রাজবাড়ী ডা. আবুল হোসেন ডিগ্রি কলেজে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী মোহাম্মদ হৃদয়। অনেকেই যখন কৃষিকাজ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন তখন পড়ালেখার পাশাপাশি কৃষিকাজ করে এলাকায় নজির সৃষ্টি করেছেন। ২০১৭ সালে মাধ্যমিক, ২০১৯ সালে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন হৃদয়। ২০২০ সালে ভর্তি হন রাজবাড়ী আবুল হোসেন ডিগ্রি কলেজে। এরপর মাথায় আসে পড়ালেখার পাশাপাশি কৃষিকাজ করার। ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে শুরু করেন কৃষিকাজ। জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে ১ একর জমিতে শসা চাষ দিয়ে শুরু করেন তাঁর কৃষি। এরপর পিঁয়াজ, রসুন, ধনিয়ার চাষ শুরু করেন হৃদয়। বর্তমানে ২ একর ২০ শতাংশ জমিজুড়ে রয়েছে হৃদয়ের কৃষি।
মোহাম্মদ হৃদয় বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, আমি রাজবাড়ী আবুল হোসেন ডিগ্রি কলেজে ভর্তি হওয়ার পর চিন্তা করি বেকার থাকা যাবে না। পড়ালেখার পাশাপাশি বাবার কাছ থেকে কিছু টাকা নিয়ে শসা চাষের পরিকল্পনা করি। এরপর বছরচুক্তি অন্যের জমি লিজ নিয়ে শুরু করি শসার আবাদ। এরপর পিঁয়াজ, রসুন ও ধনিয়ার চাষ শুরু করেছি। বর্তমানে আমার ২ একর ২০ শতাংশ জমিতে কৃষিকাজ রয়েছে। তবে উৎপাদন খরচের সঙ্গে বাজারে শসার দাম না পাওয়ায় ক্ষতির শঙ্কার মধ্যে পড়েছি।
হৃদয়ের বাবা মোহাম্মদ মজনু মোল্লা বলেন, হৃদয় ২০০০ সালে জন্মগ্রহণ করে। জন্মের পর বেশ চঞ্চল ছিল সে। পড়াশোনার পাশাপাশি ২০২৫ সালে শুরু করে কৃষিকাজ। বছরের প্রথম দিকেই মেলে সাফল্য। কৃষিকাজ করেও হাল ছাড়েনি পড়াশোনার।