ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ল এন্ড ডিপ্লোম্যাসির আয়োজনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ড. আবদুল্লাহ ফারুক কনফারেন্স হলে “ট্রাম্প ২.০: দক্ষিণ এশিয়ার জন্য এর অর্থ কী?” শীর্ষক পলিসি ডায়ালগ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে কূটনীতিক, নীতিনির্ধারক, গবেষক এবং ব্যবসায়ীরা অংশগ্রহণ করেন।
আলোচনায় বিশেষজ্ঞরা ট্রাম্পের সম্ভাব্য দ্বিতীয় মেয়াদে দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বাস্তবতা কেমন হতে পারে, সে বিষয়ে মতবিনিময় করেন। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতিতে পরিবর্তনের ফলে এ অঞ্চলে যে চ্যালেঞ্জ ও সুযোগ তৈরি হতে পারে, তা বিশদভাবে আলোচনা করা হয়।
সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ল এন্ড ডিপ্লোম্যাসির চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ সরকারের সাবেক সচিব ড. মাহফুজুল হক। ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ল এন্ড ডিপ্লোম্যাসির নির্বাহী পরিচালক শফিউল আলম শাহীন উদ্বোধনী বক্তব্যে বলেন, বৈশ্বিক বিষয়ে অর্থবহ আলোচনা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটি অঙ্গীকারবদ্ধ। তিনি উল্লেখ করেন, বিশ্ব নেতৃত্বের পরিবর্তনশীল গতিপ্রবাহের মধ্যে টিকে থাকতে হলে আগেভাগেই সুপরিকল্পিত নীতি নির্ধারণ করা জরুরি।
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আতাউর রহমান তালুকদার। আলোচনায় অংশ নেন সাবেক রাষ্ট্রদূত সাকিব আলী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান, আইবিএ’র অধ্যাপক ড. রিদওয়ানুল হক, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র লেকচারার ওমর নাসিফ আবদুল্লাহ, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের লেকচারার জাহিদুল ইসলাম মিয়াজি, বানিয়াস হারবারের সিইও সাদমান বিন কবির, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কর্মকর্তা জয়নুল ইসলাম এবং জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক সাকিব সরকার।
বিডিপ্রতিদিন/কবিরুল