গাইবান্ধার পৌর শহরের গোবিন্দপুর এলাকার চলাচলের রাস্তা দীর্ঘদিন পর দখল মুক্ত করল পৌর কর্তৃপক্ষ। এতে আট বছরের ভোগান্তির অবসান ঘটেছে এলাকাবাসীর। সোমবার সরেজমিন দেখা গেছে, রাস্তাটির পুনর্নির্মাণ কাজ চলছে। রাস্তাটি অবৈধভাবে দখল করে নির্মাণ করা প্রাচীর ভেঙে দেওয়া হয় রবিবার। জানা গেছে, গাইবান্ধা পৌর শহরের গৌবিন্দপুর মৌজার ৬৬৩৬ খতিয়ানের দাগ নম্বর ১২০৮১-এর প্রায় ৬ শতাংশ খাস জমির ওপর নির্মিত রাস্তাটি উন্মুক্ত ছিল। ২০১৭ সালের জুনে রাস্তা দখল করে প্রাচীর নির্মাণ করেন স্থানীয় খাদেমুল ইসলাম। শিক্ষক আবদুল হামিদ ও স্থানীয়রা রাস্তাটি উদ্ধারে সদর উপজেলা ভূমি অফিসে আবেদন করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে তৎকালীন সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) রওনক জাহান উপস্থিত থেকে জমিটি দখল মুক্ত করে জনগণের চলাচলের জন্য রাস্তা নির্মাণ করে দেন। যা গাইবান্ধা পৌরসভার নকশায় রাস্তাটি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এরপর ওই সালের আগস্টে আবারও রাস্তাটি দখল করে স্থায়ী প্রাচীর নির্মাণ করেন খাদেমুল ইসলামের স্ত্রী জমিলা খাতুন ও ছেলে জামিল আহম্মেদ সুমন। এরপর থেকে দীর্ঘ সময় ধরে রাস্তাটি দিয়ে জনসাধারণের চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
দীর্ঘদিন পর পৌরসভার আইন মোতাবেক রবিবার অবৈধভাবে নির্মাণ করা প্রাচীর ভেঙে দেয় পৌর কর্তৃপক্ষ। এতে ওই এলাকার জনমনে স্বস্তি ফিরেছে।
ভুক্তভোগী শিক্ষক আবদুল হামিদ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আমরা ভোগান্তির শিকার হয়েছি। গাইবান্ধা পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল হানিফ সরদার বলেন, পৌর প্রশাসকের নির্দেশে রাস্তাটি দখল মুক্ত করা হয়।