ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্তে সোনা চোরাচালান নিয়ে বিরোধের জের ধরে ইব্রাহীম (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যার চেষ্টা চালায় প্রতিপক্ষরা। গুলিবৃদ্ধ হয়ে অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেলেও যশোর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে ইব্রাহীম। তিনি মহেশপুর উপজেলার বাঘাডাঙ্গা গ্রামের আব্দুল মান্নানের ছেলে।
রবিবার রাত ৯টার দিকে বাঘাডাঙ্গা গ্রামের রাস্তার উপর এ গুলির ঘটনাটি ঘটেছে।
স্থানীয়রা জানান, সোনা চোরাচালান নিয়ে বিরোধের জের ধরে জোরা হত্যার ঘটনা ঘটে। সেই হত্যা মামলার আসামী ছিলেন ইব্রাহীম। সে রবিবার রাত ৯টার দিকে বাড়ির পাশের রাস্তায় দাড়িয়ে ছিলেন। এ সময় প্রতিপক্ষের রফিকুল ইসলাম রাফি ও চঞ্চল মিয়া ভাই-ভাতিজা হত্যার প্রতিশোধ নিতে তাকে উদ্দেশ্য করে গুলি চালায়। এতে ইব্রাহীম গুলিবৃদ্ধ হয়ে আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাতে গুলিবৃন্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।
স্থানীয় ইসাহক আলী জানান, সোনা চোরাচালানের অর্থ ভাগাভাগি নিয়ে দ্বদ্বে ডাবল মাডারের ঘটনা ঘটে। সেই দ্বন্দের জের ধরে তার উপর হামলা করা হয়েছে।
শাহজাহান আলী জানান, ২০২৪ সালের ১৭ জানুয়ারি বাঘাডাঙ্গা গ্রামে মন্টু ও তার ভাতিজা শামিমকে প্রকাশ্যে গুলি চালিয়ে হত্যা করা হয়। ওই হত্যা মামলায় তরিকুল ইসলাম আকালে ও ইব্রাহিমসহ কয়েকজনের নামে হত্যা মামলা দায়ের করেন নিহতদের পরিবার। হত্যার প্রতিশোধ নিতেই তারা হত্যা চেষ্টা চালিয়েছে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য ওবাইদুল ইসলাম ঘটনা নিশ্চিত করে জানান, ভাই-ভাজিতা হত্যার প্রতিশোধ নিতেই হয়তোবা হত্যা মামলার আসামীকে হত্যার চেষ্টা করেছে তারা।
মহেশপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানান, পূর্ব বিরোধ ও জোড়া হত্যাকাণ্ডের জেরে গুলির ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন। আসামি ধরার চেষ্টা চলছে।
বিডি প্রতিদিন/এএম