শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ১০ জানুয়ারি, ২০২৫

২০২৫ হোক সফল নির্বাচনের সুবর্ণ বছর

মেজর নাসির উদ্দিন আহাম্মেদ (অব.) পিএইচডি
প্রিন্ট ভার্সন
২০২৫ হোক সফল নির্বাচনের সুবর্ণ বছর

২৯ নভেম্বর ২০২৪ বাংলাদেশ প্রতিদিনে আমি কোথা থেকে কখন যে কী হয়ে গেল শিরোনামে একটি নিবন্ধ লিখেছিলাম। তখন হঠাৎ করে ট্রাকে ট্রাকে মানুষ শাহবাগের দিকে ধেয়ে আসছিল বিনা সুদে ঋণ পাওয়ার মিথ্যা ঘোষণা শুনে।

রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, মাঠ প্রশাসন, আর বিপ্লব ঘটানো ছাত্র-জনতার কাতারে থাকা লড়াকু মানুষগুলো সজাগ থাকলে মাইক্রো ভাড়া করা, লোকজন জড়ো করে গাড়িতে ওঠা, যে বাস-ট্রাক রাজধানীতে দিনের বেলা ঢোকার কথা নয়, সেসব বাস বা ট্রাক সবার চোখের সামনে দিয়ে ঢুকে শাহবাগ পর্যন্ত পৌঁছে যাওয়া অবশ্যই ঠেকানো যেত। এমন সব সম্ভাব্য প্রতিবন্ধকতা দায়িত্ব যাদের, তারা তাদের দায়িত্ব পালন না করলেও ঠিকই কিন্তু যার যার অবস্থানে এখনো বহাল তবিয়তে আছেন। তাদের অবস্থা বর্ণনা করে প্রয়াত কবি শামসুর রাহমান তাঁর নিজ বাসভূমে কাব্যগ্রন্থে দুঃস্বপ্নে একদিন কবিতায় লিখেছিলেন- সরকারি বাসে চড়ছি, দরকারি কাগজ পড়ছি, কাজ করছি, খাচ্ছি দাচ্ছি, ঘুমাচ্ছি, কাজ করছি, খাচ্ছি দাচ্ছি, চকচকে ব্লেডে দাড়ি কামাচ্ছি, দুবেলা পার্কে যাচ্ছি, মাইক্রোফোনে কথা শুনছি, ঝাঁকের কই ঝাঁকে মিশে যাচ্ছি। এভাবেই ১৯৭১, ১৯৭৫, ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১, ২০২৪-এ স্বার্থপর ও ধান্দাবাজেরা আগের জমানায় সমাজ আর বঞ্চিত হওয়ার চিত্র এঁকে এঁকে ঝাঁকে মিশে যেতে সময় নেয়নি।

আমি যখন এ লেখাটি লিখছি তখন সংবাদমাধ্যমের শিরোনাম- খুব অস্বাস্থ্যকর বাতাস নিয়ে বিশ্বে দ্বিতীয় দূষিত শহর ঢাকা। অথচ সেই ১৯৭০ সালে কবি শামসুর রাহমানের নিজ বাসভূমে কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয়েছিল, যার একটি অংশে এ দুঃস্বপ্নে একদিন কবিতাটির স্থান পেয়েছিল। মজার বিষয় হলো, শহুরে এ কবি এ কবিতায় তখনই লিখেছিলেন- নানা পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হচ্ছে, মাটি কাটছে ট্রাক্টর, ফ্যাক্টরি ছাড়ছে ধোঁয়া, কাজ হচ্ছে- কাজ হচ্ছে, কাজ করছি, খাচ্ছি দাচ্ছি ঘুমাচ্ছি, কাজ করছি...। আসলে সবাই কাজ করছে, কাজ হচ্ছে, সেই সঙ্গে কাজের নামে অকাম-কুকাম এসব থেমে নেই বলে বিশ্বের অন্যতম দূষিত শহরে আমরা প্রায় ২ কোটিরও বেশি মানুষ বসবাস করছি, বুক ভরে বিষ নিচ্ছি, খাচ্ছি দাচ্ছি, ঘুমাচ্ছি আর ঘুমাচ্ছি।

এসব দেখে শহুরে কবিরা যখন কবিতা লেখেন আর গ্রামের তাজা বাতাস খাওয়া সহজসরল বাউলরা নেচে নেচে গান গেয়ে বেড়ান- তোরা বাতাস কর, বাতাস কর, বাতাস কর সখী, মাথায় পানি ঢাল তোরা, যা করার তা কইরা গেছে, আমার বন্ধু মনচোরা। পরিস্থিতি কি তাহলে সত্যি এ রকম? আমরা সাধারণ জনগণ কি কেবল বাতাস করে যাব আর পানি ঢালব কর্তাব্যক্তিদের মাথায়? আর ধান্দাবাজরা যা করার তা করে যাবে? সেই ২৯ নভেম্বর আমি আসন্ন এক মাসে তথা বছরের শেষ ও নতুন বছরের শুরুতে কোন বিষয়ে সতর্ক থাকা প্রয়োজন তা ইঙ্গিত করতে গিয়ে পাঠ্যবই সময়মতো শিক্ষার্থীদের হাতে না পৌঁছানোর শঙ্কাও প্রকাশ করেছিলাম। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। এত দিন যারা পাঠ্যবই ছাপানোর নামে নয়ছয় করেছেন, তারা এখন পাঠ্যবই প্রকাশে বিলম্ব দেখে হাসছেন। অন্যদিকে বইয়ের শেষে জাতীয় সংগীত ও জাতীয় পতাকা কিংবা রংপুরের বীর শহীদ আবু সাঈদের ভুল মৃত্যু তারিখ দেখে অট্টহাসিতে লুটোপুটি খাচ্ছে আগের আমলে বইয়ে গুগলের অনুবাদ নিজের লেখা বানিয়ে চালিয়ে দেওয়া এবং সম্মানী গ্রহণ করা সুশীল সমাজ। আসলে চোরেরা ধর্মের কাহিনি শোনে না, যা করার তা করে যায় আর আমলারা কী পেলাম আর কী পেলাম না কিংবা পেয়েও হারালাম কী কী- এসব হিসাব করতে করতে একদিন পেনশনে চলে যান। আবার সুযোগ পেলে পেনশন ফিরে বৈষম্যের ধুয়া তুলে আবারও খাচ্ছি যাচ্ছি কিন্তু বঞ্চিত হচ্ছি আওয়াজ তোলেন। আর এতেই দেশ ও জনগণের যাচ্ছি যাচ্ছি অবস্থা।

গত সপ্তাহজুড়ে আলোচিত ছিল নির্বাচন প্রসঙ্গ। নির্বাচন শব্দটি দীর্ঘদিন এ দেশে নির্বাসিত ছিল, না নির্বাচন নামে সার্থক কোনো কিছুর অস্তিত্ব স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে কোনো দিন এ দেশে ছিলই না বা ছিল, এ নিয়ে বিতর্ক আছে। সেই ১৯৭৩ সালে জাতীয় নির্বাচনে হেলিকপ্টারে করে ব্যালট বাক্স তুলে এনে ঢাকায় গণনা ও ফল ঘোষণার কাহিনি আজও মনে পড়ে দাউদকান্দিবাসীর। ১৯৭৫ সালে বাকশাল কায়েমের মাধ্যমে তথা বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ (বাকশাল) নামক একটি মাত্র দল এবং একজন নেতা ছাড়া বাকি সবকিছু নিষিদ্ধের আয়োজন করা হয়েছিল। বাকশাল কায়েম হলে আসলে প্রকৃত অর্থে নির্বাচন করার কোনো প্রয়োজনই হয়তো এ দেশে হতো না। এর বিপরীতে দেশ পেল জিয়াউর রহমানের সামরিক শাসন ও হ্যাঁ-না ভোট নামক নতুন রেফারেন্ডামে (গণভোট) তখন কোনো কোনো কেন্দ্রে শতভাগেরও বেশি ভোট প্রদানের ইতিহাস সৃষ্টি হয়েছিল।

২০২৫ হোক সফল নির্বাচনের সুবর্ণ বছরজিয়ার পর এরশাদ এলেন, দেখলেন, নির্বাচন নিয়ে খেললেন। মুখে খেলা হবে না বললেও কাজকর্মে ঠিকই বুঝিয়ে দিলেন নির্বাচন তার কাছে হিন্দি সিনেমায় অমিতাভের বিখ্যাত সংলাপ- ইয়ে তো মেরা বাচপান কা খেল হ্যায় জেলার সাব-এর মতো নির্বাচনও তার কাছে ছোটবেলার খেলার চেয়ে বেশি কিছু নয়। যাকেতাকে ধরে জনপ্রতিনিধি বানিয়ে দেওয়া নির্বাচন আয়োজন তার প্রতিদিনের গলফ খেলার মতো বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। আন্দোলন-সংগ্রাম ও বিপ্লবের মধ্য দিয়ে এরশাদ বিদায় নিলেন।

প্রথম একটি প্রকৃত নির্বাচনের স্বাদ পেল বাংলাদেশ। ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে ১৬৮ আসন পেয়ে সরকার গঠন করে বিএনপি। কিন্তু বিরোধী আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি তা মানতে পারল না। পাঁচ বছর পর ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে ১৪৬ আসন পেয়ে সরকার গড়ল আওয়ামী লীগ, মানল না বিএনপি। ২০০১-এর নির্বাচনে বিএনপি ১৯৩ আসন পেয়ে সরকার গঠন করলেও আওয়ামী লীগ দাবি করল ভারতের কাছে গ্যাস বিক্রি না করায় তাদের হারিয়ে দিয়েছে আমেরিকা। বিএনপির ২০০৬ সাল মেয়াদ শেষের আগে নির্বাচন নিয়ে নানা জটিলতা সৃষ্টি হলো। ফলে দেশে আবির্ভূত হলো সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার। দুই বছর কোনো প্রকার জাতীয় নির্বাচনবিহীন ছিল বাংলাদেশ।

এরপর সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকার আয়োজিত ২০০৮-এর ভোটে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে ২০১৪ সালে ভোটবিহীন ১৫৩ জন সংসদ সদস্য নিযুক্তির নির্বাচন, ২০১৮ সালে রাতের নির্বাচন ও ২০২৪-এ ভোটারবিহীন নির্বাচন উপহার দিল। আরও উপহার দিল বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিদেশি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও দূতাবাসগুলোর নাক গলানোর নতুন অধ্যায়। এভাবেই প্রকৃতপক্ষে নির্বাসিত ছিল নির্বাচন শব্দটি।

জুলাই বিপ্লবে সামনে ছিল ছাত্রসমাজ। যারা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিতই হতে পারত না। তাই ২০২৫ সালে সবার আগে তাদের নির্বাচনের ব্যবস্থা করে দেওয়া জাতির নৈতিক দায়িত্ব। এ ক্ষেত্রে সব বাধা উপড়ে ফেলে প্রকৃতপক্ষে দেশের ছাত্রসমাজ কী চায়, তা প্রমাণ ও প্রকাশের সুযোগ দিতে হবে। এটা দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক অবস্থানে কোন দল, মত বা সংগঠন কোন অবস্থানে আছে, তারও একটা পূর্বাভাস দেবে, যা পরবর্তী সময়ে জাতীয় নির্বাচনে করণীয় পন্থা উদ্ভাবনে সহায়তা করবে সব অংশীজনকে। নির্দিষ্টসংখ্যক ভোট না পেলে কাউকে নির্বাচিত না করার মতো কিংবা কাউকে না ভোট দেওয়ার মতো যত পরীক্ষা-নিরীক্ষা আছে, সব করা যেতে পারে ছাত্র সংসদের এ নির্বাচনগুলোতে। ফলে তা একটি সুন্দর নিরীক্ষাও হয়ে যেতে পারে।

দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় পর্যায়ে কোনো জনপ্রতিনিধি না থাকায় এক অসহায় অবস্থার মধ্যে রয়েছে প্রান্তিক জনগণ। সামান্য একটি জন্মনিবন্ধন বা উত্তরাধিকার সনদপ্রাপ্তি এখন প্রান্তিক জনগণের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে শুধু নির্বাচিত প্রতিনিধিরা পালিয়ে যাওয়ার কারণে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনও তাই অবিলম্বে আয়োজন করা উচিত এবং এ নির্বাচনেও না ভোট বা নির্দিষ্টসংখ্যক ভোট না পেলে কাউকে নির্বাচিত ঘোষণা না করার সুযোগ রেখে নিরীক্ষা করা যেতে পারে।

এসব নির্বাচনের ধারাবাহিকতায় পরবর্তী সময়ে অবশ্যই জাতীয় সংসদ নির্বাচন হতে হবে এবং তত দিনে সব দল ও সংগঠন তাদের যার যার অবস্থান বুঝতে পারবে এবং সেই মোতাবেক সংশোধিত হয়ে কিংবা নতুন কর্মকৌশল নির্ধারণ করে একটি সার্থক নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যেতে পারবে। ২০২৫ হোক সফল নির্বাচনের সুবর্ণ বছর।

লেখক : গবেষক, বিশ্লেষক ও কলামিস্ট

ইমেইল: [email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
স্বস্তিদায়ক ঈদ
স্বস্তিদায়ক ঈদ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
ঢাকা-বেইজিং সম্পর্ক
ঢাকা-বেইজিং সম্পর্ক
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পবিত্র ঈদুল ফিতর
ঈদুল ফিতরে করণীয়
ঈদুল ফিতরে করণীয়
সত্যিকার ঈদ আসুক জীবনে
সত্যিকার ঈদ আসুক জীবনে
রোহিঙ্গাদের আগামী ঈদ প্রসঙ্গ
রোহিঙ্গাদের আগামী ঈদ প্রসঙ্গ
বিএনপি-জামায়াত কি ভুল পথে হাঁটছে
বিএনপি-জামায়াত কি ভুল পথে হাঁটছে
সর্বশেষ খবর
বনশ্রীতে নারী সাংবাদিককে হেনস্তা, গ্রেফতার ৩
বনশ্রীতে নারী সাংবাদিককে হেনস্তা, গ্রেফতার ৩

৭ মিনিট আগে | নগর জীবন

ভাঙ্গায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত অন্তত ১০
ভাঙ্গায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত অন্তত ১০

৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাষ্টের চেক বিতরণ
কুষ্টিয়ায় সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাষ্টের চেক বিতরণ

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নোয়াখালীতে জমজ ২ বোনকে ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১
নোয়াখালীতে জমজ ২ বোনকে ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নিষ্প্রভ মেসি, হারল মায়ামি
নিষ্প্রভ মেসি, হারল মায়ামি

২৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত, পাইলট নিহত
ভারতে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত, পাইলট নিহত

৩৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চট্টগ্রাম মহানগর শ্রমিকলীগের সাবেক সভাপতি গ্রেফতার
চট্টগ্রাম মহানগর শ্রমিকলীগের সাবেক সভাপতি গ্রেফতার

৪৭ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি কার্যকর ও ফলাফলমুখী ‘বিমসটেক’-এর ওপর গুরুত্বারোপ পররাষ্ট্র উপদেষ্টার
মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি কার্যকর ও ফলাফলমুখী ‘বিমসটেক’-এর ওপর গুরুত্বারোপ পররাষ্ট্র উপদেষ্টার

৪৯ মিনিট আগে | জাতীয়

শিবচরে চালককে কুপিয়ে হত্যা করে ভ্যান ছিনতাই
শিবচরে চালককে কুপিয়ে হত্যা করে ভ্যান ছিনতাই

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তাপপ্রবাহে পুড়ছে ১০ জেলা
তাপপ্রবাহে পুড়ছে ১০ জেলা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সুস্থ হয়ে দেশে ফিরছে মুসা
সুস্থ হয়ে দেশে ফিরছে মুসা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তিসি চাষে পাঁচগুণ আয়!
তিসি চাষে পাঁচগুণ আয়!

১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

টি-টোয়েন্টি বোলারদের নতুন রাজা কিউই পেসার
টি-টোয়েন্টি বোলারদের নতুন রাজা কিউই পেসার

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা
ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজায় জাতিসংঘের ক্লিনিকে বোমা হামলা
গাজায় জাতিসংঘের ক্লিনিকে বোমা হামলা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আতলেতিকোকে বিদায় করে ফাইনালে বার্সা
আতলেতিকোকে বিদায় করে ফাইনালে বার্সা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মার্চে ইন্টারনেটে ২৯৮ অপতথ্য ছড়িয়েছে: রিউমর স্ক্যানার
মার্চে ইন্টারনেটে ২৯৮ অপতথ্য ছড়িয়েছে: রিউমর স্ক্যানার

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজার ‘বিস্তীর্ণ এলাকা’ দখলে নিতে চায় ইসরায়েল
গাজার ‘বিস্তীর্ণ এলাকা’ দখলে নিতে চায় ইসরায়েল

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যশোর-বেনাপোল মহাসড়কে দুর্ঘটনায় নিহত ২
যশোর-বেনাপোল মহাসড়কে দুর্ঘটনায় নিহত ২

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বাড়তে পারে ঢাকার তাপমাত্রা
বাড়তে পারে ঢাকার তাপমাত্রা

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বগুড়ায় স্বাধীনতা কনসার্ট 'সবার আগে বাংলাদেশ'র ভেন্যু পরিদর্শন
বগুড়ায় স্বাধীনতা কনসার্ট 'সবার আগে বাংলাদেশ'র ভেন্যু পরিদর্শন

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের
পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা
ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বায়ুদূষণে আজ ১৫তম ঢাকা
বায়ুদূষণে আজ ১৫তম ঢাকা

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সর্বাধিক পঠিত
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ দিল ইতালি, যা রয়েছে নতুন আইনে
নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ দিল ইতালি, যা রয়েছে নতুন আইনে

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের
উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গুলশান-বনানীর সড়ক ব্যবহারে ট্রাফিকের নতুন নির্দেশনা
গুলশান-বনানীর সড়ক ব্যবহারে ট্রাফিকের নতুন নির্দেশনা

২২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলবিরোধী পোস্ট করলেই বাতিল হতে পারে মার্কিন ভিসার আবেদন
ইসরায়েলবিরোধী পোস্ট করলেই বাতিল হতে পারে মার্কিন ভিসার আবেদন

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা
হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা

১০ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

সেভেন সিস্টার্স প্রসঙ্গে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ
সেভেন সিস্টার্স প্রসঙ্গে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

লোহিত সাগরে মার্কিন রণতরী লক্ষ্য করে হুথিদের একের পর এক হামলা
লোহিত সাগরে মার্কিন রণতরী লক্ষ্য করে হুথিদের একের পর এক হামলা

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আন্তর্জাতিক আইন ভেঙে ফেসবুকে ইসরায়েলি বসতির প্রচার
আন্তর্জাতিক আইন ভেঙে ফেসবুকে ইসরায়েলি বসতির প্রচার

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজায় বিশাল এলাকা দখল করে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত করার ঘোষণা
গাজায় বিশাল এলাকা দখল করে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত করার ঘোষণা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিয়ানমারের ভূমিকম্প: নামাজরত অবস্থায় ৫ শতাধিক মুসল্লির মৃত্যু
মিয়ানমারের ভূমিকম্প: নামাজরত অবস্থায় ৫ শতাধিক মুসল্লির মৃত্যু

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে নির্বাচন : প্রেস সচিব
২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে নির্বাচন : প্রেস সচিব

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!
১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সীমানা পেরিয়ে হামলা চালাল পাকিস্তানি সেনারা, ভারত বলছে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন
সীমানা পেরিয়ে হামলা চালাল পাকিস্তানি সেনারা, ভারত বলছে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস
শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের
পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ধোঁয়াশার কিছু নেই, ডিসেম্বর-জুনের মধ্যেই নির্বাচন হবে : তথ্য উপদেষ্টা
ধোঁয়াশার কিছু নেই, ডিসেম্বর-জুনের মধ্যেই নির্বাচন হবে : তথ্য উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাঙ্গেরিতে গেলেই নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারের আহ্বান এইচআরডব্লিউ’র
হাঙ্গেরিতে গেলেই নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারের আহ্বান এইচআরডব্লিউ’র

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কাশ্মীর সীমান্তে উত্তেজনা, ৫ পাকিস্তানি সেনা হত্যার দাবি ভারতের
কাশ্মীর সীমান্তে উত্তেজনা, ৫ পাকিস্তানি সেনা হত্যার দাবি ভারতের

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক নিয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রসচিব
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক নিয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রসচিব

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা
ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন
প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প
শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কালুরঘাটে রেল ও সড়ক সেতু নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ১৪ মে
কালুরঘাটে রেল ও সড়ক সেতু নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ১৪ মে

১৭ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ট্রেনের ছাদে টিকটক করতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই যুবকের
ট্রেনের ছাদে টিকটক করতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই যুবকের

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলতি সপ্তাহে রোহিঙ্গাদের জন্য ১৭ হাজার টন খাদ্য পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
চলতি সপ্তাহে রোহিঙ্গাদের জন্য ১৭ হাজার টন খাদ্য পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাসিনার বিরুদ্ধে গণহত্যা মামলার খসড়া তদন্ত রিপোর্ট পেয়েছে প্রসিকিউশন
হাসিনার বিরুদ্ধে গণহত্যা মামলার খসড়া তদন্ত রিপোর্ট পেয়েছে প্রসিকিউশন

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিশ্বব্যাপী অপতথ্য ছড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসররা: রিজভী
বিশ্বব্যাপী অপতথ্য ছড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসররা: রিজভী

২৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে

সম্পাদকীয়

চোখের পলকে চুরি-ছিনতাই
চোখের পলকে চুরি-ছিনতাই

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

সর্বত্র ভোটের আলোচনা
সর্বত্র ভোটের আলোচনা

প্রথম পৃষ্ঠা

সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে : খালেদা জিয়া
সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে : খালেদা জিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

উপচে পড়া ভিড় বিনোদন কেন্দ্র ও চিড়িয়াখানায়
উপচে পড়া ভিড় বিনোদন কেন্দ্র ও চিড়িয়াখানায়

পেছনের পৃষ্ঠা

ঈদযাত্রায় প্রাণহানি অর্ধশত
ঈদযাত্রায় প্রাণহানি অর্ধশত

প্রথম পৃষ্ঠা

ওয়ানডে সিরিজও জিতল নিউজিল্যান্ড
ওয়ানডে সিরিজও জিতল নিউজিল্যান্ড

মাঠে ময়দানে

কেউ ঢাকায় ফিরছেন আবার কেউ ছাড়ছেন
কেউ ঢাকায় ফিরছেন আবার কেউ ছাড়ছেন

পেছনের পৃষ্ঠা

শাকিবের প্রশংসায় বুবলী
শাকিবের প্রশংসায় বুবলী

শোবিজ

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই

সম্পাদকীয়

ইউনূস-মোদি বৈঠক কাল
ইউনূস-মোদি বৈঠক কাল

প্রথম পৃষ্ঠা

৩২ শহীদ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন জামায়াত আমিরের
৩২ শহীদ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন জামায়াত আমিরের

প্রথম পৃষ্ঠা

রংপুরে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা
রংপুরে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা

নগর জীবন

ভারতের ঘটনার প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশে দেখা যায়
ভারতের ঘটনার প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশে দেখা যায়

প্রথম পৃষ্ঠা

গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো উঠছে টেবিলে
গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো উঠছে টেবিলে

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেই স্থানীয় পর্যায়ে
বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেই স্থানীয় পর্যায়ে

প্রথম পৃষ্ঠা

চাঁদা না দেওয়ায় দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা
চাঁদা না দেওয়ায় দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

মোংলায় হচ্ছে বাণিজ্য হাব
মোংলায় হচ্ছে বাণিজ্য হাব

দেশগ্রাম

বেড়াতে নিয়ে রাতভর শিশু ধর্ষণ
বেড়াতে নিয়ে রাতভর শিশু ধর্ষণ

দেশগ্রাম

মোদির চিঠি শাহবাজের টেলিফোন
মোদির চিঠি শাহবাজের টেলিফোন

প্রথম পৃষ্ঠা

আবারও ডেঙ্গু বিস্তারের শঙ্কা
আবারও ডেঙ্গু বিস্তারের শঙ্কা

রকমারি নগর পরিক্রমা

দেশে নদনদীর সংখ্যা এখন ১২৯৪
দেশে নদনদীর সংখ্যা এখন ১২৯৪

পেছনের পৃষ্ঠা

ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ
ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ

সম্পাদকীয়

দুর্ঘটনাপ্রবণ ১৫৯ কিলোমিটার
দুর্ঘটনাপ্রবণ ১৫৯ কিলোমিটার

দেশগ্রাম

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদের ছুটিতে হত্যা ভাঙচুর লুটপাট
ঈদের ছুটিতে হত্যা ভাঙচুর লুটপাট

পেছনের পৃষ্ঠা

নেতানিয়াহু প্রবেশ করা মাত্র গ্রেপ্তার করুন
নেতানিয়াহু প্রবেশ করা মাত্র গ্রেপ্তার করুন

পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সংস্কার প্রয়োজন
নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সংস্কার প্রয়োজন

প্রথম পৃষ্ঠা