দখল, দূষণ আর নাব্য সংকটে হারিয়ে যাচ্ছে টঙ্গীর তুরাগ নদ। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কার্যকর কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় তুরাগ দূষণের ভয়াবহতা বেড়ইে চলছে। নদের দিকে তাকালে মনে হয় এ যেন ময়লার ড্রেন। দুর্গন্ধে তীর দিয়ে হাঁটতে হয় নাক চেপে। নদের অস্তিত্ব ফিরিয়ে আনতে বিআইডব্লিউটিএ ও পরিবেশ অধিদপ্তর বিভিন্ন উদ্যোগ নিলেও কতটুকু বাস্তবায়ন হয়েছে তা নিয়ে নানা প্রশ্ন জনমনে।
রাজধানীর কাছে কহর দরিয়াখ্যাত তুরাগ নদে একসময় নৌযান চলাচল করত। এ নদের পানি দিয়ে চলত স্থানীয়দের গোসল কিংবা রান্নাবান্না। নদে মানুষ মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করত। এখন গোসল বা পানি ব্যবহার-তো দূরের কথা আবর্জনার দুর্গন্ধে নদের পাশে দাঁড়ানোও সম্ভব হচ্ছে না। নৌপথে আসা বিভিন্ন মামামাল কিংবা চলাচলের সুবিধার্থে টঙ্গীর পাগাড় এলাকায় ২০১২ সালে প্রায় ৫ কোটি ব্যয়ে নির্মাণ করা হয় নদীবন্দর। দখল-দূষণ ও নাব্য সংকটে নদ সরু হওয়ায় বন্দরটি অকেজো হয়ে পড়েছে।
টঙ্গী নদীবন্দর এলাকায় অবস্থিত রব্বানী ওয়াশিং কারখানা মালিক মাহাবুব রব্বানী বলেন, প্রতিটি ওয়াশিং ও ডায়িং কারখানায় শতভাগ ইটিপি ব্যবহার করলে হয়তো নদের পরিবেশ এমন হতো না। টঙ্গী নদীবন্দরের সহকারী-পরিচালক সুব্রত রায় বলেন, তুরাগ নদের গভীরতা বাড়াতে বিভিন্ন জায়গায় ড্রেজিং চলমান। বিভিন্ন কলকারখানা মালিক তাদের কারখানার বর্জ্য নদে ফেলায় পানি দূষিত হয়েছে। নদ বাঁচাতে কারখানা কর্তৃপক্ষকে এগিয়ে আসতে হবে। পরিবেশ অধিদপ্তরকে নিতে হবে যথাযথ ব্যবস্থা।