শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শনিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৫

কৃষি উদ্যোগে তারুণ্য ও অভিজ্ঞতার মেলবন্ধন

শাইখ সিরাজ
প্রিন্ট ভার্সন
কৃষি উদ্যোগে তারুণ্য ও অভিজ্ঞতার মেলবন্ধন

বয়সের অভিজ্ঞতা আর তারুণ্যের উদ্দীপনার সমন্বয়ে দারুণ কিছু হতে পারে। হোক সেটা সমাজ বিনির্মাণে কিংবা প্রতিষ্ঠান পরিচালনায়। এ রকম সফল উদাহরণ অনেক দেখেছি। এই যেমন ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার কাচিনা গ্রামে দেখা মিলল চমৎকার এক উদ্যোগের। চার স্বপ্নবান তরুণ এবং তিনজন অভিজ্ঞ কৃষক এক হয়ে গড়ে তুলেছেন সমন্বিত খামার। তিনজন অভিজ্ঞ কৃষকের দীর্ঘদিনের কৃষি অভিজ্ঞতা আর চার তরুণের প্রযুক্তির দক্ষতা মিলিয়ে গড়ে তোলা সফল এ কৃষি উদ্যোগ অনেকের কাছেই এখন সাফল্যের উদাহরণ। কাচিনা গ্রামে বিশ একর জমিতে মাল্টা, লেবু ও মাছ চাষের প্রকল্প তাঁদের। ‘শুরুটা ২০১৭ সালে। কম্পিউটার সায়েন্সে উচ্চ শিক্ষা নিয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত চার বন্ধু প্রযুক্তি নিয়ে কাজকর্ম করতে করতে ভাবলাম প্রকৃতি কাছাকাছি থেকে কম সময় বিনিয়োগ করে হালাল অথচ সচ্ছল জীবনধারণের জন্য উপার্জনের খাত কী হতে পারে। ইউটিউবে আপনার কৃষিবিষয়ক প্রতিবেদনগুলো আমাদের চোখ খুলে দিল। উচ্চমূল্যের ফল-ফসল চাষ হতে পারে দারুণ কিছু। কিন্তু আমাদের কৃষির অভিজ্ঞতা নেই। আছে অদম্য ইচ্ছা এবং প্রযুক্তি ব্যবহারের জ্ঞান।’ বলছিলেন চার তরুণের একজন শরিফুল ইসলাম। তিনি তাঁর খামারে একটি ল্যাপটপে কাজ করতে করতে কথা বলছিলেন আমার সঙ্গে। শরিফুলের বয়স ত্রিশের কোঠায় হবে। বুদ্ধিদীপ্ত চোখজুড়ে স্বপ্ন খেলছে।

অভিজ্ঞ কৃষক সামছুল হক সুরুজ। বয়স ষাটের কাছাকাছি। তিনি এই উদ্যোগের একজন সদস্য। তরুণ উদ্যোক্তাদের তারুণ্যের ছটায় যেন উজ্জ্বল হয়ে আছেন তিনি। ‘কৃষিকাজ করে আসছি অনেক বছর। কিন্তু চাষ তো করছি ধান, পাট, গম, আখ ইত্যাদি। মাল্টা-কমলা তো চাষ করিনি। এই চাষাবাদও আমাদের কাছে নতুন। ওরা কম্পিউটারে আপনার ভিডিও দেখাল। চুয়াডাঙ্গায় দামুড়হুদার শাখাওয়াত হোসেনের মাল্টা বাগানের। সেখানে গেলাম আমরা। কথা বললাম বাবুলের সঙ্গে। তিনি আমাদের পরামর্শ দিলেন। কৃষির সঙ্গে অনেক দিনের বোঝাপড়ায় মাটির ভাষা বুঝতে খুব একটা কঠিন লাগল না। কথায় বলে না, দশে মিলি করি কাজ, হারি জিতি নাহি লাজ, আল্লাহ ভরসা! নেমে পড়লাম। তরুণদের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে নতুন কিছু করার আনন্দ পাচ্ছিলাম।’ হাসি মুখে বলছিলেন সামছুল হক সুরুজ। আট একরের বিশাল মাল্টাবাগান ঘুরে ঘুরে দেখছিলাম। মাশাল্লাহ প্রতিটি গাছ ফলে ফলে ভরা। সামছুল হক সুরুজ বলছিলেন বাগান শুরুর কথা। ‘শাখাওয়াত হোসেন বাবুলের কাছ থেকে ফিরে ১৭০০ মাল্টা চারা কিনে শুরু করলাম মাল্টা চাষ। সরকারের কৃষি বিভাগ তাদের এক প্রকল্প থেকে দিল ১২০টি চারা আর দিকনির্দেশনা। কিছুদিন পর জমিতে সরকারের কৃষি বিভাগ তাদের প্রকল্প থেকে ৩০০ চারা দিল। আমরা আরও ২৩০টি চারা কিনে এক একর জমিতে বাগান বাড়ালাম। মোট মাল্টা গাছ হলো ২ হাজার  ৩৫০টি। প্রথম বছরেই ফলন এলো। তিন টনের মতো ফল বিক্রি করলাম। প্রথম বছর ফলন কম আসে। অপেক্ষা করছিলাম দ্বিতীয় বছরের। মাশাল্লাহ বাম্পার ফলন হলো। আমরা বাগান থেকে ১৮ টন ফল বিক্রি করলাম। সব খরচ শেষে পনেরো লাখ টাকা লাভ থাকল।’ লাভের কথায় উজ্জ্বল প্রভা ছড়িয়ে পড়ছিল সামছুল হক সুরুজের চোখমুখে। জানতে চাইলাম, ‘কৃষিতে এমন লাভ আগে কি কখনো ভেবেছিলেন?’

বললেন, ‘নাহ। এমন লাভ দেখিনি। এই জমিতেই ২০০-৩০০ মণ আখ চাষ করছি একসময়। কিন্তু এত টাকা পাইনি। এখন ১০ গুণ বেশি আয়।’

প্রশ্ন করলাম, আগের কৃষিতে লাভ কম হওয়ার কারণ কী ছিল?

সুরুজ বললেন, ‘শ্রমিকের মজুরি বেশি দিতে হয়। এখন তো মজুর পাওয়াই যায় না। তারপর কীটনাশকের পেছনে চলে যায় লাখ লাখ টাকা। ধরেন এই বাগানে কোনো কীটনাশক দিই না। সেক্স ফেরোমেন্ট ট্র্যাপ ব্যবহার করি। প্রথমে ২৫ হাজার টাকার মতো খরচ হয়েছিল। এখন বছরে খরচ হয় মাত্র ৫ হাজার টাকা। অথচ কীটনাশক ব্যবহার করলে লাখ টাকা খরচ হতো।’

তিন বছরের অভিজ্ঞতায় দারুণ এক জায়গায় এসে পৌঁছেছেন তাঁরা। বাগানে সাতজন উদ্যোক্তার চারজন উপস্থিত ছিলেন। সাধারণত পালাক্রমে বাগানে উপস্থিত থাকেন সবাই। আবার কখনো কখনো একসঙ্গেও খামারে থাকেন। কারণ এই খামারটিই তাঁদের স্বপ্নের জায়গা। যাঁরা প্রযুক্তি নিয়ে শহরে কাজ করছেন তাঁরাও সময় করে ফলন মৌসুমে সুযোগ করে একসঙ্গে খামারে আসেন। ফলে ফলে ভরা মাল্টাবাগানের মাঝে ছাউনি ঘরে বসে উপস্থিত চার উদ্যোক্তার সঙ্গে কথা হচ্ছিল।

এখন কৃষি যতটা বাণিজ্যিক, ততটাই প্রযুক্তিনির্ভর। বলা যায় প্রযুক্তিই এমন উদ্যোক্তাদের মূল আকর্ষণের জায়গা। প্রত্যন্ত গ্রামের এই মাল্টাবাগানে বসে তাঁরা ভবিষ্যতের কৃষি নিয়ে অসাধারণ স্বপ রচনা করে চলেছেন। এই কৃষিখামারের আরেকজন উদ্যোক্তা হলেন তরুণ প্রকৌশলী মোয়াজ্জেম হোসেন বাদল। আইটি বিষয়ে ভালো চাকরির সুযোগ থেকেও তিনি গ্রামে থেকে কৃষিকাজে যুক্ত হয়েছেন। তাঁর কাছে গতানুগতিক কৃষি নয় সময়োপযোগী আধুনিক কৃষিখামার গড়াই মূল লক্ষ্য। বিশ্বের সর্বাধুনিক উচ্চফলনশীল ফসলের সবই উৎপাদনে আনতে চান তিনি। তিনি বললেন, ‘বর্তমানে অর্গানিক কৃষিপণ্যের একটা বিশাল বাজার তৈরি হচ্ছে সারা বিশ্বে। তাই আমরাও সিদ্ধান্ত নিয়েছি অর্গানিকভাবে চাষাবাদ করার। প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে পোকামাকড় দমন থেকে ফলন বৃদ্ধির জন্য রাসায়নিক ব্যবহারের কোনো প্রয়োজন নেই।’

মাল্টার মৌসুমে যদিও স্থানীয় মাল্টার দাম আমদানি মাল্টার চেয়ে অর্ধেক থাকে, তারপরও উৎপাদন খরচের হিসেবে বর্তমান বাজারমূল্যে অসন্তুষ্ট নন তাঁরা। উৎপাদিত পণ্যের মূল্য এবং বাজারনীতি ও কৌশল নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন শরিফুল ইসলাম। তিনি জানালেন, অনলাইনে বেচা-বিক্রি হয়ে যায় অধিক। তবে কিছু সমস্যার কথাও জানালেন। অনলাইনে অনেকেই ৫-১০ কেজি মাল্টার অর্ডার করেন। কিন্তু অল্পসংখ্যক মাল্টা ডেলিভারি করার সুযোগ থাকে না। যেমনটা আমের মৌসুমে হয়। আমের ডেলিভারি দেওয়ার জন্য অনেক কুরিয়ার সার্ভিস পাওয়া যায়। মাল্টা বা অন্য ফল-ফসল ডেলিভারি দেওয়ার জন্য সারা বছর কোনো সার্ভিস পাওয়া গেলে তাদের জন্য ভালো হতো। শরিফুলের কথায় আরেক সম্ভাবনার কথা মনে হলো। কৃষি ও কৃষিপণ্যকে ঘিরে নতুন নতুন সব উদ্যোক্তা বের হয়ে আসার এক ক্ষেত্র তৈরি হচ্ছে। ব্যাপারটা আশাজাগানিয়া।  যা হোক, গাছে গাছে মাল্টার বিস্ময়কর ফলনে খুশি উদ্যোক্তারা। বাগান থেকেই গত বছর মাল্টা বিক্রি করেছেন প্রায় ৪৩ লাখ টাকার। এবার চতুর্থ বছরে এসেও কমপক্ষে ৪০ থেকে ৫০ টন মাল্টার আশা করছেন। যেখান থেকে এবারও ভালো লাভ ঘরে আসবে বলে ধারণা তাঁদের।

এই এলাকায় আগেও কৃষিকাজ করেছেন মজিবর রহমান। এই উদ্যোগের অপর সদস্য। তিনি মনে করেন, এখানকার এই সমন্বিত উদ্যোগ আর আগেকার কৃষির মধ্যে ব্যাপক পার্থক্য রয়েছে। তরুণদের সান্নিধ্যে নতুন নতুন ফল ফসল উৎপাদনের মধ্যে প্রাণ ফিরে পেয়েছেন তিনি। কৃষিকেও তিনি যেন নতুন করে পেয়েছেন, নতুন করে দেখছেন সবকিছু। সাহস করে উদ্যোগ নেওয়াটাই বড় কথা। তারপর নিষ্ঠার সঙ্গে সেটি ধরে রাখলে একদিন সাফল্যের পথ পাওয়া যায়। আজকের দিনে তরুণ উদ্যোক্তাদের সফল কৃষি প্রকল্পগুলো এর প্রমাণ রাখছে। ভালুকার কাচিনা গ্রামে যে কৃষিসাফল্য দেখে এসেছি তা শিক্ষিত তরুণদের কর্মপ্রয়াসের একটি দৃষ্টান্ত। এর সঙ্গে দিনে দিনে অনেক কৃষকই যুক্ত হচ্ছেন। প্রযুক্তিনির্ভর ও জৈব কৃষি অনুশীলনের সাফল্যজনক দিকগুলো তাঁদের কাছে স্পষ্ট হয়ে উঠছে। এটি আমাদের সামগ্রিক কৃষি উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। 

♦ লেখক : মিডিয়াব্যক্তিত্ব 

এই বিভাগের আরও খবর
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
বিমসটেক সম্মেলন
বিমসটেক সম্মেলন
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
স্বস্তিদায়ক ঈদ
স্বস্তিদায়ক ঈদ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
সর্বশেষ খবর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর

৫৮ মিনিট আগে | পাঁচফোড়ন

টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে

১ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

জলবসন্তে সতর্কতা
জলবসন্তে সতর্কতা

২ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার
যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫
ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী
স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা
বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি
কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই
১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩
যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন
ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইপিএল ছেড়ে হঠাৎ দেশে ফিরলেন রাবাদা
আইপিএল ছেড়ে হঠাৎ দেশে ফিরলেন রাবাদা

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিঠামইনে পানিতে ডুবে গৃহবধূর মৃত্যু
মিঠামইনে পানিতে ডুবে গৃহবধূর মৃত্যু

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় দেড় বছরে প্রায় ৪০ হাজার শিশু এতিম হয়েছে
গাজায় দেড় বছরে প্রায় ৪০ হাজার শিশু এতিম হয়েছে

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী
আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাতক্ষীরায় প্লাবিত এলাকায় নৌবাহিনীর জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা
সাতক্ষীরায় প্লাবিত এলাকায় নৌবাহিনীর জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নাটোরে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায়
নাটোরে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায়

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী
শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী

৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম, সম্পাদক বেলাল
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম, সম্পাদক বেলাল

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান
লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান

৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

খোকসায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত ১
খোকসায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত ১

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লিবিয়ার জিম্মি দশা থেকে দেশে ফিরলেন লোকমান
লিবিয়ার জিম্মি দশা থেকে দেশে ফিরলেন লোকমান

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত

১২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

১১ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

৮ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের
পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা
ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা
ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা
ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির
নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী
‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প
শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?
কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন
প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের
মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস
মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি

১৩ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ

১৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা
২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক
শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর
জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন

প্রথম পৃষ্ঠা

মহাবিপদে রপ্তানি খাত
মহাবিপদে রপ্তানি খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি
সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল
যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল

মাঠে ময়দানে

পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা
পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে
শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক

শোবিজ

সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার

শোবিজ

ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও

প্রথম পৃষ্ঠা

যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা

শোবিজ

বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যাংকক বৈঠকে নজর
ব্যাংকক বৈঠকে নজর

প্রথম পৃষ্ঠা

পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা

প্রথম পৃষ্ঠা

নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়

প্রথম পৃষ্ঠা

আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন
আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন

পেছনের পৃষ্ঠা

হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার
বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

পেছনের পৃষ্ঠা

ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!
ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!

পেছনের পৃষ্ঠা

পেছানোর সুযোগ নেই ১০ এপ্রিল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা
পেছানোর সুযোগ নেই ১০ এপ্রিল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা

পেছনের পৃষ্ঠা

ফুল ও ফল ধরেছে নাগলিঙ্গম গাছে
ফুল ও ফল ধরেছে নাগলিঙ্গম গাছে

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা
রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

বাড়তি তাপমাত্রায় বৃষ্টির আভাস
বাড়তি তাপমাত্রায় বৃষ্টির আভাস

পেছনের পৃষ্ঠা