতে পারল না।

লোকটা এবার বিরক্তির ছাপ মুখে নিয়ে বলল, যাহ, আমারে ত্যক্ত করিছ না। অগো লগে আমার কথা আছে।

লোকটি আগের মতোই তার স্থানে বসে পড়ল।

লেখক সাহেবের বাড়ি পৌঁছাতে রাত ৮টা বেজে গেল। আজমীর সাহেব এসেছেন ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাতে। রমজান গেছে মেকানিকের সন্ধানে।

নৈশভোজ শেষে দুই বন্ধু বসেছে পুকুর ঘাটে। আজমীর সাহেবের দৃষ্টিনিবদ্ধ হয়ে আছে পুকুরের যেখানটায় চাঁদের আলো এসে পড়েছে সেখানটায়। লেখক সাহেব এক খিলি পান মুখে দিলেন। মুখের ভিতর পিষতে থাকা পানের শব্দে আজমীর সাহেব ফিরে তাকালেন।

তুমি আবার পান খাও কবে থেকে?

লেখক মৃদু হেসে বললেন, সব সময় খাই না। মাঝে মধ্যে। দেব নাকি তোমাকে একটা বানিয়ে?

না, না তুমিই খাও। পান মুখে দিয়ে জাবর কাটতে আমার অসহ্য লাগে।

ঠিক আছে তোমার খেতে হবে না।

কিছুক্ষণের নীরবতা শেষে আজমীর সাহেব বললেন, অনেক দিন পর ঝিঁঝি পোকার ডাক শুনছি। রাস্তা দিয়ে আসার সময়ও শুনতে পেয়েছিলাম। ছোটবেলার কথা মনে পড়ে যাচ্ছে।

তুমি এসবও ভাবো?

শহরের অভ্যস্ত ব্যস্ত জীবনে এসব নিয়ে ভাববার সময় কই?

তা অবশ্য ঠিক। আর সে জন্যই তো এখানে গর্ত খুঁড়লাম। সম্পূর্ণ গর্তজীবী হবো বলে।

তুমি খুব ভালো আছ ভাই।

কেন, তুমি নেই?

ঠিক বুঝতে পারি না।

এই কথা শুনে লেখক সাহেব উচ্চৈঃস্বরে হাসতে লাগলেন। এই হাসির অর্থ বুঝতে পারলেন না আজমীর সাহেব। কেন যেন জিজ্ঞেসও করতে ইচ্ছে করছে না।

প্রসঙ্গ পাল্টে জিজ্ঞেস করলেন, আসার সময় একজন পাগলের সঙ্গে দেখা হলো। কেমন উদ্ভট লাগল।

এটা কেমন কথা বন্ধু? পাগলেরা উদ্ভট হবে সেটাই তো স্বাভাবিক।

সেই স্বাভাবিকের মধ্যেও কেমন যেন একটা অস্বাভাবিক ব্যাপার ছিল।

তুমি হয়তো আমীর সাহেবের কথা বলছ।

‘সাহেব’ বলছ যে।

হুম তিনি শিক্ষক ছিলেন। দশ বছর আগে এক দুর্ঘটনার পর থেকে তার এই অবস্থা।

কেমন দুর্ঘটনা?

আজমীর সাহেব স্থানীয় এক প্রাইমারি স্কুলের হেডমাস্টার ছিলেন। একটা মাত্রই ছেলে ছিল তার। অনেক কষ্টে ছেলেকে ডাক্তার বানিয়েছেন। ছেলে নিজের পছন্দে তারই এক সহপাঠীকে বিয়ে করে। এতে তাদের কোনো আপত্তি ছিল না অবশ্য। ছেলে বউ নিয়ে ঢাকাতেই থাকত। দুজন প্রাক্টিসও করত একই হাসপাতালে। বিয়ের প্রথম বছরেই খুশির সংবাদ পায় সবাই। সেই আনন্দ উদযাপনে স্ত্রীকে নিয়ে একদিন এক রেস্টুরেন্টে খেতে গিয়ে সেখান থেকে আর বের হতে পারেনি তারা। তুমি জানো নিশ্চয়ই গুলশানের বহুতল ভবনের সেই অগ্নিকান্ডের কথা। সেই দুর্ঘটনার কথা শোনার পর আজমীর সাহেবের স্ত্রী স্ট্রোক করে মারা যান। তারপর থেকে তিনিও এলোমেলো হয়ে গেলেন।

আজমীর সাহেব পলকহীন দৃষ্টি নিয়ে কথাগুলো শুনছিলেন। তার চোখের পানি জোছনার আলোয় চিকচিক করছে। লেখক সাহেব খেয়াল করেও কিছু বললেন না।

আজমীর সাহেবের খুব বলতে ইচ্ছে করছে- বন্ধু জানো, সেই ভবনের অনুমোদন আমি দিয়েছিলাম। ছয়তলার অনুমতি নিয়ে বারোতলা ভবন করা হয়েছে জেনেও আমি কোনো পদক্ষেপ নিইনি। করপোরেট ভবনের অনুমতি নেওয়া হলেও ব্যাঙের ছাতার মতো রেস্টুরেন্ট হয়েছে, তাও চুপ থেকেছি। সামান্য কিছু টাকার জন্য। অগ্নিকান্ড ঘটার পর আমার নামে কেস হয়। এত বছর পর গতকাল সেই কেসের নিষ্পত্তি করে তোমার এখানে এসেছি।

কী ভাবছ এমন আনমনে? লেখক সাহেব জিজ্ঞেস করলেন।

কিছু না।

সুমনকে ডেকে পাঠিয়েছি। হয়তো এসে পড়বে এখনই। ওর গান শুনলে ভালো লাগবে। কোনো কিছু নিয়ে এত ভেব না। যদি ভাবতেই হয় সময়মতো ভাববে। তাহলে হয়তো পরবর্তীতে আর কষ্ট পেতে হবে না। জানতো মানুষের ভাগ্য তার কর্মে।

সুমন এসে গান ধরে-

আমি অপার হয়ে বসে আছি

ও হে দয়াময়

পারে লইয়ে যাও আমায়...

ভরা যৌবনের মতো পূর্ণিমার আলোয় ভেসে যায় গান, সঙ্গে কতিপয় প্রাণ।

 

লেখা পাঠানোর ইমেইল ঠিকানা

[email protected]

 

এই বিভাগের আরও খবর
বিদায়
বিদায়
ছায়া পড়ে থাকে
ছায়া পড়ে থাকে
দুজনের সম্পর্ক যা
দুজনের সম্পর্ক যা
জসীমউদ্‌দীনের কবর
জসীমউদ্‌দীনের কবর
সুখের নান্দিপাঠ
সুখের নান্দিপাঠ
হলুদ বসন্ত পাখি
হলুদ বসন্ত পাখি
ভালোবেসেছিল
ভালোবেসেছিল
সৈয়দ মুজতবা আলী
সৈয়দ মুজতবা আলী
একটু দাঁড়াও
একটু দাঁড়াও
বালুকাবেলা, পাটুয়ারটেক
বালুকাবেলা, পাটুয়ারটেক
সেদিনও আকাশ ছিল লাল
সেদিনও আকাশ ছিল লাল
আঁধার ভেদ করা আলোর শিল্পী
আঁধার ভেদ করা আলোর শিল্পী
সর্বশেষ খবর
ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা
ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা

৮ মিনিট আগে | জাতীয়

বায়ুদূষণে আজ ১৫তম ঢাকা
বায়ুদূষণে আজ ১৫তম ঢাকা

৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলি হামলায় আরও ৭৭ ফিলিস্তিনি নিহত
ইসরায়েলি হামলায় আরও ৭৭ ফিলিস্তিনি নিহত

২৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন
প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন

৩১ মিনিট আগে | জাতীয়

শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প
শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প

৩৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা

৫৭ মিনিট আগে | জাতীয়

ছেলের মৃত্যুর শোক সইতে না পেরে মায়ের মৃত্যু
ছেলের মৃত্যুর শোক সইতে না পেরে মায়ের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

বাড়তি ভাড়া আদায়, পরিবহনকে অর্ধলাখ টাকা জরিমানা
বাড়তি ভাড়া আদায়, পরিবহনকে অর্ধলাখ টাকা জরিমানা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতে আতশবাজির কারখানায় বিস্ফোরণ, নিহত ২১
ভারতে আতশবাজির কারখানায় বিস্ফোরণ, নিহত ২১

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে আজ ব্যাংকক যাবেন প্রধান উপদেষ্টা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে আজ ব্যাংকক যাবেন প্রধান উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৮ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি কমলো ৪.৪১ শতাংশ
৮ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি কমলো ৪.৪১ শতাংশ

৬ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা
হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা

৭ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩ এপ্রিল)

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নিখোঁজ প্রতিবন্ধীর লাশ মিললো ডোবায়
নিখোঁজ প্রতিবন্ধীর লাশ মিললো ডোবায়

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টুঙ্গিপাড়ায় মাহেন্দ্র-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২
টুঙ্গিপাড়ায় মাহেন্দ্র-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জমি নিয়ে বিরোধে বোনের হাতে প্রাণ হারালো ভাই
জমি নিয়ে বিরোধে বোনের হাতে প্রাণ হারালো ভাই

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চাঁদপুরে দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার
চাঁদপুরে দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের তৃতীয় দিনে দেড় লাখ দর্শনার্থীতে মুখর চিড়িয়াখানা
ঈদের তৃতীয় দিনে দেড় লাখ দর্শনার্থীতে মুখর চিড়িয়াখানা

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মেঘনা নদীতে গোসল করতে নেমে তরুণ নিখোঁজ
মেঘনা নদীতে গোসল করতে নেমে তরুণ নিখোঁজ

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের দিন ঘুরতে বেরিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেফতার
ঈদের দিন ঘুরতে বেরিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেফতার

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের
উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!
১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কোস্টারিকার নোবেলজয়ী সাবেক প্রেসিডেন্টের মার্কিন ভিসা বাতিল
কোস্টারিকার নোবেলজয়ী সাবেক প্রেসিডেন্টের মার্কিন ভিসা বাতিল

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাউবি উপাচার্যের নাম ও ছবি ব্যবহার করে প্রতারণা, থানায় জিডি
বাউবি উপাচার্যের নাম ও ছবি ব্যবহার করে প্রতারণা, থানায় জিডি

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের আনন্দকে বাড়াতে যমুনার চরে ঘুড়ি উৎসব অনুষ্ঠিত
ঈদের আনন্দকে বাড়াতে যমুনার চরে ঘুড়ি উৎসব অনুষ্ঠিত

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজধানীতে দুই কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ২
রাজধানীতে দুই কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ২

১২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

কুয়াকাটায় পর্যটকদের ভিড়
কুয়াকাটায় পর্যটকদের ভিড়

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস
শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ দিল ইতালি, যা রয়েছে নতুন আইনে
নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ দিল ইতালি, যা রয়েছে নতুন আইনে

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের
উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গুলশান-বনানীর সড়ক ব্যবহারে ট্রাফিকের নতুন নির্দেশনা
গুলশান-বনানীর সড়ক ব্যবহারে ট্রাফিকের নতুন নির্দেশনা

১৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলবিরোধী পোস্ট করলেই বাতিল হতে পারে মার্কিন ভিসার আবেদন
ইসরায়েলবিরোধী পোস্ট করলেই বাতিল হতে পারে মার্কিন ভিসার আবেদন

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সেভেন সিস্টার্স প্রসঙ্গে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ
সেভেন সিস্টার্স প্রসঙ্গে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

লোহিত সাগরে মার্কিন রণতরী লক্ষ্য করে হুথিদের একের পর এক হামলা
লোহিত সাগরে মার্কিন রণতরী লক্ষ্য করে হুথিদের একের পর এক হামলা

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা
হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা

৭ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

গাজায় বিশাল এলাকা দখল করে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত করার ঘোষণা
গাজায় বিশাল এলাকা দখল করে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত করার ঘোষণা

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আন্তর্জাতিক আইন ভেঙে ফেসবুকে ইসরায়েলি বসতির প্রচার
আন্তর্জাতিক আইন ভেঙে ফেসবুকে ইসরায়েলি বসতির প্রচার

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে ন্যূনতম যে সংস্কার প্রয়োজন তা করতে হবে’
‘নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে ন্যূনতম যে সংস্কার প্রয়োজন তা করতে হবে’

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মিয়ানমারের ভূমিকম্প: নামাজরত অবস্থায় ৫ শতাধিক মুসল্লির মৃত্যু
মিয়ানমারের ভূমিকম্প: নামাজরত অবস্থায় ৫ শতাধিক মুসল্লির মৃত্যু

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যপ্রাচ্যে আরও রণতরী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, বাড়ছে উত্তেজনা
মধ্যপ্রাচ্যে আরও রণতরী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, বাড়ছে উত্তেজনা

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে নির্বাচন : প্রেস সচিব
২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে নির্বাচন : প্রেস সচিব

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সীমানা পেরিয়ে হামলা চালাল পাকিস্তানি সেনারা, ভারত বলছে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন
সীমানা পেরিয়ে হামলা চালাল পাকিস্তানি সেনারা, ভারত বলছে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!
১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস
শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মার্কিন প্রস্তাব মানতে নারাজ রাশিয়া
ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মার্কিন প্রস্তাব মানতে নারাজ রাশিয়া

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ধোঁয়াশার কিছু নেই, ডিসেম্বর-জুনের মধ্যেই নির্বাচন হবে : তথ্য উপদেষ্টা
ধোঁয়াশার কিছু নেই, ডিসেম্বর-জুনের মধ্যেই নির্বাচন হবে : তথ্য উপদেষ্টা

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাঙ্গেরিতে গেলেই নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারের আহ্বান এইচআরডব্লিউ’র
হাঙ্গেরিতে গেলেই নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারের আহ্বান এইচআরডব্লিউ’র

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কাশ্মীর সীমান্তে উত্তেজনা, ৫ পাকিস্তানি সেনা হত্যার দাবি ভারতের
কাশ্মীর সীমান্তে উত্তেজনা, ৫ পাকিস্তানি সেনা হত্যার দাবি ভারতের

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক নিয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রসচিব
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক নিয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রসচিব

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বৃহস্পতিবার থাইল্যান্ড যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা
বৃহস্পতিবার থাইল্যান্ড যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চট্টগ্রামে ৬ মাসে বন্ধ ৫২ কারখানা, কাজের আদেশ কমেছে ২৫ শতাংশ
চট্টগ্রামে ৬ মাসে বন্ধ ৫২ কারখানা, কাজের আদেশ কমেছে ২৫ শতাংশ

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট হাসপাতালে, আছেন নিবিড় পর্যবেক্ষণে
পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট হাসপাতালে, আছেন নিবিড় পর্যবেক্ষণে

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিলেটে মধ্যরাতে বিএনপি-যুবদল সংঘর্ষ, আহত ১৫
সিলেটে মধ্যরাতে বিএনপি-যুবদল সংঘর্ষ, আহত ১৫

২৩ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

ট্রেনের ছাদে টিকটক করতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই যুবকের
ট্রেনের ছাদে টিকটক করতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই যুবকের

১৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলতি সপ্তাহে রোহিঙ্গাদের জন্য ১৭ হাজার টন খাদ্য পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
চলতি সপ্তাহে রোহিঙ্গাদের জন্য ১৭ হাজার টন খাদ্য পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্তে বিমসটেক সদস্যদের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ
বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্তে বিমসটেক সদস্যদের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে

সম্পাদকীয়

চোখের পলকে চুরি-ছিনতাই
চোখের পলকে চুরি-ছিনতাই

পেছনের পৃষ্ঠা

সর্বত্র ভোটের আলোচনা
সর্বত্র ভোটের আলোচনা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে : খালেদা জিয়া
সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে : খালেদা জিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

উপচে পড়া ভিড় বিনোদন কেন্দ্র ও চিড়িয়াখানায়
উপচে পড়া ভিড় বিনোদন কেন্দ্র ও চিড়িয়াখানায়

পেছনের পৃষ্ঠা

ঈদযাত্রায় প্রাণহানি অর্ধশত
ঈদযাত্রায় প্রাণহানি অর্ধশত

প্রথম পৃষ্ঠা

ওয়ানডে সিরিজও জিতল নিউজিল্যান্ড
ওয়ানডে সিরিজও জিতল নিউজিল্যান্ড

মাঠে ময়দানে

শাকিবের প্রশংসায় বুবলী
শাকিবের প্রশংসায় বুবলী

শোবিজ

৩২ শহীদ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন জামায়াত আমিরের
৩২ শহীদ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন জামায়াত আমিরের

প্রথম পৃষ্ঠা

ইউনূস-মোদি বৈঠক কাল
ইউনূস-মোদি বৈঠক কাল

প্রথম পৃষ্ঠা

রংপুরে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা
রংপুরে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা

নগর জীবন

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই

সম্পাদকীয়

ভারতের ঘটনার প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশে দেখা যায়
ভারতের ঘটনার প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশে দেখা যায়

প্রথম পৃষ্ঠা

কেউ ঢাকায় ফিরছেন আবার কেউ ছাড়ছেন
কেউ ঢাকায় ফিরছেন আবার কেউ ছাড়ছেন

পেছনের পৃষ্ঠা

গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো উঠছে টেবিলে
গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো উঠছে টেবিলে

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেই স্থানীয় পর্যায়ে
বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেই স্থানীয় পর্যায়ে

প্রথম পৃষ্ঠা

চাঁদা না দেওয়ায় দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা
চাঁদা না দেওয়ায় দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

মোংলায় হচ্ছে বাণিজ্য হাব
মোংলায় হচ্ছে বাণিজ্য হাব

দেশগ্রাম

মোদির চিঠি শাহবাজের টেলিফোন
মোদির চিঠি শাহবাজের টেলিফোন

প্রথম পৃষ্ঠা

বেড়াতে নিয়ে রাতভর শিশু ধর্ষণ
বেড়াতে নিয়ে রাতভর শিশু ধর্ষণ

দেশগ্রাম

ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ
ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

আবারও ডেঙ্গু বিস্তারের শঙ্কা
আবারও ডেঙ্গু বিস্তারের শঙ্কা

রকমারি নগর পরিক্রমা

দেশে নদনদীর সংখ্যা এখন ১২৯৪
দেশে নদনদীর সংখ্যা এখন ১২৯৪

পেছনের পৃষ্ঠা

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদের ছুটিতে হত্যা ভাঙচুর লুটপাট
ঈদের ছুটিতে হত্যা ভাঙচুর লুটপাট

পেছনের পৃষ্ঠা

নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সংস্কার প্রয়োজন
নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সংস্কার প্রয়োজন

প্রথম পৃষ্ঠা

নেতানিয়াহু প্রবেশ করা মাত্র গ্রেপ্তার করুন
নেতানিয়াহু প্রবেশ করা মাত্র গ্রেপ্তার করুন

পূর্ব-পশ্চিম

দুর্ঘটনাপ্রবণ ১৫৯ কিলোমিটার
দুর্ঘটনাপ্রবণ ১৫৯ কিলোমিটার

দেশগ্রাম

ঈদে প্রাণ ফিরেছে পর্যটনে
ঈদে প্রাণ ফিরেছে পর্যটনে

নগর জীবন