রাজবাড়ীতে শীতকালীন ফুলকপির দাম না পাওয়ায় হতাশ কৃষকরা। জেলার কৃষকরা প্রতি কেজি ফুলকপি বিক্রি করছেন ১ থেকে ৩ টাকা পর্যন্ত। প্রতি কেজি ফুলকপির এমন দামে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়ছেন কৃষকরা। খেত থেকে কপি কেটে বাজারে বিক্রিতে পরিবহন ভাড়া উঠছে না কৃষকদের। তবে বাজারে প্রতি কেজি ফুলকপি বিক্রি হচ্ছে ১০ থেকে ১৫ টাকা। কপির দাম নিম্নমুখী হওয়ার কারণে গ্রাহকের জন্য স্বস্তিদায়ক হলেও কৃষকদের জন্য ব্যাপক ক্ষতি। কৃষকরা দাম না পেলেও বাজারে ফুলকপির দাম বেশ চড়া। এ নিয়ে ক্ষোভ ক্রেতাদের। তারা বলছেন, বাজার নিয়ন্ত্রণের অভাবে দামের ব্যাপক পার্থক্য। বাজারে তদারকির দাবি স্থানীয় ক্রেতাদের।
জেলার বালিয়াকান্দি উপজেলায় সবচেয়ে বেশি ফুলকপি আবাদ হয়। উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন মাঠের কৃষকরা প্রতি কেজি ফুলকপি বিক্রি করছেন ১ থেকে ৩ টাকা কেজিতে। রাজবাড়ীতে ফুলকপির ব্যাপক আবাদ হওয়ার কারণে এখানের কৃষকরা পার্শ্ববর্তী জেলায় ফুলকপি বিক্রি করেন। ফরিদপুরের আড়তে প্রতি কেজি ফুলকপি ১ থেকে ৩ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে। খামারমাগুরা ও হাতিমোহন মাঠে দিয়ে দেখা যায়, বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে ফুলকপি। উপপরিচালক ড. মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম বলেন, এই সময়ে ফুলকপির সরবরাহ বেশি থাকায় দাম কমে আসছে। দামের বিষয়টি নিয়ে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর কাজ করেন। তবে কৃষি বিভাগ কৃষকদের বিভিন্ন পরামর্শ দিচ্ছে।