প্রবাসীদের স্বপ্নের এনআরবিসি ব্যাংক শিল্পায়নের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, গ্রামাঞ্চলের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা তৈরি ও ব্যবসাবাণিজ্য প্রসারে ঋণ বিতরণের পাশাপাশি মানুষের প্রয়োজন মেটাতে অর্থায়ন করে থাকে। নাগরিকদের বিভিন্ন ব্যক্তিগত প্রয়োজন পূরণে সহজ শর্তে ভোক্তা ঋণ বিতরণ করছে ব্যাংকটি। এর মধ্যে সবচেয়ে আকর্ষণীয় প্রকল্প হচ্ছে গৃহঋণ বা হোম লোন প্রকল্প। এ প্রকল্পের আওতায় খুব সহজে স্বপ্নের বাড়ি কিনতে বা নির্মাণ করতে পারছেন গ্রাহকরা। জনবহুল দেশে বাসস্থানের সংকট রয়েছে। নির্দিষ্ট আয়ের মানুষেরা প্রাত্যহিক প্রয়োজন মিটিয়ে একসঙ্গে অনেক পুঁজি সংগ্রহ করে বাড়ি কিনতে পারেন না। তাদের জন্য আকর্ষণীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে হোম লোন দিচ্ছে এনআরবিসি ব্যাংক। এ প্রকল্পের উদ্দেশ্য হচ্ছে মানুষের বাসস্থান নিশ্চিত করা। এজন্য সেবামূলক প্রতিষ্ঠান হিসেবে এনআরবিসি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে অর্থায়ন করছে। এনআরবিসি ব্যাংক আপামর জনসাধারণের গৃহায়ন সমস্যার সমাধানে বিগত ২০১৩ সাল থেকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। ব্যাংকের বিভিন্ন ধরনের ঋণ প্রকল্পের মধ্যে এনআরবিসি আবাসন প্রকল্প অন্যতম জনপ্রিয় ঋণ প্রকল্প। গৃহায়ণ ঋণ প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের গ্রাম ও শহরের স্বল্প আয়ের ভোক্তাদের আবাসন স্বপ্ন পূরণে এনআরবিসি ব্যাংক সহজ শর্তে ঋণ প্রদানের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে আসছে। এনআরবিসি ব্যাংকের রয়েছে দেশের প্রান্তিক পর্যায়ে ১৬০০টিরও বেশি সেবা কেন্দ্র যার মাধ্যমে দেশের প্রান্তিক পর্যায় থেকে শুরু করে শহরতলির ছোট, বড়, মাঝারি বিভিন্ন মানের গৃহঋণ প্রকল্পে আবাসন ঋণ প্রদান করেছে। এসব সেবা কেন্দ্রের মাধ্যমে ব্যাংকটি প্রায় ৫,০০০-এরও বেশি গ্রাহককে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকার বেশি আবাসন ঋণ প্রদান করে আসছে। ভবিষ্যতে গ্রাহকদের আবাসনের স্বপ্ন পূরণে এনআরবিসি ব্যাংক আরও অঙ্গীকারবদ্ধ। এনআরবিসি ব্যাংক হোম লোন প্রকল্পের আওতায় সর্বোচ্চ ২ কোটি টাকা বা মোট মূল্যের ৭০ শতাংশ ঋণ প্রদান করে থাকে। মূলত এ প্রকল্পে চারটি উদ্দেশ্যে ঋণ দেওয়া হয়। অ্যাপার্টমেন্ট ক্রয়, বাড়ি নির্মাণ, ভবন ক্রয় এবং গ্রামাঞ্চলে সেমি-পাকা বাড়ি নির্মাণে ঋণ দেওয়া হচ্ছে। এনআরবিসি ব্যাংকের অন্যতম বৈশিষ্ট হচ্ছে এটি প্রবাসী উদ্যোক্তাদের ব্যাংক। তাই প্রবাসীদের জন্য হোম লোনের সুবিধা বেশি প্রদান করা হচ্ছে। বাড়ির মোট মূল্যের ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত ঋণ নিতে পারছেন প্রবাসীরা। এ ছাড়া বিদেশে বসে প্রবাসীরা হোম লোনের কিস্তি পরিশোধ করতে পারছেন। সর্বোচ্চ ২০ বছর মেয়াদে এ ঋণ প্রদান করা হচ্ছে। হোম লোন মানুষের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। মানুষের প্রয়োজনকে প্রাধান্য দিয়ে ব্যাংকিং সেবা প্রদান করছে এনআরবিসি ব্যাংক। শুরু থেকেই আমরা খুব সহজে হোম লোনের আবেদন গ্রহণ এবং যাচাইবাছাই শেষে ঋণ বিতরণ করছি।
এতে গ্রাহকের কোন ভোগান্তি নেই। লোন প্রক্রিয়াকে আমরা প্রযুক্তির মাধ্যমে অটোমেটেড প্রসেসের সঙ্গে যুক্ত করেছি। শাখা পর্যায় থেকে শুরু করে প্রধান কার্যালয়ে হোমলোন তথা ভোক্তাঋণ লোন প্রসেসিং সিস্টেম বা এলপিএস পদ্ধতিতে অনলাইনে অনুমোদন করা হচ্ছে। বিতরণ প্রক্রিয়াও স্বচ্ছ এবং সবধরনের হিডেন চার্জমুক্ত। আমাদের ঋণের আরেকটি বড় সুবিধা এটি সরল সুদ ভিত্তিক।
এনআরবিসি ব্যাংকের চিফ বিজনেস অফিসার (সিবিও) এবং উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) হারুনুর রশীদ, হোমলোনকে মানুষের কাছে সহজলোভ্য করতে আমরা সকল প্রক্রিয়া অনলাইনভিত্তিক করেছি। এই অনলাইন সিস্টেসে ঋণ আবেদন, ঝুঁকি নির্ণয়, যাচাই-বাছাই এবং মঞ্জুরীকরণ সম্পন্ন করা হয়। আমাদের উদ্দেশ্য গ্রাহককে স্বল্প সময়ে নিশ্চিত সেবা প্রদান করা হয়।