শিরোনাম
প্রকাশ: ১৪:১৯, রবিবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৫ আপডেট: ১৪:২৪, রবিবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৫

হাক্কোদার পাহাড়ে আজও ‘শোনা যায়’ ১৯৯ সেনার মৃত্যুর আর্তনাদ!

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
হাক্কোদার পাহাড়ে আজও ‘শোনা যায়’ ১৯৯ সেনার মৃত্যুর আর্তনাদ!

১৯০৪ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি, শুরু হয় রুশ-জাপান যুদ্ধ। কোরিয়া ও মাঞ্চুরিয়ায় প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে এই যুদ্ধের সূত্রপাত। কিন্তু এই যুদ্ধের আগে জাপানি সেনাদের অতিরিক্ত ঠান্ডা আবহাওয়ায় টিকে থাকার কৌশল শেখানোর কারণে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল। কীভাবে যুদ্ধক্ষেত্রে প্রচণ্ড ঠান্ডার মধ্যেও টিকে থাকা যায় তা শেখার জন্য ২১০ জন সেনাকে পাঠানো হয়েছিল উত্তর জাপানের হাক্কোদায়।

২১০ জন সেনা প্রশিক্ষণের স্বার্থে গেলেও ফিরে এসেছিলেন মাত্র ১১ জন। বাকি ১৯৯ জনের মৃত্যু হয় হাক্কোদা পাহাড়ের বরফের মধ্যে। বেশির ভাগ সেনার হাত-পা জমে যায় ঠান্ডায়। ‘ফ্রস্টবাইট’-এর শিকার হন তারা। 

শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত লড়াই চালানোর চেষ্টাও ব্যর্থ হয় তাদের। ১৯০২ সালের ২৩ জানুয়ারি। ২১০ জন জাপানি সেনা শুরু করেন হাক্কোদা অভিযান। নাম দেওয়া হয় ‘হাক্কোদা স্নো মার্চ’। সময় যত বাড়তে থাকে তাপমাত্রা ক্রমশ কমতে থাকে। এক সময় হিমাঙ্কের ২০ থেকে ৩০ ডিগ্রি নীচে নেমে যায় তাপমাত্রা। তার সঙ্গে শুরু হয় প্রবল তুষারঝড়। বন্দুকও ধরতে পারছিলেন তারা। ঠান্ডর সঙ্গে লড়াই করে সেনারা কোনোমতে বেঁচে থাকার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলেন।

অভিযানের উচ্চপদস্থ কর্তারা ভেবেছিলেন শীতের পাহাড়ে সৈন্যদের কষ্ট সহ্য করার ক্ষমতা যাচাই করতে হবে। কিন্তু বাস্তবে এটি যে মৃত্যুফাঁদ হয়ে দাঁড়াবে তা কল্পনাতেও ছিল না কারও। মেজর টোকোহিরো ইয়াসুমা নেতৃত্বে ছিলেন এই অভিযানের। এছাড়াও মাঠে নেমে নেতৃত্ব দেন ক্যাপ্টেন বুমকিচি কাননারি। যদিও দু’জনের কেউই শেষ পর্যন্ত বেঁচে ফিরতে পারেননি।

অভিযানের জন্য প্রয়োজনীয় কিছুই ছিল না সেনাদের কাছে। দুর্বল পরিকাঠামোকেই এত সেনার মৃত্যুর অন্যতম কারণ হিসাবে দায়ী করেছেন গবেষকেরা। সেনাদের কাছে না ছিল পর্যাপ্ত খাবার, না ছিল শীতের সঙ্গে লড়াই করার মতো পোশাক। সৈন্যদের গায়ে ছিল পাতলা কোট, পায়ে সাধারণ বুট। বিশেষ জুতো, গগলস কিংবা সঠিক খাবার কিছুই ছিল না তাদের কাছে।

২১০ জন সেনার যাত্রা শুরু হয় আওমোরি থেকে। শুরুতেই প্রচণ্ড ঝড়ের সম্মুখীন হন তারা। শোনা যায়, যাত্রা শুরুর সময়ই সেখানকার গ্রামবাসীরা সেনাদের সতর্ক করেছিলেন। তারা নাকি বলেছিলেন, “এ সময়ে হাক্কোদায় যাওয়া মানে আত্মহত্যা।” যদিও তাদের কথাকে নাকি তোয়াক্কাই করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছিল।

ধীরে ধীরে ভয়ঙ্কর প্রাকৃতিক প্রতিকূলতার সম্মুখীন হতে থাকেন সেনারা। প্রবল বৃষ্টিতে যেমন হাঁটুসমান জল জমে যায়, তুষারঝড়ে তেমনই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। এই হাঁটুসমান বরফই ধীরে ধীরে সেনাদের বুকসমান হয়ে যায়। ঠান্ডা হাওয়ার দাপট এতটাই প্রবল ছিল যে শ্বাস নিতেও কষ্ট হচ্ছিল তাদের।

তাদের পথপ্রদর্শকও দিক্‌ভ্রান্ত হয়ে পড়ছিলেন। কম্পাস আর মানচিত্র থাকা সত্ত্বেও দিক বোঝা যাচ্ছিল না। জাপানি সেনারা পরে এই যাত্রাকে উল্লেখ করে বলেন, ‘‘মানব ইতিহাসে এটি ছিল সবচেয়ে ভয়ঙ্কর হোয়াইটআউট।’’ 

পথ হারিয়ে যাওয়ার ফলে অনেক সেনা দলছুট হয়ে পড়েন। একা একা ঘুরতে থাকেন। কয়েক ঘণ্টা কেটে গেলেও সেই সেনাদের কোনও হদিসই আর মেলেনি। পিঠে ভারী বোঝা, অল্প খাবারের কারণে সৈন্যদের শরীর ধীরে ধীরে ভেঙে পড়ছিল। হালকা কোটও হার মানছিল প্রবল ঠান্ডা ঝড়ের কাছে। অভিযানের প্রথম দিনেই মৃত্যু হয় বেশ কিছু সেনার। অনেকেই বরফের মধ্যে পড়ে যান। সহযোদ্ধারা অনেক চেষ্টা করলেও মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যে নিথর হয়ে যায় সেনাদের দেহ। 

একসময় নাকি চারপাশে শুধু ‘বাঁচাও’ ‘বাঁচাও’ আর্তনাদ শোনা যাচ্ছিল। কিন্তু সেই চিৎকারও দ্রুত ঝড়ের সঙ্গে মিলিয়ে যাচ্ছিল। সেনাদের থেকে কয়েকশো মিটার দূরেই ছিল মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচার ঘর। কিন্তু আশ্রয়ের কাছে গিয়েও শেষমেশ ব্যর্থ হন তারা। সেনারা বার বার ফিরে যাওয়ার অনুরোধ জানালেও কোনও লাভ হয়নি। অভিযানের নেতৃত্বে যারা ছিলেন, তারা কেউই আবেদনে সাড়া দেননি। তারা নাকি বার বার বলেছিলেন, “ফিরে যাওয়া কাপুরুষের কাজ।” তার এই জেদে প্রাণ যায় ১৯৯ জনের।

কিছু সেনা বরফ খুঁড়ে বসে বাঁচার চেষ্টা চালান। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেই গর্তই তাদের কাছে কবর হয়ে দাঁড়ায়। দল বেঁধে শেষ শক্তি দিয়ে একে অপরকে আগলে রাখলেও শীতের কাছে শেষ পর্যন্ত হার মানতে বাধ্য হন তারা। একসঙ্গে অনেকেই শেষ নিঃশ্বাস ফেলেন বরফের মধ্যে।

যারা বেঁচে ছিলেন তারা এতটাই দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন যে দাঁড়ানোর ক্ষমতাটুকুও হারিয়ে গিয়েছিল। মুখে বরফ জমে যাচ্ছিল। চোখ খোলা থাকলেও নিঃশ্বাস পড়ছিল না আর! শেষমেশ উদ্ধারকারীর দল কোনও মতে পৌঁছোয় হাক্কোদায়। তারা গিয়ে দেখেন, মাত্র ১১ জন কোনও মতে টিকে রয়েছেন। তাদের শরীরের বেশির ভাগ অঙ্গই ফ্রস্টবাইটে নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। কেউ কেউ সহযোদ্ধার মৃতদেহের পাশে গা ঘেঁষে শুয়ে শরীর গরম রাখার চেষ্টা করেছিল বলেও শোনা যায়।

মর্মান্তিক দৃশ্য চাক্ষুষ করেছিলেন উদ্ধারকারীরা। কেউ হাঁটু গেড়ে বসে ছিলেন, কেউ হাত বাড়িয়ে রেখেছেন, অনেক মৃত সেনার হাতে বন্দুক শক্ত করে ধরা ছিল, কারও আবার ডায়েরির পাতায় লেখা ছিল শেষ কথা— সব মিলিয়ে যেন শেষ মুহূর্তে অদৃশ্য কিছুকে আঁকড়ে ধরার চেষ্টা করছিলেন তারা। কাছে যাওয়ার পরে বোঝা গিয়েছিল যে সবাই মৃত। 

বলা হয়, একসঙ্গে ১৯৯ জনের মৃত্যুর ‘আর্তনাদ’ আজও পাহাড়ের বুকে শোনা যায়। এমন ঘটনায় পুরো দেশ স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল। সমালোচনা এড়াতে প্রথমে সত্য গোপন করার চেষ্টা করা হয় বলেও দাবি। কিন্তু পরে সামনে চলে আসে গোটা ঘটনা। যদিও পরের বছর থেকেই বিশেষ শীতকালীন সরঞ্জাম মজুত রাখা বাধ্যতমূলক হয়েছিল বলেও খবর পাওয়া যায়। 

যা যা নথি উদ্ধার হয়েছিল, সবই জাপানের সামরিক জাদুঘরে সংরক্ষিত রয়েছে। মৃতদের স্মৃতিচারণ করা হয় প্রতি বছর। মেমোরিয়াল মার্চ আয়োজন করা হয় হাক্কোদা পর্বতে। সেখানে জাপানি সেনারা অংশ নেন। এই ভুল যেন আর না হয় সেই শপথ নেন তারা। এই ঘটনার এতটাই প্রভাব পড়েছিল জাপানি সংস্কৃতিতে যে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ১৯৭৭-এ ‘মাউন্ট হাক্কোদা’ নামে একটি সিনেমাও তৈরি হয়েছিল।

গবেষকরা বলেন, এটা শুধু প্রাকৃতিক দুর্যোগ নয়, বরং ‘কমান্ড ডিসিপ্লিন’ বনাম বাস্তব অভিজ্ঞতার সংঘর্ষ। স্থানীয়রা পথ চিনতেন, কিন্তু সেনারা ‘সামরিক গর্বে’ তা অগ্রাহ্য করেছিলেন। এর ফলেই মৃত্যু হয় প্রায় গোটা বাহিনীর। 

ইতিহাসবিদেরা জানান, হাক্কোদা অভিযান শত্রুর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার স্বার্থে আয়োজিত হলেও প্রকৃতির বিরুদ্ধে নয়। আর প্রকৃতিকে অবহেলা করলে ইতিহাস সবচেয়ে নির্মম শাস্তি দেয় বলেই মত ইতিহাসবিদদের।

সূত্র: আনন্দবাজার

বিডি প্রতিদিন/নাজিম

এই বিভাগের আরও খবর
প্রেমিকার ফোন ব্যস্ত পাওয়ায় গ্রামের বিদ্যুৎ সংযোগ কেটে দিল যুবক
প্রেমিকার ফোন ব্যস্ত পাওয়ায় গ্রামের বিদ্যুৎ সংযোগ কেটে দিল যুবক
গ্রিসে আবিষ্কৃত রহস্যময় খুলি মানবজাতির নয়, বিলুপ্ত প্রজাতির?
গ্রিসে আবিষ্কৃত রহস্যময় খুলি মানবজাতির নয়, বিলুপ্ত প্রজাতির?
ইংল্যান্ডে গাড়ির কাঁচ মুছে টাকা দাবি, ‘ভারতীয়’ শিক্ষার্থীর ভিডিও ভাইরাল
ইংল্যান্ডে গাড়ির কাঁচ মুছে টাকা দাবি, ‘ভারতীয়’ শিক্ষার্থীর ভিডিও ভাইরাল
ভিয়েতনামে ১২ হাজার বছর আগের মানুষের কঙ্কাল আবিষ্কার
ভিয়েতনামে ১২ হাজার বছর আগের মানুষের কঙ্কাল আবিষ্কার
বিলুপ্তপ্রায় পাখনাবিহীন পর্পয়েজ বাঁচাতে লড়াই চালাচ্ছেন চীনা বিজ্ঞানীরা
বিলুপ্তপ্রায় পাখনাবিহীন পর্পয়েজ বাঁচাতে লড়াই চালাচ্ছেন চীনা বিজ্ঞানীরা
সমীক্ষায় গিয়ে চোর সন্দেহে বেধড়ক মার খেলেন গুগল কর্মীরা!
সমীক্ষায় গিয়ে চোর সন্দেহে বেধড়ক মার খেলেন গুগল কর্মীরা!
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
হাতির শুঁড়ে বিয়ার ঢাললেন স্প্যানিশ পর্যটক, অনলাইনে তীব্র ক্ষোভ
হাতির শুঁড়ে বিয়ার ঢাললেন স্প্যানিশ পর্যটক, অনলাইনে তীব্র ক্ষোভ
মরক্কোতে পাওয়া গেল সবচেয়ে প্রাচীন ডাইনোসরের জীবাশ্ম
মরক্কোতে পাওয়া গেল সবচেয়ে প্রাচীন ডাইনোসরের জীবাশ্ম
মরক্কোয় মিলল ‘ট্যাংকের মতো’ ডাইনোসর স্পাইকোমেলাসের জীবাশ্ম
মরক্কোয় মিলল ‘ট্যাংকের মতো’ ডাইনোসর স্পাইকোমেলাসের জীবাশ্ম
ভোটের প্রচারে গিয়ে পরিচয়, বিয়ে করলেন দুই ব্রিটিশ এমপি
ভোটের প্রচারে গিয়ে পরিচয়, বিয়ে করলেন দুই ব্রিটিশ এমপি
‘পছন্দের নারী’র কাছে যেতে মৃত্যুর নাটক, অতঃপর…
‘পছন্দের নারী’র কাছে যেতে মৃত্যুর নাটক, অতঃপর…
সর্বশেষ খবর
বাকৃবি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা, হল ত্যাগের নির্দেশ
বাকৃবি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা, হল ত্যাগের নির্দেশ

৮ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

নির্বাচন নিয়ে কেউ বিকল্প ভাবলে তা হবে জাতির জন্য বিপজ্জনক : বলেছেন প্রধান উপদেষ্টা
নির্বাচন নিয়ে কেউ বিকল্প ভাবলে তা হবে জাতির জন্য বিপজ্জনক : বলেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১৪ মিনিট আগে | জাতীয়

চবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলায় সিইউজের নিন্দা
চবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলায় সিইউজের নিন্দা

১৫ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

মাদারীপুরে ‘১৮০ টাকায়’ ১৬ জন পুলিশে চাকরি পেলেন
মাদারীপুরে ‘১৮০ টাকায়’ ১৬ জন পুলিশে চাকরি পেলেন

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইজিবাইককে আধা কিলোমিটার টেনে নিয়ে যায় ট্রেন
ইজিবাইককে আধা কিলোমিটার টেনে নিয়ে যায় ট্রেন

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

চবি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে জাবিতে মানববন্ধন
চবি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে জাবিতে মানববন্ধন

৩০ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

গাজীপুরে পুকুরে গোসল করতে নেমে দুই শিশুর মৃত্যু
গাজীপুরে পুকুরে গোসল করতে নেমে দুই শিশুর মৃত্যু

৩৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দেশের মানুষ এখন ভোটমুখী: দুলু
দেশের মানুষ এখন ভোটমুখী: দুলু

৪৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রান্সফার ফির রেকর্ড গড়ে নিউক্যাসলে ভল্টামাডা
ট্রান্সফার ফির রেকর্ড গড়ে নিউক্যাসলে ভল্টামাডা

৪৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

প্রেমিকার ফোন ব্যস্ত পাওয়ায় গ্রামের বিদ্যুৎ সংযোগ কেটে দিল যুবক
প্রেমিকার ফোন ব্যস্ত পাওয়ায় গ্রামের বিদ্যুৎ সংযোগ কেটে দিল যুবক

৫১ মিনিট আগে | পাঁচফোড়ন

আলোকিত লালমনিরহাট গঠনে সুধী সমাবেশ
আলোকিত লালমনিরহাট গঠনে সুধী সমাবেশ

৫৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুমিল্লায় মা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার, ছেলে-পুত্রবধূ আটক
কুমিল্লায় মা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার, ছেলে-পুত্রবধূ আটক

৫৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নাটোরে যুবকের আত্মহত্যা
নাটোরে যুবকের আত্মহত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘নির্বাচনকে বানচাল করার সব অপচেষ্টা জনগণ রুখে দেবে’
‘নির্বাচনকে বানচাল করার সব অপচেষ্টা জনগণ রুখে দেবে’

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সংঘর্ষে আহত যুবকের মৃত্যু, বিচার দাবিতে লাশ নিয়ে মহাসড়ক অবরোধ
সংঘর্ষে আহত যুবকের মৃত্যু, বিচার দাবিতে লাশ নিয়ে মহাসড়ক অবরোধ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাকৃবিতে ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রশিক্ষণ
গাকৃবিতে ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রশিক্ষণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকনাফে অস্ত্র ও ইয়াবাসহ একজন আটক
টেকনাফে অস্ত্র ও ইয়াবাসহ একজন আটক

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিদেশ থেকে ফিরে ছাদ কৃষি চাষে সাফল্য
বিদেশ থেকে ফিরে ছাদ কৃষি চাষে সাফল্য

১ ঘণ্টা আগে | প্রকৃতি ও পরিবেশ

আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচন: মির্জা ফখরুল
আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচন: মির্জা ফখরুল

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বিয়ের পরদিনই নববধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, স্বামী কারাগারে
বিয়ের পরদিনই নববধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, স্বামী কারাগারে

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থগিত চায় এনসিপি
জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থগিত চায় এনসিপি

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

দিনাজপুরে বৃদ্ধের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার
দিনাজপুরে বৃদ্ধের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বর্তমান পরিস্থিতিতে সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে জামায়াতের শঙ্কা
বর্তমান পরিস্থিতিতে সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে জামায়াতের শঙ্কা

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

এবার কানাডা সুপার সিক্সটি কাপে দল পেলেন সাকিব
এবার কানাডা সুপার সিক্সটি কাপে দল পেলেন সাকিব

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নরসিংদীতে আকস্মিক সফরে উপদেষ্টা আসিফ নজরুল
নরসিংদীতে আকস্মিক সফরে উপদেষ্টা আসিফ নজরুল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিংবদন্তি পরিচালক প্রেম সাগরের মৃত্যু
কিংবদন্তি পরিচালক প্রেম সাগরের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

মির্জাপুরে বজ্রপাতে বৃদ্ধের মৃত্যু
মির্জাপুরে বজ্রপাতে বৃদ্ধের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সোনারগাঁয়ে হত্যা মামলায় গৃহবধূর যাবজ্জীবন, প্রেমিকের মৃত্যুদণ্ড
সোনারগাঁয়ে হত্যা মামলায় গৃহবধূর যাবজ্জীবন, প্রেমিকের মৃত্যুদণ্ড

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাকৃবির শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে বহিরাগতদের হামলার অভিযোগ
বাকৃবির শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে বহিরাগতদের হামলার অভিযোগ

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

আবারও শীর্ষে ফিরবে বাবর, ওয়াসিম আকরামের বিশ্বাস
আবারও শীর্ষে ফিরবে বাবর, ওয়াসিম আকরামের বিশ্বাস

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাসনাত আবদুল্লাহর জন্য উপহার পাঠালেন রুমিন ফারহানা
হাসনাত আবদুল্লাহর জন্য উপহার পাঠালেন রুমিন ফারহানা

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

রামদা দিয়ে কুপিয়ে ছাদ থেকে দুই শিক্ষার্থীকে ফেলে দিল 'স্থানীয়রা', উত্তপ্ত চবি
রামদা দিয়ে কুপিয়ে ছাদ থেকে দুই শিক্ষার্থীকে ফেলে দিল 'স্থানীয়রা', উত্তপ্ত চবি

৬ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক
ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘জাতীয় পার্টির ভেতর দিয়ে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর পরিকল্পনা চলছে’
‘জাতীয় পার্টির ভেতর দিয়ে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর পরিকল্পনা চলছে’

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু নির্বাচন ঘিরে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েকজন
রাকসু নির্বাচন ঘিরে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েকজন

৯ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ছেলের জন্মদিনের উপহার নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করল স্বামী
ছেলের জন্মদিনের উপহার নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করল স্বামী

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উন্নত প্রযুক্তির স্যাটেলাইট উন্মোচন করল ইরান
উন্নত প্রযুক্তির স্যাটেলাইট উন্মোচন করল ইরান

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চবি এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি
চবি এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি

৬ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ছেলের সঙ্গে মারামারি গড়াল ডিএনএ পরীক্ষায়, জানলেন সন্তানদের বাবা নন তিনি
ছেলের সঙ্গে মারামারি গড়াল ডিএনএ পরীক্ষায়, জানলেন সন্তানদের বাবা নন তিনি

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতকে কাঁদিয়ে বাংলাদেশের জয়
ভারতকে কাঁদিয়ে বাংলাদেশের জয়

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যমুনায় এনসিপির প্রতিনিধি দল
যমুনায় এনসিপির প্রতিনিধি দল

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাকে অমানবিক নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, ছেলে-বউসহ আটক ৫
মাকে অমানবিক নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, ছেলে-বউসহ আটক ৫

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ
মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ

১৮ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

পূর্বাচলে হচ্ছে চার নতুন থানা
পূর্বাচলে হচ্ছে চার নতুন থানা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা
ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপির বৈঠকের সময় পরিবর্তন
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপির বৈঠকের সময় পরিবর্তন

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজা যুদ্ধে ৯০০ ইসরায়েলি সেনা নিহত
গাজা যুদ্ধে ৯০০ ইসরায়েলি সেনা নিহত

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প
ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাক্কোদার পাহাড়ে আজও ‘শোনা যায়’ ১৯৯ সেনার মৃত্যুর আর্তনাদ!
হাক্কোদার পাহাড়ে আজও ‘শোনা যায়’ ১৯৯ সেনার মৃত্যুর আর্তনাদ!

৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

চীনে পৌঁছেছেন পুতিন
চীনে পৌঁছেছেন পুতিন

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সালমানের ব্যাটে ৬ বলে ৬ ছক্কা, ১২ বলে ১১: শেষ ২ ওভারে উঠল ৭১ রান
সালমানের ব্যাটে ৬ বলে ৬ ছক্কা, ১২ বলে ১১: শেষ ২ ওভারে উঠল ৭১ রান

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ওষুধে কমিশন বাণিজ্যের দুঃসহ বোঝা রোগীর ঘাড়ে
ওষুধে কমিশন বাণিজ্যের দুঃসহ বোঝা রোগীর ঘাড়ে

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইংল্যান্ডে গাড়ির কাঁচ মুছে টাকা দাবি, ‘ভারতীয়’ শিক্ষার্থীর ভিডিও ভাইরাল
ইংল্যান্ডে গাড়ির কাঁচ মুছে টাকা দাবি, ‘ভারতীয়’ শিক্ষার্থীর ভিডিও ভাইরাল

৭ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

বিশ্বকাপ বাছাইয়ের আগে ব্রাজিল স্কোয়াডে পরিবর্তন
বিশ্বকাপ বাছাইয়ের আগে ব্রাজিল স্কোয়াডে পরিবর্তন

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ
১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩১ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩১ আগস্ট)

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিয়জন হারালেন রশিদ খান
প্রিয়জন হারালেন রশিদ খান

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ৩ দলের বৈঠক আজ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ৩ দলের বৈঠক আজ

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিলেন রাষ্ট্রপতি
নুরের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিলেন রাষ্ট্রপতি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক

প্রথম পৃষ্ঠা

রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি

প্রথম পৃষ্ঠা

বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ
বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন
বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন

প্রথম পৃষ্ঠা

যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ
যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার
ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার

প্রথম পৃষ্ঠা

আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র
আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র

নগর জীবন

২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!
২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!

পেছনের পৃষ্ঠা

আভিজাত্যের সেই নাচঘর
আভিজাত্যের সেই নাচঘর

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী
বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী

নগর জীবন

আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব
আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব

পেছনের পৃষ্ঠা

স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা
স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ
বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ

নগর জীবন

সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে
সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে
বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে

মাঠে ময়দানে

সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত
সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত

প্রথম পৃষ্ঠা

বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত
বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত

বিশেষ আয়োজন

রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ
রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ

পেছনের পৃষ্ঠা

ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল
ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল

মাঠে ময়দানে

ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

নগর জীবন

আশরাফুলদের বড় জয়
আশরাফুলদের বড় জয়

মাঠে ময়দানে

আমরণ অনশনের হুঁশিয়ারি প্রাথমিক শিক্ষকদের
আমরণ অনশনের হুঁশিয়ারি প্রাথমিক শিক্ষকদের

পেছনের পৃষ্ঠা

মিশে গেছেন মিচেল
মিশে গেছেন মিচেল

মাঠে ময়দানে

জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক
জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক

মাঠে ময়দানে

১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড
১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড

মাঠে ময়দানে

কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ
কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ

মাঠে ময়দানে

মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ

সম্পাদকীয়

ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়
ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়

সম্পাদকীয়

বিনিয়োগ চাঙা করতে দরকার ভালো নির্বাচন
বিনিয়োগ চাঙা করতে দরকার ভালো নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

নগর জীবন