শিরোনাম
প্রকাশ: ০১:০২, রবিবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৫

মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ

আনোয়ার হোসেইন মঞ্জু
অনলাইন ভার্সন
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ

অন্তর্বর্তী সরকার এক বছরেও যে ক্ষেত্রে আদৌ শৃঙ্খলা আনতে পারেনি, তা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি। এখন পরিস্থিতি যা দাঁড়িয়েছে, তাতে দেশে দৃশ্যত কোনো সরকার আছে বলে মনে হয় না। ক্ষমতার রশি কার হাতে বা কে কাকে নিয়ন্ত্রণ করছে, তা বোঝা যায় না। বিশ্বের কোনো দেশ, যেখানেই বিপ্লব সংঘটিত হয়েছে, বিপ্লবোত্তর সরকারকে কঠোর হাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে লুটেরা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের তাৎক্ষণিক শাস্তি বিধান করে গোলযোগ সৃষ্টিকারীদের মধ্যে ভীতি সৃষ্টি করতে হয়েছে। এই কঠোরতার অনুপস্থিতিতে সুযোগের অপেক্ষায় ওত পেতে থাকা বিপ্লব বিরোধীরা সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে বিপ্লবের লক্ষ্য অর্জনের পথ রুদ্ধ করতে সক্রিয় হয়ে ওঠে। বাংলাদেশেও দৃশ্যত অনুরূপ এক বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ‘মব জাস্টিস’ শব্দ দুটি বাংলাদেশে ইতোমধ্যে বহুল পরিচিত এবং সবার শঙ্কার কারণ হয়ে উঠেছে। নিরাপত্তাহীনতার বোধ এমন নয় যে বাংলাদেশে কখনো মব জাস্টিসের অস্তিত্ব ছিল না। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তানে শহর-জনপদগুলোতে বসবাসরত বিহারিরা টের পেয়েছে, মব জাস্টিস কী! ১৯৭১ সালের ডিসেম্বর থেকে পরবর্তী দুই বছর বিহারি এবং অখণ্ড পাকিস্তানের অন্যান্য সমর্থক টের পেয়েছে মব জাস্টিস কত প্রকার ও কী কী? দেশে সব সময় মব জাস্টিস ছিল। ১৯৭৪ সালের ৪ এপ্রিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলের সামনে সাত ছাত্রকে গুলি করে হত্যা করার ঘটনাও ছিল মব জাস্টিস। ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর কেবল বাংলাদেশ নয়, বিশ্বের মানুষ টেলিভিশনে ঢাকার রাজপথে মব জাস্টিসের ভয়াবহতা প্রত্যক্ষ করেছে। প্রতিটি মব জাস্টিস ঘটিয়েছে আওয়ামী লীগ ও তাদের অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা। গলার জোরে তারা তাদের দ্বারা কৃত মব জাস্টিসসহ সব অপকর্মকে সংগত বলে প্রমাণ করতেও অদ্বিতীয়। সরকারে থাকতে তারা কী কী করেছে তা সবার জানা। 

মব জাস্টিস কেবল গুরুতর অপরাধ নয়, দেশে আইনশৃঙ্খলাহীন পরিস্থিতি বিরাজ করার বড় প্রমাণ। রাজনৈতিক দলের ক্ষমতায় থাকার সুবিধা হলো, তারা রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তা ছাড়াও তাদের অন্যায়-অবিচারের কাজে দলীয় কর্মী বাহিনী ও মাস্তানদের পাশে পায়। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের সেই সুবিধা নেই। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোর সদস্যদের একটি বড় অংশ শেখ হাসিনার টানা সাড়ে ১৫ বছরের শাসনামলে দলীয় বিবেচনায় নিয়োগপ্রাপ্ত। শেখ হাসিনার সরকারের স্থলে কোনো রাজনৈতিক সরকার প্রতিস্থাপিত হলে তাদের পক্ষে সমাজবিরোধী ও চক্রান্তকারীদের বিরুদ্ধে যেভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ সম্ভব, অন্তর্বর্তী সরকার তা পারছে না তাদের অন্তর্বর্তী সরকার এক বছরেও যে ক্ষেত্রে আদৌ শৃঙ্খলা আনতে পারেনি পেছনে কোনো রাজনৈতিক শক্তির অকুণ্ঠ সমর্থন নেই বলে। সেজন্য পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটার আগেই নির্বাচন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করে অন্তর্বর্তী সরকার যত দ্রুত বিদায় নিতে পারে তাদের জন্য এবং দেশের জন্য তত মঙ্গল। কিন্তু মব জাস্টিসসহ দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করাসহ অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের লাগামহীন বৃদ্ধি নির্বাচন অনুষ্ঠানকে হুমকির মুখে ফেলতে যাচ্ছে বলে আশঙ্কা ব্যক্ত করছে প্রায় সব রাজনৈতিক দল ও গোষ্ঠী। কোনো বিচারেই আলামতগুলো শুভ নয়।

রাজনীতিতে শুধু রাজনৈতিক দলই ফ্যাক্টর নয়। রাজনীতির আরও উপসর্গ ও অনুসর্গ জড়িত। নানা প্রেসার গ্রুপের স্বার্থ ও উদ্দেশ্য জড়িত। গত বছরের ৫ আগস্টের পর দেশ কিছুদিনের জন্য কার্যত রাজনীতিশূন্য হয়ে পড়েছিল এবং যারা দীর্ঘ দেড় দশক চাঁদাবাজি ও দখল বাণিজ্য থেকে বঞ্চিত ছিল, তারা সহসা দৃশ্যপটে আবির্ভূত হয়ে চাঁদাবাজি ও দখলে লিপ্ত হয়। অন্তর্দলীয় কোন্দল অথবা ব্যক্তিগত প্রাধান্য বিস্তারের জন্য তারা নিজেরাই নিজেদের সঙ্গে খুন-জখমের শিকার হয়। মাস দুয়েক পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলেও এরপরই শুরু হয় সমাজ ও রাজনীতির দুষ্টক্ষতগুলোর যথেচ্ছাচার।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার জন্য সুবিধাভোগী শ্রেণির যারা বিপ্লব সফল হওয়ার মাত্র কদিন আগেও বজ্রকণ্ঠে তার সরকারের বিরুদ্ধে রাজপথে জীবনদানকারীদের নানা নিন্দাসূচক বিশেষণে চিহ্নিত করেছেন, ৫ আগস্টের পর তারা দ্রুত তাদের কেবলা পরিবর্তন করে ফেলেন। তারা তাদের কণ্ঠের সুর ও প্রার্থনার ধরন পাল্টে ফেলেন। কাকে কী দিতে হবে, কোথায় বসাতে হবে- এই ইঙ্গিত পাওয়ামাত্র বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে রদবদল ঘটতে থাকে। নতুন নতুন মুখকে তাদের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শোভাবর্ধনে নিয়োজিত হতে দেখা যায়। এর আগে দেশ এমন ডিগবাজি আর কখনো প্রত্যক্ষ করেনি। জানা যায়, ভূমিকম্পের আগে প্রখর ইন্দ্রিয়ের প্রাণীরা আগেভাগে টের পায়। বাংলাদেশের ডিগবাজিবিশারদরা অনুরূপ আগেই টের পেয়ে যান যে রাষ্ট্রক্ষমতার পরিবর্তন হয়ে কার হাতে আসছে এবং সে অনুযায়ী তারা হৃদয় খুলে উদার হাতে চাঁদা ও দক্ষিণার বিলিবণ্টন শুরু করেন।

এটা ওপরতলার ব্যাপার। মাঝারি ও নীচু পর্যায়ের বিবর্তন ঘটে যেতে থাকে অদৃশ্য ইশারায়। সে ইশারায় চাঁদার উৎস এবং দখলের ক্ষেত্রগুলো হাতবদল হয়ে যার পেশিশক্তি বেশি তার কোলে পড়ে গাছপাকা আমের মতো। রাজনীতিশূন্যতার সুযোগে এই অপশক্তিগুলো গত একটি বছর অতি সক্রিয় ছিল। বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি হলো, যখনই কোনো দলের ক্ষমতায় আসার সব লক্ষণ পরিস্ফুট হয় অথবা ক্ষমতায় আসে, তখন এই অপশক্তিগুলো ক্ষমতাসীন দলের অনুবর্তী হয়ে যায়। চাঁদা ও দখলের ভাগ দিয়ে তাদের আস্থাভাজনে পরিণত হয়। এ ধারাবাহিকতার সহসা অবসান ঘটবে, এমন আশা করা নিরর্থক।

ক্ষমতার লোভ, খ্যাতির লোভ, সম্পদ আত্মসাতের লোভ, বাংলাদেশে একক দখলদারি প্রতিষ্ঠার লোভ শেখ হাসিনা ও তাঁর লোভের সঙ্গীদের ডুবিয়েছে। একজন ব্যক্তির এত লোভ থাকা উচিত? প্রধানমন্ত্রীর পিয়ন ৪০০ কোটি টাকার মালিক  এবং তিনি হেলিকপ্টারে ভ্রমণ করেন! কল্পনা করা যায়? পিয়নের মালের পরিমাণ যদি এত হয়, তাঁর পারিষদবর্গের একেকজন কত বিত্তের মালিক হতে পারেন? ২ হাজার ৩০০ বছর আগে কৌটিল্য তাঁর বিখ্যাত ‘অর্থশাস্ত্র’ গ্রন্থে বলেছেন : ‘পানিতে একটি মাছ কখন কতটুকু পানি পান করে তা জানা যেমন অসম্ভব, একজন সরকারি কর্মচারী কী পরিমাণ অর্থ চুরি করছেন, তা নির্ণয় করাও অনুরূপ অসম্ভব।’ কৌটিল্য তাঁর যুগে ‘সরকারি কর্মচারী’ উল্লেখ করলেও আধুনিক যুগে সরকারি কর্মচারীর ঘাড়ের ওপর চেপে থাকেন মন্ত্রী, সংসদ সদস্যসহ অন্যান্য নির্বাচিত প্রতিনিধি ও দলীয় নেতা-কর্মীরা। অতএব চুরির ক্ষেত্র নিম্নস্তর থেকে ঊর্ধ্বতন পর্যায়ে ব্যাপ্ত। যার ক্ষমতার এখতিয়ার যত বেশি, তার চুরির পরিমাণও তত বেশি। পরলোকগত ভারতীয় লেখক-সাংবাদিক খুশবন্ত সিং তাঁর এক কৌতুকে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দুর্নীতির ওপর আলোকপাত করেছেন এভাবে : কেরালা বিধানসভার এক সদস্য চণ্ডীগড়ে এসে তার বন্ধু পাঞ্জাবের এক মন্ত্রীর বাসভবনে ওঠেন। তার বিলাসবহুল বাড়ি ও প্রাচুর্য দেখে জানতে চান, ‘তুমি কীভাবে এত বিত্তের মালিক হলে?’ মন্ত্রী তার বন্ধুকে বলেন, ‘আগামীকাল তোমাকে দেখাব।’ পরদিন মন্ত্রী মহোদয় বন্ধুকে গাড়িতে এক জায়গায় নিয়ে আঙুল তুলে দূরে এক ব্রিজ দেখান। ‘তুমি কী ওখানে একটি ব্রিজ দেখতে পাচ্ছ। ওই ব্রিজের নির্মাণ ব্যয়ের অর্ধেক আমার পকেটে এসেছে।’ চার বছর পর পাঞ্জাবি তার মন্ত্রিত্ব হারিয়েছেন। তিনি কেরালায় যান তার বন্ধুর বাড়িতে, যিনি তখন রাজ্যের মন্ত্রী হয়েছেন। পাঞ্জাবি বিস্ময় প্রকাশ করেন, ‘তুমি আমাকেও হার মানিয়ে দিয়েছ। ক্রিস্টালের ঝাড়বাতি, ইতালিয়ান মার্বেল, মার্সিডিজ গাড়ি। কী করে সম্ভব হলো?’ পরদিন মন্ত্রী তার বন্ধুকে এক জায়গায় নিয়ে দূর উপত্যকার দিকে দেখিয়ে বললেন, ‘তুমি কি ওখানে একটা ব্রিজ দেখতে পাচ্ছ?’ পাঞ্জাবি উত্তর দিলেন, ‘না, আমি তো ওখানে কোনো ব্রিজ দেখতে পাচ্ছি না।’ মন্ত্রী বলেন, ‘ঠিক বলেছ, ওখানে কোনো ব্রিজ নেই। কারণ, ব্রিজের পুরো অর্থ আমার পকেটে এসেছে।’

এ ধরনের জোকস কেবল হাসি-মশকরার জন্য নয়, সরকারের দায়িত্বে নিয়োজিতদের চরম দুর্নীতিপরায়ণতার কারণেই সৃষ্টি হয়। বাংলাদেশ জন্মলগ্ন থেকে এর ব্যতিক্রম ছিল না। যারাই ক্ষমতায় এসেছে, বিত্ত গড়ে তোলার ক্ষেত্রে রাখঢাক করেনি। আওয়ামী লীগ ‘আমার দেশ,’ ‘বাবার দেশ,’-এর দাবিদার হিসেবে মাল কামানোর ক্ষেত্রে নিজেরাই নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতা শুরু করেছিল। তারা লক্ষ-কোটি টাকার প্রজেক্ট নিয়েছে এবং বিনা বাধায় লুট করেছে।

‘লোভই সকল পাপের মূল’। এ সম্পর্কে একটি সংস্কৃত প্রবাদ আছে : ‘লোভাত ক্রোধপ্রভবতি, লোভাত কাম প্রজায়তে, লোভান-মহাশ্চ নাহাশ্চলোভা পাপস্য কারানাম’ অর্থাৎ ‘লোভ ক্রোধ সঞ্চার করে, অতিরিক্ত লোভলালসা ধ্বংস ডেকে আনে, কারণ লোভই সকল পাপের মূল।’ চব্বিশের জুলাই আন্দোলনে সাড়ে পনেরো বছর ধরে বাংলাদেশে ক্ষমতার একচ্ছত্র অধিশ্বরী দশভুজা মা দুর্গার মতো কল্পিত অসুর বিনাশিনী শেখ হাসিনা ও তাঁর দুষ্কর্মের সঙ্গীরা সদলবলে পলায়ন করলেও বাংলাদেশ থেকে লোভের বিনাশ ঘটবে বলে বিশ্বাস করা যায় না।  ১৯৪৭ সাল থেকে হিসাব করলে গত ৭৮ বছর যাঁরাই প্রথমে পূর্ব পাকিস্তান এবং পরে বাংলাদেশে শাসকের মসনদে বসেছেন, দৃশ্যত তাঁরা সুদর্শন, আকর্ষণীয়, সুঠামদেহী হলেও এবং সুন্দর সুন্দর বচন দিলেও তাঁদের অন্তরে ছিল প্রতারণা। এ প্রসঙ্গে সংস্কৃতে একটি প্রবাদ আছে : ‘আকৃতিরবাকাস্য দৃষ্টিসতু কাকস্য’, অর্থাৎ ‘দেখতে তারা সারসের মতো হলেও তাদের দৃষ্টি কাকের মতো।’

যারা শেখ হাসিনা ও তাঁর সঙ্গীদের স্থলাভিষিক্ত হয়ে তাঁদের মতোই চুরিচামারিতে লিপ্ত হতে ব্যগ্র, তারা নিয়মরীতি লঙ্ঘন করে হলেও তড়িঘড়ি ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য ছটফট করছে। তারা ক্ষমতাবঞ্চিত। ক্ষমতাবঞ্চনার চেয়ে তাদের বৈশিষ্ট্য দুহাতে মাল কামাতে না পারার কষ্ট। ক্ষমতা হাতে এলেই পথটা সহজ হয়ে যায়। তাদের সময় কম, বাধা অনেক, সংস্কৃত প্রবাদে বলা হয় : ‘অল্পশ্চ কালা বভশ্চ বিঘ্ন।’ তারা ‘জুলাই সনদ’ মানতে অনাগ্রহী। তাদের দাবি, আগে নির্বাচন পরে সংস্কার। সরকার পতনের মূলে যারা ছিল, তাদের কথা হলো, ‘জুলাই সনদের ভিত্তিতে আগে সংস্কার, পরে নির্বাচন।’ শেখ হাসিনার মেয়াদ যদি ২০২৮ সাল পর্যন্ত লম্বিত হতো, তাহলে তারা কার কাছে ‘অবিলম্বে নির্বাচন’ দাবি করতেন? এখনো লেজ গুটিয়ে লোকান্তরিত থাকতে হতো তাদের। অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাচন দিতে চেয়েছে, এই তো বেশি। গত বছরের উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সামরিক আইন জারি করা হলে রাজনৈতিক দলগুলোকে গর্তেই থাকতে হতো। প্রাচীন রোমের একটি প্রবাদকে প্রায়ই এভাবে অনুবাদ করা হয় : ‘একজন ক্ষুধার্ত ব্যক্তি উপাদেয় খাদ্যের স্বপ্ন দেখতে পারে না,’ যার ইংরেজি রূপ : ‘অ্যা বেগার ক্যান নট বি চুজারস।’ সরকার যা দিচ্ছে, তা গ্রহণ করুন। শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের পথে আর বাধা হয়ে দাঁড়াবেন না। অন্তর্বর্তী সরকার প্রধানের উচিত যারা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে বা ইন্ধন জোগাচ্ছে তাদের প্রতি অনুদার হওয়া।

যেভাবেই হোক, কোনো ব্যতিক্রম না ঘটলে আর মাত্র পাঁচ মাস পর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে আমার মতো অনেকেই আশাবাদী। যাঁরা নির্বাচিত হবেন, তাঁরা নির্বাচনের খরচ তোলার প্রতিযোগিতায় অবতীর্ণ হবেন, তা প্রায় স্বতঃসিদ্ধ। আমার মতো যারা ক্ষমতার ধারেকাছে নেই, তারা তো আশা করতে পারি, যে কোনোভাবে মাতৃভূমির কল্যাণ হোক।

লেখক : যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী সিনিয়র সাংবাদিক ও অনুবাদক

এই বিভাগের আরও খবর
বিএনপির প্রয়োজনীয়তা
বিএনপির প্রয়োজনীয়তা
সরকার-সেনাবাহিনী নিয়ে অতিকথন নির্বাচন ভণ্ডুলের অপচেষ্টা?
সরকার-সেনাবাহিনী নিয়ে অতিকথন নির্বাচন ভণ্ডুলের অপচেষ্টা?
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সর্বশেষ খবর
ডাকসু নির্বাচন: ফরহাদের প্রার্থিতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট, শুনানির দিন ধার্য
ডাকসু নির্বাচন: ফরহাদের প্রার্থিতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট, শুনানির দিন ধার্য

এই মাত্র | ক্যাম্পাস

অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে এখনো সংশয় আছে : রিজভী
অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে এখনো সংশয় আছে : রিজভী

৬ মিনিট আগে | রাজনীতি

চবি এলাকায় ফের শিক্ষার্থী-স্থানীয় সংঘর্ষ, আহত প্রো-ভিসি, প্রক্টরসহ অনেকে
চবি এলাকায় ফের শিক্ষার্থী-স্থানীয় সংঘর্ষ, আহত প্রো-ভিসি, প্রক্টরসহ অনেকে

২৫ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

১৩ মাসে ঢাকা ও আশপাশে ১৬০৪ অবরোধ
১৩ মাসে ঢাকা ও আশপাশে ১৬০৪ অবরোধ

২৬ মিনিট আগে | জাতীয়

বাংলাদেশ প্রতিদিনের আহত সাংবাদিক দুর্জয়ের খোঁজ নিলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
বাংলাদেশ প্রতিদিনের আহত সাংবাদিক দুর্জয়ের খোঁজ নিলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

৫২ মিনিট আগে | নগর জীবন

প্রিয়জন হারালেন রশিদ খান
প্রিয়জন হারালেন রশিদ খান

৫৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

রাকসু নির্বাচন ঘিরে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েকজন
রাকসু নির্বাচন ঘিরে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েকজন

৫৬ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

হাসনাত আবদুল্লাহর জন্য উপহার পাঠালেন রুমিন ফারহানা
হাসনাত আবদুল্লাহর জন্য উপহার পাঠালেন রুমিন ফারহানা

৫৯ মিনিট আগে | রাজনীতি

চবিতে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে শিবিরের বিক্ষোভ
চবিতে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে শিবিরের বিক্ষোভ

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ছেলের সঙ্গে মারামারি গড়াল ডিএনএ পরীক্ষায়, জানলেন সন্তানদের বাবা নন তিনি
ছেলের সঙ্গে মারামারি গড়াল ডিএনএ পরীক্ষায়, জানলেন সন্তানদের বাবা নন তিনি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিলেটে আরও ৫০ হাজার ঘনফুট পাথর উদ্ধার
সিলেটে আরও ৫০ হাজার ঘনফুট পাথর উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

নুরের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিলেন রাষ্ট্রপতি
নুরের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিলেন রাষ্ট্রপতি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কাছের মানুষের মৃত্যুতে ভেঙে পড়েছিলেন আহান
কাছের মানুষের মৃত্যুতে ভেঙে পড়েছিলেন আহান

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

মানুষের মতো স্বাদ নেয় ও মনে রাখে কৃত্রিম জিভ, তাক লাগালেন চীনা বিজ্ঞানীরা
মানুষের মতো স্বাদ নেয় ও মনে রাখে কৃত্রিম জিভ, তাক লাগালেন চীনা বিজ্ঞানীরা

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

ইউক্রেনের সাবেক স্পিকারকে গুলি করে হত্যা
ইউক্রেনের সাবেক স্পিকারকে গুলি করে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাকে অমানবিক নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, ছেলে-বউসহ আটক ৫
মাকে অমানবিক নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, ছেলে-বউসহ আটক ৫

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সালমানের ব্যাটে ৬ বলে ৬ ছক্কা, ১২ বলে ১১: শেষ ২ ওভারে উঠল ৭১ রান
সালমানের ব্যাটে ৬ বলে ৬ ছক্কা, ১২ বলে ১১: শেষ ২ ওভারে উঠল ৭১ রান

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে যুবক খুন
চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে যুবক খুন

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ইয়েমেনের ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ মুফতা
ইয়েমেনের ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ মুফতা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজায় অনাহারে আরও ১০ ফিলিস্তিনির মৃত্যু
গাজায় অনাহারে আরও ১০ ফিলিস্তিনির মৃত্যু

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভয়েস অব আমেরিকার পাঁচ শতাধিক সাংবাদিককে ছাঁটাই করছে ট্রাম্প প্রশাসন
ভয়েস অব আমেরিকার পাঁচ শতাধিক সাংবাদিককে ছাঁটাই করছে ট্রাম্প প্রশাসন

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নেত্রকোনায় দু’পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ৩
নেত্রকোনায় দু’পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ৩

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে আজও ‘মাঝা‌রি’ দূষণ
ঢাকার বাতাসে আজও ‘মাঝা‌রি’ দূষণ

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সেলফির নেশায় মৃত্যু: ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র শীর্ষে
সেলফির নেশায় মৃত্যু: ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র শীর্ষে

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উড্ডয়নের পরই ইঞ্জিনে আগুন, মাঝ-আকাশে বিমানে আতঙ্ক
উড্ডয়নের পরই ইঞ্জিনে আগুন, মাঝ-আকাশে বিমানে আতঙ্ক

২ ঘণ্টা আগে | এভিয়েশন

আরও দুই হাজার চিকিৎসক নিয়োগের সুপারিশ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে
আরও দুই হাজার চিকিৎসক নিয়োগের সুপারিশ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৯৯ বছরের তাপমাত্রার রেকর্ড ভাঙল এশিয়া
৯৯ বছরের তাপমাত্রার রেকর্ড ভাঙল এশিয়া

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফোরজিতে ন্যূনতম ডাউনলোড গতি ১০ এমবিপিএস নির্ধারণ
ফোরজিতে ন্যূনতম ডাউনলোড গতি ১০ এমবিপিএস নির্ধারণ

৩ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

ছেলের জন্মদিনের উপহার নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করল স্বামী
ছেলের জন্মদিনের উপহার নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করল স্বামী

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বেগমগঞ্জে মাকে লাঠি দিয়ে বেধড়ক পেটালো সন্তান
বেগমগঞ্জে মাকে লাঠি দিয়ে বেধড়ক পেটালো সন্তান

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

২২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ
জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক
ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা
বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা

১৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিললো ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিললো ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাসনাত আবদুল্লাহর জন্য উপহার পাঠালেন রুমিন ফারহানা
হাসনাত আবদুল্লাহর জন্য উপহার পাঠালেন রুমিন ফারহানা

৫৬ মিনিট আগে | রাজনীতি

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি
রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্বর্ণের দাম আরও বাড়লো
স্বর্ণের দাম আরও বাড়লো

১৬ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ
মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ

১০ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ছেলের জন্মদিনের উপহার নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করল স্বামী
ছেলের জন্মদিনের উপহার নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করল স্বামী

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২ হাজার ট্রেইনি কনস্টেবল নিয়োগ দিতে যাচ্ছে পুলিশ
২ হাজার ট্রেইনি কনস্টেবল নিয়োগ দিতে যাচ্ছে পুলিশ

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফেব্রুয়ারির আগেই হাসিনার বিচার দেখতে পাবে দেশবাসী : চিফ প্রসিকিউটর
ফেব্রুয়ারির আগেই হাসিনার বিচার দেখতে পাবে দেশবাসী : চিফ প্রসিকিউটর

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না : সালাহউদ্দিন
ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না : সালাহউদ্দিন

২৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গাজা যুদ্ধে ৯০০ ইসরায়েলি সেনা নিহত
গাজা যুদ্ধে ৯০০ ইসরায়েলি সেনা নিহত

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা
ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নেদারল্যান্ডসকে হেসেখেলে হারাল টাইগাররা
নেদারল্যান্ডসকে হেসেখেলে হারাল টাইগাররা

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চীনে পৌঁছেছেন পুতিন
চীনে পৌঁছেছেন পুতিন

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প
ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ
১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সামাজিক মাধ্যমে ট্রাম্পের মৃত্যুর গুজব
সামাজিক মাধ্যমে ট্রাম্পের মৃত্যুর গুজব

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক

প্রথম পৃষ্ঠা

রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি

প্রথম পৃষ্ঠা

বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ
বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ
যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ

প্রথম পৃষ্ঠা

আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র
আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র

নগর জীবন

বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন
বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন

প্রথম পৃষ্ঠা

২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!
২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!

পেছনের পৃষ্ঠা

আভিজাত্যের সেই নাচঘর
আভিজাত্যের সেই নাচঘর

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার
ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী
বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী

নগর জীবন

আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব
আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ
বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ

নগর জীবন

সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে
সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা
স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে
বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে

মাঠে ময়দানে

রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ
রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ

পেছনের পৃষ্ঠা

সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত
সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত

প্রথম পৃষ্ঠা

বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত
বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত

বিশেষ আয়োজন

ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

নগর জীবন

ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল
ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল

মাঠে ময়দানে

আশরাফুলদের বড় জয়
আশরাফুলদের বড় জয়

মাঠে ময়দানে

মিশে গেছেন মিচেল
মিশে গেছেন মিচেল

মাঠে ময়দানে

জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক
জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক

মাঠে ময়দানে

১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড
১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড

মাঠে ময়দানে

কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ
কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ

মাঠে ময়দানে

আমরণ অনশনের হুঁশিয়ারি প্রাথমিক শিক্ষকদের
আমরণ অনশনের হুঁশিয়ারি প্রাথমিক শিক্ষকদের

পেছনের পৃষ্ঠা

ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়
ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়

সম্পাদকীয়

মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ

সম্পাদকীয়

বিনিয়োগ চাঙা করতে দরকার ভালো নির্বাচন
বিনিয়োগ চাঙা করতে দরকার ভালো নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

নগর জীবন