শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

গল্প

শেষ নৌকার মাঝি

ইমদাদুল হক মিলন
প্রিন্ট ভার্সন
শেষ নৌকার মাঝি
পবন উদাস গলায় বলল, “আমার টাকা-পয়সা লাগে না। ওসব দিয়ে আমি কী করব? আপনাকে পার করে দিতে পেরেছি, তাতেই আমি খুশি।” শুনে আমি হতভম্ব

বাবার দূর সম্পর্কের সেই চাচার নাম ছিল শফিউদ্দিন। আমরা ডাকতাম ‘শফিদাদু’। পরে শফি বাদ দিয়ে শুধু ‘দাদু’। বিয়েশাদি করেননি। নানা রকমের ব্যবসার চেষ্টায় দেশের একপ্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্ত চষে বেড়াতেন। কোনো ব্যবসাতেই সুবিধা করতে পারেননি। শুরু করতেন বিশাল আগ্রহ নিয়ে। দুচার মাসের মধ্যে লালবাতি জ্বলে যেত ব্যবসায়। দাদু মন খারাপ করে অন্যত্র চলে যেতেন নতুন ব্যবসার আশায়। এ কারণে বিস্তর লোকের সঙ্গে তাঁর চেনা-পরিচয় ছিল। অভিজ্ঞতা ছিল নানা ধরনের। এক ব্যবসা ছেড়ে আরেক ব্যবসা ধরার ফাঁকে আমাদের বাড়িতে আসতেন। সদা হাসিমুখের মানুষ। খেতে বসে বাবা হয়তো জানতে চাইলেন ‘কোন ব্যবসা ছেড়ে এলে, শফিচাচা?’

দাদু হয়তো তখন ভাতের গ্রাস মাত্র মুখে তুলেছেন, কোনো রকমে বললেন, “মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ঘাটে ভাতের হোটেল করেছিলাম। রাঁধুনিটা এত বাজে ছিল, তার রান্না করা তরকারি তো মুখে দেওয়া যেতই না, ভাতটা পর্যন্ত হয় চাউলের মতোই শক্ত আর নয়তো আটার দলার মতো থকথকে। খেতে এসে লোকে পয়সা তো দেয়ই না, উলটো গালাগাল করে যায়। দুচার বার মার খাওয়ারও উপক্রম হয়েছে। কী আর করা, হোটেল বন্ধ করে দিলাম।”

মা জানতে চাইলেন, ‘এরপর কোন ব্যবসা ধরবেন?’

নলা মাছের মাথায় কামড় দিয়ে দাদু বললেন, ‘এখনো সিদ্ধান্ত নেইনি। দু-চার দিন এই বাড়িতে থেকে পরবর্তী ব্যবসার সিদ্ধান্ত নেব।’

দাদু দু-চার দিন থাকবেন শুনে আমরা ছোটরা বেজায় খুশি। কারণ দাদুর থাকা মানেই হচ্ছে গল্প আর গল্প। সেগুলোকে অবশ্য গল্প না বলাই ভালো। সবই তাঁর অভিজ্ঞতার বর্ণনা। সত্য-মিথ্যা তিনিই জানেন। বাড়ির বড়দের চেয়ে ছোটদের সঙ্গে গল্প করতেই তিনি বেশি ভালোবাসেন। আমরাও মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে শুনি তাঁর গল্পকাহিনি বা অভিজ্ঞতা যেটাই বলি না কেন। সে দিন খাওয়া-দাওয়ার পরই তাঁকে আমরা ঘিরে ধরলাম। ‘তোমার ভৌতিক অভিজ্ঞতার কথা বলো, দাদু।’

তিনি বসেছিলেন কাচারি ঘরের বারান্দায়। বারান্দার মাটিতে পাটি বিছিয়ে দেয়ালে হেলান দিয়ে বসে চা খাচ্ছেন। খাওয়া-দাওয়ার পর এক কাপ চা খেতে তিনি খুবই ভালোবাসেন। আমরা বসেছি তাঁকে ঘিরে। ভৌতিক অভিজ্ঞতার কথা শুনে নড়েচড়ে বসলেন। চায়ে চুমুক দিয়ে বললেন, ‘আ রে ভূতের গল্প তো শুনতে হয় রাতেরবেলায়। দিনদুপুরে কি ভূতের গল্প জমে?’

আমরা একসঙ্গে বললাম, ‘না না দিনেরবেলায়ই শুনব। রাতে শুনলে ভয়ে ঘুমাতে পারব না।’

দাদু তারপর শুরু করেছিলেন। তিনি কথা বলেন খুবই সুন্দর ভঙ্গিতে। একেবারে বইয়ের ভাষায়। আজও সেভাবেই শুরু করলেন।

“বহু বছর আগের কথা। আমার তখন সতেরো আঠারো বছর বয়স। ব্যবসার পোকা মাত্র মাথায় ঢুকেছে। বাড়ি থেকে টাকা-পয়সা নিয়ে চলে গেছি গাইবান্ধায়। সেখানকার পলাশপুর গ্রামে আমার বন্ধু থাকে। বাজারে তার পিঁয়াজ-রসুনের আড়ত। তার সঙ্গেই ব্যবসা করব। যেতে হয় বড় একটা নদী পার হয়ে। নদীর নাম মানস। তখনকার দিনে রাস্তাঘাট এত উন্নত ছিল না। ভাঙাচোরা বাস চলে। রাস্তাও খুব খারাপ। বর্ষাকাল। কয়েক দিন ধরে বৃষ্টি হচ্ছে তো হচ্ছেই। থামার নাম নেই। তাও আমি রওনা দিয়েছি। বাস যেখানে থামবে অর্থাৎ বাসের শেষ গন্তব্য, সেখানে পৌঁছাবার কথা দুপুরের পর পর। অর্ধেক রাস্তায় গিয়েই বাসটা গেল নষ্ট হয়ে। কখন ঠিক হবে ড্রাইভার বলতে পারে না। তারা চেষ্টা করছে। বৃষ্টি আগের মতোই চলছে। বিকেলবেলাই অন্ধকার হয়ে গেছে চারদিক। এদিকে আমার কোনো চেনাজানা লোক নেই। বাসটা নষ্ট হয়েছে খুবই নির্জন একটা এলাকায়। কাছাকাছি কোনো গ্রামও নেই। তখনকার দিনে মাইলের হিসাব। এখান থেকে মাইল পাঁচেক হেঁটে গেলে নদী। সেই নদী পেরিয়ে ওপারে নেমে আরও মাইলখানেক হেঁটে গেলে পলাশপুর বাজার। বাজারের পাশেই সেই বন্ধুর বাড়ি।’

‘কী করব বুঝতে পারছি না। আমি তখনো এ রকম রোগাপটকাই ছিলাম। তবে সাহস ছিল দুর্দান্ত। ভয় বলতে কিছু ছিলই না। হাঁটা দিলাম। নদীতীরে পৌঁছাতে পারলে পারাপারের নৌকা পাবই। ওপারে পৌঁছাতে পারলে আর চিন্তা কী? পলাশপুর বাজার পর্যন্ত যেতে পারলেই তো হয়ে গেল।’

‘আমি হাঁটি খুব দ্রুত। অন্য মানুষ ধীরে ধীরে দৌড়ালে যেমন হয়, আমার হাঁটা তেমন। বৃষ্টিতে অন্ধকারে সেভাবে হাঁটতে লাগলাম। পিঠে রেক্সিনের ব্যাগ। রাস্তা চিনি না। বাস ড্রাইভার বলে দিয়েছে এই রাস্তায়ই শেষ হয়েছে নদীতীরে গিয়ে। বৃষ্টিতে অন্ধকারে আমি ঝড়ের বেগে হাঁটতে লাগলাম। বেশ কিছু গ্রাম আর বনবাদাড়ের ভিতর দিয়ে নদীর ঘাটে এসে পৌঁছালাম। রাত তেমন হয়নি। হয়তো ন’টা সাড়ে ন’টা বেজেছে। নিঝুম নির্জন চারদিক। কোথাও কোনো মানুষজন নেই। বৃষ্টির ফাঁকে ফাঁকে বিদ্যুৎ চমকাচ্ছে। সেই আলোয় ঘাটে শুধু একটা নৌকা বাঁধা দেখছি। কিন্তু মাঝি নেই!’

“এখন কী হবে? কেমন করে নদী পার হব? ওপারে গিয়ে না পৌঁছালে কোথায় রাত কাটাব? আশপাশে কোনো গ্রাম বাড়িঘর বাজারঘাট কিছুই নেই। খেয়াঘাটে কয়েকটা দোকান আছে। সবই বন্ধ। একবিন্দু আলো নেই কোথাও। কী করি? নদীতীরে দাঁড়িয়ে বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে এমন অসহায় লাগছিল, কী বলব?”

এ সময় কে একজন আমার কাঁধে হাত দিল। ‘‘ওপারে যাবেন না কি সাহেব? চলুন পার করে দেই। আমি এই ঘাটের শেষ নৌকার মাঝি। ঘাটে যে নৌকাখানা বাঁধা দেখছেন, ওটা আমারই। আমার নাম পবন। পবনমাঝি। চলুন, চুলন।”

‘‘আমার ধড়ে প্রাণ ফিরে এলো। অন্ধকারে মাঝির চেহারা দেখা যাচ্ছে না। সে কোথায় ছিল বা কোথা থেকে এলো কিছুই বুঝতে পারলাম না। অতকিছু বোঝার সময়ও ছিল না। নৌকায় চড়লাম। ছই ছাড়া ডিঙি নৌকা। পবনমাঝি দ্রুত নৌকা বাইতে লাগল। বৃষ্টি আর অন্ধকার আগের মতোই। তবে নদী শান্ত। আমরা দুজন ভিজে একাকার হচ্ছি। আমি একবারও মাঝির দিকে তাকাইনি। ওপারের অন্ধকারের দিকে মুখ করে বসে আছি। নৌকা তরতর করে এগোচ্ছে।”

ওপারে পৌঁছাতে আধাঘণ্টার মতো লাগল। পাড়ে নেমে পবনমাঝিকে বললাম, “কত দিতে হবে ভাই তোমাকে?”

পবন উদাস গলায় বলল, “আমার টাকা-পয়সা লাগে না। ওসব দিয়ে আমি কী করব? আপনাকে পার করে দিতে পেরেছি, তাতেই আমি খুশি।”

শুনে আমি হতভম্ব। “বলো কি ভাই? তোমার কি খাওয়া পরার দরকার হয় না? ঘর-সংসার ছেলেপুলে নেই? টাকা-পয়সা না হলে খাবে কী? সংসার চলবে কেমন করে?”

পবনমাঝি বলল, “আমার ওসব দরকার হয় না সাহেব। ঘর সংসার ছেলেপুলে সবই একসময় ছিল। এখন আর তাদের খোঁজখবর রাখি না। বাড়ি যাব বলে আমিও এক রাতে এভাবে নদী পার হতে এসেছিলাম। সে রাতেও এরকম বৃষ্টি আর অন্ধকার ছিল। চারজন লোক ছিল নৌকায়। আমার সঙ্গে কিছু টাকা-পয়সা ছিল। সব তারা ছিনিয়ে নিল। তাতেও তাদের মন ভরল না। আমার গলাটাও কেটে ফেলল। লাশ ফেলে দিল মাঝনদীতে। তারপর থেকে আমি এই ঘাটেই থাকি। এরকম বৃষ্টি বাদলার রাতে আপনার মতো বিপদে পড়া লোককে পার করে দিই। এই দেখুন আমার মাথাটা নেই।”

“পবনের কথা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুৎ চমকাল। সেই আলোয় আমি পরিষ্কার দেখতে পেলাম লোকটা নৌকার এক গলুইয়ে বইঠা হাতে বসে আছে। তবে তার মাথাটা নেই। শুধু ধড়টা আছে।”

গল্প শেষ করে শফিদাদু হাসলেন। “এরকম ভৌতিক অভিজ্ঞতা আমার বিস্তর। এবার যে ক’দিন এই বাড়িতে থাকব রোজই সেসব গল্প তোদের শোনাব। তবে একটা শর্ত আছে, গল্প শুরুর আগে এককাপ চা খাওয়াতে হবে, শেষ হলেও এককাপ চা খাওয়াতে হবে। যা এখন ফার্স্ট ক্লাস এক কাপ চা নিয়ে আয়।”

 

 

এই বিভাগের আরও খবর
উৎপল
উৎপল
নারিন্দার মেয়ে
নারিন্দার মেয়ে
প্রেম; তোমাকে-আমাকে
প্রেম; তোমাকে-আমাকে
গহিন কাব্য
গহিন কাব্য
অর্থময় সিসিফাস
অর্থময় সিসিফাস
ইরাবতী
ইরাবতী
নির্জন নদী
নির্জন নদী
প্রমার মুখ
প্রমার মুখ
বিদায়
বিদায়
ছায়া পড়ে থাকে
ছায়া পড়ে থাকে
দুজনের সম্পর্ক যা
দুজনের সম্পর্ক যা
জসীমউদ্‌দীনের কবর
জসীমউদ্‌দীনের কবর
সর্বশেষ খবর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর

১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে

২ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

জলবসন্তে সতর্কতা
জলবসন্তে সতর্কতা

২ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার
যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫
ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী
স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা
বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি
কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই
১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩
যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন
ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইপিএল ছেড়ে হঠাৎ দেশে ফিরলেন রাবাদা
আইপিএল ছেড়ে হঠাৎ দেশে ফিরলেন রাবাদা

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিঠামইনে পানিতে ডুবে গৃহবধূর মৃত্যু
মিঠামইনে পানিতে ডুবে গৃহবধূর মৃত্যু

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় দেড় বছরে প্রায় ৪০ হাজার শিশু এতিম হয়েছে
গাজায় দেড় বছরে প্রায় ৪০ হাজার শিশু এতিম হয়েছে

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী
আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাতক্ষীরায় প্লাবিত এলাকায় নৌবাহিনীর জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা
সাতক্ষীরায় প্লাবিত এলাকায় নৌবাহিনীর জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নাটোরে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায়
নাটোরে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায়

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী
শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী

৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম, সম্পাদক বেলাল
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম, সম্পাদক বেলাল

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান
লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান

৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

খোকসায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত ১
খোকসায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত ১

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লিবিয়ার জিম্মি দশা থেকে দেশে ফিরলেন লোকমান
লিবিয়ার জিম্মি দশা থেকে দেশে ফিরলেন লোকমান

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত

১২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

১১ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

৯ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের
পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা
ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা
ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা
ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির
নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী
‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প
শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?
কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন
প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের
মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস
মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি

১৩ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ

১৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা
২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক
শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর
জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন

প্রথম পৃষ্ঠা

মহাবিপদে রপ্তানি খাত
মহাবিপদে রপ্তানি খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি
সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল
যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল

মাঠে ময়দানে

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা
পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে
শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক

শোবিজ

সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার

শোবিজ

ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও

প্রথম পৃষ্ঠা

যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা

শোবিজ

আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যাংকক বৈঠকে নজর
ব্যাংকক বৈঠকে নজর

প্রথম পৃষ্ঠা

পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা

প্রথম পৃষ্ঠা

নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়

প্রথম পৃষ্ঠা

আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন
আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন

পেছনের পৃষ্ঠা

হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার
বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

পেছনের পৃষ্ঠা

ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!
ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!

পেছনের পৃষ্ঠা

পেছানোর সুযোগ নেই ১০ এপ্রিল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা
পেছানোর সুযোগ নেই ১০ এপ্রিল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা

পেছনের পৃষ্ঠা

ফুল ও ফল ধরেছে নাগলিঙ্গম গাছে
ফুল ও ফল ধরেছে নাগলিঙ্গম গাছে

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা
রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

বাড়তি তাপমাত্রায় বৃষ্টির আভাস
বাড়তি তাপমাত্রায় বৃষ্টির আভাস

পেছনের পৃষ্ঠা