শিরোনাম
প্রকাশ: ১০:৩৯, বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল, ২০২৫ আপডেট: ১১:৩২, বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল, ২০২৫

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

বিশেষ প্রতিনিধি
অনলাইন ভার্সন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

বাংলাদেশের রাজনীতিতে এখন তরুণদের জয়জয়কার। জুলাই বিপ্লব তরুণদের রাজনীতির আগ্রহ যেমন বাড়িয়েছে, তেমনই তাদের সক্ষমতার প্রমাণ মিলেছে। তরুণরাও পারেন, দেশকে তারা পথ দেখাতে পারেন, জনগণের বিপদে তারাই উদ্ধারকর্তা- এ বিশ্বাস জনমনে আরও দৃঢ়ভাবে প্রোথিত হয়েছে জুলাই বিপ্লবে। স্বৈরাচারের পতন একদিকে যেমন তরুণ সমাজের সক্ষমতার প্রমাণ, তেমনই তাদের রাজনীতির প্রতি আগ্রহের সাক্ষ্য। একটা সময় মনে করা হতো তরুণরা রাজনীতিবিমুখ। দেশ নিয়ে তারা ভাবেন না। তাদের প্রধান লক্ষ্য হলো যে কোনোভাবে লেখাপড়া শেষ করে হয় দেশের বাইরে স্থায়ীভাবে চলে যাওয়া, না হলে একটা ভালো চাকরি করা। সমাজের চারপাশ থেকে তারা নিজেদের গুটিয়ে রাখতে চান। সমাজের অবক্ষয়, অনিয়ম, বিশৃঙ্খলা, অন্যায়, অত্যাচার তাদের তাড়িত করে না। বেদনার্ত করে না। তারা তাদের নিজেদের মধ্যে গুটিয়ে রাখতে চান। তরুণরা শুধু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমনির্ভর- এমন একটি ধারণা হয়েছিল দীর্ঘদিন ধরে। বিশেষ করে ছাত্র রাজনীতি, রাজনীতি সম্পর্কে তরুণদের উদাসীনতা একটি বড় উদ্বেগ তৈরি করেছিল সচেতন মানুষের মাঝে। কিন্তু জুলাই বিপ্লব সেই ধারণাকে পাল্টে দিয়েছে। তরুণরা যে অন্যায়, অনিয়মের বিরুদ্ধে এখনো প্রতিবাদে সোচ্চার, যে কোনো অন্যায়ের বিরুদ্ধে তারাই যে সবচেয়ে বড় প্রতিবাদের ভাষা জুলাই বিপ্লব তার প্রমাণ। তারা অসম্ভবকে সম্ভব করেছেন, অন্যায়ের বিরুদ্ধে জনগণের বিজয় ছিনিয়ে এনেছেন। আর এ কারণেই তরুণদের নিয়ে যেমন জনগণের আশাবাদ বেশি, তেমনই জুলাই বিপ্লব তরুণদের খুলে দিয়েছে এক নতুন সম্ভাবনার দুয়ার। তরুণরা জুলাই বিপ্লব করেই সব কিছু ছেড়ে দেননি, নিজেদের দায়িত্ব শেষ করেননি। বরং জুলাই বিপ্লবের স্বপ্ন যেন সফল হয়, জুলাই বিপ্লবের যে প্রত্যাশা, আশা-আকাঙ্ক্ষা তা যেন বাস্তবায়িত হয় সেজন্য তারা তাদের সংগ্রাম এবং প্রত্যয় অব্যাহত রেখেছেন। এ কারণেই তরুণরা যেমন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকারে অংশগ্রহণ করেছেন, ঠিক তেমনইভাবে তারা নতুন একটি রাজনৈতিক বন্দোবস্তের জন্য আগ্রহ দেখিয়েছেন। তরুণদের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছে নতুন রাজনৈতিক দল ‘জাতীয় নাগরিক পার্টি’। বাংলাদেশ নিয়ে তাদের আকাঙ্ক্ষা ও স্বপ্ন তারা নিজেরাই বাস্তবায়ন করতে চান। এজন্য নিজেরাই রাজনৈতিক সংগঠন করেছেন। জুলাই বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা পূরণে তারা এখনো কাজ করে যাচ্ছেন। তবে বাংলাদেশের রাজনীতিতে তরুণদের এ উত্থান শেষ পর্যন্ত কতটুকু স্থায়ী হবে বা শেষ পর্যন্ত থাকবে কি না তা এখনো পরীক্ষার বিষয়। বাংলাদেশে বিভিন্ন সময়ে তরুণ্যের এ দ্রোহ আমরা দেখেছি, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তরুণদের একটা বড় অংশ হতাশার সাগরে নিমজ্জিত হয়েছে। তাদের স্বপ্নগুলো হারিয়ে গেছে। আমরা একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে তারুণ্যের উদ্দীপনা দেখেছিলাম। কিন্তু এ মুক্তিযুদ্ধের পর সেই তারুণ্যের উদ্দীপনা বিভ্রান্তির চোরাগলিতে আটকে যায়। আমরা তরুণদের নেতৃত্বে জাসদের উত্থান দেখেছিলাম। কিন্তু সেই উত্থান শেষ পর্যন্ত নানা রকম মতপথের পার্থক্য এবং ভুল আদর্শে বিপদগামী হয়। এবার বাংলাদেশ তরুণদের পথ হারানো দেখতে চায় না। আর সেই কারণেই তরুণদের সামনে প্রয়োজন কিছু দৃষ্টান্ত, অনুকরণীয় উদাহরণ।

আমাদের তরুণদের সামনে আদর্শের বড় অভাব। তারা যেমন ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে বেছে নিয়েছেন, যিনি শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্বে আইকন। বিশ্বের তরুণদের উদ্দীপ্ত করার ক্ষেত্রে ড. ইউনূসের তুলনা শুধু তিনিই। শুধু তাই নয়, তরুণের আত্মকর্মসংস্থান, তাদের স্বপ্নের আকাশকে আরও বড় করার জন্য অহর্নিশ কাজ করে যাচ্ছেন শান্তিতে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তবে ড. মুহাম্মদ ইউনূস ছাড়াও তরুণরা রাজনীতিতে দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার জন্য আরও কাউকে অনুসরণ করতে পারেন। বাংলাদেশের রাজনীতিতে তারুণ্যের অন্যতম একটা অনুকরণীয় উদাহরণ হতে পারেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তারেক রহমান এমন এক সময়ে বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রবেশ করেছিলেন, যে সময়ে তরুণরা ছিলেন পুরোপুরি রাজনীতিবিমুখ। নিজের ক্যারিয়ার, ব্যক্তিগত স্বার্থ এবং আরাম-আয়েশে জীবন উপভোগই ছিল বেশি আগ্রহী। তারেক রহমানের সামনে বিলাসিতার জীবন উপভোগের সুযোগও ছিল। ২০০১ সালে বিএনপি যখন ভূমিধস বিজয় পায়, তখন তারেক রহমান টগবগে এক তরুণ। তাঁর মা দেশের তৃতীয়বারের প্রধানমন্ত্রী। সেই সময় তিনি আরাম-আয়েশের জীবনে গা ভাসাতে পারতেন। দেশ ও জাতি নিয়ে তাঁর চিন্তাভাবনা না করলেও হতো। বিভিন্ন দেশে আমরা দেখেছি যে, এরকম রাজনীতিবিদদের সন্তানরা রাজনীতিবিমুখ হন। দেশ ও জনগণের চেয়ে নিজেদের চিন্তায় তারা মগ্ন থাকেন। কিন্তু তারেক রহমান ছিলেন তার উজ্জ্বল ব্যতিক্রম। ২০০১ সালের আগে থেকেই তিনি রাজনীতিতে পুরোপুরি নিবেদিত হন। তাঁর রাজনীতির মূল লক্ষ্য ক্ষমতা নয়, বরং তিনি তৃণমূলের সঙ্গে একটি সংযোগ স্থাপন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। জিয়াউর রহমানের পর তারেক রহমানই হলেন একমাত্র রাজনীতিবিদ, যিনি প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করেছিলেন। সারা দেশে তৃণমূলের জাগরণের নায়ক তিনি। তারেক রহমানের এ রাজনীতির যাত্রাপথ কখনো কুসুমাস্তীর্ণ ছিল না। তাঁকে নানারকম রাজনৈতিক কুৎসা এবং গুজবের শিকার হতে হয়েছে। তাঁর রাজনীতি যাত্রাপথকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য হয়েছে নানা ষড়যন্ত্র। তাঁকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করা হয়েছে, হয়েছে তাঁর চরিত্র হননের চেষ্টা। তাঁকে কলঙ্কিত করার জন্য গোয়েবলসীয় কায়দায় মিথ্যাচার করা হয়েছে। আমরা দেখেছি এক-এগারোর সময় তারেক রহমান হয়েছিলেন মিডিয়া ট্রায়ালের শিকার। বাংলাদেশের প্রচলিত নামিদামি গণমাধ্যমগুলো তাঁর বিরুদ্ধে নানা রকম কলঙ্ক লেপনের অহর্নিশ চেষ্টা করেছিল তৎকালীন বিরাজনীতিকরণের প্রচেষ্টারত সরকারের যোগসাজোশে। কিন্তু সেই পরিস্থিতিতে তিনি দমে যাননি, লক্ষ্যচ্যুত হননি। এক প্রতিকূল অবস্থায় তিনি তাঁর লক্ষ্যে ছিলেন অবিচল। আর সে কারণেই নির্মমভাবে তাঁর রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ধ্বংসের চেষ্টা করা হয়েছে। নির্যাতন করে শারীরিকভাবে পঙ্গু করার চেষ্টা করা হয়েছিল। অবশেষে তাঁকে দেশত্যাগে বাধ্য করা হয়। অসুস্থ অবস্থায় তারেক রহমান বিদেশে গিয়ে তাঁর লক্ষ্যচ্যুত হননি। তাঁর আদর্শচ্যুত হননি, বরং তিনি তাঁর তারুণ্যের শক্তির এক ইস্পাত কঠিন দৃঢ়তা দেখিয়েছেন। বিদেশে থেকেও তিনি শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে নীরবেনিভৃতে লড়াই করে গেছেন। ধৈর্যের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন। প্রায়ই বলা হয় যে তরুণদের ধৈর্য নেই। তারা একটা কাজে দীর্ঘদিন লেগে থাকতে পারেন না। এ অভিযোগ যে সব ক্ষেত্রে মিথ্যা এমনটিও নয়। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে তরুণরা সহজেই হতাশ হয়ে যান। তাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার এবং নানা রকম সমালোচনা তারা নিতে পারেন না। আশাহত হয়ে তারা সব কিছু থেকে নিজেদের দূরে সরিয়ে নিয়ে যান। এ ক্ষেত্রে তারেক রহমান ছিলেন অদ্ভুত আশ্চর্য এক ব্যতিক্রম। তিনি এসব মিথ্যা সমালোচনায় বিভ্রান্ত হননি, হতাশ হননি। বরং সমালোচনাকে উপেক্ষা করে নিবিষ্ট মনে তাঁর লক্ষ্য পূরণের জন্য কাজ করে গেছেন, সংগ্রাম করেছেন। আজকে এ কথা অস্বীকার করার উপায় নেই যে বিএনপি এত তীব্র প্রতিবন্ধকতার মধ্যেও ঐক্যবদ্ধ আছে, সংগঠিত আছে, শক্তিশালী আছে শুধু তারেক রহমানের বিচক্ষণতা এবং যোগ্যতার কারণে। আর এখানেই তরুণদের জন্য তিনি অনুকরণীয় উদাহরণ হতে পারেন।

জুলাই বিপ্লবের পর আমরা দেখতে পাচ্ছি যে, তরুণদের নিয়ে নানা রকম অপপ্রচার গুজব ছড়ানো হচ্ছে। প্রতিদিনই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তরুণদের হেয়প্রতিপন্ন করা, তাদের অর্জনকে খাটো করার জন্য নানা রকম হীন ষড়যন্ত্র চলছে। এর ফলে অনেক তরুণই হতাশা হচ্ছেন। তারা রাজনীতিতে আগ্রহ হারিয়ে ফেলতে পারেন। আবার অনেক তরুণ বিভ্রান্ত হচ্ছেন। তারা হঠাৎ প্রাপ্ত ক্ষমতা এবং জনপ্রিয়তার ভার সামাল দিতে পারছেন না। এ দুটি ক্ষেত্রেই তারেক রহমান হতে পারেন অনুকরণীয় প্রেরণা। ২০০১ সালের নির্বাচনে বিএনপি বিপুল বিজয় পেয়েছিল তারেক রহমানের চিন্তা-পরিকল্পনার কারণে। কিন্তু এরপর তিনি সবজান্তা হয়ে ওঠেননি। প্রবীণ এবং নবীনদের সমন্বয় ঘটিয়ে দলকে সংগঠিত করেছিলেন, ছিলেন বিনয়ী। যেটি আজকের বিজয়ী তরুণদের জন্য আরাধ্য শিক্ষণীয় হতে পারে। তরুণরা যদি মাটিতে পা রাখতে না পারেন, যদি মনে করেন যে তারা অজেয়, তারা সব বোঝেন, তাদের চেয়ে ভালো কেউ বোঝে না, সেটি তাদের ভুল হবে। বরং তারেক রহমানের মতো প্রবীণ এবং নবীনদের সমন্বয়ে যদি তারা নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে এগিয়ে যান সেটাই হবে তাদের জন্য মঙ্গল। দ্বিতীয়ত, একটি বিজয়ের পর বিজয়ীদের আক্রমণ করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হয়। তাদের চরিত্র হননের চেষ্টা হয়। যেমনটি হয়েছিল তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ২০০১ সালের পর থেকেই। সে ক্ষেত্রেও তারেক রহমান হতে পারেন তরুণদের জন্য প্রেরণার উৎস। এ ধরনের কঠিন পরিস্থিতিতে কুৎসিত আক্রমণের বিরুদ্ধে কীভাবে নিজেদের ঠিক রাখতে হয়, সঠিক পথে প্রতিকূলতার মধ্যে দিয়ে যেতে হয় তার উদাহরণ হতে পারেন তারেক রহমান। আর এ কারণেই আজকে যে তরুণরা নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের দিকে এগোচ্ছেন, সেই বন্দোবস্তে তারেক রহমান হতে পারেন তাদের আদর্শ। তাদের জন্য অনুকরণীয় উদাহরণ। বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি নতুন প্রেক্ষাপট রচিত হয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে তরুণরা বাংলাদেশের রাজনীতির গতিপথের অনিবার্য একটি নিয়ামক শক্তিতে পরিণত হয়েছে। তারা যেন শেষ পর্যন্ত আবার হাল ছেড়ে না দেন, তাদের এ অংশগ্রহণ যেন রাজনীতিতে দীর্ঘদিন থাকে, সেটি তাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত। আর সেই লক্ষ্য পূরণের জন্য তারা যেমন ড. ইউনূসের প্রজ্ঞা ও জ্ঞানকে অনুসরণ করবেন তেমনই তারেক রহমানের এ উত্তাল রাজনৈতিক ক্যারিয়ারকে তারা ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করতে পারেন, তাহলে তারা ধৈর্যশীল হবেন, ধীরস্থির হবেন এবং প্রতিকূলতা মোকাবিলার সাহস পাবেন।

এই বিভাগের আরও খবর
শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে
শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার
যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার
বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা
বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন থাইল্যান্ডের দুই মন্ত্রী
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন থাইল্যান্ডের দুই মন্ত্রী
জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর
জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর
এসএসসি পরীক্ষা পেছানোর কোনো সুযোগ নেই : শিক্ষা বোর্ড
এসএসসি পরীক্ষা পেছানোর কোনো সুযোগ নেই : শিক্ষা বোর্ড
তরুণ প্রজন্মকে উদ্যোক্তা হওয়ার পরামর্শ ড. ইউনূসের
তরুণ প্রজন্মকে উদ্যোক্তা হওয়ার পরামর্শ ড. ইউনূসের
সর্বশেষ খবর
পর্তুগালের রাষ্ট্রপতির কাছে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ
পর্তুগালের রাষ্ট্রপতির কাছে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ

এই মাত্র | পরবাস

শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে
শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে

৪৩ মিনিট আগে | জাতীয়

পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর

২ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে

৩ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

জলবসন্তে সতর্কতা
জলবসন্তে সতর্কতা

৩ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার
যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫
ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী
স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা
বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি
কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই
১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩
যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন
ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইপিএল ছেড়ে হঠাৎ দেশে ফিরলেন রাবাদা
আইপিএল ছেড়ে হঠাৎ দেশে ফিরলেন রাবাদা

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিঠামইনে পানিতে ডুবে গৃহবধূর মৃত্যু
মিঠামইনে পানিতে ডুবে গৃহবধূর মৃত্যু

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় দেড় বছরে প্রায় ৪০ হাজার শিশু এতিম হয়েছে
গাজায় দেড় বছরে প্রায় ৪০ হাজার শিশু এতিম হয়েছে

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী
আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাতক্ষীরায় প্লাবিত এলাকায় নৌবাহিনীর জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা
সাতক্ষীরায় প্লাবিত এলাকায় নৌবাহিনীর জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নাটোরে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায়
নাটোরে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায়

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী
শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী

৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম, সম্পাদক বেলাল
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম, সম্পাদক বেলাল

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান
লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান

৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

খোকসায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত ১
খোকসায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত ১

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

১২ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

১০ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের
পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা
ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা
ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা
ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির
নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী
‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?
কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প
শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন
প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের
মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি

১৪ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস
মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা
২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক
শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর
জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজায় ফিলিস্তিনিদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েলি বাহিনী
গাজায় ফিলিস্তিনিদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েলি বাহিনী

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন

প্রথম পৃষ্ঠা

মহাবিপদে রপ্তানি খাত
মহাবিপদে রপ্তানি খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি
সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল
যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল

মাঠে ময়দানে

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা
পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা

পেছনের পৃষ্ঠা

শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে
শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক

শোবিজ

যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার

শোবিজ

ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও

প্রথম পৃষ্ঠা

আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা

শোবিজ

বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যাংকক বৈঠকে নজর
ব্যাংকক বৈঠকে নজর

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে

প্রথম পৃষ্ঠা

পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা

প্রথম পৃষ্ঠা

এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ

সম্পাদকীয়

বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়

প্রথম পৃষ্ঠা

আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন
আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন

পেছনের পৃষ্ঠা

ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!
ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!

পেছনের পৃষ্ঠা

হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার
বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

পেছনের পৃষ্ঠা

পেছানোর সুযোগ নেই ১০ এপ্রিল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা
পেছানোর সুযোগ নেই ১০ এপ্রিল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা

পেছনের পৃষ্ঠা

ফুল ও ফল ধরেছে নাগলিঙ্গম গাছে
ফুল ও ফল ধরেছে নাগলিঙ্গম গাছে

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা
রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

পেছনের পৃষ্ঠা