কয়েকদিন পরেই ভালোবাসা দিবস এবং বসন্ত। এরপর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। ফেব্রুয়ারির এ তিনটি বিশেষ দিনের অপেক্ষায় থাকেন ফুলের রাজধানী হিসেবে পরিচিত যশোরের ঝিকরগাছার গদখালীর চাষিরা। মার্চে আছে স্বাধীনতা দিবস। সেদিনও ফুলের ব্যাপক চাহিদা থাকে।
চাষিরা আশা করছেন আগামী চারটি বিশেষ দিবসে গদখালী থেকে বিক্রি হবে প্রায় শত কোটি টাকার ফুল। তাদের চোখ এখন ভালোবাসা দিবসের দিকে। এই দিনটি সামনে রেখে তারা ২৫-৩০ কোটি টাকার ফুল বিক্রির আশায় আছেন। ভালোবাসা দিবসে বেশি চাহিদা থাকে গোলাপের।
সরেজমিনে গদখালী ও আশপাশের এলাকা ঘুরে দেখা যায়, চাষিরা গোলাপ খেত পরিচর্যায় ব্যস্ত। পাশাপাশি জারবেরা, গ্লাডিওলাস, রজনীগন্ধা, গাঁদা, চন্দ্রমল্লিকাসহ অন্তত ১৩ ধরনের ফুল মাঠে শোভা পাচ্ছে। গদখালী ফুলচাষি ও ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবু জাফর বলেন, বছরজুড়ে সব ধরনের ফুল কমবেশি বিক্রি হলেও চাষিরা মূলত ফেব্রুয়ারি মাসের দিকেই তাকিয়ে থাকেন। বিভিন্ন সময়ে প্রতিকূল পরিস্থিতির কারণে তারা যে ক্ষতির সম্মুখীন হন, সেগুলো পুষিয়ে লাভের মুখ দেখেন এ মাসে। তিনি বলেন, গত বৃহস্পতি ও শুক্রবারের হাটে জাত ও মান ভেদে গোলাপ প্রতি পিস ৬-১০ টাকা, জারবেরা ৮-১০, গ্লাডিওলাস ৮-১২, চন্দ্রমল্লিকা ২, রজনীগন্ধা ৮-১০, গাঁদা প্রতি হাজার ৩০০-৪০০, জিপসি ১০ আঁটি ১০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। ১৪ তারিখের আগে দু-তিন দিন গোলাপের দাম ১৫-২০ টাকা হতে পারে। কৃষি কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, উপজেলার গদখালী ও পানিসারায় প্রায় চার হাজার চাষি ৬৩০ হেক্টর জমিতে ফুল চাষ করেছেন।