শিরোনাম
প্রকাশ: ১২:৩০, সোমবার, ২৪ মার্চ, ২০২৫ আপডেট: ১২:৩৪, সোমবার, ২৪ মার্চ, ২০২৫

সবার উপর একাত্তর, আমাদের স্বাধীনতা

অদিতি করিম
অনলাইন ভার্সন
সবার উপর একাত্তর, আমাদের স্বাধীনতা

মাঝে মাঝে একটি রাজনৈতিক দলের ছোট সিদ্ধান্ত দলটিকে নিয়ে যায় অনন্য উচ্চতায়। একটি অবস্থানই একটি রাজনৈতিক দলকে দেয় অমরত্ব। দেশের অন্যতম রাজনৈতিক দল বিএনপি গত রবিবার সেরকম একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই একটি সিদ্ধান্ত বিএনপিকে রাজনৈতিক দল হিসেবে নিয়ে গেছে অনন্য উচ্চতায়। গত রবিবার (২৩ মার্চ) জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের বৈঠকে লিখিত মতামতের মধ্যে একটি বিষয়ে বিএনপির অবস্থান গোটা দেশবাসীর হৃদয় স্পর্শ করেছে। দলটি বলেছে, ‘সুপারিশে ১৯৭১ ও ২০২৪ সালকে এক কাতারে আনা হয়েছে। এটি তারা সমুচিত বলে মনে করে না।’ মহান মুক্তিযুদ্ধকে উর্ধ্বে তুলে ধরে বিএনপি এক ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালন করলো। মহান স্বাধীনতা দিবসের মাত্র ৩ দিন আগে বিএনপির এই অবস্থান টুপি খোলা অভিনন্দন পাবার যোগ্য।

মার্চ মাস আমাদের স্বাধীনতার মাস। আমাদের গৌরবের মাস। এই মাসে বাঙালি গর্জে উঠেছিল। যার যা কিছু আছে তাকেই সম্বল করে একটি প্রশিক্ষিত হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সংগ্রামে অবতীর্ণ হয়েছিল বীর বাঙালি। বাংলাদেশ হলো সেই সাহসী সন্তানদের দেশ, যে দেশের মানুষ তার মাতৃভূমির জন্য অকাতরে জীবন দেয়। রক্ত দিয়ে ছিনিয়ে আনে স্বাধীনতা। আমাদের জাতীয় পতাকা ৩০ লাখ শহিদের রক্তে রঞ্জিত। বাংলাদেশের প্রতি ইঞ্চি জমিতে আছে শহীদের রক্ত। এ দেশের বাতাস, বৃক্ষ সবকিছুই শহীদের ত্যাগের সাক্ষী। আমাদের অস্তিত্ব আমাদের স্বাধীনতা। একাত্তর আমাদের সবচেয়ে গর্বের। একাত্তরের সাথে অন্য কোন কিছুর তুলনা হয় না। একাত্তর আমাদের শিখিয়েছে পরাভব না মানতে, একাত্তর আমাদের শিখিয়েছে জনগণের শক্তির বিজয় গাঁথা রচনা করতে। কাজেই একাত্তরকে সবার উপরে রাখতেই হবে। একাত্তর তুলনাহীন। 

আমরা সাম্প্রতিক সময়ে লক্ষ্য করছি যে আমাদের মুক্তিযুদ্ধ, আমাদের স্বাধীনতা, আমাদের গৌরবকে অনেকে ছোট করার চেষ্টা করছেন। এটা অনাকাঙ্ক্ষিত, দুর্ভাগ্যজনক এবং অনভিপ্রেত। একাত্তরের পথ পেরিয়ে বাংলাদেশ তার ৫৪ বছরের যাত্রাপথে অনেক কিছু অর্জন করেছে। বাংলাদেশ ধাপে ধাপে এগিয়েছে আর্থ-সামাজিক ভাবে। একদিকে যেমন বাংলাদেশ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লড়াই করেছে, বিভিন্ন সময়ে অগণতান্ত্রিক স্বৈরাচারী সরকারকে জনগণের সম্মিলিত শক্তির মাধ্যমে উৎখাত করেছে, ঠিক তেমনই বাংলাদেশ একটি ক্ষুধা দারিদ্রের রাষ্ট্র থেকে আজ স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে বিশ্বের মানচিত্রে। স্বাধীনতার ৫৪ বছরে বাংলাদেশ কৃষিতে গর্ব করার মত সাফল্য অর্জন করেছে। বেসরকারি উদ্যোক্তারা বাংলাদেশের শিল্প এবং বিনিয়োগকে নিয়ে গেছেন নতুন উচ্চতায়। এ দেশে কৃষকরা যেমন শ্রম ঘাম দিয়ে সোনা ফলিয়েছেন, ঠিক তেমনি ভাবে এ দেশের ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তারা অর্থনীতির চাকাকে সচল করে রেখেছেন। সম্মিলিত সাফল্যের এই ধারায় বাংলাদেশ আজ বিশ্বের বুকে অনুকরণীয়। 

আমাদের অস্তিত্বের শেকড় একাত্তর। আমাদের ভিত্তি একাত্তর। কাজেই একাত্তরের সঙ্গে অন্য কোন কিছুর তুলনা হয় না। আমরা জানি যে গত  বছরের জুলাই মাসে আমাদের শিক্ষার্থীরা এক অভূতপূর্ব গণ আন্দোলন করছে। এই গণ আন্দোলনের মাধ্যমে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের স্বৈরাচারী ব্যবস্থার অবসান ঘটেছে। একটি নতুন বাংলাদেশের প্রত্যয়ে একটি নতুন সরকার যাত্রা শুরু করেছে। এই সরকারের বয়স হয়েছে সাত মাস। কিন্তু এই সময়ে আমরা লক্ষ্য করছি কিছু অতি উৎসাহীরা একাত্তর আর চব্বিশকে পাশাপাশি রাখতে চাচ্ছে। এনিয়ে জনগণের মধ্যে অস্বস্তি থাকলেও কেউ প্রকাশ্যে কথা বলছিলো না। বিএনপি সত্য প্রকাশ করলো। ঐকমত্য কমিশনের বৈঠকে উপস্থিত হয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ একটাই। জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে কোন নতুন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়নি। গণতন্ত্র বিপন্ন হয়েছিল, গণতন্ত্রকে সঠিক পথে নিয়ে আসার জন্যেই এই বিজয় অর্জিত হয়েছে।’

বাংলাদেশ রাষ্ট্র আছে জন্যই চব্বিশের জুলাই বিপ্লব সংঘটিত হয়েছে। চব্বিশে জুলাই বিপ্লব কি একাত্তরের সঙ্গে সাংঘর্ষিক? অবশ্যই নয়। যারা মনে করেন যে, জুলাই বিপ্লব মুক্তিযুদ্ধের বিকল্প আরেকটি মুক্তিযুদ্ধ, তারা অসম্ভব ভুল একটি রাজনৈতিক সমীকরণ করছেন। এই রাজনৈতিক সমীকরণ কখনোই জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। চব্বিশের বিপ্লব আসলে মুক্তিযুদ্ধের আকাঙ্ক্ষা পূরণেরই একটি সংগ্রাম। 

আমাদের মুক্তিযুদ্ধের আকাঙ্ক্ষা কি ছিল? মুক্তিযুদ্ধের আকাঙ্ক্ষা ছিলো একটি সাম্যের বাংলাদেশ, বৈষম্যহীন বাংলাদেশ, যেখানে সকল নাগরিক সমান অধিকার পাবে। একাত্তরে নিরস্ত্র বাঙালি যুদ্ধ করেছিল অন্যায়ের বিরুদ্ধে, অত্যাচারের বিরুদ্ধে। ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর এই ভুখণ্ডের জনগণ প্রতি পদে পদে হয়েছিল বৈষম্যের শিকার। বাঙালিদেরকে সব জায়গায় প্রতিহত করে রাখার চেষ্টা করা হয়েছিল। আমাদের মুখের ভাষা কেড়ে নেয়া হয়েছিল। আর সেই সমস্ত বৈষম্যের বিরুদ্ধে তিল তিল করে এদেশের নাগরিকরা সম্মিলিতভাবে একটি অভূতপূর্ব আন্দোলন সংগ্রাম গড়ে তোলে। একাত্তর এক দিনে হয়নি। ধাপে ধাপে পুঞ্জীভূত ক্ষোভের নাম একাত্তর। ৪৭ থেকে ৭১ এই যাত্রাপথে অনেক সংগ্রাম, অনেক ত্যাগ, অনেক রক্ত দিতে হয়েছে বাঙালি জাতিকে। বাহান্নর ভাষা আন্দোলনে সালাম, রফিক, বরকতের রক্ত। বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের আত্মত্যাগ। ঊনসত্তরের গণ অভ্যুত্থানে আসাদ, শামসুদ্দোহার সাহসী বলিদান। একাত্তরের যুদ্ধে বীর বাঙালির অকুতোভয় সংগ্রাম এবং জীবন উৎসর্গ করার এক সাহসী দৃষ্টান্ত বাংলাদেশকে নিয়ে গেছে মুক্তির সোপানে। বাংলাদেশ একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। একাত্তরে বাংলাদেশ পরাজিত করেছিল পাকিস্তান হানাদার বাহিনীকে। সেই পরাজয়ের ধারায় গত চুয়ান্ন বছরে সব সূচকে পাকিস্তানকে অনেক পেছনে ফেলে দিয়েছে বাংলাদেশ। পাকিস্তান এখন বাংলাদেশকে অনুসরণ করে। কেউ যদি মনে করে থাকেন চব্বিশের বিজয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশকে পাকিস্তানের পথে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হবে তাহলে সেটা ভুল। দেশের জনগণ কখনো ভুল করে না। সে রকম কোন দুরভিসন্ধি যদি কারো থেকেও থাকে তাকে প্রতিহত করবে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ। বাংলাদেশের মানুষ একাত্তরের যে আকাঙ্ক্ষা ধারণ করেছিল সেই আকাঙ্খা থেকে বিচ্যুতির কারণে চব্বিশে রাজপথে নেমেছিল জনগণ। আমরা যদি চব্বিশের গণ অভ্যুত্থানকে নিমোর্হ ভাবে পর্যালোচনা করি তাহলে দেখব চব্বিশের গণ অভ্যুত্থানের মূল আকাঙ্ক্ষা ছিলো বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ। যেটি একাত্তরের আকাঙ্ক্ষা। আমাদের শহীদ বীররা যে আকাঙ্ক্ষা থেকে একটি স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করেছিলাম সেই আকাঙ্খা থেকে আমরা বিচ্যুত হয়েছিলাম। বাংলাদেশ হয়েছিল একটি মুষ্টিমেয় গোষ্ঠীর রাষ্ট্র, যেখানে কিছু ব্যক্তি সব সুবিধা পাবে। কিছু ব্যক্তি রাষ্ট্রের সব সম্পদ কুক্ষিগত করতে চায়। এরকম একটি অবস্থান থেকে বাংলাদেশ  মুক্তি ছিল একাত্তরের চেতনার বহিঃপ্রকাশ। আর সে কারণেই চব্বিশ হলো মুক্তিযুদ্ধের আকাঙ্ক্ষা পূরণের আরেকটি সংগ্রাম মাত্র। এ রকম সংগ্রাম আমরা বারবার করেছি, বিভিন্ন সময় করেছি। ১৯৯০ সালে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে আন্দোলনও ছিলো একাত্তরের আকাঙ্ক্ষা এবং চেতনার একটি ফসল। বাংলাদেশে গণতন্ত্রের যত লড়াই, যত সংগ্রাম, অপশাসনের বিরুদ্ধে যত আন্দোলন সবই একাত্তরের চেতনার অংশ। একাত্তর থেকেই আন্দোলনের মূল প্রেরণা উৎসারিত। 

আমাদের একটি দুর্ভাগ্য হলো যে, ক্ষমতাসীনরা ইতিহাসকে বারবার নিজেদের মতো করে সাজাতে চায়। যখন যে দল ক্ষমতায় আসে সেই দল তার মতো করে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বানায়, ইতিহাসের নায়ক সৃষ্টি করে। এটি দুর্ভাগ্যজনক। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ একটি দীর্ঘ পরিক্রমা। এই দীর্ঘ যাত্রায় প্রত্যেকের অবদান ইতিহাস নির্ধারিত। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যেমন একাত্তরের অবিসংবাদিত নেতা সেই সেরকমভাবে আমরা খাটো করতে পারি না মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, এ কে ফজলুল হকের অবদানের কথা। আমরা কোনভাবেই ভুলে যেতে পারি না ২৬ মার্চ মেজর জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণার কথা। এই সব কিছু মিলিয়েই আমাদের স্বাধীনতা। তারা সবাই স্বাধীনতার অগ্রনায়ক। আমরা এখন ইদানীং লক্ষ্য করছি যে মুক্তিযুদ্ধের বীর নায়কদেরকে আবার নানা ভাবে বিতর্কিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। দীর্ঘ সাড়ে ১৫ বছর জিয়াউর রহমান ছিলেন নির্বাসিত। জিয়াউর রহমানকে নির্বাসনে রাখা হয়েছিল কুৎসিত রাজনৈতিক সংকীর্ণতা থেকে। ইতিহাসে জিয়াউর রহমানের অবদানকে অস্বীকার করা হয়েছিল। কিন্তু ইতিহাসে কারো ভূমিকাকে খাটো করে তার নাম মুছে ফেলা যায় না। এটাই হলো ইতিহাসের সবচেয়ে বড় শিক্ষা। জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের একজন অকুতোভয় বীর সেনানী ছিলেন, যিনি স্বাধীনতার ঘোষণার মাধ্যমে হতোদ্যম বাঙালি জাতিকে জাগিয়ে তুলেছিলেন। শেখ মুজিবুর রহমান নিজেই জিয়াউর রহমানকে ‘বীর উত্তম খেতাব’ দিয়েছিলেন। জিয়াউর রহমানকে নিয়ে যারা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতি করেছিলেন, তারা যেমন আজ তিরস্কৃত হচ্ছেন ঠিক তেমনি আজকে যদি কেউ শেখ মুজিবুর রহমান, তাজউদ্দীন আহমেদ কিংবা জাতীয় চার নেতাকে অস্বীকার করতে চান, মুক্তিযুদ্ধে তাদের অবদানকে খাটো করতে চান, তারাও ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হবেন। ইতিহাস বড় নির্মম। এখানে যার যে সম্মান সে সম্মানটুকু দিতে হবে। 

একটা কথা মনে রাখতে হবে, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধই আমাদের অস্তিত্ব। এই মুক্তিযুদ্ধ হলো সবার উপরে। স্বাধীনতা হলো আমাদের সবচেয়ে গর্বের। স্বাধীনতার সাথে অন্য কিছুর তুলনা করা যাবে না। একাত্তর, মুক্তিযুদ্ধকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশ অস্তিত্বহীন। আর তাই আমরা চব্বিশের গণ অভ্যুত্থানকে সম্মান করি। চব্বিশের গণ অভ্যুত্থান আমাদের জন্য এক বিশাল গর্বের। জুলাই গণ অভ্যুত্থানে যারা প্রাণ দিয়েছেন, তারাও আমাদের বাংলাদেশের বীর। কিন্তু তা কখনোই একাত্তরের সঙ্গে তুলনীয় নয়। স্বাধীনতা আমাদের সবার উপরে। স্বাধীনতা ছিলো জন্যই আমরা সেই পথ দিয়ে একটি গন্তব্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। সেই গন্তব্য হলো সুখী সমৃদ্ধ বৈষম্যহীন বাংলাদেশ। স্বাধীনতা দিবস সমাগত। স্বাধীনতাকে আমরা মর্যাদার স্থানে রাখি। বাঙালি জাতি এক সৌহার্দের সম্প্রীতি এবং অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বিকশিত হোক এটিই সকলে প্রত্যাশা করে। বাঙালি সংঘাত চায় না, বাঙালি শান্তি চায়, বাঙালি জাতি তার বিকাশ চায়। বাঙালি জাতি প্রাণ খুলে হাসতে চায়। আর সেই হাসি আনন্দের এক সাম্যের বাংলাদেশ বিনির্মাণই হোক আমাদের লক্ষ্য। আর সেজন্য আমাদের সবার হৃদয়ে একাত্তরকে ধারণ করতে হবে। মুক্তিযুদ্ধকে ধারণ করতে হবে। 

লেখক: নাট্যকার ও কলাম লেখক
ইমেইল: [email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
তবে কি সংস্কারের পুকুরে ডুবছে নতুন স্বাধীনতা ?
তবে কি সংস্কারের পুকুরে ডুবছে নতুন স্বাধীনতা ?
বুদ্ধিজীবীরা প্রত্যক্ষ ভূমিকা রেখেছেন স্বাধীনতা সংগ্রামে
বুদ্ধিজীবীরা প্রত্যক্ষ ভূমিকা রেখেছেন স্বাধীনতা সংগ্রামে
সেনাবাহিনীকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে
সেনাবাহিনীকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে
তামাক নীতিমালা : সংকটে ভোক্তা অধিকার
তামাক নীতিমালা : সংকটে ভোক্তা অধিকার
তুম উধার হাম ইধার
তুম উধার হাম ইধার
অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক অনভিপ্রেত
অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক অনভিপ্রেত
দৃষ্টি এখন প্রধান উপদেষ্টার চীন সফরের দিকে
দৃষ্টি এখন প্রধান উপদেষ্টার চীন সফরের দিকে
চাপে চ্যাপটা শিল্পে খাঁড়ার ঘা
চাপে চ্যাপটা শিল্পে খাঁড়ার ঘা
জাতি ও শ্রেণির প্রশ্নে বিভক্ত সমাজ
জাতি ও শ্রেণির প্রশ্নে বিভক্ত সমাজ
বাংলাদেশ-চীন সুদৃঢ় বন্ধনে জড়ানো আবশ্যক
বাংলাদেশ-চীন সুদৃঢ় বন্ধনে জড়ানো আবশ্যক
বহুপাক্ষিক বাণিজ্য ব্যবস্থা সমুন্নত রেখেই সফল সহযোগিতার ভবিষ্যৎ নির্মাণ সম্ভব
বহুপাক্ষিক বাণিজ্য ব্যবস্থা সমুন্নত রেখেই সফল সহযোগিতার ভবিষ্যৎ নির্মাণ সম্ভব
জাগো মাঠ প্রশাসন, ‘কুণ্ঠে বাহে?’...
জাগো মাঠ প্রশাসন, ‘কুণ্ঠে বাহে?’...
সর্বশেষ খবর
লাইপোমার উপসর্গ ও চিকিৎসা
লাইপোমার উপসর্গ ও চিকিৎসা

৮ মিনিট আগে | হেলথ কর্নার

আর্জেন্টিনার কাছে হেরে চাকরি হারালেন ব্রাজিল কোচ দোরিভাল
আর্জেন্টিনার কাছে হেরে চাকরি হারালেন ব্রাজিল কোচ দোরিভাল

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এখনো ঈদ বোনাস পাননি ২৯৯ পোশাক কারখানার শ্রমিকরা
এখনো ঈদ বোনাস পাননি ২৯৯ পোশাক কারখানার শ্রমিকরা

২ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

নির্বাচিত সরকারের অপেক্ষায় শিল্প খাতের বিনিয়োগকারীরা
নির্বাচিত সরকারের অপেক্ষায় শিল্প খাতের বিনিয়োগকারীরা

২ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

হবিগঞ্জে ঈদের জামাত নিয়ে বাগবিতণ্ডা, ছুরিকাঘাতে নিহত ১
হবিগঞ্জে ঈদের জামাত নিয়ে বাগবিতণ্ডা, ছুরিকাঘাতে নিহত ১

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৯ মার্চ)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৯ মার্চ)

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঝিনাইদহে দুই ছিনতাইকারীকে হাতেনাতে ধরে পুলিশে দিলো এলাকাবাসী
ঝিনাইদহে দুই ছিনতাইকারীকে হাতেনাতে ধরে পুলিশে দিলো এলাকাবাসী

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুরুত্বপূর্ণ সময়ে মাঠের বাইরে দানি ওলমো
গুরুত্বপূর্ণ সময়ে মাঠের বাইরে দানি ওলমো

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চেন্নাইকে হারিয়ে দ্বিতীয় জয় তুলে নিলো ব্যাঙ্গালুরু
চেন্নাইকে হারিয়ে দ্বিতীয় জয় তুলে নিলো ব্যাঙ্গালুরু

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নতুন করে আবারও প্রভাসের বিয়ের গুঞ্জন
নতুন করে আবারও প্রভাসের বিয়ের গুঞ্জন

৫ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

যুদ্ধবিরতির পর বৈরুতে ইসরায়েলের প্রথম বিমান হামলা
যুদ্ধবিরতির পর বৈরুতে ইসরায়েলের প্রথম বিমান হামলা

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মেসিকে নিয়ে সুখবর দিলেন মায়ামির কোচ মাশ্চেরানো
মেসিকে নিয়ে সুখবর দিলেন মায়ামির কোচ মাশ্চেরানো

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

লক্ষ্মীপুরে জুলাই বিপ্লবে শহীদ ও আহতদের সম্মানে এনসিপি'র ইফতার
লক্ষ্মীপুরে জুলাই বিপ্লবে শহীদ ও আহতদের সম্মানে এনসিপি'র ইফতার

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রাচীন মহাবিশ্বের অজানা রহস্য উন্মোচন
প্রাচীন মহাবিশ্বের অজানা রহস্য উন্মোচন

৬ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

রংপুর রেল স্টেশন থেকে চার শিশুসহ নারী আটক
রংপুর রেল স্টেশন থেকে চার শিশুসহ নারী আটক

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়ি গিয়ে স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা
বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়ি গিয়ে স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নতুন পোশাক কিনে বাড়ি ফেরা হলো না স্কুলছাত্রের
নতুন পোশাক কিনে বাড়ি ফেরা হলো না স্কুলছাত্রের

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মঙ্গল অভিযানে বিপদ ডেকে আনতে পারে বিষাক্ত ধূলিকণা
মঙ্গল অভিযানে বিপদ ডেকে আনতে পারে বিষাক্ত ধূলিকণা

৭ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

মালয়েশিয়ায় চৌকিট যুবদলের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত
মালয়েশিয়ায় চৌকিট যুবদলের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

৮ ঘণ্টা আগে | পরবাস

কাদা থেকে উদ্ধার করা সেই হাতির মৃত্যু
কাদা থেকে উদ্ধার করা সেই হাতির মৃত্যু

৮ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

নারায়ণগঞ্জে ঈদযাত্রায় অতিরিক্ত ভাড়া রোধে অভিযান
নারায়ণগঞ্জে ঈদযাত্রায় অতিরিক্ত ভাড়া রোধে অভিযান

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিএনপিই বাংলাদেশের রাজনীতিতে সংস্কারের পথপ্রদর্শক : ডা. জাহিদ
বিএনপিই বাংলাদেশের রাজনীতিতে সংস্কারের পথপ্রদর্শক : ডা. জাহিদ

৮ ঘণ্টা আগে | পরবাস

মিয়ানমার-থাইল্যান্ড ভূমিকম্পের ধাক্কায় ফিরে দেখা ইতিহাসের বিধ্বংসী ১০টি কম্পন
মিয়ানমার-থাইল্যান্ড ভূমিকম্পের ধাক্কায় ফিরে দেখা ইতিহাসের বিধ্বংসী ১০টি কম্পন

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে টালবাহানা করলে জনগণ মানবে না: টুকু
নির্বাচন নিয়ে টালবাহানা করলে জনগণ মানবে না: টুকু

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

'বর্ষার আগেই জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে হবে'
'বর্ষার আগেই জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে হবে'

৮ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ভূমিকম্পে মিয়ানমারে নিহত বেড়ে ১৪৪, থাইল্যান্ডে নিখোঁজ ৯০
ভূমিকম্পে মিয়ানমারে নিহত বেড়ে ১৪৪, থাইল্যান্ডে নিখোঁজ ৯০

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘শূন্য বর্জ্যে’ অবদান রাখায় ড. ইউনূসকে তুরস্কের ফার্স্ট লেডির অভিনন্দন
‘শূন্য বর্জ্যে’ অবদান রাখায় ড. ইউনূসকে তুরস্কের ফার্স্ট লেডির অভিনন্দন

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নোয়াখালীতে তুচ্ছ ঘটনায় খুন করা হয় স্কুলছাত্রকে
নোয়াখালীতে তুচ্ছ ঘটনায় খুন করা হয় স্কুলছাত্রকে

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টঙ্গীতে তুলার গুদামে আগুন
টঙ্গীতে তুলার গুদামে আগুন

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নাটোরে পুকুর থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার
নাটোরে পুকুর থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
সম্পত্তি ভাগাভাগিতে ব্যস্ত সন্তানেরা, ১৬ ঘণ্টা উঠানে পড়ে ছিল বাবার মরদেহ
সম্পত্তি ভাগাভাগিতে ব্যস্ত সন্তানেরা, ১৬ ঘণ্টা উঠানে পড়ে ছিল বাবার মরদেহ

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যুক্তরাষ্ট্রে ‘গ্রিন কার্ড’ প্রক্রিয়া সাময়িক স্থগিত, আটকাদেশ বৃদ্ধি
যুক্তরাষ্ট্রে ‘গ্রিন কার্ড’ প্রক্রিয়া সাময়িক স্থগিত, আটকাদেশ বৃদ্ধি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভূমিকম্পের পর মিয়ানমার-থাইল্যান্ডের অবস্থা দেখুন ছবিতে
ভূমিকম্পের পর মিয়ানমার-থাইল্যান্ডের অবস্থা দেখুন ছবিতে

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মেয়র পদ ফিরে পাওয়া নিয়ে সমালোচনা, জবাব দিলেন ইশরাক
মেয়র পদ ফিরে পাওয়া নিয়ে সমালোচনা, জবাব দিলেন ইশরাক

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত
ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গ্রিনল্যান্ড দখলের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের ফাঁকা বুলি মনে করা ‘বড় ধরনের ভুল’ হবে: পুতিন
গ্রিনল্যান্ড দখলের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের ফাঁকা বুলি মনে করা ‘বড় ধরনের ভুল’ হবে: পুতিন

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভূমিকম্পে মিয়ানমারে নিহতের সংখ্যা হাজার ছাড়াতে পারে: ইউএসজিএস
ভূমিকম্পে মিয়ানমারে নিহতের সংখ্যা হাজার ছাড়াতে পারে: ইউএসজিএস

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাংককে তীব্র ভূমিকম্পে ধসে পড়ল ৩০ তলা ভবন, নিখোঁজ ৪৩ (ভিডিও)
ব্যাংককে তীব্র ভূমিকম্পে ধসে পড়ল ৩০ তলা ভবন, নিখোঁজ ৪৩ (ভিডিও)

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢাকা-বেইজিংয়ের মধ্যে ৯ চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই
ঢাকা-বেইজিংয়ের মধ্যে ৯ চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মিয়ানমারে শত শত মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা, ব্যাংককে ৭০ শ্রমিক নিখোঁজ
মিয়ানমারে শত শত মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা, ব্যাংককে ৭০ শ্রমিক নিখোঁজ

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিউইয়র্কে নাসিমের ছেলের ১৪ অ্যাপার্টমেন্ট
নিউইয়র্কে নাসিমের ছেলের ১৪ অ্যাপার্টমেন্ট

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সদকাতুল ফিতর যেভাবে আদায় করব
সদকাতুল ফিতর যেভাবে আদায় করব

২২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

চীনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক
চীনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের চিঠির জবাব দিয়েছে ইরান
ট্রাম্পের চিঠির জবাব দিয়েছে ইরান

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভূমিকম্পে ভেঙে পড়ল ব্রিটিশ আমলে নির্মিত সেতু
ভূমিকম্পে ভেঙে পড়ল ব্রিটিশ আমলে নির্মিত সেতু

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চীন থেকে ২.১ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ, ঋণ ও অনুদানের প্রতিশ্রুতি পেয়েছে বাংলাদেশ
চীন থেকে ২.১ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ, ঋণ ও অনুদানের প্রতিশ্রুতি পেয়েছে বাংলাদেশ

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘শূন্য বর্জ্যে’ অবদান রাখায় ড. ইউনূসকে তুরস্কের ফার্স্ট লেডির অভিনন্দন
‘শূন্য বর্জ্যে’ অবদান রাখায় ড. ইউনূসকে তুরস্কের ফার্স্ট লেডির অভিনন্দন

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডিসিদের প্রতি ১২ নির্দেশনা প্রধান উপদেষ্টার
ডিসিদের প্রতি ১২ নির্দেশনা প্রধান উপদেষ্টার

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যানবাহনের চাপ থাকলেও নেই যানজট
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যানবাহনের চাপ থাকলেও নেই যানজট

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যেসব সম্পদে জাকাত দিতে হবে না
যেসব সম্পদে জাকাত দিতে হবে না

২২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

ভারতে অভিনেত্রীকে ম্যানহোলে ফেলে হত্যা
ভারতে অভিনেত্রীকে ম্যানহোলে ফেলে হত্যা

১৪ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

মুসলিমদের প্রতি আমাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করছি : ইফতার অনুষ্ঠানে ট্রাম্প
মুসলিমদের প্রতি আমাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করছি : ইফতার অনুষ্ঠানে ট্রাম্প

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্বর্ণের দাম বেড়েছে
স্বর্ণের দাম বেড়েছে

৯ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

পদ্মা সেতুর টোল প্লাজা এলাকায় গাড়ির দীর্ঘ সারি
পদ্মা সেতুর টোল প্লাজা এলাকায় গাড়ির দীর্ঘ সারি

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চীনের কাছে ৫০ বছরের পানি ব্যবস্থাপনার মাস্টারপ্ল্যান চেয়েছে বাংলাদেশ
চীনের কাছে ৫০ বছরের পানি ব্যবস্থাপনার মাস্টারপ্ল্যান চেয়েছে বাংলাদেশ

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবনিযুক্ত প্রসিকিউটর আফরোজ পারভীনের নিয়োগ বাতিল
নবনিযুক্ত প্রসিকিউটর আফরোজ পারভীনের নিয়োগ বাতিল

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সরকারকে নির্বাচন নিয়ে স্পষ্টভাবে মাস, তারিখ দিয়ে ঘোষণা দিতে হবে: রিজভী
সরকারকে নির্বাচন নিয়ে স্পষ্টভাবে মাস, তারিখ দিয়ে ঘোষণা দিতে হবে: রিজভী

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঢাকাসহ ৬ জেলায় বইছে তাপপ্রবাহ, দিনে বাড়বে গরম
ঢাকাসহ ৬ জেলায় বইছে তাপপ্রবাহ, দিনে বাড়বে গরম

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৭ হাজার কারখানায় বেতন হয়নি
৭ হাজার কারখানায় বেতন হয়নি

২০ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

তিন শতাধিক বিদেশি শিক্ষার্থীর ভিসা বাতিল করেছে যুক্তরাষ্ট্র: মার্কো রুবিও
তিন শতাধিক বিদেশি শিক্ষার্থীর ভিসা বাতিল করেছে যুক্তরাষ্ট্র: মার্কো রুবিও

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
ভূমিকম্পে লন্ডভন্ড মিয়ানমার-থাইল্যান্ড
ভূমিকম্পে লন্ডভন্ড মিয়ানমার-থাইল্যান্ড

প্রথম পৃষ্ঠা

ফের অপু-বুবলী মুখোমুখি
ফের অপু-বুবলী মুখোমুখি

শোবিজ

বাংলাদেশ-চীন নতুন দিগন্তে
বাংলাদেশ-চীন নতুন দিগন্তে

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদে গরু-মুরগির বাড়তি দাম
ঈদে গরু-মুরগির বাড়তি দাম

পেছনের পৃষ্ঠা

ঈদে ফাঁকা ঢাকায় নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ
ঈদে ফাঁকা ঢাকায় নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভগ্যচক্র
আজকের ভগ্যচক্র

আজকের রাশি

ব্যাটিংয়ে এনামুল বোলিংয়ে রাকিবুল
ব্যাটিংয়ে এনামুল বোলিংয়ে রাকিবুল

মাঠে ময়দানে

ভুল চিকিৎসায় মৃত্যু বাড়ছে
ভুল চিকিৎসায় মৃত্যু বাড়ছে

নগর জীবন

এই ঈদে আনন্দও নেই, শান্তিও নেই
এই ঈদে আনন্দও নেই, শান্তিও নেই

প্রথম পৃষ্ঠা

ড. ইউনূসের প্রশংসায় তুরস্কের ফার্স্ট লেডি
ড. ইউনূসের প্রশংসায় তুরস্কের ফার্স্ট লেডি

প্রথম পৃষ্ঠা

সবই আছে, শুধু আবু সাঈদ নেই
সবই আছে, শুধু আবু সাঈদ নেই

প্রথম পৃষ্ঠা

বাবাহীন শিশু রোজার ঈদ
বাবাহীন শিশু রোজার ঈদ

প্রথম পৃষ্ঠা

এবার স্বস্তির ঈদযাত্রা
এবার স্বস্তির ঈদযাত্রা

পেছনের পৃষ্ঠা

ফুলবাড়ীর নারীদের টুপি দেশ ছাড়িয়ে রোমানিয়ায়
ফুলবাড়ীর নারীদের টুপি দেশ ছাড়িয়ে রোমানিয়ায়

শনিবারের সকাল

যুক্তরাষ্ট্রে ৩০০ শিক্ষার্থীর ভিসা বাতিল
যুক্তরাষ্ট্রে ৩০০ শিক্ষার্থীর ভিসা বাতিল

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদ মুসলমানদের উৎসব
ঈদ মুসলমানদের উৎসব

প্রথম পৃষ্ঠা

ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক হচ্ছে না
ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক হচ্ছে না

প্রথম পৃষ্ঠা

পরিবর্তনের জন্যই গণ অভ্যুত্থান
পরিবর্তনের জন্যই গণ অভ্যুত্থান

প্রথম পৃষ্ঠা

হরিণ শিকার ও আগুন প্রতিরোধে সুন্দরবনে রেড অ্যালার্ট জারি
হরিণ শিকার ও আগুন প্রতিরোধে সুন্দরবনে রেড অ্যালার্ট জারি

পেছনের পৃষ্ঠা

বাসায় ফিরলেন তামিম ইকবাল
বাসায় ফিরলেন তামিম ইকবাল

প্রথম পৃষ্ঠা

একটি হাঁসের ডিম ২২ হাজার টাকা
একটি হাঁসের ডিম ২২ হাজার টাকা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপি নেতা-কর্মীর লাশের মিছিল
বিএনপি নেতা-কর্মীর লাশের মিছিল

পেছনের পৃষ্ঠা

৯০ হাজার চালকের ৩২৮ মিলিয়ন ডলার ফেরত দেবে উবার-লিফট
৯০ হাজার চালকের ৩২৮ মিলিয়ন ডলার ফেরত দেবে উবার-লিফট

পেছনের পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গাদের আরও ৭৩ কোটি ডলার দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
রোহিঙ্গাদের আরও ৭৩ কোটি ডলার দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

প্রথম পৃষ্ঠা

এখন পর্যন্ত গণতন্ত্র ফিরে পাইনি
এখন পর্যন্ত গণতন্ত্র ফিরে পাইনি

প্রথম পৃষ্ঠা

পাঁচ নীতি ধরে রাখার অঙ্গীকার
পাঁচ নীতি ধরে রাখার অঙ্গীকার

প্রথম পৃষ্ঠা

গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার
গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

দেশগ্রাম

ঘরমুখো মানুষের ঢল
ঘরমুখো মানুষের ঢল

নগর জীবন

হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার
হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার

দেশগ্রাম

দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জামায়াত আমিরের
দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জামায়াত আমিরের

প্রথম পৃষ্ঠা