শেরপুর জেলার সীমান্ত অঞ্চল শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতি উপজেলায় রোজার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অন্তত ২৭টি বড় বড় ইফতার আয়োজনে ব্যস্ত সময় পার করেছে ওই দুই উপজেলার তৃণমূল বিএনপি। প্রতিটি ইফতার অনুষ্ঠানে স্থানীয় হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ অংশ নেয়। বিশাল আয়োজন ও নিয়ন্ত্রণে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও শেরপুর জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এবং শেরপুর-৩ আসনের সাবেক এমপি মাহমুদুল হক রুবেল।
প্রতিদিনের ম্যারাথন এই ইফতার মাহফিলকে রাজনৈতিক মহল মনে করছেন এটা রুবেলের আগাম নির্বাচনী শো-ডাউন। বিএনপি বলছে, ইফতারের আয়োজনে নেতা কর্মীদের মধ্যে দূরত্ব কমছে। ইফতারে তৃণমূল বিএনপি এখন উজ্জীবিত, স্থানীয় বিএনপি জানিয়েছে।
এই ইফতার আয়োজনের বিশাল খরচ স্ব-স্ব এলাকার নেতাকর্মী ও শুভাকাঙ্খিরাই বহন করছেন বলে জানিয়েছেন রুবেল।
জানা গেছে, প্রতি ইফতার মাহফিলে পাঁচ থেকে আট হাজার লোকের সমাগম হয়। বিকাল থেকেই নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের ভীড়ে ইফতার অঞ্চল হয়ে ওঠে মুখরিত। প্রতিটি ইফতার মাহফিলে মাহমুদুল হক রুবেল বক্তব্য রাখেন এবং সবাইকে তারেক রহমানের নেতৃত্বে এক থাকার পরামর্শ দেন।
ইফতার মাহফিলের আগে অসহায়দের মধ্যে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। জানা গেছে, শ্রীবরদী উপজেলার ১৫টি স্থানে, ঝিনাইগাতি উপজেলার ১০টি স্থানে এ পর্যন্ত ইফতার শেষ হয়েছে। বাকী যে কদিন আছে তার জন্যও স্থান নির্ধারিত আছে।
ইফতারের প্রচারণা না করলেও মাহফিলের স্থান বিকাল থেকেই ভরে ওঠে। প্রতিটি ইফতার মাহফিলে হাজার হাজার মানুষ উপস্থিত থাকেন।
বিডি প্রতিদিন/আশিক