ডাকাত দলের ছোড়া এলোপাতাড়ি গুলিতে তিনজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। এ ছাড়া জনতার মারধরে পাঁচ ডাকাত আহত এবং দুজনের মৃত্যু হয়েছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের মধ্যে একজনকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। শুক্রবার রাত আনুমানিক ১০টার দিকে শরীয়তপুরের আঙ্গারিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতে স্পিডবোটে করে একদল ডাকাত আঙ্গারিয়া এলাকায় ঢুকে। ওই সময় স্থানীয়রা বিষয়টি বুঝতে পেরে তাদের প্রতিহত করতে গেলে ডাকাতরা এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়া শুরু করে। এতে তিনজন গুলিবিদ্ধ হন। পরে ডাকাতির খবর ছড়িয়ে পড়ায় রাজগঞ্জ এলাকা দিয়ে পালানোর চেষ্টা করলে ডাকাতদের ধরতে স্থানীয়রা বাল্কহেড দিয়ে নদীপথ আটকে দেয়। ওই সময় স্পিডবোট তীরে রেখে পালানোর সময় স্থানীয়রা সাত ডাকাতকে ধরতে সক্ষম হন।
গুলিবিদ্ধরা হলেন- পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ার জয়নাল মিয়ার ছেলে ও বাল্কহেড শ্রমিক মাসুম মিয়া (৩০), একই জেলার নাজিরপুর উপজেলার কালিকাঠী এলাকার আনিস ফকিরের ছেলে ও বাল্কহেড শ্রমিক আলামিন (১৯) এবং শরীয়তপুরের পালং থানার ডোমসার মোল্লাকান্দি এলাকার দলিল উদ্দিনের ছেলে তোতা মিয়া (৩৫)। এদিকে গণপিটুনিতে আহত সাতজনের মধ্যে দুজন মারা গেছেন।