টপ অ্যান্ড টি-২০ সিরিজে চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছিল বাংলাদেশ ‘এ’। ১১ দলের টুর্নামেন্টে ৯ নম্বর হয়। টুর্নামেন্টে ব্যর্থ হওয়ার পর বাংলাদেশ ‘এ’ একটি চার দিনের ম্যাচ খেলেছে শেফিল্ড শিল্ড চ্যাম্পিয়ন দক্ষিণ অস্ট্র্রেলিয়ার বিপক্ষে। বাংলাদেশের পক্ষে খেলেছেন টেস্ট খেলার অভিজ্ঞতাপুষ্ট ছয় ক্রিকেটার। চার দিনের ম্যাচটি খেলে টাইগার ক্রিকেটাররা পরিষ্কারভাবে ধারণা নিয়েছেন অস্ট্র্রেলিয়ার ক্রিকেট শক্তি সম্পর্কে। ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়েও ‘এ’ দল ম্যাচটি হেরেছে ইনিংস ও ১২ রানে। ম্যাচ হয়েছে ডারউইনের মারারা স্টেডিয়ামে। এ মাঠে ২০০৫ সালে একটি টেস্ট খেলেছিল বাংলাদেশ। টেস্টটি হেরেছিল ইনিংস ব্যবধানে। ডারউইনে ২০২৭ সালে আবারও বাংলাদেশ টেস্ট খেলবে অস্ট্র্রেলিয়ার বিপক্ষে। বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচ দিয়ে ২২ বছর পর টেস্ট ভেন্যু হিসেবে ফিরবে ডারউইন। অস্ট্রেলিয়ার শেফিল্ড চ্যাম্পিয়ন দল দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে চার দিনের ম্যাচে বাংলাদেশ ‘এ’ লড়াই করেছে আড়াই দিন। দেড় দিন আগেই হেরে গেছে ম্যাচ। হার দিয়ে অস্ট্রেলিয়া সফর শেষ করেছে বাংলাদেশ ‘এ’ দল। ‘এ’ দলে খেলেছেন ছয় টেস্ট ক্রিকেটার মাহমুদুল হাসান জয়, ইয়াসির আলি রাব্বি, নাঈম হাসান, শাহাদাত হোসেন দিপু, মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন ও হাসান মাহমুদ। নাঈম হাসান অফ স্পিনার ও হাসান মাহমুদ পেসার। বাকি চারজন শাহাদাত হোসেন দিপু, মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন, মাহমুদুল হাসান জয় ও ইয়াসির আলি রাব্বি স্পেশালিস্ট ব্যাটার। এমন একটি দল নিয়ে প্রথম ইনিংসে ১১৪ রানে গুঁড়িয়ে যায় ‘এ’ দল। জবাবে দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়া ৩৮০ রান করে। ২৬৬ রানে পিছিয়ে থেকে খেলতে নেমে দ্বিতীয় ইনিংসে অলআউট হয় ২৫৪ রানে। ‘এ’ দলের ইনিংসটি স্থায়িত্ব ছিল ৮৩.৩ ওভারে। ‘এ’ দলের পক্ষে শাহাদাত হোসেন ৪৯, ইয়াসির আলি রাব্বি ৩৬, মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন ৩২, নাঈম হাসান ২৫, মুরাদ খান ৪২ রান করেন।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
বাংলাদেশ ‘এ’ : প্রথম ইনিংস ১১৪ ও দ্বিতীয় ইনিংস ২৫৪/১০, ৮৩.৩ ওভার (শাহাদাত ৪৯, ইয়াসির ৩৬, মাহিদুল ৩২, নাঈম ২৫, মুরাদ ৪২, রিপন ০, এনামুল ০, হাসান ৯*। বাকিংহ্যাম ১৭-১-৫২-৩, অ্যাস্টন অ্যাগার ২০-৪-৫৬-২, জ্যাকবস ১৪-৩-৩৫-২, থর্নটন ১৩-৩-২৫-২, ওয়াদিয়া ১৯-৩-৭৭-১)।
দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়া : প্রথম ইনিংস ৩৮০
ফল : দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়া ইনিংস ও ১২ রানে জয়ী।