নাটোর জেলা ও দায়রা জজ আদালতে নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসসহ বিভিন্ন অভিযোগ তুলেছেন পরীক্ষার্থীরা। এ অভিযোগে গতকাল নাটোরের নবাব সিরাজউদদৌলা সরকারি কলেজ কেন্দ্রে নিয়োগ পরীক্ষা শেষে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করেন তারা। এ সময় ওই নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবিও জানান তারা। নাটোর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে এক পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়। তবে প্রশ্নপত্র ফাঁস বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কঠোর গোপনীয়তার মাধ্যমে প্রশ্ন তৈরি এবং বিতরণ করা হয়। প্রশ্নপত্র হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। জানা যায়, নাটোর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সাঁটলিপিকার-কাম-কম্পিউটার অপারেটর; সাঁট মুদ্রাক্ষরিক; বেঞ্চ সহকারী; জারিকারক এবং অফিস সহায়ক পদে নিয়োগে শহরের এনএস কলেজ ও রাণী ভবানী মহিলা কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়। পরীক্ষা চলা সময়ে এনএস সরকারি কলেজ কেন্দ্রের ২১০ নম্বর রুমে এক পরীক্ষার্থীর কাছে উত্তরপত্র পাওয়া যায়। এ সময় অন্য চাকরিপ্রত্যাশীরা সোচ্চার হলে ওই পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করে পরিদর্শকরা। পরে পরীক্ষা শেষে প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ করেন চাকরিপ্রত্যাশীরা।
অন্য কক্ষে আরও পরীক্ষার্থীর কাছে উত্তরপত্র ছিল বলে দাবি জানান তারা।
নাটোর এনএএস সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ আবদুল বারী মির্জা বলেন, আমরা শুধু ভেন্যু দিয়ে সহযোগিতা করেছি। পরীক্ষার সম্পূর্ণ ব্যবস্থাপনা করেছেন জজ কোর্টের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।