শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শনিবার, ০৪ জানুয়ারি, ২০২৫

অমৌসুমেও বাগানে লাভজনক ড্রাগন ফল

শাইখ সিরাজ
প্রিন্ট ভার্সন
অমৌসুমেও বাগানে লাভজনক ড্রাগন ফল

শরীয়তপুরের জয়নগর গ্রামটির পাশ দিয়ে বয়ে গেছে আড়িয়াল খাঁর শাখানদী। ফলে এ গ্রামের কৃষক প্রকৃতির বিশেষ আশীর্বাদপুষ্ট। নদী তার চারপাশের জমিকে যেমন উর্বর রেখেছে, সম্ভাবনা জাগিয়েছে নানান ফসলের চাষাবাদেও। বিনা চাষে রসুন-পেঁয়াজসহ নানান মসলা ফসলের সঙ্গে আছে শীতের শাকসবজিও। আছে উচ্চমূল্যের ফল-ফসল। জহিরুল ইসলাম নামের এক উদ্যোক্তা এই গ্রামেই গড়েছেন ড্রাগন ফলের বাগান। মেঠোপথ ধরে হাঁটতে হাঁটতে এ বিষয় নিয়েই কথা হচ্ছিল জহিরুল ইসলামের সঙ্গে। তিনি জানালেন, নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে কৃষিকে নিজের সাফল্যের মাধ্যম হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছেন।

গত শতাব্দীর নব্বই দশকে মধ্যপ্রাচ্যে পাড়ি জমান ভাগ্যের অন্বেষণে। বছর দুয়েক থেকেই বুঝলেন দেশের মাটির মায়া ছেড়ে দূরদেশে থাকা তাঁর পক্ষে সম্ভব না। ফিরে এলেন দেশে। যুক্ত হয়েছেন নানান রকম ব্যবসাবাণিজ্য আর পেশার সঙ্গে। শেষে কৃষির দিকেই ঝুঁকলেন। দুই বছর ধরে উদ্যোগ নিয়েছেন ড্রাগন ফল চাষের।

পাঠক প্রসঙ্গত বলে রাখি, ২০০৫ সালে ভিয়েতনামের কৃষি নিয়ে কাজ করতে গিয়ে প্রথম ড্রাগন ফলের চিত্র তুলে ধরেছিলাম। তখন দেশের মানুষের কাছে ড্রাগন ফল তেমন পরিচিত ছিল না। এরও ১২-১৩ বছর পর বিদেশি ফল ড্রাগন দেশের মানুষের কাছে পরিচিত হতে থাকে। কয়েক বছর আগেও গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর কাছে অচেনা ফল ছিল ড্রাগন। এখন এ ফলটি চিনতে কারও বাকি নেই। বলা যেতে পারে, আমাদের দেশের ফলের তালিকায় এটি স্থান করে নিয়েছে। গত এক দশকে উদ্যোক্তাদের তৎপরতার পাশাপাশি নানা পর্যায়ের গবেষণা, সম্প্রসারণ ও সম্প্রচারের ফলে মানুষের কাছে ফলটি দিনে দিনে গ্রহণযোগ্য ও জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। আমার বিভিন্ন প্রতিবেদনে বিভিন্ন সময়ে দেশের নানা জায়গায় ড্রাগন ফল উৎপাদনের সফলতার গল্প তুলে ধরেছি। অথচ খুব বেশি দিনের কথা নয়, ২০১০ সালে সাভারের আশুলিয়ার মচিরকাটা গ্রামে রুম্পা চক্রবর্তী শুরু করেছিলেন ড্রাগন ফলের চাষ। সেটিই ছিল দেশের মাটিতে প্রথমবারের মতো ড্রাগন ফলের বাণিজ্যিক বাগানের কোনো সাফল্যের খবর। এরপর বাড়ির আনাচকানাচ থেকে শুরু করে বড় বড় খামারে সবখানে শুরু হয়েছে ড্রাগন ফলের উৎপাদন। কৃষক থেকে শুরু করে চাকরিজীবী, গৃহিণী কিংবা শিক্ষার্থী ড্রাগন চাষের বাণিজ্যিক ব্যাপারটিতে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন অনেকেই।

এখন বাড়ির আনাচকানাচ থেকে শুরু করে বড় বড় খামারে সবখানে শুরু হয়েছে ড্রাগন ফলের উৎপাদন। বেড়েছে এর জনপ্রিয়তাও। ফলে ড্রাগন হয়ে উঠেছে লাভজনক এক ফল। জহিরুল ইসলামও বলছিলেন দুই বছরে যত বিনিয়োগ করেছেন তার অর্ধেক ইতোমধ্যে উঠে গেছে। সাধারণত শীতে দিনের দৈর্ঘ্য ছোট হওয়ায় ড্রাগন ফল ফলে না। তাই অমৌসুমে ফল পেতে জহিরুল ড্রাগন বাগানে যুক্ত করেছেন এলইডি লাইট।

বছর সাতেক আগের কথা। চীনের গোয়াংডং প্রদেশের জংশান শহর থেকে প্রায় আড়াই ঘণ্টার পথ পাড়ি দিয়ে শিনশিং কাউন্টির একটি গ্রামে ঢুকেছি। সঙ্গে ছিলেন জংশানের কৃষিপ্রযুক্তি নিয়ে কাজ করে এমন একটি প্রতিষ্ঠানের এক উদ্যোক্তা লিউ হে এবং আমার সহকর্মী আদিত্য শাহীন ও তানভীর আশিক। চীনে শীতকাল, শীতের দিনের মতোই মিষ্টি রোদ, তবে শীত শীত অনুভূতি নেই। লিউ হেকে জিজ্ঞাসা করলাম, তোমাদের এ কেমন শীতকাল? শীতের কোনো ছিটেফোঁটাও তো নেই! বিনয়ী লিউ হেসে জানাল, জলবায়ু পরিবর্তনের হাওয়া লেগেছে। শীতকালে খুব একটা শীত আর পায় না তারা। বড়জোর তিন-চার দিন শীত পড়ে। উজ্জ্বল রোদের দিন। গ্রামটিতে যখন প্রবেশ করলাম সূর্য তখন পশ্চিম দিকে হেলেছে। ঝকঝকে নীল আকাশ। আর রোদের সোনালি আভায় মনে হলো, আমরা সত্যিকারের একটা চীনা গ্রামেই যেন প্রবেশ করলাম। এ কথা বলছি কারণ, চীনের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এত বেশি ঘটেছে যে গ্রাম আর শহরকে এখন আর পৃথক করা যায় না। তবে সেখানটায় এখনো গ্রামের কিছুটা আবহ পাওয়া যাচ্ছিল। রাস্তার দুই পাশে ফসলের খেত। সোনালি রং নিয়ে ধান পেকে আছে। আছে সবজি বাগান। পালংশাকের চাষ করছেন কেউ। কেউ বা শর্ষে শাক কিংবা গাজর। খেতে যেসব কৃষককে চোখে পড়ছে তারা একেবারেই বৃদ্ধ। পুরুষ আর নারী বলে ভেদাভেদ নেই। একই কাজ নারী-পুরুষ মিলেমিশেই করছে। বয়স কারও ষাট থেকে সত্তরের কম নয়। কারণ চীনের তরুণরা এখন আর ট্র্যাডিশনাল পদ্ধতিতে কৃষিকাজ করে না। তারা শৈল্পিক বা বাণিজ্যিক কৃষির দিকে ঝুঁকে পড়েছে। তাদের একেকটি কৃষিক্ষেত্র মানে কৃষি কারখানা। শুধু গুটিকয় বয়স্ক কৃষক তাদের কৃষির ঐতিহ্য ধরে রেখেছেন। কয়েকজন কৃষকের সঙ্গে কথা বলারও চেষ্টা করেছি। দেখেছি ঐতিহ্যগত কৃষি তাদের জীবনীশক্তি। সেই চিরচেনা চীনা কৃষকের রূপ তারা এখনো ধরে রেখেছেন। মাথায় মাথাল আর কাঁধে কাঠের ভারে সেচের পানি নিয়ে খেতের আল ধরে হেঁটে আসছেন একজন। বিকালের পড়ন্ত রোদে অদ্ভুত এক দৃশ্যের অবতারণা দেখেই মনে পড়ল সেই শৈশবে দেখে আসা সিনেমায় টেলিভিশনের চীনা কৃষক, এ দৃশ্য এখন খোদ চীন দেশেও পাওয়া কঠিন। ফল-ফসল ফলানোর তীব্র নেশায় কৃষক তাদের বয়স ভুলে গিয়ে মাঠে কাজ করছেন। এখনো ঠুমরি দিয়ে নালা থেকে সেচ দিচ্ছেন। পাহাড়ের পাশে চীনা ঐতিহ্যে কৃষিখামার দেখে অভিভূত হলাম। পথ চলতে চলতেই চোখে পড়ল বিশাল ড্রাগন ফলের বাগান। শীতকালে সাধারণত ড্রাগন ফলের মৌসুম নয়। তাই ক্যাকটাসজাতীয় এই গাছটির বাগান সবুজে ছেয়ে আছে। দিগন্তবিস্তৃত ড্রাগন ফলের বাগান। দূরে চোখে পড়ল ড্রাগনবাগানে সাদা সাদা কী যেন ঝুলছে! এক-দুইটা নয়, অসংখ্য। তানভীর আর আদিত্যের কাছে জানতে চাইলাম। দূরের ওই সাদা জিনিসগুলো কি বুঝতে পারছ কিছু? তাদের চোখেও বিস্ময় ও কৌতূহল। জানতে চাইলাম লিউয়ের কাছে। লিউ বল তো সাদা সাদা ওগুলো কী ঝুলছে? লিউ বিস্মিত চোখ নিয়ে তার চাইনিজ প্রনানসিয়েশনে ইংরেজিতে বলল, আই অ্যাম নট শিওর। আমি বললাম, খুব সম্ভবত ওগুলো লাইট। দিনের দৈর্ঘ্য বাড়িয়ে অমৌসুমে ফল ফলানোর কোনো কৌশল। কারণ নব্বই দশকের মাঝামাঝি সময়ে কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের গবেষক ড. মামুনুর রশীদ কন্দাল ফসল আলুর বীজ উৎপাদন নিয়ে কাজ করছিলেন। আমি সে সময় তাঁর গবেষণা নিয়ে প্রতিবেদন তৈরির জন্য গিয়েছিলাম। তখন দেখেছি লাইটের আলো ব্যবহার করে দিনের দৈর্ঘ্য বাড়ানোর কাজ করছিলেন তিনি। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই ধারণা করলাম, ওগুলো লাইট হতে পারে।

আমরা গাড়ি নিয়ে বাগানটিতে প্রবেশ করলাম। কাছাকাছি গিয়ে দেখলাম সত্যি সেগুলো এলইডি লাইট। এক তরুণ উদ্যোক্তা, নাম লি ৪০ একর জমি লিজ নিয়ে বিশাল এ ড্রাগন ফলের বাগান গড়ে তুলেছেন। এলইডি বাতি লাগিয়ে তিনি সত্যি সত্যি দিনের দৈর্ঘ্য বাড়িয়ে দিয়েছেন। এর ফলে লাভও পাচ্ছেন। অমৌসুমেও পাচ্ছেন ফল। সূর্য অস্ত যাওয়ার পর ঠিক ৬টায় অটোমেটিক জ্বলে উঠল বাতিগুলো। দারুণ প্রযুক্তিটি সত্যি পাল্টে দিয়েছে ড্রাগন ফল উৎপাদনে হিসাবনিকাশ। প্রতিটি সারিতে মৌসুম শেষে নতুন করে পসরা সাজিয়ে এসেছে ড্রাগন ফল। শুধু বাতির সাহায্যে দিনের দৈর্ঘ্য একটু বাড়িয়ে দিয়েই চার মাসের জন্য ভরপুর ফলন পাওয়ার এক উত্তম ব্যবস্থা। এটি এলইডি বাল্বের এক জাদু।

সেই প্রতিবেদন টেলিভিশনে প্রচারের পর দেশে অনেকেই এলইডি বাতি ব্যবহার করে অমৌসুমেও ড্রাগন ফল উৎপাদন শুরু করেছেন। সেগুলোও আমি টেলিভিশনে তুলে ধরেছি। নওগাঁর হাফানিয়ার আবুল কালাম আজাদ নামের প্রকৌশলী তাঁর মোট ৪৫ বিঘা জমিতে ড্রাগনবাগানের ২০ বিঘায় ব্যবহার করছেন এলইডি লাইট। হৃদয়ে মাটি ও মানুষে চীনের পর্বটি দেখে তিনিও শুরু করেন লাইট ব্যবহার। এখন অমৌসুমে ফসল উৎপাদন করে বেশি লাভ পাচ্ছেন। জহিরুল ইসলাম এ বছর অমৌসুমে ফল পেতে বাগানটিতে যুক্ত করেছেন ৭০০ এলইডি লাইট। দেখলাম শীতেও জহিরুলের বাগানে ঠিকই ভরে আছে ড্রাগন ফুলে। অমৌসুমেও মিলবে ফল।

এলইডি লাইটের আলোয় বাগানব্যবস্থাপনা দেখাব বলে আমরা সন্ধ্যা নামার অপেক্ষা করলাম। দিনের আলো নিভে এলেও বাগানটিতে জ্বলে উঠল নতুন এক সম্ভাবনার আলো। দুই বছরে বিনিয়োগের বেশির ভাগই উঠে এসেছে। জহিরুল আশা করছেন আগামী বছর বিনিয়োগ তুলে লাভের মুখ দেখবেন।

শুধু বাংলাদেশেই নয়, বিশ্বজুড়ে তৈরি হয়ে আছে ড্রাগন ফলের বিশাল বাজার। সেই বাজারে প্রবেশ করতে কৃষির শুদ্ধচর্চা নিশ্চিত করা জরুরি। জরুরি উদ্যোক্তাদের পথটা মসৃণ ও সুন্দর করে তোলা জরুরি। প্রয়োজন সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা এবং ক্ষেত্রবিশেষে তদারকিও।

লেখক : মিডিয়াব্যক্তিত্ব

[email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
স্বস্তিদায়ক ঈদ
স্বস্তিদায়ক ঈদ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
ঢাকা-বেইজিং সম্পর্ক
ঢাকা-বেইজিং সম্পর্ক
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পবিত্র ঈদুল ফিতর
ঈদুল ফিতরে করণীয়
ঈদুল ফিতরে করণীয়
সত্যিকার ঈদ আসুক জীবনে
সত্যিকার ঈদ আসুক জীবনে
রোহিঙ্গাদের আগামী ঈদ প্রসঙ্গ
রোহিঙ্গাদের আগামী ঈদ প্রসঙ্গ
বিএনপি-জামায়াত কি ভুল পথে হাঁটছে
বিএনপি-জামায়াত কি ভুল পথে হাঁটছে
সর্বশেষ খবর
খোকসায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত ১
খোকসায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত ১

১ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

লিবিয়ার জিম্মি দশা থেকে দেশে ফিরলেন লোকমান
লিবিয়ার জিম্মি দশা থেকে দেশে ফিরলেন লোকমান

১০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রাজশাহীতে ময়েন উদ্দিন প্রিমিয়ার লীগের পুরস্কার বিতরণ
রাজশাহীতে ময়েন উদ্দিন প্রিমিয়ার লীগের পুরস্কার বিতরণ

১০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সাতক্ষীরায় বাঁধ ভাঙনে দুর্যোগ, ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে নৌবাহিনী
সাতক্ষীরায় বাঁধ ভাঙনে দুর্যোগ, ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে নৌবাহিনী

১১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের
মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের

২৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মির্জাপুরে বাছুরসহ দুই গাভী চুরি
মির্জাপুরে বাছুরসহ দুই গাভী চুরি

২৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিতে চট্টগ্রামে মাঠে বিআরটিএ
নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিতে চট্টগ্রামে মাঠে বিআরটিএ

২৫ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

কলেজছাত্র ইমন হত্যা মামলায় রিমান্ডে সাবেক এমপি ছানোয়ার
কলেজছাত্র ইমন হত্যা মামলায় রিমান্ডে সাবেক এমপি ছানোয়ার

২৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত

৩৬ মিনিট আগে | জাতীয়

গাজায় ফিলিস্তিনিদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েলি বাহিনী
গাজায় ফিলিস্তিনিদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েলি বাহিনী

৪৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পারিবারিক শত্রুতার বলি কলাগাছ
পারিবারিক শত্রুতার বলি কলাগাছ

৫০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন থাইল্যান্ডের দুই মন্ত্রী
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন থাইল্যান্ডের দুই মন্ত্রী

৫২ মিনিট আগে | জাতীয়

নোয়াখালীতে গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের মাঝে জিয়া ফাউন্ডেশনের ঈদ উপহার
নোয়াখালীতে গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের মাঝে জিয়া ফাউন্ডেশনের ঈদ উপহার

৫৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রাঙ্গুনিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় একজন নিহত
রাঙ্গুনিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় একজন নিহত

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

দুর্নীতির অভিযোগ : পশ্চিমবঙ্গের প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষকের নিয়োগ বাতিল
দুর্নীতির অভিযোগ : পশ্চিমবঙ্গের প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষকের নিয়োগ বাতিল

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

১ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

লামায় পর্যটকবাহী মিনিবাস দুর্ঘটনায় ২৫ জন আহত
লামায় পর্যটকবাহী মিনিবাস দুর্ঘটনায় ২৫ জন আহত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এই সরকার ব্যর্থ হলে শহীদের রক্ত বৃথা যাবে: সালাউদ্দিন টুকু
এই সরকার ব্যর্থ হলে শহীদের রক্ত বৃথা যাবে: সালাউদ্দিন টুকু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রশাসনের হস্তক্ষেপে মানিকগঞ্জে বাল্যবিয়ে বন্ধ
প্রশাসনের হস্তক্ষেপে মানিকগঞ্জে বাল্যবিয়ে বন্ধ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?
কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর
জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তুচ্ছ ঘটনায় মা-ভাইকে কুপিয়ে জখম
তুচ্ছ ঘটনায় মা-ভাইকে কুপিয়ে জখম

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

নারায়ণগঞ্জে কোকো স্মৃতি সংসদের ঈদ পুনর্মিলনী
নারায়ণগঞ্জে কোকো স্মৃতি সংসদের ঈদ পুনর্মিলনী

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

উল্লাপাড়ায় ট্যাংকলরী-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৪
উল্লাপাড়ায় ট্যাংকলরী-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৪

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নারীদের বিশ্বকাপ বাছাইয়ে দুই বাংলাদেশি আম্পায়ার
নারীদের বিশ্বকাপ বাছাইয়ে দুই বাংলাদেশি আম্পায়ার

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা
২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভৈরবে শিশুকে বলাৎকারের 
অভিযোগ, গ্রেফতার ১
ভৈরবে শিশুকে বলাৎকারের  অভিযোগ, গ্রেফতার ১

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নারায়ণগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন
নারায়ণগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির
নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ দিল ইতালি, যা রয়েছে নতুন আইনে
নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ দিল ইতালি, যা রয়েছে নতুন আইনে

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের
উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা
হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা

১৭ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

৪ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের
পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!
১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা
ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস
শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা
ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

১ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প
শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন
প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী
‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা
ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ

৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

কালুরঘাটে রেল ও সড়ক সেতু নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ১৪ মে
কালুরঘাটে রেল ও সড়ক সেতু নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ১৪ মে

২৩ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস
মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩ এপ্রিল)

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে কারণে পরমব্রত’র সঙ্গে কৌশানীর অভিনয়ে আপত্তি ছিল বনির
যে কারণে পরমব্রত’র সঙ্গে কৌশানীর অভিনয়ে আপত্তি ছিল বনির

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঈদের দিন ঘুরতে বেরিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেফতার
ঈদের দিন ঘুরতে বেরিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেফতার

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৮ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি কমলো ৪.৪১ শতাংশ
৮ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি কমলো ৪.৪১ শতাংশ

১৬ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি কার্যকর ও ফলাফলমুখী ‘বিমসটেক’-এর ওপর গুরুত্বারোপ পররাষ্ট্র উপদেষ্টার
মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি কার্যকর ও ফলাফলমুখী ‘বিমসটেক’-এর ওপর গুরুত্বারোপ পররাষ্ট্র উপদেষ্টার

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে

সম্পাদকীয়

চোখের পলকে চুরি-ছিনতাই
চোখের পলকে চুরি-ছিনতাই

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে : খালেদা জিয়া
সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে : খালেদা জিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

সর্বত্র ভোটের আলোচনা
সর্বত্র ভোটের আলোচনা

প্রথম পৃষ্ঠা

উপচে পড়া ভিড় বিনোদন কেন্দ্র ও চিড়িয়াখানায়
উপচে পড়া ভিড় বিনোদন কেন্দ্র ও চিড়িয়াখানায়

পেছনের পৃষ্ঠা

ঈদযাত্রায় প্রাণহানি অর্ধশত
ঈদযাত্রায় প্রাণহানি অর্ধশত

প্রথম পৃষ্ঠা

ওয়ানডে সিরিজও জিতল নিউজিল্যান্ড
ওয়ানডে সিরিজও জিতল নিউজিল্যান্ড

মাঠে ময়দানে

ঈদের ৬ ছবির হালচাল
ঈদের ৬ ছবির হালচাল

শোবিজ

ইউনূস-মোদি বৈঠক কাল
ইউনূস-মোদি বৈঠক কাল

প্রথম পৃষ্ঠা

শাকিবের প্রশংসায় বুবলী
শাকিবের প্রশংসায় বুবলী

শোবিজ

কেউ ঢাকায় ফিরছেন আবার কেউ ছাড়ছেন
কেউ ঢাকায় ফিরছেন আবার কেউ ছাড়ছেন

পেছনের পৃষ্ঠা

৩২ শহীদ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন জামায়াত আমিরের
৩২ শহীদ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন জামায়াত আমিরের

প্রথম পৃষ্ঠা

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই

সম্পাদকীয়

রংপুরে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা
রংপুরে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা

নগর জীবন

ভারতের ঘটনার প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশে দেখা যায়
ভারতের ঘটনার প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশে দেখা যায়

প্রথম পৃষ্ঠা

গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো উঠছে টেবিলে
গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো উঠছে টেবিলে

প্রথম পৃষ্ঠা

বেড়াতে নিয়ে রাতভর শিশু ধর্ষণ
বেড়াতে নিয়ে রাতভর শিশু ধর্ষণ

দেশগ্রাম

চাঁদা না দেওয়ায় দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা
চাঁদা না দেওয়ায় দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেই স্থানীয় পর্যায়ে
বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেই স্থানীয় পর্যায়ে

প্রথম পৃষ্ঠা

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

প্রথম পৃষ্ঠা

মোংলায় হচ্ছে বাণিজ্য হাব
মোংলায় হচ্ছে বাণিজ্য হাব

দেশগ্রাম

দুর্ঘটনাপ্রবণ ১৫৯ কিলোমিটার
দুর্ঘটনাপ্রবণ ১৫৯ কিলোমিটার

দেশগ্রাম

মোদির চিঠি শাহবাজের টেলিফোন
মোদির চিঠি শাহবাজের টেলিফোন

প্রথম পৃষ্ঠা

দেশে নদনদীর সংখ্যা এখন ১২৯৪
দেশে নদনদীর সংখ্যা এখন ১২৯৪

পেছনের পৃষ্ঠা

কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ

সম্পাদকীয়

আবারও ডেঙ্গু বিস্তারের শঙ্কা
আবারও ডেঙ্গু বিস্তারের শঙ্কা

রকমারি নগর পরিক্রমা

ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ
ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

নেতানিয়াহু প্রবেশ করা মাত্র গ্রেপ্তার করুন
নেতানিয়াহু প্রবেশ করা মাত্র গ্রেপ্তার করুন

পূর্ব-পশ্চিম

ঈদের ছুটিতে হত্যা ভাঙচুর লুটপাট
ঈদের ছুটিতে হত্যা ভাঙচুর লুটপাট

পেছনের পৃষ্ঠা