সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে সাড়ে ১১ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মাহমুদা নামে এক সহকারী শিক্ষিকার বিরুদ্ধে। গতকাল দুপুরে অভিযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নবেজ উদ্দিন সরকার। এর আগে মঙ্গলবার বিকালে সুন্দরগঞ্জ থানার ওসি, পুলিশ সুপার ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী ওই চাকরিপ্রার্থী।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সুন্দরগঞ্জ উপজেলার সুবর্ণদহ গ্রামের শহিদুল ইসলামের মেয়ে শাহনাজ পারভীন ২০২৩ সালের ৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ (গ্রুপ-১) পরীক্ষায় নিয়ে অকৃতকার্য হন। পরে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার কথা বললে উপজেলার পরান গ্রামের আলম মিয়ার স্ত্রী চাঁদপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মাহমুদা বেগম ও তার ভাই রানা মিয়াকে মূল সনদপত্রসহ ১১ লাখ ৪০ হাজার ৫০০ টাকা দেন শাহনাজের পরিবার। দীর্ঘ দিনেও চাকরি না হওয়ায় টাকা ফেরত চাইলে শাহনাজের পরিবারকে নানাভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দিতে থাকেন তারা।
শাহনাজ পারভীন বলেন, তাদের প্রতারণার শিকার শুধু আমি একাই হইনি। আরও অনেকে রয়েছেন। তিনি তার মূল সনদপত্র ও টাকা ফেরতসহ আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষক মাহমুদা বেগম প্রথমে টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, আমার ভাই এ টাকা নিয়েছে।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নবেজ উদ্দিন বলেন, অভিযোগটি খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রতিবেদন হাতে এলেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।