বগুড়ার ধুনটে নিম্নমানের কাজ শেষেই ধসে পড়েছে তারাকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ওয়াশ ব্লক। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দায়িত্ব অবহেলা ও ঘুষবাণিজ্যের অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা।
জানা যায়, ধুনট উপজেলার তারাকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ওয়াশ ব্লক নির্মাণের জন্য ১৬ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয় সরকার। উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে নূর আলম নামে একজন ঠিকাদার কাজ শুরু করেন। এলাকাবাসীর অভিযোগ, ঠিকাদার নিজে না এসে দুজন মিস্ত্রি পাঠিয়ে ওয়াশ ব্লক নির্মাণ করেন। ছাদ ঢালাই ও গাঁথুনিতে রড, সিমেন্ট কম এবং বালুর পরিবর্তে মাটি ব্যবহার করা হয়েছে অভিযোগ তাদের। তারাকান্দি গ্রামের গোলাম রব্বানী জানান, গত বৃহস্পতিবার সকালে দুজন মিস্ত্রি এসে ওয়াশ ব্লকের গাঁথুনি শেষে গভীর রাতে ঢালাই, বারান্দা ও সিঁড়ি তৈরি করে চলে যান। শুক্রবার সকালে এসে দেখি ওয়াশ ব্লকের বারান্দা ও সিঁড়ি ধসে গেছে। তার দাবি, ঘুষবাণিজ্যের কারণে কোনো ইঞ্জিনিয়ার কাজ দেখতে আসেননি। ঠিকাদারের মিস্ত্রি ইচ্ছেমতো নিম্নমানের কাজ করেছেন। স্থানীয় এলাঙ্গী ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান শাহাদত হোসেন পিস্টন বলেন, এলাকাবাসী ঝুঁকিপূর্ণ ওয়াশ ব্লক ভেঙে নতুনভাবে নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। প্রধান শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, বৃহস্পতিবার স্কুল ছুটির পর সবাই চলে যাই। গভীর রাত পর্যন্ত তারা কাজ করেছেন। একদিনেই ওয়াশ ব্লকটি ধসে গেছে। ধুনট উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলী মেহেদুল ইসলাম বলেন, আমি এক সপ্তাহ হলো যোগদান করেছি। বিষয়টি জানা নেই। ধুনটের ইউএনও খ্রিস্টফার হিমেল রিছিল বলেন, নিম্নমানের কাজ হলে এবং কারও দায়িত্বে অবহেলা থাকলে আইনের আওতায় আনা হবে।