ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) রেজাউল করিম মল্লিক বলেছেন, পবিত্র রমজান মাস সামনে রেখে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী বাহিনীর বিরুদ্ধে ‘অলআউট অ্যাকশনে’ যাচ্ছে ডিবি। ইতোমধ্যে বিভিন্ন এলাকার সন্ত্রাসী সম্পর্কে গোয়েন্দা তথ্য পাওয়া গেছে। ছোট-বড় যেকোনো অপরাধ ও অপরাধীর ক্ষেত্রে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অবলম্বন করা হচ্ছে।
গতকাল ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে রমজানকেন্দ্রিক ডিবি পুলিশের পরিকল্পনা সম্পর্কে গণমাধ্যমকর্মীদের এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার (অ্যাডমিন অ্যান্ড গোয়েন্দা-দক্ষিণ) মোহাম্মদ নাসিরুল ইসলাম, যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা-উত্তর) মোহাম্মদ রবিউল হোসেন ভুঁইয়া, যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (সাইবার সিকিউরিটি অ্যান্ড সাপোর্ট সেন্টার-দক্ষিণ) সৈয়দ হারুন অর রশীদ ও উপকমিশনার (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগ) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান।
রেজাউল মল্লিক বলেন, ‘রোজার সময় মানুষের কর্মযজ্ঞ বৃদ্ধি পায়। বিশেষ করে আর্থিক লেনদেন বেশি হয়। শপিং মল, ব্যাংক, বিমায় মানুষের ভিড় বাড়ে। রেলস্টেশন, বাস টার্মিনাল, সদরঘাটসহ অন্যান্য জায়গাতেও মানুষের উপস্থিতি বাড়ে। এসব জায়গায় কেউ যাতে নাশকতা করতে না পারে, সেজন্য আমাদের গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে। পাশাপাশি দূরের যাত্রাপথ বিশেষ করে বাসে কোনো দুর্ঘটনা যাতে না ঘটে, সে লক্ষ্যে গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে আমরা আগে থেকেই ডিবির তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াচ্ছি।’
ডিবি পরিচয়ে কেউ গোপনে তুলে নেওয়া বা সিভিল পোশাকে তল্লাশির মতো ভয়ংকর কোনো ঘটনা ঘটানোর চেষ্টা করলে পুলিশকে অবহিত করার পরামর্শ দেন রেজাউল করিম মল্লিক। তিনি বলেন, ‘নাশকতা করতে পারে এমন কোনো তথ্য থাকলে ডিবিকে দিয়ে সহায়তা করুন। আপনাদের পরিচয় গোপন রেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। চুরি, ছিনতাই ও ডাকাতি রোধে ডিবির নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সমাজকে মাদকের থাবা থেকে রক্ষা করতে প্রতিনিয়ত পরিচালনা করা হচ্ছে মাদকবিরোধী অভিযান। চিহ্নিত সন্ত্রাসী হোক বা যেকোনো অপরাধীই হোক ডিবির জালে তাদের ধরা পড়তেই হবে। যারা সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তাঝুঁকি তৈরি করবে, এদের আমরা বিন্দুমাত্র ছাড় দেব না।’