জনগণকে বঞ্চিত করে ৩৪ লাখ ১০ হাজার ৫১৯ টাকার তিনটি সরকারি প্রকল্প নিজের বাড়িতে বাস্তবায়ন করেছেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অভিযানে বেরিয়ে এসেছে এমন তথ্য। অভিযুক্ত গাজী গোলাম মোস্তফা গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা। প্রকল্পগুলো হলো- ৩১ লাখ ১০ হাজার ৫১৯ টাকা ব্যয়ে পানির লবণাক্ততা দূরীকরণ প্লান্ট। ২ লাখ টাকার স্ট্রিট লাইট এবং লক্ষাধিক টাকার একটি ঘাটলা। গিমাডাঙ্গার মধ্যপাড়ায় গাজীবাড়ি জামে মসজিদের বরাদ্দকৃত সরকারি ৫ লাখ টাকাসহ এসি, সোলার প্যানেল ও অন্যান্য সরঞ্জাম আত্মসাতের অভিযোগে গত সোমবার দুদক অভিযান পরিচালনা করে। অভিযোগগুলোর সত্যতা মেলেনি। পরে ওই মসজিদের দুটি নষ্ট এসির খোঁজ করতে উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান গাজী গোলাম মোস্তফার গিমাডাঙ্গা মধ্যপাড়ার বাড়িতে যায় দুদক টিম। সেখানে সরকারি চারটি স্ট্রিট লাইট, পল্লী অঞ্চলে পানি সরবরাহ প্রকল্পের রিভার্স অসমোসিস (অরও) প্লান্ট ও একটি পাকা পুকুর ঘাটলার সন্ধান পান তারা। দুর্নীতি দমন কমিশনের গোপালগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক (ডিডি) মশিউর রহমান জানান, ২০১৭ সালের ২৯ নভেম্বর গোপালগঞ্জ জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের তৎকালীন নির্বাহী প্রকৌশলী দীপক চন্দ্র তালুকদার সাধারণ মানুষকে বঞ্চিত করে গাজী গোলাম মোস্তফার বাড়িতে আরও প্লান্ট করে দেন। এ ছাড়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস ২ লাখ টাকা মূল্যের চারটি স্ট্রিট লাইট স্থাপন ও লক্ষাধিক টাকার একটি ঘাটলা করে দেয় ওই বাড়িতে। তাদের বিরুদ্ধে অচিরেই আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।