পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মাঠজুড়ে তরমুজ খেত। চোখ যতদূর যায় গাছের পাতার ফাঁকে ছোটবড় তরমুজ। এ বছর ফলনও ভালো হয়েছে। ইতোমধ্যে খেত থেকে আগাম তরমুজ কাটা শুরু হয়েছে। দাম ভালো পেয়ে খুশি চাষিরা। কৃষকরা জানান, তরমুজ চাষের জন্য পর্যাপ্ত মিঠাপানি প্রয়োজন। উপজেলার স্লুইস সংযুক্ত খালগুলোতে মিঠাপানি সংরক্ষণের ব্যবস্থা থাকলে শুধু তরমুজ নয়, সবজি ও বোরো আবাদে বিপ্লব ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে।
উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্যমতে, আগাম তরমুজ বিক্রি শুরু হয়েছে লতাচাপলি, নীলগঞ্জ, ধানখালীসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে। চলতি বছর এ উপজেলায় ৩ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে তরমুজের আবাদ হয়েছে। যা গত বছরের চেয়ে তিনগুণ। তরমুজের আবাদ করে লাভের স্বপ্নে বিভোর চাষিরা।
টিয়াখালীর মাসুম হাওলাদার জানান, এ বছর ৪০ বিঘা জমিতে তরমুজ আবাদ করেছেন তিনি। খেতের ফলন গড়ে দুই-তিন কেজি পর্যন্ত হয়েছে। এ পর্যন্ত প্রায় ১০ লাখ টাকা খরচ করেছেন। তার খেতে ড্রাগন, থাইল্যন্ড, মাসুদ সিড, গ্রেড-১ জাতের তরমুজের আবাদ করেছেন। শেষ মুহূর্তে কোনো ধরনের দুর্যোগ না হলে অন্তত ৪০ লাখ টাকার তরমুজ বিক্রি করতে পারবেন আশা করছেন তিনি। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আরাফাত হোসাইন বলেন, ৩৫০ হেক্টর জমিতে আগাম তরমুজ করেছেন কৃষকরা। এবার আবহাওয়া অনুকূলে থাকা ও রোগবালাই কম হওয়ায় বাম্পার ফলন হবে। কৃষকদের সার্বিক পরামর্শ ও সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে।