শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ আপডেট: ০০:৫৫, মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

কৃতজ্ঞতার রকমসকম

আবু তাহের
প্রিন্ট ভার্সন
কৃতজ্ঞতার রকমসকম

নিষ্কলুষ চরিত্রের মানুষ নামে যাঁরা দুনিয়ায় পরিচিতি অর্জন করেন তাঁদের মুগ্ধকর কিছু বৈশিষ্ট্য থাকে। এর মধ্যে তিনটি বৈশিষ্ট্য : ভুল স্বীকার করা, অন্যায় করেছেন বুঝলে মাফ চাওয়া আর উপকার পেয়েছেন যাঁর কাছ থেকে, তাঁকে কৃতজ্ঞতা জানানো। দাম্ভিকরা ভুল স্বীকার করেন না। চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিলেও না। তাঁরা কেউ কেউ ধরেই নেন যে ভুল করার জন্য আল্লাহর দুনিয়ায় তাঁরা পয়দা হননি। আবার কিছু কিছু মানুষ পাওয়া যায়, যাঁরা অন্যায় কী- অন্যায় কারে কয়, তা বোঝেনই না। ভয়ের ব্যাপার ঘটান এঁরা। কখন? যখন শতজনের জন্য ক্ষতিকর কাজ করেও ভাবেন ‘অন্যায়টা আবার করলাম কোথায়!’

রাজধানীর মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকায় ১৯৮২ সালে যে পত্রিকায় কাজ করতাম, সেখানে আমার সহকর্মী শাহনূর খান। কবি মানুষ। পদবিতে শিফট-ইনচার্জ। সরলতার সুগন্ধ তাঁর আচরণে। এটা আমরা যাঁরা তাঁর সমবয়সি তাঁরা অনুভব করি। তাগড়া নওজোয়ানরা ওসব অনুভূতির ধারেকাছে নেই। তাঁদের অভিযোগ, শিফট-ইনচার্জ শাহনূর তাঁদের দিয়ে বিস্তর নিউজ আইটেম বানান, যেগুলো বানাতে বানাতে তাঁরা কাহিল হয়ে যান।

এক দুপুরে এই নওজোয়ানরা- এঁরা পদবিতে সাব এডিটর; আমাকে ঘেরাও করেন, তবে কোনো স্লোগান দেন না। না দিলেও তাঁরা যা যা বলেন তার অনুবাদ স্লোগানের ভাষার ‘মোদের দাবি মোদের দাবি/মানতে হবে মানতে হবে’র মতোই। দাবি হচ্ছে- শাহনূর ভাইয়ের শিফট থেকে আমাদের প্রত্যাহার করা হোক। সমস্যার গভীরে গিয়ে জানতে পাই, গত রাতে ক্ষুব্ধ সাব এডিটরদের দিয়ে ৬৫টি আইটেম বানানো হয়েছে কিন্তু পত্রিকায় প্রকাশ পেয়েছে মাত্র ১৭টি। প্রতিরাতেই প্রায় এরকমই করা হয় মানে ৪৫-৫০ আইটেম, গতরাতে ওটা ‘সহ্যসীমার বাইরে’ হয়ে গেছে। প্রতিকার না পেলে ভুক্তভোগীরা কর্মবিরতি পালনের হুমকি দেন। ঘোষণা করেছেন, কলম বন্ধ করা হবে আজ সন্ধ্যায় এবং গিট্টু না খোলা পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। পরিস্থিতি তপ্ত। বার্তা সম্পাদক মীর নূরুল ইসলাম আমায় বলেন, ‘প্লিজ কিছু একটা করো।’

সংলাপশাহনূরের সঙ্গে সংলাপে বসলাম। বেহুদা এত এত নিউজ আইটেম রোজ রাতে কেন করান? জবাবে তিনি বলেন, ‘তাহলে কয়টা আইটেম করাব!’ বলি, বেছে বেছে ইম্পর্টেন্ট নিউজগুলো করালেই তো পারেন। শাহনূর ডানে-বাঁয়ে সতর্ক দৃষ্টিপাত করে দেখেন, অফিস সহায়ক গিয়াস উদ্দিন অদূরে দাঁড়িয়ে কান পেতে সংলাপ শুনছে। ওকে ধমক মেরে তিনি বলেন, ‘তোর এখানে কাম কী? যা ভাগ্।’

গিয়াস ভাগে। তবে নিঃশব্দে হাসতে হাসতেই। শাহনূর স্যারের সেবায় থাকা তার কাজ। স্যার তো সপ্তাহের ছ’দিনই তার হাতে নানারকম কাম করাচ্ছেন। আজ ঝামেলায় পড়ে তাঁর মেজাজ খিচড়ে যাওয়ায় বলছেন, তোর এখানে কাম কী। উপরিতলার স্যারেরা ঝামেলায় পড়লে মজাদার কত কথাই না বলেন! এই যে তাঁদের বলা, এটাও এক নেয়ামত। মানে মাগনায় হাস্যকর জিনিস পাওয়া আর কী। এখন কোনো আলাপ করলে তা অফিস সহায়কদের কেউ শোনার বিন্দুমাত্র সম্ভাবনা নেই, এরকম নিশ্চিত হয়ে শাহনূর খান বলেন, টু টেল ইউ ফ্রাংকলি, যত নিউজ আইটেম করাই আমার কাছে তার সবই ইম্পর্টেন্ট মনে হয়। ইম্পর্টেন্ট মনে করা অন্যায়?

‘মানুষকে অনর্থক খাটানো কোন ধরনের ন্যায়?’ মনে মনে বলেছি। আর মুখে বললাম, গরিষ্ঠের অভিমত বলে একটা ব্যাপার আছে। যারা নিউজ আইটেম তৈরি করেন তাদের সবাই মনে করেন আপনি যা করাচ্ছেন তা অন্যায়। শাহনূর বলেন, ‘ওয়েল! আই য়্যাম ইয়েলডিং টু দ্য উইল অব দ্য মেজরিটি। নিজেকে প্রত্যাহার করে নিচ্ছি। শিফট অন্য কেউ চালাবেন। ব্যবস্থা নিন প্লিজ!’

ফলদায়ক পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে নওজোয়ান সাব এডিটররা বার্তা সম্পাদকের কামরায় ঢুকলে তিনি বলেন, ‘ভুল জায়গায় কৃতজ্ঞতা নয়। কৃতজ্ঞতা তো তাকেই জানানো উচিত, যে সংখ্যাগরিষ্ঠের ইচ্ছাকে মূল্য দিয়েছে। সম্মান করেছে।’

বার্তা কক্ষে সাব এডিটরদের হালকা উল্লাসধ্বনি যখন চলছিল, সে সময় আমার টেবিলে এলেন শাহনূর খান। বললেন, ‘কৃতজ্ঞতা জানাতে এলাম। যাদের ওপর মাতব্বরি চালাই- তারা ভিতরে ভিতরে আমার ওপর খুবই রেগে আছে, আপনি না জানালে তা টেরই পেতাম না। ভালো কথা। আমার জায়গায় নতুন শিফট-ইনচার্জ হচ্ছেন কে?’

‘তাঁর নাম শাহনূর খান।’ জানাই আমি, ‘বার্তা সম্পাদক পদ্ধতিগত পরিবর্তন এনেছেন। সব আইটেম তিনি যাচাইবাছাই করে ২০টি আইটেম চূড়ান্ত করবেন। সাব এডিটরদের দিয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেগুলোর পরিমার্জন করিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব শিফট ইনচার্জের। ইতোমধ্যে সাব এডিটররা আমাদের কাছে এসে পড়লেন। করমর্দন আর কোলাকুলির পর্ব সাঙ্গ হলে শাহনূর বলেন, ‘পুরোপুরি যে আমায় বর্জন করলে না, সেজন্য তোমাদের কৃতজ্ঞতা জানাই।’ সাব এডিটররা বলেন, ‘আমরাও কৃতজ্ঞ। এত কিছুর পরও আপনি আমাদের ছেড়ে যাননি। আপনি শতায়ু হোন।

২. দোয়া কবুল হয়নি। শাহনূরের জীবনটা দীর্ঘ হতে দেয়নি তাঁর হৃদযন্ত্র। পঞ্চাশের আগেই যন্ত্রটি থেমে গিয়েছিল। পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে করা মানহানি মামলায় হাজিরা দেওয়ার জন্য শাহনূর খান যশোর যান। রাতভর বাসযাত্রা করে ভোরবেলায় পৌঁছেন। কোর্টে পৌঁছানোর আগেই হার্ট অ্যাটাক। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার ১০ ঘণ্টার মধ্যে শেষ নিঃশ্বাস ছাড়েন তিনি।

শাহনূরের সঙ্গে আমার আনন্দের ঘটনা অনেক। একটি তো আমার অক্ষয় স্মৃতির অংশ। সুপণ্ডিত-সুলেখক সৈয়দ মুজতবা আলী ১৯৭২ সালে পাকাপাকি ঢাকায় চলে আসেন। তাঁর মুখোমুখি হওয়ার প্রবল আগ্রহ আমার। এক সকালে সুযোগটা করে দেন শাহনূরই। সৈয়দ মুজতবা আলী তাঁকে সম্বোধন করতেন ‘শাহীনূর’। আমরা জানি, ‘পৃথিবীর ১৭টি ভাষায় পারঙ্গম তিনি। জানতাম না যে বিভিন্ন জেলার ভাষাও মুজতবা আলীর কণ্ঠস্থ। আমার বাড়ি কোন জেলায় জানতে পারার পরই তিনি বলেন, ‘তুঁই আলু-ফটলের ব্যবসা কইত্তে ফাইত্তা, চাইল ডাইল ঘি ত্যালের দোকান দিলেও অনেক মুনাফা কইরতা। হেগিন না করি, জার্নালিজমে হাঁদাইলা কার বুদ্ধিতে? এই প্যাশা তো রিস্কি প্যাশা।’

মুজতবা আলীর মতে, আলু-পটোলের ব্যবসা করতে পারতাম, চাল-ডাল-ঘি-তেলের দোকান দিলেও মুনাফা হতো আমার। তাঁর জিজ্ঞাসা : সেসব না করে আমি কার বুদ্ধিতে সাংবাদিকতায় ঢুকলাম। এ পেশা তো ঝুঁকিময় পেশা।

মুগ্ধ বিস্ময়ে আমি আমার প্রিয় লেখকের দিকে তাকিয়ে রই। শাহনূর বলেন, ‘আপনি বার্লিন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াতেন। ‘বিশ্বভারতীতে শান্তিনিকেতনে পড়িয়েছেন, সেই আপনি কোন দুঃখে ঢাকায় বাস করতে এলেন।’

‘ঢাকা এখন স্বাধীন-সার্বভৌম দেশের রাজধানী’ বলেন সৈয়দ মুজতবা আলী, ‘একটু বোঝার চেষ্টা করো শাহীনূর। নতুন রাজধানীতে নানা নমুনার মালামাল আর মানুষের প্রয়োজন। অতি উচ্চস্তরের মহামূর্খেরও অভাব চলছিল। আমি সেই অভাব পূরণ করতে এলাম।’ নিজেকে নিয়ে নিজে এরকম রসিকতা করতে তখন পর্যন্ত আমি আর কাউকে দেখিনি। পরে আরেকজনকে পাই- বিখ্যাত সাংবাদিক জহুর হোসেন চৌধুরী। তাঁর বিষয়ে আরেক দিন লেখা যাবে।

সেই সকালে ধানমন্ডিতে মুজতবা আলীর বাড়িতে আরও তিন ব্যক্তির উপস্থিতি ছিল। এঁদের একজনকে মুজতবা আলী বলেন, ‘তোতা মিয়া বলো তো দেখি! মাত্র সাড়ে ১৪ মাসে তুমি যে লাখপতি হয়ে গেলে এজন্য তুমি কার কাছে কৃতজ্ঞ?’

সাফারি স্যুট পরা তোতা মিয়া বলেন, ‘মামুজান বরকত চেয়ারম্যান  আর জেনারেল ইয়াহিয়া খান, এই দুজনের মধ্যে কারে যে কৃতজ্ঞতা জানাই ভেবে পাচ্ছি না স্যার।’

জানা যায়, বিপদে পড়ে পাকিস্তানি মিলিটারির ভয়ে মামা বরকত হোসেনের বাড়িতে সপরিবারে আশ্রয় নেন তোতা। দিন সাতেকের মধ্যেই বহিষ্কৃত হন তাঁরা। মধ্য এপ্রিলে হাতে জীবন আর দেড় শ টাকা নিয়ে তোতা উঠলেন চট্টগ্রাম শহরে। জরুরি ভিত্তিতে রাস্তা মেরামতের ঠিকাদারি করে অবিশ্বাস্য গতিতে ধন অর্জন করলেন। এজন্য তাঁর মনে হয়, মামা তাঁকে দূর দূর করে উপকারই করেছেন। আবার মনে হয়, মূল উপকারটা ইয়াহিয়া খানই করেছেন। জেনারেল যদি নিরস্ত্র বাঙালির ওপর হত্যায় পটু মিলিটারি লেলিয়ে না দিতেন, তাহলে মামাবাড়ি যাওয়ার দরকারই হতো না।

৩. পাকিস্তান রাষ্ট্র গঠনের আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ার মুসলিম লীগের ক্ষয় শুরু ১৯৫৪ সালে পূর্ববঙ্গীয় আইনসভা নির্বাচনের পর। ওই নির্র্বাচনে বিরোধীদলীয় জোট যুক্তফ্রন্টের হাতে শোচনীয় পরাজয় ঘটে মুসলিম লীগের। ১৯৮২ সালে দেখা যায় দলটি চার ভাগ হয়ে গেছে। এক ভাগের নেতা আশরাফ উদ্দিন ছিলেন বনেদি ব্যবসায়ী। দলের ছোটখাটো কোনো অনুষ্ঠান হলেও পত্রিকায় তাঁর ভাষায় ‘খোলতাই’ কাভারেজ আশা করতেন এবং হতাশ হতেন। তখন বলতেন, কী আর করি ভাইসাব! সবই কপালের লিখন।

তেজগাঁও শিল্প এলাকায় একদা যে পত্রিকা অফিসে কাজ করতাম, আশরাফ উদ্দিন মাঝেমধ্যে সেখানে আসতেন। কিছুক্ষণ গল্প করে সবাইকে কাবাব-পরোটা খাইয়ে চলে যেতেন। সহকর্মী আকবর হোসেন একদিন বলেন, ‘অনেকেই আজকাল বলে বাঙালি জাতির উচিত মুসলিম লীগকে কৃতজ্ঞতা জানানো। তারা পাকিস্তান না গড়লে বাংলাদেশ সৃষ্টির সুযোগই আসত না। আপনি এই যুক্তি মানেন?’

‘ফালতু যুক্তি কেন মানব? আমারে কি কুত্তায় কামড়ায়?’ বলেন আশরাফ, ‘ফালতু কথারে গুরুত্ব দিলে তো মুসলিম লীগকে কৃতজ্ঞতা স্বীকার করতে হবে শুঁটকির কাছে।’ কোথায় মুসলিম লীগ আর কোথায় শুঁটকি! গোলমেলে লাগছিল। আশরাফ উদ্দিনের ব্যাখ্যায় ধোঁয়াশা কেটে গেল।

মুসলিম লীগ নেতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর দাদা ছিলেন হিন্দু, নাম পুঞ্জালাল ঠাক্কার। বাড়ি গুজরাটের কাথিওয়াড় জেলার পানেলিগাঁও গ্রামে। শহরে তিনি শুঁটকি মাছের ব্যবসা করতেন। পুঞ্জালালের গোত্র লোহানা। এই গোত্র মনে করে- মাছ-মাংস খাওয়া বা বেচাকেনা করা ধর্মবিরোধী কাজ। তাই তারা পুঞ্জালালকে ‘ধর্মচ্যুত’ ঘোষণা করে। অগত্যা ব্যবসা বন্ধ করে তিনি গ্রামে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নেন। গ্রামবাসী তাঁকে গ্রামে ঢুকতে দিল না। রাগে-দুঃখে পুঞ্জালাল মুসলমান হয়ে গেলেন। পুঞ্জালালের ছিল তিন ছেলে। এঁদের মধ্যে জিন্নাহভাই করাচি গিয়ে চামড়া ব্যবসায় নেমে উন্নতি করেন। কয়েক বছর পর ১৮৭৬ সালে তাঁর স্ত্রী মিঠাবাঈ ছেলে সন্তান জন্ম দিলেন। নবজাতকের নাম রাখা হয় মোহাম্মদ আলী জিন্নাহভাই।

লেখক : সাংবাদিক

এই বিভাগের আরও খবর
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
বিমসটেক সম্মেলন
বিমসটেক সম্মেলন
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
স্বস্তিদায়ক ঈদ
স্বস্তিদায়ক ঈদ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
সর্বশেষ খবর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর

১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে

২ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

জলবসন্তে সতর্কতা
জলবসন্তে সতর্কতা

২ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার
যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫
ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী
স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা
বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি
কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই
১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩
যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন
ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইপিএল ছেড়ে হঠাৎ দেশে ফিরলেন রাবাদা
আইপিএল ছেড়ে হঠাৎ দেশে ফিরলেন রাবাদা

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিঠামইনে পানিতে ডুবে গৃহবধূর মৃত্যু
মিঠামইনে পানিতে ডুবে গৃহবধূর মৃত্যু

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় দেড় বছরে প্রায় ৪০ হাজার শিশু এতিম হয়েছে
গাজায় দেড় বছরে প্রায় ৪০ হাজার শিশু এতিম হয়েছে

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী
আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাতক্ষীরায় প্লাবিত এলাকায় নৌবাহিনীর জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা
সাতক্ষীরায় প্লাবিত এলাকায় নৌবাহিনীর জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নাটোরে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায়
নাটোরে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায়

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী
শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী

৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম, সম্পাদক বেলাল
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম, সম্পাদক বেলাল

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান
লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান

৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

খোকসায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত ১
খোকসায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত ১

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লিবিয়ার জিম্মি দশা থেকে দেশে ফিরলেন লোকমান
লিবিয়ার জিম্মি দশা থেকে দেশে ফিরলেন লোকমান

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত

১২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

১১ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

৮ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের
পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা
ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা
ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা
ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির
নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী
‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প
শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?
কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন
প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের
মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস
মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি

১৩ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ

১৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা
২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক
শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর
জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন

প্রথম পৃষ্ঠা

মহাবিপদে রপ্তানি খাত
মহাবিপদে রপ্তানি খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি
সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল
যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল

মাঠে ময়দানে

পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা
পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে
শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক

শোবিজ

সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার

শোবিজ

ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও

প্রথম পৃষ্ঠা

যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা

শোবিজ

বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যাংকক বৈঠকে নজর
ব্যাংকক বৈঠকে নজর

প্রথম পৃষ্ঠা

পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা

প্রথম পৃষ্ঠা

আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়

প্রথম পৃষ্ঠা

আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন
আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন

পেছনের পৃষ্ঠা

হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার
বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

পেছনের পৃষ্ঠা

ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!
ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!

পেছনের পৃষ্ঠা

পেছানোর সুযোগ নেই ১০ এপ্রিল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা
পেছানোর সুযোগ নেই ১০ এপ্রিল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা

পেছনের পৃষ্ঠা

ফুল ও ফল ধরেছে নাগলিঙ্গম গাছে
ফুল ও ফল ধরেছে নাগলিঙ্গম গাছে

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা
রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

বাড়তি তাপমাত্রায় বৃষ্টির আভাস
বাড়তি তাপমাত্রায় বৃষ্টির আভাস

পেছনের পৃষ্ঠা