পাহাড়ে জমে উঠেছে শীতবস্ত্র বিকিকিনি। দামে কম, মান ভালো- এমন কাপড়ের দোকানে বেশি ভিড় করছে মানুষ। ক্রেতাদের চাহিদা মতো দোকানিরা পসরা সাজিয়েছেন বাহারি ডিজাইনের কাপড়ের। রাঙামাটি শহর ঘুরে দেখা যায়, বিভিন্ন সড়কে শীতবস্ত্রের দোকান। বেশির ভাগ ভাসমান দোকানে আনা হয়েছে ঢাকা-চট্টগ্রামের হকার্স মার্কেটের কাপড়। সর্বনিম্ন ৫০ থেকে সর্বোচ্চ ২ হাজার টাকায় মিলছে ছোট বড় সব বয়সের নারী-পুরুষের গরম কাপড়। রাঙামাটি বনরূপা হকার্স ব্যবসায়ী বাদশা মিয়া বলেন, শুধু শীত মৌসুমে গরম কাপড়ের ব্যবসা হয়। পাহাড়ি অঞ্চলে শীত বেশি। শীতবস্ত্রের চাহিদাও বেশি। এরই মধ্যে জমে উঠেছে কাপড় ব্যবসা। রাতদিন চলছে বেচাকেনা। রাঙামাটিতে আলাদা হকার্স মার্কেট না থাকায় দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে নির্ভর থাকতে হয় এসব অস্থায়ী দোকানের ওপর। পাহাড়ে শীত যত বাড়ছে, তত বাড়ছে শীতবস্ত্রের চাহিদা। চাহিদা পূরণে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নারীরা ঘরে তৈরি করছেন কোমর তাঁতের শীতবস্ত্র। বাহারি ডিজাইনের আকর্ষণীয় এসব বস্ত্র ক্রেতাদের যেমন দৃষ্টি কেড়েছে তেমনি জনপ্রিয়তা পেয়েছে পর্যটকদের কাছে। এ ছাড়া কোমর তাঁতের শীতবস্ত্র যাচ্ছে কক্সবাজার, সেন্টমার্টিন, চট্টগ্রাম, পতেঙ্গাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে। কোমর তাঁতে তৈরি পোশাকের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ডিজাইনের শাল, চাঁদর, সুয়েটার ও মাফলার। কোমর তাঁতী মোহনা চাকমা বলেন, এ কাজে পরিশ্রম যেমন আছে, তেমনি লাভও আছে। শীতে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয় বমশাল। কারণ বমশাল খুবই আরামদায়ক। এ শাল দেখতেও খুব সুন্দর।
কোমর তাঁতের প্রতিটি শাল ৬০০-১০০০, চাঁদর ৩০০-৫০০ এবং সুয়েটার ৭০০-১২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।