শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ১৯ মার্চ, ২০২৫

জহির রায়হান কালার ল্যাব কেন অবহেলায়

আলাউদ্দীন মাজিদ
প্রিন্ট ভার্সন
জহির রায়হান কালার ল্যাব কেন অবহেলায়

‘জাতীয় সম্পদ এভাবেই ধ্বংস হয়’-এ ক্ষোভের কথা অভিনেত্রী সুচন্দার। তাঁর প্রয়াত স্বামী বিখ্যাত চলচ্চিত্রকার জহির রায়হানের নামে এফডিসিতে স্থাপন করা হয়েছিল ‘জহির রায়হান কালার ল্যাব’। প্রায় এক যুগ ধরে অব্যবহৃত থাকা এ ল্যাবটি দেখভালের অভাবে এখন ধ্বংস হতে বসেছে। এখানে রয়েছে কয়েক কোটি টাকার মেশিন ও যন্ত্রপাতি। অথচ ল্যাবটিকে আর্কাইভ করে একে সংরক্ষণ করা যেত। এফডিসিতে এমডি আসে এমডি যায়। কিন্তু এ কালার ল্যাবের প্রতি কারও নজর পড়ে না। অভিনেত্রী সুচন্দার কথায়- অনেক মেশিন এবং যন্ত্রপাতি নেই এবং অনেকগুলো আবার যতেœর অভাবে নষ্ট হয়ে গেছে। বাকি যা আছে তা-ও জহির রায়হান কালার ল্যাব কেন অবহেলায়নষ্টের পথে। এভাবে চলতে থাকলে একসময় এগুলোকে ভাঙারির কাছে বিক্রি করে দেওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় থাকবে না। অথচ এক সময় এফডিসিকে চলচ্চিত্র নির্মাণে স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে এবং দেশেই রঙিন ছবি নির্মাণে এখানে স্থাপন করা হয়েছিল জহির রায়হান কালার ল্যাবটি। এ ল্যাবে কালার নেগেটিভ পরিস্ফুটন করে সপ্তাহে আয় হতো প্রায় ২ কোটি টাকা। মানে মাসে এখান থেকে আয় ছিল কমপক্ষে ৮ থেকে ১০ কোটি টাকা। ঈদে এ আয় বেড়ে দাঁড়াত প্রায় ১০০ কোটি টাকা। এ টাকা দিয়ে এফডিসির ব্যয় নির্বাহ করে আরও টাকা জমা থাকেত। এফডিসিতে ৩৫ মিলিমিটার কালার ফিল্ম ডেভেলপের জন্য ১৯৮৩ সালের ১৪ মার্চ জহির রায়হান কালার ল্যাবের উদ্বোধন করেন তৎকালীন প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক লে. জেনারেল এইচ এম এরশাদ। ওই সময় এফডিসির এমডি ছিলেন কর্নেল শাহাবউদ্দীন। এরপর থেকে দেশেই রঙিন চলচ্চিত্র নির্মাণে নেগেটিভ পরিস্ফুটন শুরু হয়। তখন এ দেশে ৩৫ মিলিমিটারের চলচ্চিত্র নির্মাণ এবং এর জন্য নেগেটিভ ব্যবহার করা হতো। এ পদ্ধতির চলচ্চিত্র নির্মাণকে এনালগ প্রযুক্তির চলচ্চিত্র বলা হতো। কিন্তু ২০১২ সাল থেকে বাংলাদেশে ডিজিটাল পদ্ধতিতে চলচ্চিত্র নির্মাণ শুরু হয় এবং ডিজিটাল যুগের সূচনা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এফডিসির অ্যানালগ যুগের প্রযুক্তি অকার্যকর হয়ে পড়ে। এফডিসির একটি সূত্র জানায়, ২০১১ সাল পর্যন্ত জহির রায়হান কালার ল্যাব থেকেই প্রতিষ্ঠানটির ৮০ ভাগ আয় হতো। সর্বশেষ একটি ছবির প্রিন্ট বাবদ আয় ছিল ৯০ হাজার টাকা। এ আয় দিয়েই সচ্ছলভাবে এফডিসি চলত। ২০১২ সাল থেকে ডিজিটাল পদ্ধতিতে ছবি নির্মাণ শুরু হলে ধীরে ধীরে ল্যাবে কাজ কমে আসতে থাকে। সর্বশেষ এ ল্যাবে কাজ হয় ২০১৪ সালে। তখন এখানে বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ ও ডিএফপির জন্য দু-একটি প্রিন্টের অর্ডার পাওয়া গেলেও তা ছিল একেবারেই অপ্রতুল। এরপর এ ল্যাব একেবারেই বন্ধ হয়ে যায়। এখন ডিজিটাল প্রযুক্তির চলচ্চিত্র নির্মাণে আর নেগেটিভ ব্যবহার হয় না বলে প্রিন্টের প্রয়োজন পড়ে না। অথচ নেগেটিভ ফিল্মের যুগে ল্যাবে কাজের জন্য নির্মাতারা সহজে সিরিয়াল পেতেন না। দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা কাজ করে সময়মতো প্রিন্ট ডেলিভারি দেওয়ার চেষ্টা চলত। এখন প্রায় জনশূন্য ও পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে এফডিসির প্রশাসনিক ভবনের নিচতলায় অবস্থিত জহির রায়হান কালার ল্যাবটি। প্রতিষ্ঠানটির মূল আয়ের উৎসই ছিল নেগেটিভ ফিল্ম বিক্রি, ল্যাবরেটরিতে শুটিংকৃত ফিল্মের ডেভেলপ, ক্যামেরাসহ বিভিন্ন ইন্সট্রুমেন্ট এবং শুটিং ফ্লোর ও স্পট ভাড়া দেওয়াসহ ডাবিং-এডিটিং ইত্যাদি। এসব আয়ের উৎস এখন প্রায় হারিয়ে গেছে। ফলে আয়ও কমে গেছে। চরম আর্থিক সংকটে পড়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এফডিসি প্রধান আয় সংকটে পড়েছে জহির রায়হান কালার ল্যাব বন্ধ হয়ে যাওয়ায়। জানা গেছে, হলিউড বলিউডে এখনো ৩৫ মিলিমিটারে নেগেটিভের মাধ্যমে অনেক ছবির দৃশ্য ধারণ হয়ে থাকে আর এর জন্য কালার ল্যাবও ব্যবহার হয়ে থাকে। যা এদেশেও হতে পারত। কিন্তু নির্মাতারা নাকি ব্যয় কমানের জন্যই এটি করেন না।

চলচ্চিত্রকাররা বলছেন, ‘এ কথা মেনে নেওয়া ছাড়া আর কোনো পথ নেই যে সময়ের দাবিতে প্রযুক্তির উৎকর্ষতায় অ্যানলগ প্রযুক্তি বিলুপ্ত হয়েছে ও বর্তমান সময়টা আধুনিক প্রযুক্তির পথে হাঁটছে এবং বিশ্বের সঙ্গে তাল মেলাতে এভাবেই এগোতে হবে। তাই বলে এফডিসির এ মূল্যবান ল্যাবটির দামি জিনিসপত্রকে কেন অবহেলা করে নষ্ট করতে হবে। এগুলো জাতীয় সম্পদ, জনগণের করের টাকায় কেনা। ল্যাবের মেশিন ও যন্ত্রপাতি নষ্ট না করে তা আর্কাইভ করে রাখা যেতে পারে। যাতে পরবর্তী প্রজন্ম অ্যনালগ চলচ্চিত্র নির্মাণ সম্পর্কে ধারণা লাভ ও এ বিষয়ের শিক্ষার্থীরা এখান থেকে তাদের লেখাপড়ার তথ্য-উপাত্ত খুঁজে পেতে পারে। জহির রায়হান কালার ল্যাব পরিদর্শন করে ও এ সংস্থার কর্তাব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ল্যাবটি দেখাশোনা করার জন্য নির্দিষ্ট কোনো লোকবল দীর্ঘদিন ধরেই নেই। মাঝেমধ্যে ঝাড়ুদাররা গিয়ে ঝাড়ু দিয়ে আসে। সরেজমিনে দেখা গেছে, এখানে এখন ভগ্নদশায় রয়েছে ফিল্ম প্রসেসিং মেশিন ১টি, সাউন্ড নেগেটিভ মেশিন ১টি, পজিটিভ ফিল্ম ডেভেলপ মেশিন ১টি, ফিল্ম ক্লিনিং মেশিন ১টি, প্রিন্টিং মেশিন ১টি এবং ৩৫ মিলিমিটারের কালার এনালাইজার মেশিন ১টি। এসব মেশিনের একেকটির  ওজন ৫ থেকে ১০ টন বলে জানিয়েছেন সংস্থার কর্তাব্যক্তিরা। পরিদর্শনকালে দেখা গেছে, অনেক মেশিন ভাঙা অবস্থায় এবং কিছু যন্ত্রপাতি খোয়া গেছে। এফডিসির কর্তাব্যক্তিদের কাছে ল্যাবটিকে আর্কাইভ করে তা সংরক্ষণ করা হবে কিনা জানতে চাইলে বলা হয়-‘হ্যাঁ আমরা এখন সেই

চিন্তাভাবনাই করব।’

 

এই বিভাগের আরও খবর
প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা
উতলা রাশমিকা
উতলা রাশমিকা
কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা
কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা
আমার দেশ, মাটি, চারপাশের জীবন অভিনয় এটাই আমি
আমার দেশ, মাটি, চারপাশের জীবন অভিনয় এটাই আমি
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
দামি কাপড়ের প্রতি আগ্রহ নেই রুনা লায়লার
দামি কাপড়ের প্রতি আগ্রহ নেই রুনা লায়লার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সোনাক্ষী জাহিরের ঈদ
সোনাক্ষী জাহিরের ঈদ
শাহরুখের ঈদ বার্তা
শাহরুখের ঈদ বার্তা
সিকান্দারে ম্লান সালমান
সিকান্দারে ম্লান সালমান
শাকিবের প্রশংসায় বুবলী
শাকিবের প্রশংসায় বুবলী
ফারিয়ার ভয়
ফারিয়ার ভয়
সর্বশেষ খবর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর

১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে

২ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

জলবসন্তে সতর্কতা
জলবসন্তে সতর্কতা

২ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার
যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫
ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী
স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা
বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি
কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই
১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩
যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন
ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইপিএল ছেড়ে হঠাৎ দেশে ফিরলেন রাবাদা
আইপিএল ছেড়ে হঠাৎ দেশে ফিরলেন রাবাদা

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিঠামইনে পানিতে ডুবে গৃহবধূর মৃত্যু
মিঠামইনে পানিতে ডুবে গৃহবধূর মৃত্যু

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় দেড় বছরে প্রায় ৪০ হাজার শিশু এতিম হয়েছে
গাজায় দেড় বছরে প্রায় ৪০ হাজার শিশু এতিম হয়েছে

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী
আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাতক্ষীরায় প্লাবিত এলাকায় নৌবাহিনীর জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা
সাতক্ষীরায় প্লাবিত এলাকায় নৌবাহিনীর জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নাটোরে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায়
নাটোরে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায়

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী
শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী

৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম, সম্পাদক বেলাল
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম, সম্পাদক বেলাল

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান
লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান

৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

খোকসায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত ১
খোকসায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত ১

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লিবিয়ার জিম্মি দশা থেকে দেশে ফিরলেন লোকমান
লিবিয়ার জিম্মি দশা থেকে দেশে ফিরলেন লোকমান

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত

১২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

১১ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

৯ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের
পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা
ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা
ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা
ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির
নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী
‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প
শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?
কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন
প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের
মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস
মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি

১৩ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ

১৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা
২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক
শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর
জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন

প্রথম পৃষ্ঠা

মহাবিপদে রপ্তানি খাত
মহাবিপদে রপ্তানি খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি
সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল
যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল

মাঠে ময়দানে

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা
পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে
শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক

শোবিজ

সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার

শোবিজ

ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও

প্রথম পৃষ্ঠা

যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা

শোবিজ

আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যাংকক বৈঠকে নজর
ব্যাংকক বৈঠকে নজর

প্রথম পৃষ্ঠা

পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা

প্রথম পৃষ্ঠা

নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়

প্রথম পৃষ্ঠা

আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন
আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন

পেছনের পৃষ্ঠা

হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার
বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

পেছনের পৃষ্ঠা

ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!
ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!

পেছনের পৃষ্ঠা

পেছানোর সুযোগ নেই ১০ এপ্রিল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা
পেছানোর সুযোগ নেই ১০ এপ্রিল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা

পেছনের পৃষ্ঠা

ফুল ও ফল ধরেছে নাগলিঙ্গম গাছে
ফুল ও ফল ধরেছে নাগলিঙ্গম গাছে

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা
রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

বাড়তি তাপমাত্রায় বৃষ্টির আভাস
বাড়তি তাপমাত্রায় বৃষ্টির আভাস

পেছনের পৃষ্ঠা