শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ০৭ জানুয়ারি, ২০২৫ আপডেট: ০০:১৪, মঙ্গলবার, ০৭ জানুয়ারি, ২০২৫

বিশ্বাস আর স্বপ্নের আলিঙ্গন

আবু তাহের
প্রিন্ট ভার্সন
বিশ্বাস আর স্বপ্নের আলিঙ্গন

প্রতিশোধস্পৃহাজনিত উন্মত্ততায় ভোগা ব্যক্তিদের কাজকারবার দেখলে আমোদিত হন অনেকে। কেউ কেউ হন রুষ্ট। দুই কিসিমেরই অভিজ্ঞতা আছে আমার। ওই অভিজ্ঞতা অর্জনকালে আমি হই স্মৃতিকাতর। তখন কেবলই যাঁকে মনে পড়ে তিনি সাহিত্যিক-সাংবাদিক আবু জাফর শামসুদ্দিন (জন্ম : ১২ মার্চ-১৯১১, মৃত্যু : ২৪ আগস্ট ১৯৮৮)। তাঁকে আমরা তাঁর ভাষায় ‘চ্যাংড়া সাংবাদিকরা’- জাফর ভাই বলে সম্বোধন করতাম। দুনিয়ায় অল্প যে কজনকে অতি উচ্চমানের মানুষ বলে মানি তাঁদের একজন এই আবু জাফর শামসুদ্দিন।

‘বৈহাসিকের পার্শ্বচিন্তা’ শিরোনামে দৈনিক সংবাদ-এ কলাম লিখতেন একুশে পদকজয়ী (১৯৮৩) আবু জাফর শামসুদ্দিন। ‘অল্পদর্শী’ ছদ্মনামে লিখতেন। সংবাদ-এ কাজ করতাম বলেই বিরাট মাপের এই মানুষটির সঙ্গে মাঝেমধ্যে ভাববিনিময়ের সুযোগ পাই। তাঁর লেখা ‘পদ্মা মেঘনা যমুনা’ বাংলা সাহিত্যের অনন্য গ্রন্থ। তাঁর লেখা গল্প, উপন্যাস ইংরেজি, হিন্দি, উর্দু, মারাঠি ও জাপানি ভাষায় অনূদিত হয়েছে। তাঁর স্নেহছায়া পেয়ে আমরা গর্বিত।

রাজধানীর রাজারবাগে আবু জাফর শামসুদ্দিনের মাঝারি মানের বাসভবন। পাশে আরেকটি ছোট্ট বাসা, এটা তিনি সংসার খরচের ক্ষেত্রে বরকত হবে, এই আশায় ভাড়া দিতেন। আমার অনুরোধে তিনি ফাহিম নামে সদাগরি অফিসের এক তরুণ কর্মকর্তাকে ওই বাসায় সপরিবার থাকতে দেন। তাঁকে ‘চাচা’ ডাকতেন ফাহিম। ফাহিমের জাফর চাচা প্রায় প্রতিদিনই রান্না করা খাবার পাঠাতেন চার সদস্যের ফাহিম পরিবারের জন্য। ফাহিমের ধারণা, বাড়িঅলা প্রতি মাসে ভাড়াটেদের ন্যূনপক্ষে সাড়ে তিন কী চার হাজার টাকার খাবার বিনি পয়সায় খাওয়ানোর ব্যবস্থা জারি রেখেছেন। বছরখানেক পরে প্রমোশন পেয়ে ম্যানেজার পদে উঠলেন ফাহিম। তখন ফাহিম আরও উন্নত মানের বাসায় ওঠার সিদ্ধান্ত নেন। তাই বাসাটি ছেড়ে দেন। ‘আগামী মাস থেকে থাকব না’ নোটিস দিতে গেলে জাফর ভাই বলেন, ‘দুই হাজার টাকায় তোমার বোধ হয় পোষাচ্ছে না। বহু বছর চাকরি করেছি। চাকরিজীবনের কষ্ট আমি বুঝি। সামনের মাস থেকে তুমি দেড় হাজার টাকা করেই দিও।’

পাকিস্তান জমানায় জাফর ভাই ও তাঁর কয়েকজন সাংবাদিক বন্ধু আফগানিস্তান সফর করেছিলেন। সে দেশের সরকারের মেহমান তাঁরা। তাপানুকূল মিনিবাসের আরোহী হয়ে তাঁরা নানা শহর পরিদর্শন করার পর্যায়ে কান্দাহার শহরে ঢুকছেন। একদা মাদরাসায় পড়া আবু জাফর শামসুদ্দিন পশতু ভাষায় লেখা শব্দাবলি মোটামুটি বুঝতেন। তিনি দেখলেন, রাস্তার দুধারে সুন্দর সুন্দর বাড়ি। প্রায় প্রতিটি বাড়ির সামনে বাহারি ফুল বাগান। ওই বাগানগুলোর মধ্যেই পারিবারিক গোরস্তান। কবরের উত্তর দেয়ালটা বেশ উঁচু। সেখানে যাকে গোর দেওয়া হয়েছে তার নাম লেখা। নামের নিচেই পশতু ভাষায় কী কী যেন লেখা। এই লেখার পর আরেকটা নাম। এরপর কী কী লেখা। এভাবে নাম আর কী কী লেখা আছে পাঁচবার।

‘বুজছনি! আমি মনে করলাম এক কবরে পাঁচজনকে দাফন করা হয়েছে’ বলেন জাফর ভাই, ‘গাইডকে বলি, তোমাদের বিশাল দেশ। মানুষ কম। দাফনের বেলায় জমি নিয়া কনজুসিকরণের দরকার হইল ক্যান?’ জবাবে গাইড যা বললেন তাতে জাফর ভাই হতভম্ব হয়ে গেলেন। গাইড জানালেন, কবরে একজনই শায়িত। তার নাম প্রথমে লেখা রয়েছে।

এরপরই লেখা আছে ঘাতকের নাম। মানে যার গুলিবর্ষণে বা ছুরিকাঘাতে মৃত্যুটি ঘটেছে তার নাম। ঘাতকের নামের পরে রয়েছে ঘাতকের বাবার নাম। এরপর ঘাতকের ভাইয়েরবাংলা সাহিত্যে নাম। এরপর রয়েছে ঘাতকের ছেলের নাম। এরপর ঘাতকের নাতির নাম। এতজনের নাম লেখার উদ্দেশ্য কী? জানতে চাইলেন আবু জাফর শামসুদ্দিন। গাইড বলেন, ‘হত্যার প্রতিশোধ গ্রহণের সুবিধার্থে নাম-পরিচয় দেওয়া আর কী। ঘাতকের রক্ত-সম্পর্কীয় যে কোনো একজনকে খতম করে দিতে পারলেই হাসিল হয়ে যাবে মনজিলে মকসুদ, মানে প্রতিশোধ। জাফর ভাই বলেন, ‘যাকে ঘাতক মনে করে এত পরিকল্পনা সে-ই যে প্রকৃত ঘাতক সেটা নির্ণয় করার পদ্ধতি কী?’ গাইড বলেন, ‘পদ্ধতির নাম বিশ্বাস। যার নিকটজন হত্যার শিকার হলো, সে হত্যা ঘটনার বিভিন্ন দিক বিশ্লেষণ করে এবং একটা বিশ্বাস ধারণ করে যে অমুকই খুনটা করেছে। এই বিশ্বাসের সঙ্গে একটা স্বপ্নের সংযোগ ঘটে দ্রুত। বিশ্বাস ছাড়া স্বপ্ন বাস্তবায়ন অসম্ভব।’

‘বিশ্লেষণ তো ভুলও হতে পারে। সে ক্ষেত্রে নির্দোষ ব্যক্তির জীবন যাওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়।’ যুক্তি দেখালেন আবু জাফর শামসুদ্দিন, ‘পুলিশি তদন্তের পর হত্যা মামলা রুজু করার ব্যবস্থা কি এদেশে নেই? গাইড বলেন, ‘অবশ্যই আছে। ওটা তো বাদশাহি এন্তেজাম। মামলা হবে। বিচার হবে। রায় হবে। মৃত্যুদণ্ড হলে তা কার্যকর করতে বাদশাহর অনুমোদন লাগবে। দীর্ঘ ইন্তেজারের ব্যাপার! অত ঝামেলায় কার পোষায়?’

আমরা সমস্বরে বলি, বিশ্বাস আর স্বপ্নের আলিঙ্গন তো দেখছি ভেরি ডেঞ্জারাস!

২. প্রতিশোধস্পৃহাজনিত উন্মত্ততায় ভোগা এক ব্যক্তি দূরপাল্লার বাসে আমার সহযাত্রী হয়েছিলেন ১৯৭৮ সালে। ঈদুল ফিতর উদযাপন করতে বাড়ি যাচ্ছিলাম। সালামত আলী বসেছেন আমার বাঁয়ে। বাস ছুটছে ফেনী শহরের দিকে। সংবাদপত্র পড়ছি। চল্লিশোর্ধ সালামত আলী গায়ে পড়ে আলাপ জমানোয় সচেষ্ট। বললেন, ‘স্টুডেন? নাকি সার্ভিস? (ছাত্র, নাকি চাকুরে)’

বিনোদন সূত্র পাওয়ায় সংবাদপঠনে ক্ষান্ত দিলাম। বললাম, ‘সার্ভিস’। সালামত বলেন, ‘মাশাল্লাহ। বুঝাই যায় না সার্ভিস করেন। তো কোন ডিফাটে সার্ভিস করেন। বেতন কত? বেতনের অঙ্ক শুনে বলেন, ‘ফাইন! ফাইন! ম্যারিজ (বিয়ে) কইচ্ছেননি?’ তাঁকে জানাই যে বিয়ে করা হয়নি। সালামত বিস্মিত হন, ‘কন কী! সার্ভিস করেন অথচ ম্যারিজ করেন নাই, থান ক্যামনে? (থাকেন কীভাবে)’

আপনি ম্যারিজ করেছেন? প্রশ্ন শুনে সালামত আলী হাহ্ হা হোহ্ হাসতে হাসতে বলেন, ‘টু সান, ওয়ান ডটারের ফাদাররে কইলেন ম্যারিজ কইরছনি, আপনি ভাইজান, দারুণ রহস্য করতে পারেন।’

শুধু সালামত নন, অনেক শিক্ষিতজনকেও দেখেছি, তারা ‘রসিকতা করা’ না বলে, বলেন ‘রহস্য করা’। রসিকতা আর রহস্যর মধ্যকার পার্থক্য বুঝিয়ে বলি সালামতকে। সালামত বলেন, ‘ক্লাস এইট পইজ্জন্ত পইড়ছি। সব শব্দের ইন্টারেস্টিং বুজার পাওয়ার তো কম হবেই। তো আল্লার কাছে শোকর। এইট পাস আমারে মাবুদ দিছেন আদমসির মতো মিলের ফোরম্যানের পোস্ট।’

‘আদমসি’ মানে আদমজী জুট মিল। এই ফোরম্যান যে ভায়রার বাড়িতে ফায়ার-লাগানো-ম্যান সেটা জানা গেল মিনিট দশেকের মধ্যে। বাস তখন ফেনী শহর ছেড়ে পশ্চিমমুখো ছুটছিল। সালামত আলী জানান, তাঁর এসএসসি পাস শালি বিজলী বেগমের সঙ্গে বিকম পাস ব্যাংক অফিসার আকমল হোসেনের বিয়ের পর শ্বশুরবাড়িতে তাঁর কদর কমতে কমতে একেবারে জিরো হয়ে গেছে। ভায়রাকে পাঁচ কাঠা জমি উপহার দিয়েছেন শ্বশুর। সালামতকেও পাঁচ কাঠা দেওয়া হয়েছিল, ওটা তিনি বেচে দিয়েছেন। শ্বশুর প্রদত্ত জমিতে আকমল নিজের জন্য এল টাইপের চমৎকার একটা ঘর তুলেছেন।

সালামতের বিশ্বাস, ওই ঘরে ওঠার পর থেকে আকমল-বিজলী দম্পতির অহংকার আসমান ছুঁয়ে ফেলেছে। ফলত বিশ্বাসের সঙ্গে স্বপ্নের সংযোগ ঘটালেন সালামত। স্বপ্ন বাস্তবায়নও হয়ে গেছে। বিজলীর শিশুসন্তানের আকিকা অনুষ্ঠান হলো ধুমধামে। খেয়েদেয়ে মেহমানরা বিদায় নিতে নিতে রাত গভীর। বাড়ির লোকজন ঘুমিয়ে পড়তেই দাউ দাউ আগুন জ্বলে উঠল নতুন টিনের ঘরে। সালামত বলেন, ‘আড়াই  টিঁয়ার (টাকার) কেরোসিন ত্যাল আর পঁচিশ পইসার ম্যাচবাত্তির একখান কাঠি ব্যবহার করলাম ভাইজান। ব্যস, ছাই হইয়া গেল সত্তর হাজার টিঁয়া খরচ করি বানানো রাজবাড়ি।’

সাফল্যের বর্ণনাকালে তৃপ্তিতে উজ্জ্বল হয়ে ওঠে সালামতের চেহারা। আমার আসনের সামনের আসনে বসা বিস্মিত দুই যাত্রী কুপিত হয়ে বলেন, ‘এই জানোয়াররে ধাক্কা মাইরা বাসের তুন ফেলি দেওয়া উচিত। আমার পেছনের আসনে বসা দুই যুবক হাঁক দেয়, ‘কন্ডাক্টর। বাস থামান।’ আমি সালামতকে বললাম, ‘চুপচাপ নেমে যান। নইলে এরা আপনাকে দুরমশ করবে।’ তখন আমার বয়স কম, সাহস বেশি। সমমনা চার যাত্রীর আবির্ভাবে শক্তিমান হয়ে গর্জে উঠি, ‘জলদি নামবি? নাকি লাথি খাওনের জন্য ওয়েট করছিস?’

৩. মালয়ালম ভাষার কাহিনিকার কামরু নীলকান্ত পিল্লাই তাঁর ‘উল্টাসিধা’ শীর্ষক গল্পে প্রতিশোধ গ্রহণ ব্যাকুলতায় ব্যাধিগ্রস্ত ধনপতি কনজু মেননের মর্মান্তিক পরিণতি বর্ণনা করেছেন। ‘উল্টাসিধা’ গল্পটি পড়তে পড়তে যা স্পষ্ট হয়, তা হলো : প্রতিপক্ষকে নাকাল করার বেলায় অতিচালাকের সফল কৌশল দেখে মুখ হাঁ হয়ে যায় আমাদের। তখন আমরা ভুলে যাই যে এরা নিজের দম আটকানোর জন্য নিজের গলায় দড়িও বাঁধে চমৎকার।

রাজনীতিক রাজ শিবশংকরের সঙ্গে ধনপতি কনজু মেননের বিরোধ পাকতে পাকতে এমন অবস্থায় এসেছে যে মওকামতো পেলে রাজকে কাবাব বানিয়ে খায় কনজু। সমস্যা হলো, কনজু যতই রাজকে বিড়াল বানাতে চায় রাজ ততই বাঘ হয়ে যায়। শেষতক কনজুর বিশ্বাস জন্মে যে রাজকে সপরিবার হাওয়া করে দেওয়াই মঙ্গল। স্বপ্নটা ছকে ফেলল কনজু মেনন। স্বপ্নটা হলো : গভীর রাতে পেশাদার খুনি ভইকম সদলে ঢুকবে রাজনীতিক রাজের বাড়িতে। রাজ, তার বৃদ্ধ মা, স্ত্রী, এক ছেলে, এক মেয়ে আর গৃহপরিচারিকাকে জবাই করবে। ঘাতকের হাতে বাড়ির নম্বর দিয়ে বলা হয়, সাবধান! কুটিকরণ রোডের দুই ধারের সব বাড়িরই রং গোলাপি। তুমি উনিশ নম্বর বাড়িতে অপারেশন করবে। মনে রেখ, নাম্বার নাইনটিন।

চক্রান্ত অনুযায়ী অপারেশন চালানো হয়। অপারেশন সাকসেসফুল! হত্যা অভিযানের বিবরণ শোনার পর কনজু মেননের আর্তচিৎকার ‘হায় রে তোরা কী করলি! তোরা তো আমার বোনের বাড়ির সবাইকে খুন করে ফেললি।’ ঘাতকের হাতে দেওয়া হয়েছিল ইংরেজিতে লেখা উনিশ। যে কাগজে উনিশ লেখা ছিল, ঘাতকরা উল্টো করে ধরায় তা ইংরেজি একষট্টি হয়ে যায়। কনজু মেননের বোনের বাড়ি নম্বর ছিল একষট্টি।

লেখক : সাংবাদিক

এই বিভাগের আরও খবর
তরমুজ-শসা খান
তরমুজ-শসা খান
আহা! ডিজিটাল বাংলাদেশ
আহা! ডিজিটাল বাংলাদেশ
ইউনূস-মোদি বৈঠক
ইউনূস-মোদি বৈঠক
রমজানের শিক্ষা ধরে রাখতে হবে
রমজানের শিক্ষা ধরে রাখতে হবে
ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে
ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে
দেশই সবকিছু, ব্যক্তি বা পরিবার নয়
দেশই সবকিছু, ব্যক্তি বা পরিবার নয়
সামাজিক ব্যবসা
সামাজিক ব্যবসা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
রপ্তানি খাতে ধাক্কা
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
ফিলিস্তিনের নাবলুস নগরী
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
জীবনজুড়ে রমজানের রেশ ধরে রাখুন
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
ফুলচাষিদের স্বাস্থ্যঝুঁঁকি
রেমিট্যান্সে আশার আলো
রেমিট্যান্সে আশার আলো
সর্বশেষ খবর
গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে বিচারের আওতায় আনা হোক : সালাউদ্দিন আহমেদ
গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগকে বিচারের আওতায় আনা হোক : সালাউদ্দিন আহমেদ

২৫ মিনিট আগে | রাজনীতি

মার্কিন শুল্কারোপ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই : খলিলুর রহমান
মার্কিন শুল্কারোপ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই : খলিলুর রহমান

৩৫ মিনিট আগে | জাতীয়

পাঞ্জাবকে বড় ব্যবধানে হারালো রাজস্থান
পাঞ্জাবকে বড় ব্যবধানে হারালো রাজস্থান

৪১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

চেন্নাইকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে দিল্লি
চেন্নাইকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে দিল্লি

৫০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে পোশাক শ্রমিকের মৃত্যু
চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে পোশাক শ্রমিকের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্রহ্মপুত্র নদে অষ্টমীর স্নান উৎসবে লাখো পুণ্যার্থীর ঢল
ব্রহ্মপুত্র নদে অষ্টমীর স্নান উৎসবে লাখো পুণ্যার্থীর ঢল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ

২ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গাজীপুরে ট্রাকের ধাক্কায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
গাজীপুরে ট্রাকের ধাক্কায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শাহবাগে ফুলের দোকানের আগুন নিয়ন্ত্রণে
শাহবাগে ফুলের দোকানের আগুন নিয়ন্ত্রণে

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শাহবাগে ফুলের দোকানে আগুন
শাহবাগে ফুলের দোকানে আগুন

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত ইয়াসিনের পরিবারের পাশে তারেক রহমান
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত ইয়াসিনের পরিবারের পাশে তারেক রহমান

৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কু-প্রস্তাবে অসম্মতি জানানোয় বিধবাকে পিটিয়ে আহত, বসতবাড়ি ভাঙচুর
কু-প্রস্তাবে অসম্মতি জানানোয় বিধবাকে পিটিয়ে আহত, বসতবাড়ি ভাঙচুর

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড
এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিএনপি ক্ষমতার পাগল নয়, ক্ষমতা বিএনপির প্রাপ্য : ফজলুর রহমান
বিএনপি ক্ষমতার পাগল নয়, ক্ষমতা বিএনপির প্রাপ্য : ফজলুর রহমান

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শুধু মানুষের নয়, বানরও অর্থবহ ভাষা তৈরি করতে সক্ষম : গবেষণা
শুধু মানুষের নয়, বানরও অর্থবহ ভাষা তৈরি করতে সক্ষম : গবেষণা

৫ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা
শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা

৫ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক
যথাসময়ে আমরা নির্বাচন আদায় করে নেব : ইশরাক

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ভারতে ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাসে খেলাফত মজলিসের উদ্বেগ
ভারতে ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাসে খেলাফত মজলিসের উদ্বেগ

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‌‘দেশে ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য আন্দোলন সংগ্রাম করেছি’
‌‘দেশে ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য আন্দোলন সংগ্রাম করেছি’

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শান্তি আলোচনায় সময় ফুরিয়ে আসছে, রাশিয়াকে হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের
শান্তি আলোচনায় সময় ফুরিয়ে আসছে, রাশিয়াকে হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র-কানাডার শিক্ষার্থীদের জন্য চ্যাটজিপিটি প্লাস ফ্রি, চলবে মে মাস পর্যন্ত
যুক্তরাষ্ট্র-কানাডার শিক্ষার্থীদের জন্য চ্যাটজিপিটি প্লাস ফ্রি, চলবে মে মাস পর্যন্ত

৫ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বদরগঞ্জে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৪০
বদরগঞ্জে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৪০

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মাঠজুড়ে সূর্যমুখী ফুলের সমারোহ
মাঠজুড়ে সূর্যমুখী ফুলের সমারোহ

৬ ঘণ্টা আগে | প্রকৃতি ও পরিবেশ

ভুরুঙ্গামারীতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার
ভুরুঙ্গামারীতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাকৃবিতে উন্নত জাতের টমেটোর জাত উদ্ভাবন
বাকৃবিতে উন্নত জাতের টমেটোর জাত উদ্ভাবন

৬ ঘণ্টা আগে | প্রকৃতি ও পরিবেশ

১২ এপ্রিল নিউইয়র্কে ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’
১২ এপ্রিল নিউইয়র্কে ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’

৬ ঘণ্টা আগে | পরবাস

টাঙ্গাইলে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন
টাঙ্গাইলে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাওনা টাকা চাওয়ায় হামলা, ঘটনার ৪ দিন পর যুবকের মৃত্যু
পাওনা টাকা চাওয়ায় হামলা, ঘটনার ৪ দিন পর যুবকের মৃত্যু

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সিলেটে ৯ দিনে ২৮৭ নরমাল ডেলিভারি
সিলেটে ৯ দিনে ২৮৭ নরমাল ডেলিভারি

৬ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

সর্বাধিক পঠিত
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান
আত্মরক্ষার জন্য ইরানের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে : সৌদি যুবরাজকে পেজেশকিয়ান

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি
আপনার প্রতি শেখ হাসিনার অসম্মানজনক আচরণ দেখেছি : ড. ইউনূসকে বলেন মোদি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব
ইরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প, সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ইস্যুতে জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা
সাত দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ, আতঙ্কে ইউক্রেনীয়রা

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে
কালশী ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনায় নিহত দুই যুবকের পরিচয় মিলেছে

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন
ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি পাকিস্তান সেনা কমান্ডারদের অকুণ্ঠ সমর্থন

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম
নির্বাচনের কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেললেই গণতন্ত্র হয় না : নুসরাত তাবাসসুম

১২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

১৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিমদের জিহাদের আহ্বান জানিয়ে ফতোয়া জারি

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড
এবার ইউক্রেনের বন্দর চাইছে পোল্যান্ড

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার
হোয়াইট হাউস থেকে বরখাস্ত একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, আলোচনায় লরা লুমার

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প
‘আতঙ্কে তারা ভুল করেছে’: চীনের পাল্টা শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী
পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলো স্ত্রী

১৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৫ এপ্রিল)

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি
হাতে সব প্রমাণ আছে, আইনিভাবে মোকাবিলা করবো : পরীমণি

১১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার
লৌহজংয়ে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার

১৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা
চালের দানার চেয়েও ছোট পেসমেকার তৈরি করলেন বিজ্ঞানীরা

১৭ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি
ধূলিঝড়ের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি

৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা
পিঁয়াজ নিয়ে হতাশ মানিকগঞ্জের কৃষকরা

১৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার
৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে আবার কেঁপে উঠলো মিয়ানমার

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা
কোনো স্থানেই ময়লা পোড়ানো যাবে না : পরিবেশ উপদেষ্টা

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু
আইপিএলের প্রথমবার দেখা গেল এমন কিছু

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার
প্রেমা নেই, শেষ হয়ে গেল পুরো পরিবার

১৩ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা
আরো বাড়ল মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা
ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২
কুমিল্লায় মসজিদ কমিটির সেক্রেটারিকে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ২

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জেলেনস্কির নিজ শহরে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১৮ জন নিহত
জেলেনস্কির নিজ শহরে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১৮ জন নিহত

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজায় অ্যাম্বুলেন্সে অগ্নিকাণ্ড ইসরায়েলি ‘যুদ্ধাপরাধ’ হতে পারে : জাতিসংঘ কর্মকর্তা
গাজায় অ্যাম্বুলেন্সে অগ্নিকাণ্ড ইসরায়েলি ‘যুদ্ধাপরাধ’ হতে পারে : জাতিসংঘ কর্মকর্তা

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
দূরত্ব কাটাবে ঢাকা-দিল্লি
দূরত্ব কাটাবে ঢাকা-দিল্লি

প্রথম পৃষ্ঠা

জটিলতা ৫৫ আসনে
জটিলতা ৫৫ আসনে

পেছনের পৃষ্ঠা

ফের উত্তপ্ত হবে রাজপথ
ফের উত্তপ্ত হবে রাজপথ

প্রথম পৃষ্ঠা

সেন্টমার্টিন এখন অন্যরকম
সেন্টমার্টিন এখন অন্যরকম

পেছনের পৃষ্ঠা

ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার
ট্রাম্পকাণ্ড রুখে দেওয়ার আহ্বান ওবামার

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

এখনো চ্যালেঞ্জিং রোহিঙ্গা ফেরত
এখনো চ্যালেঞ্জিং রোহিঙ্গা ফেরত

প্রথম পৃষ্ঠা

ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান
ধর্ষণের শিকার দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক
বুবলীতে মুগ্ধ দর্শক

শোবিজ

মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক
মার্কিন পণ্যে কমছে শুল্ক

প্রথম পৃষ্ঠা

সুপার লিগে খেলার লড়াই
সুপার লিগে খেলার লড়াই

মাঠে ময়দানে

ক্ষমতার মজা পেয়ে গেছেন উপদেষ্টা পরিষদের সবাই
ক্ষমতার মজা পেয়ে গেছেন উপদেষ্টা পরিষদের সবাই

প্রথম পৃষ্ঠা

মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ
মিডিয়া সংস্কারে কার স্বার্থে একচোখা সুপারিশ

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজবাড়ীতে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির শকুন উদ্ধার
রাজবাড়ীতে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির শকুন উদ্ধার

পেছনের পৃষ্ঠা

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

লাহোরে নিগারদের অনুশীলন
লাহোরে নিগারদের অনুশীলন

মাঠে ময়দানে

যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ
যৌন সহিংসতার তথ্য পেয়েছে জাতিসংঘ

প্রথম পৃষ্ঠা

জরাজীর্ণ ভবন, নষ্ট এক্স-রে মেশিন
জরাজীর্ণ ভবন, নষ্ট এক্স-রে মেশিন

দেশগ্রাম

বাণিজ্য ছাড়িয়েছিল হাজার কোটি ডলার
বাণিজ্য ছাড়িয়েছিল হাজার কোটি ডলার

পেছনের পৃষ্ঠা

লিচুর ফলন শঙ্কায় চাষি
লিচুর ফলন শঙ্কায় চাষি

দেশগ্রাম

বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০
বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৪০

প্রথম পৃষ্ঠা

সংস্কার শেষেই নির্বাচন দিতে হবে
সংস্কার শেষেই নির্বাচন দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

শরীয়তপুরে খোলা মাঠ যেন যুদ্ধক্ষেত্র
শরীয়তপুরে খোলা মাঠ যেন যুদ্ধক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা
ভারতে বিতর্কিত ওয়াক্ফ বিল পাসে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

একই দিনে দুই বিয়ে
একই দিনে দুই বিয়ে

শোবিজ

তেহরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প
তেহরানে হামলার হুমকি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প

পূর্ব-পশ্চিম

জংলি নিয়ে দর্শকদের সাড়া দেখে আমি আনন্দিত
জংলি নিয়ে দর্শকদের সাড়া দেখে আমি আনন্দিত

শোবিজ

ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে
ট্রাম্পের শুল্কনীতির কী প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে

সম্পাদকীয়

বিশ্বজুড়ে মানবিক সহায়তার সিংহভাগ যুক্তরাষ্ট্র আর বহন করবে না
বিশ্বজুড়ে মানবিক সহায়তার সিংহভাগ যুক্তরাষ্ট্র আর বহন করবে না

পূর্ব-পশ্চিম

অভিযোগের জবাবে পরী
অভিযোগের জবাবে পরী

শোবিজ